মূল লেখায় যান

খাওয়ার পর্ব শেষ হওয়ার পর এতক্ষণের মানুষের থিকথিকে ঘনত্বটা এখন বেশ হালকা হয়েছে। গ্রামের লোকজন যারা এসেছিল, তারা সবাই চলে গেছে যার যার মতো। তবু ঘরে এখনো ষাট-সত্তুর জন মেহমান। এখন চলছে শোবার আয়োজন। কে কোন ঘরে ঘুমোবে বলে দেয়া হচ্ছে। মৃদুলের এলটে পড়েছে বাংলো ঘরের বারান্দার একটি রুম। একটু আগে পিউর মা রাশেদা ভানু… [বিস্তারিত]

সেবার এক গ্রীষ্মের ছুটিতে মামার বাড়ি বেড়াতে এসে অনেক দিন থেকেছিল মৃদুল। পুকুরে গোসল করতে যেয়ে নাসিমাকে ধাক্কা দিয়ে পানিতে ফেলে দিয়েছিল সে; এতে রেগে গিয়ে নাসিমা বলে ওঠে- :তুমি পঁচা, তুমি একটা কুত্তা, অসভ্য, ইতর। এমন সব গালাগাল শোনে মৃদুলও নিজকে সামলাতে পারলোনা। একটা শক্ত মাটির ঢেলা হাতে নিয়ে ছুড়ে মারে নাসিমাকে। ঢেলাটা গিয়ে… [বিস্তারিত]

পর্ব -তিন সাউন্ড সিষ্টেম ছাড়া হয়েছে। শুরু হয়েছে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। ফরিদা ভানুই মেয়েকে মিষ্টি খাইয়ে ও হলুদ মাখিয়ে গায়ে হলুদের শুভ সূচনা করেছেন। এরপর একে একে চাচী, জেঠী, খালা, ফুফুরা হলুদ মাখিয়ে, মিষ্টি খাইয়ে শেষ করলো মুরব্বিদের পর্ব। মৃদুল বেশ কিছুটা দূরে গিয়ে একটা চেয়ার টেনে বসে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করছে। ছেলে মেয়েরাও তাদের কথা… [বিস্তারিত]

২.(দুই) মৃদুলের বড় মামা ওয়াহিদ মোল্লা বিরাট গেঞ্জাম বাঁধিয়ে দিয়েছেন ; কিছুতেই আধুনিকতার নামে মোল্লা বাড়িতে এসব গান বাজনা চলতে দে’য়া উচিৎ হবেনা। এ সব গান বাজনা বন্ধ করতে হবে; না হলে ওনি চলে যাবেন। সবাই মিলে ওয়াহিদ মোল্লাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কেউই তাকে শান্ত করার জন্য এগিয়ে যেতে সাহস পাচ্ছেনা। সাহস করে… [বিস্তারিত]

পর্বতকন্যের ইতিকথা

প্রদীপ চক্রবর্তীউপন্যাস৭টি মন্তব্য

#পর্ব_৬৭ ... ধুলোমাখা জীবনের পদে পদে রয়েছে কত বাঁক। কে জানতো এ বাঁক সহজের পথে উত্তরণ হবে। এ শহরে এসে কত রাত,কত প্রহর কাটিয়েছি একাকীত্বের নির্বাকে। যদিও এই একাকীত্বের উপসংহারের শেষবেলা পার্বতী নামক ভালোবাসার মানুষটি কাছে এসেছিলো। আমরা একে অপরের বদ্ধপরিকরে বেসেছিলাম ভালো দুজন দুজনাকে। নিয়তিকে অগ্নিহোমে সাক্ষী রেখেছিলাম। আজও দুজন নিয়তির উপর নির্ভর করে… [বিস্তারিত]

মাহবুবুল আলম।। ১. শেষ পর্যন্ত যে তার ভাবনাটা এভাবে খাপের খাপ মিলে যাবে তা কষ্মিনকালে ও ভাবেনি মৃদুল। যে একটি কথা পিউকে বলবে বলে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগছিল সে, সেই কথাটাই পিউ কিছুটা আগে তাকে বলেছে। শুধু বলেইনি; হাতে একটা চিরকুট ও ধরিয়ে দিয়েছে। সেই চিরকুটটা এখন ওম দিচ্ছে মৃদুলের পকেটে। কিন্তু বিয়ে বাড়ির এতসব ঝামেলা ও… [বিস্তারিত]

পর্বতকন্যের ইতিকথা

প্রদীপ চক্রবর্তীউপন্যাস১২টি মন্তব্য

#পর্ব_৬৫ সুবর্ণ গ্রামে আমাদের শীতের স্নিগ্ধ সকাল। শিশির ভেজা ঘাসের ডগায় একে একে প্রজাপতির চিহ্নচাপ। অনুরাগ জমে আছে এই শিশির ভেজা ঘাসের ডগায়। শীত এলেই যে সন্ধ্যা এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে সুবর্ণ গ্রামে। খানিকক্ষণ পর শুভ মধ্যাহ্ন। পুরো গাঁ ঘুরে বেড়ালাম আমি আর বিনোদ। ভালো একটা সময় অতিবাহিত করলাম আমরা। এ গ্রামের ঐতিহ্যবাহী কুটিরশিল্পের সাথে অনেক… [বিস্তারিত]

পর্বতকন্যের ইতিকথা

প্রদীপ চক্রবর্তীউপন্যাস১৫টি মন্তব্য

#পর্ব_৬৩ বৃষ্টিভেজা হেমন্তের রাত্রি। চোখে ঘুম নেই। চাদর গায়ে দিয়ে বারান্দায় একলা বসে জোনাকি দেখছি। রাত যত গভীর হচ্ছে কুয়াশা ততো শহরে নিমজ্জিত হচ্ছে। কনকনে শীতের আমেজ বেড়ে চলছে। দুচোখ চিন্তার ঘুমে মগ্ন। পাহাড়ের গা বেয়ে নামছে বৃষ্টি। যতদূর চোখ যায় ততো দূর দৃষ্টি মোহাচ্ছন্ন। কয়েকদিন থেকে ঘুম নেই। তবুও অতন্দ্র প্রহরীর সাজে পার্বতীর ভালোবাসায়… [বিস্তারিত]

মোহনাঃ ঐ আছিস? কি করিস? অর্ণবঃ হুম। ভাবছি। পাঁচশ টাকার এক কাপ চা নিয়ে ভাবছি। মোহনাঃ কি রে গাঞ্জা টাঞ্জা খেয়েছিস নাকি? কি ভাট বকছিস? পাঁচশ টাকা এক কাপ চায়ের দাম? তা কোথায় তৈরি হয় এমন চা? অর্ণবঃ ঐ হারামী আগে শুনবি তো নাকি? না শুনেই বকবক করছিস। রাত প্রায় ১২টা। শহর থেকে অনেকটা দূরে… [বিস্তারিত]

পর্বতকন্যের ইতিকথা

প্রদীপ চক্রবর্তীউপন্যাস১৪টি মন্তব্য

#পর্ব_৫৯ অপেক্ষায় প্রতীক্ষারত। অবশেষে প্রভাতের শুভক্ষণে,সূর্যের ঝলমলে আলোয় ভরে উঠেছে প্রকৃতির কোল। আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হচ্ছে,পাখির কূঞ্জন। রংবেরঙের সুগন্ধি ফুলের শোভার মাঝে প্রজাপতির আনাগোনা। মৌমাছি আর ভ্রমরের দলবেঁধে উড়ছে ডানা,ছুটছে সবাই মধুর অন্বেষণে। রোজকার দিনের মতো করে আমার সকালবেলা এমন ফুল,প্রকৃতি আর প্রজাপতির বন্ধনে বেলা অবসান হয়। স্নান করে আমি আর বিনোদ বইপত্র নিয়ে বেরিয়ে… [বিস্তারিত]

পর্বতকন্যের ইতিকথা

প্রদীপ চক্রবর্তীউপন্যাস৮টি মন্তব্য

#পর্ব_৫৮ ভেতরে অগাধ জ্ঞানের সাগর। সমুধুরে বিরাজমান মীরার ন্যায় সুললিত কন্ঠসুর। ললাটে রাজটীকা।আঁচলে যমুনার ভাঁজ। সরবরে শ্বেত হংস সরস্বতীর রূপবাহিকা। অকাল বোধনে নতুন ছোঁয়া। স্তব্ধতার সাথে প্রহর গুনতে গুনতে আজ আমি মুহ্যমান। কাঞ্চনজঙ্গা পাদদেশ ঘিরে কুয়াশা ডাকা রাত্রি। আলো আঁধারে চাঁদের বেশ আনাগোনা। রাত্রি কোলাহলে, ডাকে ডাহুক শেষ আঁধারের কলরবে। একিভাবে শহরের বুকে আমি অনেকটা… [বিস্তারিত]

#পর্ব_৫৬ হোটেলঘর আমার বড্ড অপছন্দের। ফ্লাটবাড়িতেই থেকে অভ্যস্ত। কিন্তু আমি নিরুপায়। তাই আপাতত কিছু করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এসব ভেবেচিন্তে কবিতা না লিখে ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম আসছে না।জানালা দিয়ে দেখছি গভীর রাতের শহর দিল্লী। পুরো শহর ল্যাম্পপোস্টের আলোয় আলোকিত। আছে শহর জুড়ে প্রেমের মরশুম আছে হাজারও স্মৃতি। তবে এই দুই থেকে আমি ভিন্ন। ভিন্ন… [বিস্তারিত]

পর্বতকন্যের ইতিকথা

প্রদীপ চক্রবর্তীউপন্যাস১৫টি মন্তব্য

#পর্ব_৫৪ হেমন্তের কুয়াশাভেজা অর্গলিত চেতনা বিলাসে হারিয়ে যাওয়া পাখির পালক খুঁজি। আমাদের শহর জুড়ে রোজ বৃষ্টি নামে। নামে কার্নিশ বেয়ে প্রেমের মরশুম। গোধলীর সুবর্ণ রৌদ্রে অস্পৃশ্য হাতে কাশফুল ছুঁয়ে দেখেছিলাম আগমনীর বর্ণিল গন্ধ। আজ হেমন্তের সপ্তম দিবস। শীতের হিমেলতা আর ভূপৃষ্ঠে পতিত পিব প্রেমবারি আমাদের ভেদ করে চলে যায় গঙ্গার তীরে। রোদ বৃষ্টি মেখে আমাদের… [বিস্তারিত]

এক মুঠো ভালোবাসা (২১তম পর্ব)

ইঞ্জাউপন্যাস২৮টি মন্তব্য

ব্রেকফাস্ট শেষে সবাই রুমে ফিরে এলে অনিক আফরিনকে বললো, তুমি ব্যাগেজ গুছিয়ে নাও, আমাদের বারোটার সময় বেরুতে হবে। ওকে, তোমার কিছু গুছিয়ে দিতে হবে? না, তুমি যাও। মা তোমাদের তো আমাদের চার ঘন্টা পর ফ্লাইট, তোমার আর বাবার লাগেজ গুছিয়ে নাও, ইন্টারকম বেজে উঠাতে অনিক এগিয়ে গিয়ে রিসিভ করে হ্যালো বললো। অপর প্রান্ত থেকে রিসেপশনিস্ট… [বিস্তারিত]

পর্বতকন্যের ইতিকথা

প্রদীপ চক্রবর্তীউপন্যাস১৪টি মন্তব্য

#পর্ব_৫০ ভাবনাপঠে আমার পিসিতো ভাই বিনোদ এক তুখোড় প্রেমিক বটে। সে অন্নপূর্ণার প্রেমে পড়েছে। নিতান্ত ভাবুক কবি আর রসালো শব্দ না থাকলে যেমন করে কবিতার ছন্দপতন হয় তাদের রোজ ছন্দপতন হলেও ইহাতে বিভ্রান্তিকর কিছু ছিলো না। প্রেমে মান অভিমান থাকবেই। কর্ম না করলে যেমন কর্মী হওয়া যায়না তেমনি প্রেম না করলে প্রেমিক হওয়া যায়না। বিনোদ… [বিস্তারিত]