মূল লেখায় যান

আমার রোজনামচা ২

শাহানা আক্তারএকান্ত অনুভূতি, বিবিধ২২টি মন্তব্য

বড় ছেলে সৌমিককে বাসার পাশেই একটা দোকানে পাঠিয়েছি কিছু জিনিস কিনে আনার জন্য। দোকানে গিয়ে সে ফোন করলো, আম্মু পাউরুটি, চিনি, লবন আর সাবান এই কয়টাইতো বলেছো আর কিছু কি লাগবে? তখনই আমার মনে হলো বাসায় তো দারুচিনি শেষ অন্য সময় বলতে মনে থাকেনা তাই বললাম, দারুচিনি পেলে নিয়ে এসো। সে জানতে চাইলো কতটুকু আনবো? আমি বললাম, আমিতো দাম জানিনা দাম কিরকম আগে সেটা দেখো, তারপর যে টাকা নিয়ে গেছো তা দিয়ে ব্যালেন্স করে নিয়ে এসো। সৌমিক এবার জানতে চাইলো, এক কেজি, নাকি দুই কেজি কতটুকু আনবো? ছেলের কথাশুনে আমিতো যারপরনাই অবাক!!

(উল্লেখ্য, সৌমিক চুয়েটে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ এবার দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছে। সে আসলে ভেবেছিলো সাধারণ চিনির মতো দারুচিনিও হয়তো একটা চিনি। বাচ্চাদের দোষ দিয়ে কি হবে, ওদেরকে নিয়ে যদি বাজারে যাওয়া না হয় তবে ওরা বাজার করা শিখবে কি করে??)

মোট পড়েছেনঃ ৬৪৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. হা হা হা তাও ভাল প্রশ্নটা করেছিল। নইলে আপনার কিচেন দারুচিনিতে ভরে যেত। আজকাল বাচ্চাদের ঘাড়ে স্কুল আর কোচিং এর বোঝা এমনভাবে চাপিয়ে দেওয়া হয় যে তারা এর বাইরে হাতে কলমে কিছুই শেখার সুযোগ ও সময় কোনটাই পায়না।

  2. অনেক কিউট আপনার ছেলেটা। যারা খুব ইনোসেন্ট তারা কিন্তু এমনই থাকে।

    সত্যি বলতে কি সন্তান বড়ো হয়ে গেলে মায়েরাই সবচেয়ে নিঃসঙ্গতাকে সঙ্গী হিসেবে পায়। কিন্তু এমন ইনোসেন্ট টাইপ সন্তান থাকলে মায়েরা কখনো একা হয়না।

  3. আপু আপনি আমার কথা জানলেন কিভাবে? আমিও তো আমার আম্মুকে একই প্রশ্ন করেছিলাম :p ভাগ্য ভাল যে আমি সৌমিক নয়, তাহলে তো আপনাকে আপু ডাকতে পারতামনা 🙂
    আমি এখন অন্নেএক বুদ্ধিমান হয়েছি আপু, সব্বাই জানে এটি 🙂

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।