মূল লেখায় যান

একাই একশো

রেজিনা আহমেদঅন্যান্য২১টি মন্তব্য

“আত্মবিশ্বাস” অনেক অসম্ভবকেই সম্ভব করে তুলতে পারে.. বেশিরভাগ মানুষই নিজেকে ভালবাসতে এবং সম্মান করতে জানেনা.. অথবা সম্মান করা আর স্বার্থপরতার বিষয়গুলিকে গুলিয়ে ফেলে..

কিন্তু নিজেকে ভালোবাসা মানে তো স্বার্থপরতা নয়, নিজেকে ভালোবাসার মধ্যে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাও লুকিয়ে থাকে..একজন মানুষ যখন নিজেকে ভালবাসতে পারবে তখন সে অনায়াসেই অপরজনকে ভালবাসতে জানবে।।

বেশি কিছু নয়, সামান্য একটু চেষ্টা করলেই নিজেকে ভালোবাসা যায়, এই যেমন অবসরে নিজের গুন গুলো নিয়ে ভাবতে হবে, সেগুলোকে স্বীকৃতি দিতে হবে, কিভাবে দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা যায় সেটা নিয়ে ভাবতে হবে, সব মানুষের মধ্যেই কিছু না কিছু বিশেষ গুণ আছেই, এই গুনগুলো কে নিজের শক্তি হিসেবে ভাবতে হবে।।

যা মন চায় তাই করতে হবে, এই যেমন বই পড়া ,গান শোনা ,ঘুরতে যাওয়া কিংবা বন্ধুর সান্নিধ্যে আসা যেটা মন চাইবে সেটাই করতে হবে.. এবং অবশ্যই পারিবারিক জীবনের ছোট বড় সবাইকে ভালো রাখার চেষ্টা করতে হবে কিন্তু সেটাও নিজেকে কষ্ট দিয়ে নয়..

আর সবচেয়ে বড় কথা নেতিবাচক মন-মানসিকতার মানুষদের থেকে দূরে থাকাই ভালো.. ঐযে কথায় আছে না ,”সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস”.. তাই শুধু বন্ধু নির্বাচনে নয় জীবনসঙ্গী নির্বাচনেও সতর্ক হতে হবে,,
নিজেকে ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে এ সবগুলোই সম্ভব.. এখানে কোনো স্বার্থপরতার জায়গা নাই, শুধু দেখার এবং ভাবার পার্থক্য আছে মাত্র.. তবে আত্মবিশ্বাস যেনো অহংকারের পর্যায় না পৌঁছায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত।।

 

 

কলকাতা
দ: ২৪পরগণা

মোট পড়েছেনঃ ১২০৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২১টি মন্তব্য

  1. বেশিরভাগ মানুষই সম্মান করা আর স্বার্থপরতার বিষয়গুলিকে গুলিয়ে ফেলে..
    ////
    ..একজন মানুষ যখন নিজেকে ভালবাসতে পারবে তখন সে অনায়াসেই অপরজনকে ভালবাসতে জানবে।।

    চরম সত্যি –

    নিজেকে ভালবাসতে না পারা অনেকটা মানষিক প্রতিবন্ধকতা।

    নিজের প্রতি শ্রদ্ধানুভুতি- অবশ্যই অন্যকে শ্রদ্ধা করার মত মন তৈরী করে দিবে।

    চমৎকার লিখা আপু।

    1. আমরা নিজেকে ভালো বাসতে পারি কয়জন?
      নিজেকে নিয়ে ভাবিই বা কয়জন?
      “আমি কি চাই”__এটা নিজের কাছে পরিষ্কার করে জানতে হবে, নিজেকে ভালোবাসতে জানার সুখটাই আলাদা

  2. আগে নিজে নিজেকে চিনতে হবে, নিজেকে নিয়ে ভাবতে হবে। তারপর স্রষ্টার সৃষ্টিকে ভালোবাসতে হবে। সমাজের ইতিবাচক দিকগুলোতে সাড়া দিতে হবে। নেতিবাচক বিষয়গুলো ঘৃণার চোখে দেখতে হবে। তাহলেই স্বাদের জীবন মনে হয় ধন্য হতে পারে।
    আপনাকে শুভেচ্ছা!

  3. এখানে কোনো স্বার্থপরতার জায়গা নাই, শুধু দেখার এবং ভাবার পার্থক্য আছে মাত্র.. তবে আত্মবিশ্বাস যেনো অহংকারের পর্যায় না পৌঁছায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত।।
    খুব ভাল বলেছেন প্রিয়।

  4. চমৎকার লিখেছেন। হ্যাঁ আগে নিজেকে ভালোবাসতে হবে। নিজের পছন্দের কাজগুলো মূল্যায়ন করতে হবে। যে নিজেকে ভালবাসতে পারে না সে আর কাউকে কিভাবে ভালবাসবে?
    কেবল আত্মবিশ্বাসীরাই নত

  5. আত্ম বিশ্বাস ছাড়া মানুষ বাচতে পারে না যখনি নিজেকে অপদার্থ অকর্ম মনে হবে তখনি কিছু একটা অঘটন ঘটিয়ে ফেলবে।তাইতো আপনার সাথে একমত…নিজেকে ভালবাসতে শিখতে হবে,ভালবাসতে হবে তবেই জীবন হবে সব চেয়ে সুন্দর নিরাপদ।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।