Category: উপন্যাস

“আমি তোমার জন্য এসেছ-(পর্ব-৬১)   কেটে গেল অনেকক্ষন। আরাফ কাঁদতে পারছিলো না কারন তার চোখে কান্না মানায় না! আরাফ প্রিয়ার মাথায় স্নেহের হাত বুলিয়ে দেয়।পাগলি এসব কি করছো এবার কান্না থামাও।প্রিয়া মাথা তুলতে চায়না আরো কিছুক্ষন আরাফের বুকে জড়িয়ে থাকতে চায়, ১২বছর প্রতীক্ষার শেষ হলো আজ।আস্তে আস্তে শেখর সাহেব,বড় মামী,জিসান,ফরিদ সাহেব,রোহান, আরাফ প্রিয়ার কাছে চলে [ বিস্তারিত ]
আমি তোমার জন্য এসেছি- (পর্ব-৪৭) -রোহান মিতুকে রাগাতে মজা করে বললো ওকে জানু, তাহলে একটু আদর দিয়ে যাও রাতে ঘুমটা ভালো হবে। -মিতু চমকে উঠে বললো একদম না। -কেন!কেন.? কাল তো বিয়ে একটা চুমু দিলে এমন কি সমস্যা আমি বুঝি না! -সমস্যা কিছু না সোনা,তুমি ঘুমাও। -রোহান আরো পাগলামী শুরু করলো, প্লীজ! প্লীজ দাও না [ বিস্তারিত ]
আমি তোমার জন্য এসেছি- (পর্ব-৪৬) অন্য পাশে হিন্দি গানের তালে তালে মিউজিক এর সাথে ছোট ছেলেমেয়েদের অসাধারন নাচ চলছে। ভাইয়া এদিকে আসুন,দেখুন এদের প্রতিভা বলেই রিদম এগিয়ে গেল। আরাফ,শ্রেয়া সবাই চেয়ে দেখল দারুন নাচ, রিদম এসব দেখলে চলবে! বাসায় তো ফিরতে হবে। জ্বী ভাইয়া চলুন! মম আমি একটু মিতুর কাছে যাই পরে এসে তোমাকে কল [ বিস্তারিত ]
১. ঝুমঝুৃান্তি বৃষ্টি হচ্ছে। ভরদুপুর। কিছুক্ষণ আগেও আকাশে কোন মেঘ ছিলো না। কাকপক্ষী উড়ছিল দিব্যি। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টির কারণে রাস্তাটি জনশূন্য। কোথাও কেউ নেই। মাঝেমধ্যে দমকা হাওয়া ভেসে আসছে। বৃষ্টি আসার আর সময় পেলনা। সবেমাত্র রিকশা থেকে নেমেছি। তারপর থেকে ঝুমঝুমান্তি বৃষ্টি। অবশ্য কলিজা ঠান্ডা হয়ে গেছে। দোকানি নিমাইয়ের দিকে তাকিয়েই বিরক্ত বোধ করলো। মনে [ বিস্তারিত ]
আমি তোমার জন্য এসেছি -(পর্ব ৪৫)   আরাফ শেখর সাহেবকে সালাম দিলেন, কেমন আছো বাবা.? ভালো। আমি মিতুর বাবা ওনি মিতুর মা। কেমন আছেন আন্টি.? ভালো।  আপনারা বসেন  আবিদ,শ্রেয়া,রিদম,অমি, রহিমাসহ সবাই বসলো। আঙ্কেল আপনি আমাকে তুমি করে বলবেন, আমি রোহানের বাবার বন্ধুর ছেলে কথা শেষ করার আগেই জিসান আসল। আব্বু ওনি আরাফ ভাইয়া অনেক বছর [ বিস্তারিত ]
আমি তোমার জন্য এসেছি -(পর্ব-৪৪) কয়েক কদম হাঁটল বৃষ্টির পানি সারা শরীরে ভিজিয়ে নিল। অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে থাকার পরও আরাফ পিচনের দিকে দেখে জিসানের গাড়িটা দেখতে পেল না। কিছুটা চিন্তিত হয়ে বিষয়টা শ্রেয়াকে জানাল,  আচ্ছা তোমরা জিসান সাহেবের গাড়িতে থাকা মেয়েদের কাউকে একবার কল দেও তো। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে এদিকে জিসান সাহেবের গাড়িটা এখনো দেখতে পাচ্ছি [ বিস্তারিত ]
আমি তোমার জন্য এসেছি- (পর্ব-৩৫) শ্বাশুড় বাবা মারা যাবার পর আজাদ আঙ্কেল আর আসে নাই। প্রিয়াকে তখনি একবার দেখেছিলাম খুব সুন্দর মেয়েটা এখনো চোখে লেগে আছে কলাপাতা রঙের স্যালোয়ার কামিজ হালকা লাল সুতি ওড়না একেবারে পরীর মতো লাগছিলো। আর কোনদিন ওরা আমাদের বাসায় আসেন নাই এখন তোমাদের যোগাযোগ হয় না… আরাফ চুপ করে পত্রিকা পড়ছে [ বিস্তারিত ]
“আমি তোমার জন্য এসেছ (পর্ব-আটাশ)” ব্যবসার পাশিপাশি একটা চাকরি নেয়, ওখানেই জীবনটাকে নতুন ভাবে শুরু করেছে। ব্যবসা, চাকরি, কাজ এর বাইরে আরেকটা জীবন আছে আরাফ সেটা ভুলে গেছে। জীবনে কি চেয়েছিলো আর আজ কি পেল তাতে আরাফের আজ কোন আক্ষেপ নেই। কারন ভাগ্য বিধাতা চায়নি প্রিয়া আরাফের মিলন হোক তাই আরাফ তার জীবনের সর্বত্র দিয়ে [ বিস্তারিত ]
আমি তোমার জন্য এসেছি (পর্ব-পঁচিশ)   -হুম, বুঝছি দোস্ত ভাগ্যে করে তোর মতো একটা বন্ধু পেয়েছিলাম রে.. তুই মানুষ না ফেরেস্তা! আল্লাহ্ দেওয়া আমার জন্য বন্ধু নামের ভাই, জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার।   দেখতে দেখতে প্রিয়া নবম শ্রেণিতে ভালো রেজাল্ট করে দশম শ্রেণিতে উঠে। স্কুলে প্রিয়ার খুব সুনাম এবারের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগীতায় ছবি আঁকায় সে প্রথম [ বিস্তারিত ]

বাক্সবন্দি… (৪র্থ পর্বের কিছু অংশ)

মুহাম্মাদ মাসুদ ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০, শুক্রবার, ১১:০২:৪৯অপরাহ্ন উপন্যাস ৭ মন্তব্য
বাক্সবন্দি… (পর্ব – ৪) – নৃ মাসুদ রানা মেহের আলী ছোটবেলা থেকেই একগুয়েমি ধরনের মানুষ। হাড়কিপটেও বটে। তবে খাবারের প্রতি ভীষণ লোভ তার। এ নিয়ে কতবার যে নহরের সাথে ঝগড়া হয়েছে তার বালাই নেই। অবশ্য নহর ছিলো প্রিয় পাত্র। শরীরের এই একটা অংশে নহরের সাথে মিল রয়েছে তার। আর বাকী সবটুকু ধোঁয়াশা। খেলাধূলায় বেশ পারদর্শী [ বিস্তারিত ]

বাক্সবন্দি… (১ম পর্ব)

মুহাম্মাদ মাসুদ ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০, বুধবার, ১১:২৫:১৬পূর্বাহ্ন উপন্যাস ১৭ মন্তব্য
বাক্সবন্দী – নৃ মাসুদ রানা (আমার ড্রিম প্রজেক্ট/উপন্যাস) এলার্ম বেজে উঠলো। সম্পর্কের এলার্ম। হৃৎপিণ্ডের এলার্ম। দেহের কলকব্জার এলার্ম। যে এলার্মে নাড়িরটান রয়েছে। গাঁথুনি রয়েছে মন মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষে। দেহ ভিটা খন্ড দ্বিখণ্ডিত হলেও স্বাদের অভাববোধ হবে না। আজানও হলো। মিষ্টি সুরের আজান। মিষ্টি কন্ঠের আজান। শ্রোতাপ্রিয় আজান। আত্মার আজান। কলিজার আজান। যে আজানের ধ্বনিতে আত্মতৃপ্তি বেঁচে [ বিস্তারিত ]

আত্মাপাখি…

মুহাম্মাদ মাসুদ ২৫ জানুয়ারী ২০২০, শনিবার, ১১:৪০:৪৪অপরাহ্ন উপন্যাস ২৩ মন্তব্য
ঘুটঘুটে অন্ধকারে আলোছায়ার জাফরি চোখমুখের অলিগলির চিপায় চাপায় ছাপ পড়তেই দেহের নাড়িভুড়ি ক্ষয়প্রাপ্ত হওয়ার মতো হয়ে যায়। বুকের ভিতর থেকে ধুকপুক ধুকপুক সাজসজ্জার তদারকি নিজ দায়িত্বে শরীরের মাংসপেশিতে ভয়ের অনুভূতির শিহরণে শরীর ঘেমে ঘেমে লবনাক্ত করছে নিমেষেই। এই প্রথম পৃথিবীতে নিজেকে সচলের অংশে অচলের ছায়ামূর্তি রূপে রূপবতী লাগছে। দূরে, বেশ দূরে থেকে আবছা আবছা নিবু [ বিস্তারিত ]
মোহনাঃ  হুম আছি। এই অর্ণব আমাকে ডাইভিং শিখাবি ? অর্ণবঃ স্বপ্নে গিয়ে শিখাবো নাকি ডাইভিং? মোহনাঃ আরে শোন না, আমাকে ডাইভিং শিখিয়ে ড্রাইভারের চাকরিটা দিস। বেশি বেতন দিতে হবে না। চলার মতো হলেই হবে। অর্ণবঃ আমি তো কোন টাকা পয়সায় দিতে পারবো না। ফ্রীতে চাকরি করলে আইসা পর। মোহনাঃ আচ্ছা কোন টাকা পয়সা দিতে হবে [ বিস্তারিত ]
প্রিয় অনিন্দ্য, জানি না তুমি কেমন আছো? তবে আমি যে ভালো নেই সে তুমি অবশ্যই জানো। কেমন আছি কেমন আছো তা নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই আমার। যা হোক যে কারণে তোমাকে লিখতে বসা, সেটা নিয়েই বরং শুরু করি কথা। আমি জানি এই মুহূর্তে তুমি আমাকে প্রচণ্ড ঘৃণা করো, ঘৃণা করার মতো যথেষ্ট কারণ আছে। [ বিস্তারিত ]

শেষ বিকেলের প্রণয়(শেষের কিছু অংশ)

সুরাইয়া পারভীন ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ০৮:০৮:২৬পূর্বাহ্ন উপন্যাস ১৯ মন্তব্য
গল্প লিখে চলেছি গল্প। একজন মৃত্যুপথযাত্রী মানুষের জীবন সায়াহ্নের অন্ধকারে এসে ক্ষণিক আলো পাওয়া ও সেই আলোকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাওয়া তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকেই শিরোনাম ‘শেষ বিকেলের প্রণয়’ নাম দিয়েছি। ইচ্ছে ছিলো  শেষ বিকেলের রোদ্দুর হবে আমার উপন্যাসের শিরোনাম । কিন্তু আমার আগেই কেউ এ শিরোনামে গল্প গুচ্ছ লিখেছেন। তাই নামটি পরিবর্তন করতে হলো সব [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ