পরিশ্রান্ত রুদ্র সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে ড্রয়িংরুমে বসলে ওর মা এবং ভাবী পাশে এসে বসেছেন, কাজের লোক পানি দিয়ে গেলে রুদ্র বললো, আমাকে কফি দাও। উদ্বীগ্ন মা ভাবীর দিকে তাকিয়ে রুদ্র হেসে দিয়ে বললো, আমি জানি তোমরাও টেনশন করছো, ভাবী ভাইয়ার আজ সিটি স্ক্যান করেছো? হাঁ, ডাক্তারকে দেখিয়ে মেডিসিনও নিয়ে এসেছি। ডাক্তার ফাইন্ডিংস কি দিলো? তোমার… [বিস্তারিত]
বিভাগ: গল্প
আজ এক চড়ে বদন বিগড়ে দিবো। মনে রাখিস এখনো জমিদার হরিবাবু চিতায় উঠে নি। যখনতখন ঘাড়চেপে ধরবে। ভূতের বাচ্চা ভূত! তোদের কাজকাম নেই। যখনতখন এসে আমায় জ্বালাতন দিয়ে থাকিস। অনেকদিন পর হরিবাবু ভূতপ্রেতের স্বপ্নে বিভোর হয়ে এসব কথা বলছেন। পাশের ঘর থেকে এমন কথা শুনে হিন্দুবালা চিৎকার দিয়ে বলছেন ওরে ওরে, ওঠো তোরা। সর্বনাশ হয়ে… [বিস্তারিত]
নীলুদা ডাক্তার তামাকু সেবনে বড়ই পটু। পূর্বে আনা তামাক গুলোতে দুর্গন্ধ ধরছে। যা খাওয়ার উপযোগী নয়। হরিবাবুকে ডেকে বলছেন আমার জন্য ভদ্র তামাকু সেবনের ব্যবস্থা করো। না হলে আমি আর পারছি না। হরিবাবু ঠিক আছে বলে,মোহনকে পাঠিয়ে দিলেন বাজারে। মেছোভূত, ডাকিনী, পেত্নী, শাঁকচুন্নি, স্কন্ধকাটা, ডাইনি ইত্যাদি ইত্যাদি কতরকমের ভূতপ্রেতের বসবাস না কি জমিদারবাড়ির বাগানবাড়িতে। এসব… [বিস্তারিত]
আমি আর একমাসের মাঝে অন্ধ হয়ে যাবো। কথাটা যতোটা সহজে বলা যাচ্ছে, তারচেয়ে হাজার কোটি গুণ বেশি কষ্ট হচ্ছে মানতে।ডাক্তার যখন আমাকে বললেন,আমি আর মাত্র কিছুদিন এই পৃথিবীর আলো দেখতে পারব তখন হঠাৎ করেই থেমে গিয়েছিল আমার সমস্ত পৃথিবী!আমি ডাক্তারের মুখের দিকেই তাকিয়ে রইলাম।কি জানি এই অল্পসময়ে এই লোকটার সাথে আর যদি দেখা না হয়।আমি… [বিস্তারিত]
বাসায় ফিরেই রুদ্র প্রথমে গেলো নীলের রুমে, নীল ঘুমাচ্ছে আর রিয়া সোফায় বসে বই পড়ছে দেখে রুদ্র বেরিয়ে এলো রুম থেকে, সামনেই ভাবীকে দেখে বললো, তোমার বোনটা তোমারই মতো, বেশ কেয়ারিং। রেনু হেসে বললো, এসব আমার মায়ের গুণ। রুদ্রও মৃদু হেসে করিডোর দিয়ে এগিয়ে গেলো নিজ রুমে, কাপড় ছেড়ে বাথরুমে গেলো, শাওয়ারের পানি ছেড়ে দিয়ে… [বিস্তারিত]
ক্ষাণিক থেমে অর্ক অথইয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, - আমরা একজন আরেকজনকে কতটুকুই বা চিনি জানি? - সামান্য সময়ে সামান্যইতো চেনার কথা। - আচ্ছা, যদি অনেক বেশি সময় পেতাম। ধরো, সহস্র বছর! তাহলে? তবুও কি চিনতে পারতাম? - হয়তো না। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাঝের সময়টুকুতেও মন বদলে যেতে পারে। এক মানুষ হতে পারে অন্য মানুষ। - বদলানোটা কি… [বিস্তারিত]
আনন্দপুর জায়গাটা প্রাচীনকাল হতে ভ্রমণের জন্য উপযোগী। দেশের বাইরে থেকে অনেক লোক আসে। প্রাকৃতিক পরিবেশ এছাড়া এ অঞ্চলের আবহাওয়া ছিলো অন্যরকম। বিশেষ করে জমিদাররা আসতেন আনন্দপুর ভ্রমণে। আনন্দপুর জায়গাটা না শহর,না গ্রাম। এ দুইয়ের মাঝামাঝি ছিলো। চারদিকে উঁচুনিচু, ঢালু, ভঙ্গিল পাহাড় আর সবুজে আচ্ছাদিত গাছপালা দিয়ে ডাকা। জমিদার হরিবাবুর বাড়িতে বড় হলঘর ছিলো এছাড়া রয়েছে… [বিস্তারিত]
কইগো কই গেলা? বলে দরজার কাছ থেকে ডাক দেয় আসমার স্বামী গিয়াস উদ্দিন। -এইতো আমি! বলতে বলতে রান্নাঘর থেকে বের হয়ে আসে আসমা। -কখন আইলা কামের থিকা? -মাত্রই আইলাম। পোলা কান্দে ক্যান? -আমারে জিগাও ক্যান? -একি তোমার মুখ ফোলা ক্যান? তুমি কানতেছিলা নাকি? -কই নাতো? বলতে গিয়ে আসমার ফর্সা মুখ লাল হয়ে যায়। স্বামীর কাছে… [বিস্তারিত]
রুদ্র সেলফোনটা তুলে নিয়ে বাসায় কল দিলো, ছোটোবোন ফোন রিসিভ করলে বললো, রুমি মম কই? এইতো পাশেই আছে, দিচ্ছি। ও পাশে রুদ্রর মা ফোন ধরে হ্যালো বললে রুদ্র বললো, মম তুমি আর ভাবী একটু অফিসে আসো তো, জরুরী একটা মিটিং করতে হবে। হটাৎ কি এমন জরুরী বিষয় রুদ্র? মম এখন তো ড্যাড নেই, তুমিই কোম্পানির… [বিস্তারিত]
রাগ চেপে রাখা আসলে কতটা কঠিন? নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখার মতোই কি? এই মুহূর্তে রাগে আমার দমবন্ধ হয়ে আসছে৷ আমি সজীবের দিকে আরো কয়েকবার রাগী রাগী চোখে তাকালাম। চোখমুখ কুচকে বসে থাকলাম। নাহ্, কিছুতেই কিছু হলোনা। একটা মানুষ রাগে ফোস ফোস করছে, অথচ তার পাশে বসে থাকা মানুষটার কোনো ভাবান্তর হচ্ছেনা। এটা এক প্রকার অপমান।… [বিস্তারিত]
বাবুল সাহেব এই এলাকায় এসেছেন প্রায় এক বছর হতে চলেছে। বেশ দাম দিয়ে মোটামুটি অভিজাত দেখতে একটা এপার্টমেন্টের দুটো ফ্লাট কিনে ফ্যামিলি সহ বসবাস করেন। পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি শিক্ষিত লোক, তার আচার-ব্যবহার ভালো। দেখতে ভালো, দামী কাপড়চোপড় পড়েন। সুন্দর করে কথা বলেন। তার এক্সট্রা গুণ হলো তিনি গরীব মানুষদের টাকা ধার দেন, এবং বেশিরভাগ সময়েই… [বিস্তারিত]
আমার দাদা ছিলেন জমিদার। মানুষের জমিজমা জবরদখল করে নিজের করে নিয়েছেন। আব্বা, একাই ছেলে। যখন যা চান তাই হাজির। আবার পড়াশোনায় ভালো। ১৯৫০ সালে তৎকালীন সরকার ছবি আঁকার এক প্রতিয়োগিতার আয়োজন করেছিলেন। আব্বা, অংশগ্রহণ করে প্রথম হয়েছিলেন। বিষয়বস্তু ছিলো : আজ হতে ৩০ বছর পর মেয়েরা বাজারে যাবে, ছেলেরা ঘরে রান্না করবে। এইচ. এস. সি… [বিস্তারিত]
পরদিন রুদ্রর বাবাকে দাফনের পর বাড়িতে আসা সকল আত্মীয় স্বজনরা একে একে বিদায় নিয়ে চলে গেলো। রুদ্র ভিতরের রুমে মার কাছে গেলো দেখা করতে, ভাবীকেও সেখানে পেয়ে বললো, ভাবী তুমি মমের জন্য খাবার নিয়ে আসো, গতকাল থেকে মম না খেয়ে আছে। বাবা, তোরা খেয়ে নে, আমার খেতে ইচ্ছে করছেনা, রুদ্রর মা ফুঁফিয়ে কান্না করতে লাগলেন।… [বিস্তারিত]
গুণি জ্যোতিষী মিস্টার নগেন চ্যাটার্জী একের পর এক গ্রহদোষ কাটাচ্ছেন। লালমোহনের ঘরের চারদিক জুড়ে মোমবাতি তার মধ্যখানে মরা মাথার খুলি। খুলিটা দেখতে বেশ ভয়ংকর। এমন ভয়ংকর মরা মাথার খুলি দেখে হরিবাবু চেঁচিয়ে উঠেছেন। লোকজন রোজ চিৎকার দিয়ে জমিদারবাড়িরকে ভূতবাড়ি বলে। তারমধ্য নরকঙ্কালের মাথার খুলি। সেটা আশপাশের লোকজন জানলে বাড়িটা একেবারে আকাশে তুলে দেবে। বিনু একথা… [বিস্তারিত]
রুদ্র, এই রুদ্র উঠ না বাবা, এতো দেরি করলে চলে, আরেহ এখনো ঘুমায় ছেলেটা? মম ডিস্টার্ব করোনা, ঘুমাতে দাও। রুদ্রর মা শায়লা আহমেদ ছেলের পাশে বসে পড়ে ছেলের মাথায় হাত ভুলিয়ে দিয়ে গালে এক চুমু দিতেই রুদ্র মার গলা জড়িয়ে ধরে বললো, আই লাভ ইউ মম। পাগল ছেলে, আই লাভ ইউ টু, এখন উঠে যা।… [বিস্তারিত]


















