আমার চোখে পুরুষ
বর্তমান যুগে মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্ককে আরোও দৃঢ়, স্বচ্ছ ও মূল্যবান করতে আমরা প্রতিটি সম্পর্কের উপস্থিতিকে একটি বিশেষ দিনে বিশেষভাবে মূল্য দিয়ে পালন করি..এই যেমন নারীদিবস, শিশুদিবস কিংবা প্রেমদিবস/ভ্যালেন্টাইন্স ডে ইত্যাদি…ঠিক সেরকমই আজকের দিনটি প্রতিটি পুরুষের কাছে মূল্যবান.. হ্যাঁ, আজ ১৯শে নভেম্বর, আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসের কথা বলছি।।
“পুরুষ”_এই তিন অক্ষরের শব্দটি শুধু সমাজেই নয়,একজন নারীর জীবনেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ অলংকার বলে আমি মনে করি।।
জীবন পথে চলতে গিয়ে আমরা ঘরে-বাইরে অনেক পুরুষের সান্নিধ্যে আসি,, কিন্তু
কখনোও কি খেয়াল করে দেখেছেন, এদের আমাদের প্রতি অভিযোগ খুব কম,, এরা যেনো প্রতি মুহূর্তে একটা সঙগ্রাম করে চলে, অথচ টের পেতে দেয়না, প্রকাশও করেনা.. কারণ তারা “পুরুষ”..আর নিজের কষ্টের কথা এদের প্রকাশ করতে নেই।।
কঠিন পরিশ্রমে এদের গা দিয়ে ঘামের সাথে অনেকসময় রক্তও ঝরে পড়ে, কিন্তু কাঁদতে এদের মানা.. পুরুষের চোখের জল চোখেই শুকিয়ে যায়.. পুরুষের বুক ফাটে কিন্তু মুখ ফোটেনা সহজে।।
” পুরুষ”একই জামা আর একই জুতো পরে দীর্ঘদিন কাটিয়ে দিতে পারে, কারণ তার ঐ নতুন জামা বা জুতো কেনার টাকায় হয়তো সন্তানের জন্য খেলনা বা খাবার অথবা স্ত্রী/প্রেমিকার জন্য একগুচ্ছ সুগন্ধি ফুল কিনে তাদের মুখে একচিলতে হাসি সে দেখতে পাবে এই আশায়।।
কিংবা কাজের নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হওয়ার পরেও হাসিমুখে ওভারটাইম করে বাড়ি ফেরে “পুরুষ”..।
ভাবুন তো আমরা কি এর দাম দিতে পেরেছি কখনোও? শুধু অভিযোগ, অভিযোগ আর অভিযোগ,,আমরা কখনোই তাদের সমব্যাথী হতে পারিনি, ,তাইতো বাবার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জন করে আনা পয়সায় বাড়িতে চেয়ারে বসে পায়ের ওপর পা তুলে খাবার খাওয়ার স্পর্ধা আজও অনেকে রাখে।।
“পুরুষ” মানেই তাই স্বেচ্ছাচারী,চরিত্রহীন, লম্পট, বিশ্বাসঘাতক কিংবা ধর্ষক এই তকমা দেবেননা..
মনে রাখবেন, সমাজে সবকিছুর ব্যতিক্রম বর্তমান,, আর যারা ব্যতিক্রমী তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা আছে, সেকথা এখানে নাইবা বললাম,,
আজ তাই অভিযোগের তীর না তুলে আমি সেইসব সকল পুরুষকে সম্মান জানাই, জানাই শ্রদ্ধা-ভালোবাসা.. পুরুষ তুমি বীর, তুমি যোদ্ধা, তুমি একজন স্ত্রীর সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য স্থান.. পুরুষ তুমি একজন দায়িত্বশীল বাবা, একজন নিঃস্বার্থ প্রেমিক, এক অফুরন্ত ভালোবাসা।। সব রুপেই তুমি আমার কাছে পূজনীয়..
**সোনেলা ব্লগের প্রতিজন আমার দাদা, ভাই, বন্ধু প্রত্যেককে জানাই পুরুষ দিবসের শুভেচ্ছা,,
কলকাতা
দক্ষিণ ২৪পরগণা


২৬টি মন্তব্য
পুরুষ”একই জামা আর একই জুতো পরে দীর্ঘদিন কাটিয়ে দিতে পারে, কারণ তার ঐ নতুন জামা বা জুতো কেনার টাকায় হয়তো সন্তানের জন্য খেলনা বা খাবার অথবা স্ত্রী/প্রেমিকার জন্য একগুচ্ছ সুগন্ধি ফুল কিনে তাদের মুখে একচিলতে হাসি সে দেখতে পাবে এই আশায়।।
হ্যাঁ, পুরুষ পারে,,
পুরুষ দিবসের শুভেচ্ছা আপনাকে
সুন্দর একটি লেখা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। তবে একটি সুখি ফ্যামিলির জন্য একজন নারী সমব্যাবহার কামনা। তাতে সবাই ভাল থাকে।
ধন্যবাদ আপনাকে
আমার বাবার কথা মনে পড়ে গেল- আমি তার চোখ ভিজতে দেখিনি- তবে মায়ের মুখে শুনেছি সে আমার জন্য কাঁদতো।
২রা জুলাই ২০১৮- বাবা চলে গেলেন আমাদের ফেলে, আমার চোখে, দুনিয়ার সমস্ত পুরুষদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ পুরুষ ছিলেন আমার বাবা।
এবং শ্রদ্ধা সবার জন্য।
–
সর্বোপরি পুরুষ বা নারী যাকেই মন্দ বলবেন যদি প্রয়োজন হয় তাকে বলুন- পুরুষ জাতি বা নারী জাতি কে নয়।
অনেক ভাল লেগেছে।
শুভেচ্ছা আপনাকে।
মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে
অন্তত এদিনে একজনকে পাওয়া গেল যে একটু ভিন্ন চোখে ভিন্ন ভাবে দেখেছে।
ধন্যবাদ।
আপনাকেও অসংখ্য ভালোবাসা
বাহ্ আপু, পুরুষদের নিয়া চমৎকারভাবে আপনার অভিব্যক্তি তুলে ধরলেন………….আপনাকে স্যালুট
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
ধন্যবাদ আপনাকেও আপু
কঠিন পরিশ্রমে এদের গা দিয়ে ঘামের সাথে অনেকসময় রক্তও ঝরে পড়ে, কিন্তু কাঁদতে এদের মানা.. পুরুষের চোখের জল চোখেই শুকিয়ে যায়.. পুরুষের বুক ফাটে কিন্তু মুখ ফোটেনা সহজে….
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
পুরুষ দিবসের শুভেচ্ছা আপনাকে,
পুরুষের এই সমস্ত গুনের কারনেই সে পুরুষ।
আপনি খুব পজেটিভ চিন্তা করতে পারেন।
আপনাকেও শুভেচ্ছা।
পজিটিভ চিন্তা আছে বলেই সবকিছু সহজেই ওভারকাম করতে পারি,, ধন্যবাদ আপনাকে
আপনি তো আমাদের (পুরুষ মানুষ) নিয়ে ভালোভাবে চিন্তা করে ফেলেছেন। আপনার জয় অনিবার্য! ঈশ! আপনার মতো যদি এই পৃথিবীর মায়ের জাতি সব মেয়েরা ভাবতো, এই পৃথিবীটা আর শান্তিতে থাকতো।
ধন্যবাদ আপনাকে।
হাতের পাঁচটা আঙুল তো সমান নয় ,কি আর করা যাবে,, সবাইকে নিয়ে ভালোবাসা দিয়ে চলতে হবে, তবেই জীবনের সার্থকতা
আমিও একজন পুরুষ তবে এখনও পুরুষের দায়িত্ব কর্তব্য বুঝে উঠতে শিখছি । আমার বাবাকে আমি দেখে পুরুষ কাকে বলে গর্ব করি ।
সকল পুরুষ পুরুষ হোক।
আপনার প্রতি অনেক শুভেচ্ছা রৈলো
এমন ভাবে পুরুষের গুনাবলী প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ আপু।
ভালোবাসা রৈলো
খুব ভাল লিখেছ। সুন্দর উপস্থাপন। সুন্দর লেখার বিষয়বস্তু।
ধন্যবাদ দাদা
রেজিনা, অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা আপনাকে এতো মনোগ্রাহী একটি লেখা উপহার দেবার জন্যে।
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
ভালোবাসা নেবেন
আপনাকেও ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।