আমি তোমার জন্য এসেছি (পর্ব-৩৪) আন্টি এখনি কথা দিতে পারছি না, দু-দিন পর পাশের বাসায় সিফাত আঙ্কেলের একমাত্র ছেলে রোহানের বিয়ে আছে। ওখানকার সব দায়ীত্ব আমার উপর দেওয়া হয়েছে বিয়েটা ভালো ভাবে শেষ হোক তারপর ব্যস্তায় কাটিয়ে উঠে একটু ফ্রি হয়ে নেই। তারপর কয়েকদিন পর আমি রাহাত তে ফোন করে জানাব কবে যেতে পারব। ওকে… [বিস্তারিত]
বিভাগ: উপন্যাস
"আমি তোমার জন্য এসেছি (পর্ব-৩৩) মনোয়ারা হেসে বললো এই যে এখানে আমরা কিছু আদমজাতী আছি, খেয়াল করেন। আরাফ রাহাতকে ছেড়ে পিচনে চোখ আটকে গেল হলুদ শাড়ীতে... তারপর বলো, প্রিয়া আপ্পি আসতে কোন সমস্যা হয়নি? আরে নাহ্ কোন সমস্যা হয়নি, খুব ভালো ভাবেই আসছি। উপরে চল আমার রুমে তোমার সাথে অনেক গল্প বাকি! বুঝছি রোহান সাহাবের… [বিস্তারিত]
আমি তোমার জন্য এসেছি (পর্ব-৩২) রাহাত আরাফকে একবার চোখ ভরে দেখবো বলে আজো বেঁচে আছি।আমাদের দুঃসময়ে আরাফের অবদান অনস্বীকার্য বাবারে কাছে বস দুচোখ কোন ভাবেই ভুলা সম্ভব না। হ্যাঁ আজকের রাহাতের অর্থ সম্পদ, কুটিপতি,সম্মান সবকিছু রাহাতের দান এগুলো ভুলব কি করে মা! আমার শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আরাফকে ভুলব না মা তোমাকে কথা দিলা।… [বিস্তারিত]
"আমি তোমার জন্য এসেছ (পর্ব-৩১) ফুল,ফল,পাখি,গাছ, প্রকৃতি সব মিলিয়ে সুন্দর কারুশিল্প কাঁথায় বেশ ফুটে ওঠেছে,, ওগো শুনছো। হ্যাঁ বলো! বলেই মিরা কাঁথা রেখে আজাদের দিকে ফিরে তাকাল। হয়ত নিচের দিকে চেয়ে সেলাই করে চোখ দু'টো ক্লান্ত তাই মাথাটা সোজা করে বসল। মিরা একবার প্রিয়ার রুমে যাবে বলতে গিয়ে আজাদ থেমে গেল..! কি হয়েছে প্রিয়ার জানতে… [বিস্তারিত]
"আমি তোমার জন্য এসেছি -(পর্ব-ত্রিশ) যদি একবার আরাফ ভাইয়ার সাথে দেখা হতো পা ধরে ক্ষমা চেয়ে নিতাম। জীবনের অনাকাঙ্খিত সকল ভুলের জন্য,ক্ষমা চেয়ে নিতাম। তার ভালোবাসা বুঝতে না পাবার অক্ষমতার জন্য,ক্ষমা চেয়ে নিতাম। তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় আমার জন্য অপেক্ষা করে নষ্ট করার জন্য...! প্রিয়া অনার্স,মাস্টাস শেষ করে ভালো একটা সরকারী চাকরি করে নিজে প্রতিষ্ঠিত… [বিস্তারিত]
সতের. মাওলানা ইদ্রিস আলীর চোখে সম্যসা হয়েছে। আরবি হরফগুলো তার কাছে ঝাপসা লাগছে। যদিও কুরআনে পাক তার মুখস্ত চোখে কম দেখার কারণে তেলাওয়াতে কোন সমস্যা হয় না।কিন্তু এটা তার কাছে ভাল মনে হল না।আজ হরফ ঝাপসা দেখছে কাল পুরা আন্ধা হইয়া যাইব।এই চোখে কালামে পাক আর দেখা হইব না। বড়ই আফসোস এর বিষয় আল্লাহর এই… [বিস্তারিত]
পনের. মার্কেটে আজ মনে হয় লোকের ঢল নেমেছে।লোকজন গিজ গিজ করছে। অনেকটা পোকার মত।এর মধ্যে এতগুলো দোকান কোনটা রেখে কোনটা কিনি। এসব ভাবতে ভাবতে তিনি অনেক কিছু কিনে ফেললেন।বয়স্ক মানুষ এতো কিছু তার শরীর সইবে কেন!মাথাটা কেমন চক্কর দিয়ে উঠল। তারাতারি মার্কেট থেকে বেরিয়ে তিনি রিক্সা খুজতে লাগলেন। হারেছ আলীর কথা বেমালুম ভুলে গেলেন। এই… [বিস্তারিত]
তের. মশাটির দিকে তার তিব্র নজর! ঠাশ করে একটা থাবরা দিলেই ল্যটা শেষ। কিন্তু সে আছে দুটানায় । থাবরা দিবে কি দিবে না। দবির মোল্লা লক্ষ করল ডাক্তার সাহেব ইনজেকশনটা দেওয়ার পর থেকেই স্যার একটু একটু করে সুস্থ হয়ে উঠছেন। এইতো পেটের মধ্যে এখন হাত নাই। নিষ্পাপ শিশুর মতে ঘুমাচ্ছেন। মশাটা বসেছে স্যারের চাপার বরাবর।… [বিস্তারিত]
এগারো. পল্টন থানার এস আই রফিকুল ইসলামের পেটে সমস্যা। বাথরুমের আউট এন্ড ইং প্যারোড চলছে। স্যার এর এহেন দশা দেখে হাবিলদার দবির মোল্লার খুব মায়া লাগছে।তাকে দু একটা সান্তনা সুচক কিছু বলা দরকার। স্যার স্যার! এখনই কি ডাকার সময় হলো। আর সময় পেলে না! এই বলে বাথরুমে ঢুকে গেলেন। খানিকবাদে বের হয়ে বলেন কি বিষয়?… [বিস্তারিত]
নয়. রজত! রজত! রজত! কে? কে? আমি কমলা! ও কমু! কি খবর! ভালো! তোমার কি খবর? চাকরি হল? আর চাকরি। বি.এ পাশ এর আজকাল কোন চাকরি নাই।মাষ্টার্স সি.এ, এম বি এর জমানায় আমার চান্স কোথায়! আর এখন চাকরির জন্য চেষ্টাও করিনা। কেন? জানতে পারি! তাতো পারই। আসলে একসময় চাকুরীর জন্য দৌড়িয়েছি তোমাকে পাবার জন্য। তখন… [বিস্তারিত]
পাঁচ. হাসপাতালের বেডে একটা ছেলে শুয়ে আছে। বয়স দশ কি এগার হবে।মাদ্রসার ছাত্র হতে পারে।গায়ে ছুন্নতি লেবাস। মাথায় টুপি।পথচারী ছিল। কোটের সামেনে দিয়ে আসছিল সে।আইজীবিদের গন্ডগোলে পুলিশ গরম পানি নিক্ষেপ করে। সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে দৌড়তে থাকে। এই হুলস্থুলে মাঝে পথচারী ছেলেটা নিচে পড়ে যায়। মানুষের পায়ের তলায় পড়ে গিয়ে ভালই আঘাত পেয়েছে।নাবিল ছেলেটার মাথায় হাত… [বিস্তারিত]
তিন. কলিং বেল বাজছে। বড়ই মেহেবানী দরওজা খুলিয়ে।বাংলাদেশে অন্য ভাষার চাষ হচ্ছে। বিষয়টা তমিজ উদ্দিনকে ভাবিয়ে তুলছে। রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই বলে আন্দোলন করেছে ছাত্র বয়সে ।আজ সেই ভাষা বাদ দিয়া অন্য ভাষা ফিরে আসছে নবরুপে। আফসোস! বড়ই আফসোস! দড়জা খুললেন তিনি। আসাসালামু আলাইকুম।আমি সাজ্জাদ। ওয়ালাইকুম আসসালাম! তোমাকেতো চিনলাম না বাবা! আমি নাবিল স্যারের ছাত্র।… [বিস্তারিত]
"আমি তোমার জন্য এসেছি -(পর্ব- ঊনত্রিশ) আকরাম সাহেবকে নিয়ে কয়েকজন বার্থরুমে প্রবেশ করলো মানুষের ভিড় ঠেলে মিরা, প্রিয়া, আজাদ ভিতরে ঢুকলো। মনোয়ারাকে দেখে আজাদ চিৎকার করে বললো ভাবি আমাকে আরো আগে কেন কিছু জানালেন না! চোখের দেখাটা একবার দেখতে পারতাম। এখন তো সব শেষ মিরা শান্ত করার চেষ্টা করলো না, কাঁদুক মনের কষ্ট কমবে বলেই… [বিস্তারিত]
এক. বাহ! মাছিটাতো খুব সুন্দর! এটা কি মৌমাছি? না! মৌমাছিতো আরেকটু ছোট। এটা তবে কি ? বল্লা হবে ! বাড়ীতে জানালার পাশে বল্লার একটা চাক হয়েছিল। জানলা খুলতে যেয়ে ভুল করে একবার সেখানে হাত দিয়ে ফেলেছিলাম । আর যাই কোথায়? হুল ফুটিয়ে দিল। হু এটা বল্লাই হবে! ফুলের দোকানটার পাশে দাড়িযে আছে সে। সুরম্য সুঠাম… [বিস্তারিত]
আমি তোমার জন্য এসেছি (পর্ব-সাতাশ) সাথে সাথে প্রিয়ার পাশের লোকটা চমকে গেল! বাঘ দেখার মতো উৎসাহ্ নিয়ে প্রিয়ার উপর দিয়ে জানালার দিকে মুখ বাড়াল। লোকটাকে দেখে মনে হচ্ছিল পারলে প্রিয়াসহ জানালার বাইরে গিয়ে পড়বে। কি আর্চয্য! পাগল নাকি! আপনার সমস্যা কি? লোকটা নিচু স্বরে বললো জ্বী মানে আপু। এত মানে মানে করছেন কেন! বলুন? লোকটা… [বিস্তারিত]













