মূল লেখায় যান

সাচ্চাকথা রটছে দেখুন র‍্যাব অভিযানে করছে কারা করাচ্ছে কারা দেখুন সবে জানে শুধু শুধুই জনতাকে মাঝে আনছ কেন? দেশের হর্তাকর্তা করছে সগৌরবে করছে নিজ ক্ষমতা গৌরবেই। ধরছে পরা নর্তকী দারোয়ানরা ধরছেনা কেন মিয়া ভাইয়েরা অভিনেতা পড়ছে ধরা পরিচালক কেন ছাড়া? সকল অন্যায় রইছে বাঁধা পাপজমা স্রষ্টায় আঠা ক্ষমতা দেখাচ্ছ দেখা শাস্তির বিধান পরকারে পাক্কা! কেলেঙ্কারি… [বিস্তারিত]

আমরা ক্রমশ বন্য আদিম অসভ্যতা বর্বরতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। শ্রেষ্ঠ জীব মানব থেকে দানবে পরিণত হচ্ছি। পরিণত হচ্ছি নরপিশাচ জানোয়ারে। মানুষের প্রতি মানুষের দরদ মায়া মমতা সহানুভূতি সহমর্মিতা ভালোবাসা স্নেহ সম্মান শ্রদ্ধা দিন দিন যেন লোপ পেতে বসেছে। ভুলে যেতে বসেছে মানবতা সামাজিকতা আন্তরিকতা সৌজন্যতা বিনয় নৈতিকতা ধর্মীয় রীতিনীতি এবং অনুশাসন। অতি তুচ্ছ কারণেও মানুষ… [বিস্তারিত]

জেগে থাকার ঘুম

ছাইরাছ হেলালএকান্ত অনুভূতি১৮টি মন্তব্য

পরস্পর দুশমন, ঘুম ও জাগরণ, শেষমেশ কে কাকে বেছে নেবো/নেবে; সামান্য একটু মাঙ্গলিক তদন্ত শেষে, পাশাপাশি বসে, সহায়ক পদক্ষেপ কী বা কী কী নেয়া যায়, নিরপেক্ষ অবাধ উন্মুক্ততায়, ন্যায়-নিষ্ঠ মিষ্টতায়; দু'ভাগকারী এদিক না ওদিক অংক-হিশেব ফেলে-টেলে নিদেন পক্ষে মুখোমুখি না-হোক, পিঠোপিঠি তো বসা যেতেই পারে; অক্ষত বৃষ্টির ছাট এড়িয়ে; না, নাহ; নীরবতার কোন হিমেল ফারাক… [বিস্তারিত]

বক সাদা, সফেদ, শুভ্র কাপড় পরিধান করি। আপদমস্তক দেখে মনে হয় আমি একজন সাদামনের মানুষ। আসলেই কি তাই ? কিন্তু কেউ জানে না আমার ভেতর বসবাস করে “আমি” নামক এক হিংস্র কালো প্রেতাত্মা। সেই আমি খুবই স্বার্থপর সে নিজের স্বার্থের বাইরে অন্য কিছু চিন্তা করে না। চিন্তা করতে চায়না। কারো উন্নতি তার সহ্য হয়না বরং… [বিস্তারিত]

বৃষ্টির দংশন- বিপরীত বজ্রনিনাদ গর্জে ওঠার আশংকায় শংকিত হওয়ার কোনো কারন ছিলনা ভেবেই স্নেহ ছিলো নিশ্চিন্তে। নির্ভাবনার খসরায়, দায়হীন মায়ায় শিরিষের পাতায় জোনাকের আলো ছিলো নীলচে; শেষাবধি বদলে যাওয়াই ধর্ম,- বলে প্রমানিত। তাই..... তরল জলের মতই অনঢ় রয়ে যাওয়াও ধর্ম বলে- না বলেই ছুটিয়ে নেয়াই যায় মায়ার বন্ধন। যেখানে বৃষ্টিরা বসিয়ে দিতে জানে লোমহর্ষক কামড়!… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

না-থামা-বৃষ্টি হয়ে এসো আবার যেমন এসেছিলে সেই সে-বার, হয়ে যাক একটু লেনদেন, সন্ধি গড়ার; বখে যাওয়া দমকা/ইঁচড়ে-পাকা বাতাস সে তো থাকেই প্রতিপক্ষের মত! নিয়তি ভেবে ঘাসের উপর বিছিয়ে দিতে পার, ফোঁটা ফোঁটা হীরক-কণা অনিন্দ্য সৌন্দর্যের বন্ধুত্বে, দ্বন্দ্ব মিটিয়ে; চাঁদ-কে জড়িয়ে ধরা দূর-মেঘ বৃষ্টি হয়ে এসো, হেঁটে বেড়ানো ফুলের সাথে, উচ্ছ্বসিত অত্যুজ্জ্বলতায়, আলো আধারের গোধূলিতে; তারপর… [বিস্তারিত]

তুমি আমার খবর নিও। যদি পারো প্রতিদিন চিঠি দিও। আমার কথা কী কখনো পড়ে মনে। হাওয়ায় যখন ঝুমকা দোলে তোমার কানে। হয়তবা এতোদিনে তুমি অনেককিছুই গিয়েছ ভুলে তোমার প্রেমে পড়েছিল একটা ছেলে। কত না মধুর ছিল বর্ণীল আবেগ আনন্দ উচ্ছ্বাস। হাতে হাত রেখে লং-ড্রাইভে হারিয়ে যেত সকল দীর্ঘশ্বাস। প্রতিদিন সকালে এসে তুমি দাঁড়াতে। লাল টকটকে… [বিস্তারিত]

শ্রাবণে আকাশে মেঘের লুকোচুরি খেলা। কত রূপে সাজে সে বেলা অবেলায়। ক্ষণে ক্ষণে সে কত রং বদলায়। মাঝে মাঝে ঢেকে দেয় প্রভাতের সূর্যকে। ঘুম থেকে জেগেই দেখি আকাশ ছেয়ে আছে কালো মেঘে। আকাশের মেঘ ভর করে মনের ছায়ায়। আকাশ ফুঁড়ে নামে বৃষ্টি। আমার চোখে ভাসে তখন বসের হাতে লাল কালি। যদি হয় ছুটির দিন। মনে… [বিস্তারিত]

স্বপ্ন হারানো আকাশ-জল আর কত-শত কাঁদবে এবেলার অবেলায় ওবেলায়! বাঁধন ছেড়ার সময়ে, অন্যত্রবাসী হয়ে, স্বভাব ভেঙ্গে, ইচ্ছে-পোড়ার দোহাই দিয়ে, নীরবে নিভৃতে, মরুকরণের গল্প ভুলে; সর্বক্ষণের শান্তি চমকের পূর্বাভাস চমকায় ঐ দূরাকাশে, নির্জীব সবুজ পাতার আড়ালে, ফুলের দেশে বসে আছে এক চাতক পাখি, নির্লিপ্ত প্রণালিতে; অলিখিত প্রতীক্ষিত জলো-বৃষ্টি সে আসবেই, উঁকি দেয়া সুখ স্নানে স্নানে, হাঁসফাঁস… [বিস্তারিত]

মজুর শ্রমিক মাইলের পর মাইল পায়ে হেঁটে আসছে। যেন দলে দলে দাবী আদায়ের মিছিলে সামিল হচ্ছে। তিল ধরণের ঠাই নেই তবুও ফেরিতে গাঁদা গাঁদি করে উঠছে। করোনাকালে স্বাস্থবিধি সামাজিক দূরত্ব অহরহ উপেক্ষিত হচ্ছে। তবুও গন্তব্য আর কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে ওরা অবিরাম ছুটেই চলেছে। অনেকের পায়ে ছেঁড়া জুতা অনেকে আবার নগ্ন পায়ে হাঁটছে। ইট বালি পাথরের আঘাতে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

ডানা-মেলা আকাশকে দেখি ভাবি একদিন আমি পাখি হবো ঐ নীলের আকাশে; অনুদিত অনুবাদে কিছু ঘুম বকেয়ায় ফেলে আঁজলা আঁজলা মুক্তো-ঝিনুকের নির্বাসিত প্রশ্নের পিঠে জন্মানো গাঢ় তিলের অঙ্কুরোদগম ফুঁ দিয়ে নিভিয়ে দেব; মেঘেদের দাঁড় করিয়ে রাখবো আরেক বর্ষা পেরিয়ে শীত অবধি; বোকা বোকা কবিতার মত সুখের অসুখে মুছে ফেলব বোবা সুখ-পাখিদের না-বলা গানের আকুতি, অলৌকিক সম্ভ্রমে;… [বিস্তারিত]

ওরে আয় আয় আয়রে সবে আবার একদিন ফিরি, ফেলে আসা তুলশী গঙ্গার তীরে। আধ-পৌঢ়া এই বয়সের ক্লান্তি ভুলে, আবার একবার ঝাঁপিয়ে পড়ি- প্রেমত্ত উত্তাল তুলশী গঙ্গার জলে। ওরে আয় আয় আয়রে সবে আবার একবার দলছুট হয়ে, দূর্বা ঘাসের ডগায় বসা লাল ফড়িং ধরতে- সংগোপনে সন্তর্পনে যাই এগিয়ে। নদীর ধারে বিশাল বটবৃক্ষের ছায়ায় বসে জলের শীতল… [বিস্তারিত]

তুমি আমার এমন একজন, যাকে ধরা যায় না,ছোঁয়া যায় না। যে অনেকটা সূর্যের মত আলো দেয় অথচ স্পর্শ করতে দেয় না,শুধু দূর থেকে দেখতেই দেয়। কাছে গেলে হারিয়ে যায় ঐ দূর অজানায়। তুমি আমার এমন একজন, যে কিনা আমার কাছে ফুলগাছের মতো, যাকে আমি প্রতিদিন পানি দেই যত্ন নেই, তাই কিছুদিনে তার ডালপালা ছড়ায়, আবার… [বিস্তারিত]

অভিমানী

প্রদীপ চক্রবর্তীএকান্ত অনুভূতি১৮টি মন্তব্য

কে তুমি? চাইছো কি, এ পথ প্রান্তরের গভীর শালবনে। কি চাইছো তুমি, নাকি শরতের শিউলি ঝরা সকাল? জানো না তুমি, শরৎ আসতে যে এখনো ঢের দেরি। বড্ড অভিমান করে আছো, তাই না বুঝি ? সকাল থেকে অঝোর ধারায় ঝরছে শ্রাবণের বৃষ্টি। নিমের কচি পাতা মাথা নুয়ে আছে। উঠোনের ভেজা মাটিতে আছে পড়ে মাধবীলতা। ঐ দূর… [বিস্তারিত]

ভালোবাসার সংসার

সুরাইয়া পারভীনএকান্ত অনুভূতি১৬টি মন্তব্য

আমি যখন কিচেনে ব্যস্ত থাকি তখন কিচেনে কারো প্রবেশাধিকার নেই, তা জেনেও তুমি পাশেই দাঁড়িয়ে থাকো। কোমরে গুঁজে রাখা শাড়ির আঁচল টেনে খোলো। কখনো আবার পিছন থেকে আলতো চেপে ধরো। দুপুরের ব্যস্ততা শেষে যখন খাবার প্লেট রাখি টেবিলে তখন তুমি ভাতঘুমকে বিদায় জানিয়ে, চুপি চুপি পাশে এসে বসো চেয়ার টেনে। তারপর খাইয়ে দাও নিজের হাতে।… [বিস্তারিত]