মূল লেখায় যান

অহংকার করিওনা

রেজিনা আহমেদএকান্ত অনুভূতি২২টি মন্তব্য

আব্বু বলতো, বিপদ কখনো কাউকে জানিয়ে আসেনা, নিজেকে তাই এমনভাবে তৈরী করো যাতে শত্রুকেও সাহায্য করার সময় তোমার মনে কোনো অহংকারবোধ না জন্মায়.. তাই কোনোরকম প্রাপ্তির আশা না করেই বিপদের দিনে চরম অপছন্দের মানুষ বা শত্রুকেও সামর্থ্য মতো সাহায্য করতে শিখেছি সেই ছোটবেলা থেকেই।। পরবর্তীতেও করবো

কিন্তু পরিচিত অনেককেই দেখি পূর্বশত্রুতা বজায় রাখতে বা অহংকারের বশবর্তী হয়ে মুখে অনেক বড়ো বড়ো ভাষণ দিলেও কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা..আর এটাকে তারা নাম দেয় “আত্মসম্মানবোধ”…ভাইরে যে মানুষটা রিক্সা চালিয়ে সন্তান-পরিবারের পেট পালে তারও সম্মান আছে.. “আত্মসম্মান” আর “অহংকারের” মধ্যে পার্থক্য আমাদের মতো শিক্ষিত মানুষদের বোঝা উচিত।।

কাজেই আত্মসম্মানবোধ যখন অহংকারবোধে পরিণত হয় তখন সেই মানুষগুলোর প্রতি নূণ্যতম কোনো শ্রদ্ধা আমার আর থাকেনা,, ঘেন্না পর্যন্তও আসেনা, বরং দয়া হয়,, কারণ সবসময়ের জন্য দেখেছি “অহংকার হলো পতনের মূল কারণ”

 

—————
কলকাতা
দক্ষিণ ২৪পরগণা

মোট পড়েছেনঃ ১৯৮৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

    1. ভালোবাসা নেবেন ভাই

      ঐ আরকি একটু চেষ্টা করি মোটিভেট করার, বাস্তবেও আমি এমনটাই করি,,অনেক মানুষ অনুপ্রেরণা পায় বলে যখন জানায় তখন সেটুকু প্রাপ্তি ই বিশাল ভালোলাগে

  1. চমৎকার লিখেছেন। সত্যিই অহংকার পতনের মূল
    আমিই তার জলজন্ত উদাহরণ।
    যখনই কিছু নিয়ে অহংকারী হয়ে উঠি তখনই তা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায়‌। তবুও বার বার অহংকারী হয়ে উঠি।

  2. আত্মসম্মান আর আত্ম অহংকার এক জিনিস নয়। প্রথমটা ব্যাক্তি স্বত্বা গঠনে জরুরী, আর ২য় টি ব্যাক্তিত্ব খর্ব হওয়ার প্রধান কারন। তাই অহংকার পরিত্যাগ করাই উত্তম।

    ভালো লেগেছে একান্ত অনুভূতি।
    নিয়মিত লিখুন,
    শুভ কামনা 🌹🌹

  3. অহংকার করা কোন সময়ই উচিৎ না,
    তবে অহংকার নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন।

    ছোট লেখা তবে বিশাল বার্তা লেখায়।

    উপরে দু জনের মন্তব্যের জবাব দেননি,
    খেয়াল করেননি হয়ত।

    অন্যদের লেখাও পড়ুন,
    শুভ কামনা।

  4. অহংকার করা কোন সময়ই উচিত নয়,
    অহংকার করা ভালো নয়।
    অহংকার কখনো সম্মান হয় না
    অহংকার শুধু অহংকার হয়।
    অহংকার নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন।
    চমৎকার লিখেছেন দিদি।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।