নুয়ে পড়া দিগন্তের পথে

 লিখেছেন on সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১৭ at ৯:৫০ পূর্বাহ্ন  একান্ত অনুভূতি  Add comments
সেপ্টে. ৩০২০১৭
 


হেঁটে যাব কোনো একদিন অবারিত মাঠের প্রান্তে
নুইয়ে পড়া আকাশের নীলটুকু ছুঁতে
বসে রব আদিগন্ত নদীর বুকে।
তোমার কোমর জড়িয়ে শক্ত করে বেঁধে দিব আঁচলের বেড়।
গোধূলীক্ষণে মিলিত হাসির উচ্ছাসে মধুর হয়ে উঠবে দিন ও সন্ধ্যার সে মিলনক্ষণ।
তোমার চোখের পানে চোখ রেখে চেয়ে রব অপলোক
দেখে নিও এ চোখে তখন সদ্য ক্ষান্ত বর্ষনের শীর্ণ জলরেখার চিহ্ন।
কোনো এক রৌদ্রদগ্ধ দিনে
তোমার বুকে ছেড়ে এসেছি অদম্য এসব উত্তেজনার স্পন্দন।
যে আবেগের শ্যামলিমা আছে কিন্তু উন্মুক্ত বিস্তার নেই
তার কতোটুকু উপলব্দি করেছো জানতে ইচ্ছে হয়েছে অনেকবার।
তোমাকে ঘিরে থাকে চারদিকের নির্মম কঠোরতার কোলাহলে
দুর্জ্ঞেয় সেই কঠোর কোলাহল, দুর্লঙ্ঘ সেই সব বিধিনিষেধ।
কেমন করে কিসের জোরেই বা পার হই সেই সব বিধিনিষেধ!
না পাওয়ার করুন চোখে তাকিয়ে অস্ফুট চিৎকারে সরে আসি।
এ পৃথিবীর পৈশাচিক হাসিতে ক্ষণিক সব আবেগ নিরুত্তাপ হয়।
আপত দৃষ্টিতে যে অপরাধে অপরাধি হলে ধিক্কারের ঝড় ওঠে
অথচ অন্তরের দিকে তাকিয়ে কি করে বলি, আমি অপরাধি!

  ৯টি মন্তব্য, “নুয়ে পড়া দিগন্তের পথে”

    
  1. পাঠে অশেষ মুগ্ধতা, আপু আপনার প্রতিটা লেখাতে মুগ্ধ না হয়ে পারিনা

  2. 
  3. বিধিনিষেধ উপেক্ষা করা যায় না,
    অলংঘনীয় সীমানা অতিক্রম করা যায় না।

    বেশ ভাল লিখছ আজকাল।

  4. 
  5. হৃদয়ে চাওয়াক্ে, অন্তর যা চেয়ে থাকে, অনেক অপরাধী ঘুরে বেড়ায় কিন্তু মন অপরাধীর সকল দোষ।
    মনের চাওয়াকে চেয়েই বাহির হয় ঐ অন্তরকে ধরতে থাকনা বিধিনিশেধ।

    আপনার লেখা পড়ে ভাল লাগলো।

  6. 
  7. অপলক, শব্দটার দিকে দৃষ্টি দিয়ে পলক ফেলো। কি পেলে?
    আদিগন্ত মাঠ, কোলাহলমুখর নদী, প্রশস্ত আকাশ, ধবল জ্যোৎস্না সব সাজানো আছে।
    একেকটি মাইলস্টোন পার করে কিন্তু দৃষ্টিকে জিরোতে দিও;
    দেখবে সীমা পার করে যা চাওয়া ছিলো, সব পাওয়া ঝুলিতে ভরে আছে।

    খুব ভালো লিখেছো আপু।
    অনেক ভালো থেকো। -{@