স্বরূপ বন্ধুরে আমি এতো ভালোবাসি কক্খনো নয় তা জলে জলধির তুল, যদি ভাবো অবারিত ফসলের হাসি জেনো তা কিঞ্চিত নয় পূরো হবে ভুল। বলছি না আন্দাজে তা এমনই জবান বিস্তর বিশ্বাসে জাগা নীলিমার মতো, কিংবা আস্থায় আছে সামান্য লোবান দানিছে পুষ্পিত বাগ হেসে রোজ যতো। অটুট বন্ধনে জাগে প্রকৃতির সারি জানি সেথা ঋতু করে পালাক্রম… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
ঐ কন্যা শোন;যাবে কি আমার সাথে? পুষ্প ফোটা,সবুজ ঘেরা ঐ দিগন্তের পথে! আমি কেন যাব তোমার সাথে? তুমিতো হলে সেই ভবঘুরে, সকালে এখানে তো বিকালে ওখানে। চলাফেরা যার নিজেরই ঠিক নাই, কেমন করে তার সাথে পথ চলার ভরসা আমি পাই! নিজে ভবঘুরে তাতে কি? তোমায় রাখবো অতি যত্নে, হ্রদয়ের মনিকোটাই থাকবে তুমি রত্নে। আগে বলো… [বিস্তারিত]
এক্সকিউজ মিঃ আন্টি, একটু যেতে দিন বড্ড দেরী হয়ে গেছে। খুব তাড়া নিয়ে পাশ কাটিয়ে বিশ-বাইশ বছরের একটি ছেলে গায়ে প্রায় ধাক্কা লেগে পার হয়ে গেল। তমাল এজন্যই বাইরে আসা অপছন্দ করে। -হলো তো এবার? তোমার নাকি বাইরে বের না হলে হচ্ছিল ই না। এনিভারসেরী বাইরে এসেই পালন করতে হবে এমন কি কোন রুলস আছে?… [বিস্তারিত]
ছদ্মবেশে হাঁটতে বেড়িয়েছি কোনো নাম না জানা শহরের কিনার ঘেসে। চারহাত পেয়ে প্রাণীর আনাগোণা ঢের এদিকটায়। যেচে পড়ে আলাপে তাঁদের ভীষণ উৎসাহ। ঠোঁট খুললেই বনেদী আমলের পরিচিত গন্ধ টের পাওয়া এখন শিখে গেছি। ব্যাতিক্রমী কোনো শব্দ কানে এসে আছড়ে পড়লে কিছুটা কৌতুহল জাগে মনে। এই গন্ধটা বোধহয় একেবারে ভীন্নরকম কিছুটা। চোখ তুলে তাকানো যেতে পারে।… [বিস্তারিত]
আমাদের একবার দেখা হওয়া উচিৎ। খুব বেশী আড়ম্বরতা নয়। স্রেফ সাধারণ। যেভাবে দেখা হয়ে যায় মাঝেসাঝে জেব্রা ক্রসিং- এ দাঁড়িয়ে থেকে শৈশবের হ্যালুসিনেশন।। এককাপ চা খাওয়া যেতে পারে, বয়সের ভারে কথাগুলো জড়িয়ে গেলেও ক্ষতি নেই। দেহের বয়স বাড়ে, চোখের!? চোখ না হয় বুঝে নিবে কথার শরীর অল্পতেই।। একবার দেখা হওয়াটা জরুরী। একবার বুক ভরে শ্বাস… [বিস্তারিত]
তোমাকে ভুলার জন্য বেঁচে নিলাম কবিতা। আমার মাথার শিওরে বসে থাকে - আব্বাস কিয়ারোস্তামি, ইমরা উল কায়েস, জাক প্রেভে, শক্তি চট্টোপাধ্যায় সহ আরো অনেকে। সারারাত জেগে উনাদের সাথে আলাপ করি, রাত গাঢ় হলে,পাশের বনে শেয়ালের কোলাহল উঠে। বুকের ভেতর বিঁধে যায় মিশরের নীরবতা - জানালা খুলে দেখি দূরে কে যেন সাওয়ার হয়েছে উটের পিঠে, জোৎস্না… [বিস্তারিত]
তুমি বলেছিলে কী চাই বলেছিলাম, একটু ভালোবাসা, তুমি বললে, আর কী চাই বললাম, একটু আগলে রাখা, তুমি বললে, আর কী চাই পাশাপাশি বসে গল্প করা, তুমি বললে, আর কী চাই মধ্য দুপুরে একসাথে হাঁটা, তুমি বললে, আর কী চাই পূর্ণিমায় ছাদে বসে তোমার প্রিয় কবিতা শোনা, তুমি বললে, আর কী চাই হেমন্তের সন্ধ্যায় নতুন ধানের… [বিস্তারিত]
ভাষা মানে মা! মায়ের মুখে বাবা ডাক শুনার আকুতি; তার জন্যে যত রক্ত গেলো রফিক,সফিক, সালাম বরকত জব্বার আরও কত নাম না জানা শহীদ; তাঁদের বুকে দাগ লেগে আছে বাংলা বলার রক্ত মাখা মা জনম জনম ধবে কি ঋণি করে গেলে বলো কি করে সোধ দিবো তাঁর অম্লান যেনো বাংলা ভাষার প্রাণ! একুশ এলেই যে… [বিস্তারিত]
গত রাতে ওরা এসেছিলো... দরজায় ঠক,ঠক শব্দ। কে? আমরা। আমরা কে? কোন উত্তর নেই। আমি বিচলিত হই... ..... লাফিয়ে উঠি বিছানা ছেড়ে। টেবিলে রাখা জগ থেকে পানি ঢেলে ঢকঢক করে গিলি এক-শ্বাসে। চশমাটা চোখে দিয়ে, এক পায়ে জুতো আরেক পা খালি.. .. .. আমি দরজার পাশে যাই। দরজার ও পাশে দাঁড়ানো বাংলার বর্ণমালা- রফিক, সালাম,বরকত… [বিস্তারিত]
একুশ আসলো আবারো ঘুরে ফিরে। শহীদদের আত্মার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে এখন আর যাওয়া হয় না শহীদ মিনারে। আগের মত দেশপ্রেমটা বোধহয় আর নেই। জীবিত মানুষের দেশে মৃত আত্মার ভিড়, সেই শহীদদের আর স্মরণ করি না আগের মত। শ্রদ্ধাবোধটাকেও গলা টিপে মেরে ফেলেছি! আমার আত্মাটাও আজ মৃত বলে মনে হয়। লিখাটাকে আর এগুতে পারলাম না… [বিস্তারিত]
অনেকদিন পর তাহিরপুর এলো রুকু। বাবার সাথে নয় হাজবেন্ডের সাথে। একমাস হলো রুকুর হাজবেন্ড ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এই উপজেলায় জয়েন করেছে। তাহিপুরের সবকিছু রুকুর চেনা।ওর শৈশব কেটেছে এখানে। তাহিরপুরে পা রাখতেই রুকুর মনে হলো সে যেনো শৈশবে ডুকে গ্যাছে। পুরো শৈশব কেমন যেনো ছবির মতো চোখের সামনে ভেসে উঠছে। তাহিরপুরেই রাশেদরা থাকতো। রাশেদ তার তিনবছরের সিনিয়ার।… [বিস্তারিত]
একুশ আমার উচ্ছাস একুশ আমার ভাবনা। একুশ আমার মনের দেয়ালে আঁকা স্বপ্নের আলপনা , একুশ আমার চেতনায় জাগ্রত প্রদীপের জ্বালানো সলতে। একুশ আমার ভালোবাসার আলিঙ্গনে জড়ানো স্নেহের পরশ, একুশ আমার অষ্টপ্রহর ব্যাস্ততায় কাটানো সুখ -দুঃখের ব্যর্থ প্রলাপ। একুশ আজ নয় শুধু শোক একুশ আজ এগিয়ে যাবার দীপ্ত শপথ, একুশ আমার রক্তের হিমোগ্লোবিন একুশ মুক্ত বাতাসে… [বিস্তারিত]
কবিতা, এ প্রেম জেগেছে যে হৃদয় হারাবার নয় তা, এ নিশ্চয় বার বার প্রেমে পড়ি যে মুখে ফিরে আসি তত বার কবিতার অসুখে স্মৃতি হয়ে থাকে সব, কাব্য গাঁথা দিন পুঞ্জিতে মজুত বাড়ে, কবিতার খাতা তবুও যেন মন চায়, উপমা দেই ঢেলে উৎজ্জীবিত হই, তার প্রেম পেলে তাতেও নিরাশ হই,ভার হয় কবিতার ঝুলি বড় অসহায়… [বিস্তারিত]
একদা হেঁটে যাচ্ছিলাম মরণপাখা হাতে, একটি বৃক্ষ এগিয়ে এলো ছায়া হাতে, বললো খানিক জিরোতে, কেমন ঘুমঘুম চোখে দেখলুম তাকে আদর করতে চাইছে ঝুঁকে! তন্দ্রাঘোরেই ঝটিকায় সরিয়ে দিলাম, বললাম অনুমোদন আছে? সে কিছু বলেনি, আহত হয়েছে হয়তো। ব্যস আমাদের হবে হবে করে প্রণয় হলোনা যা হলো তা ও সুখকর নয়। অতঃপর লাইসেন্সধারী আগন্তুকের অপেক্ষা প্রতীক্ষায়... আদরের… [বিস্তারিত]
ফাল্গুনের অনল রঙ আকাশের গায়ে দেখি! এক কোকিলের গান শুনি- তবু মন ভরে না, একমুঠো মাটির দিকে তাকালে ধূসর মনে হয়; সব ফুলের গন্ধ যেনো বোতলের মধ্যে বন্ধ। অথচ বাতাসে হিম শীতল ঠান্ডা অনুভব-এতো শীতের পাণ্ডা শেষ- এখন রৌদ্রতাপ উষ্ণ! খারাই তুফানের মেঘ শেষে নীল মেঘ হঠাৎ বৃষ্টিপাত তারপর রাতে শীত উষ্ণ অপেক্ষা! কি দেখালে… [বিস্তারিত]
























