স্বরবর্ণের অক্ষরগুলোর কথপোকথন

অ বলে শোন রে তোরা আমি অসীম আমিই সেরা!
এ নিয়ে তোরা কে করবি আমার সাথে জেরা?
আ বলে আমি আল্লাহর ভক্ত, সেটা তুমি জানো?
আরও হলাম আকাশকুসুম, এবার আমায় গুরু মানো!
ই বলে আমি কি দেখাতে পারি আমার ইচ্ছা শক্তি?
আমি থাকি ইশারায়, তাই সবাই আমায় করে ভক্তি!
ঈ বলে দেখ দেখি! আমি আছি স্বয়ং ঈশ্বরের কৃপায়!
আমার ভক্ত ঈমানদার, তবুও চিনছিস না আমায়?
উ বলে আমি আছি সবার উপরে সকল উৎসবে,
করো না তুচ্ছ! একটু খেয়াল করে ভেবে দেখ সবে।
ঊ বলে শুনলাম সবার কথা, শুনলাম সব গুনকীর্তন,
ঊষালগ্নে আমায় দেখে শুরু করে হরিনাম সংকীর্তন।
ঋ বলে শোন সবাই, আমি তোদের ঋণ দিয়ে চালাই,
ঋষি কৃষি যত আছে আমাকে ঋ নামে চিনে সবাই।
এ বলে এই যা! এঁরা আমায় কেন দিয়েছে রে বাদ?
এবাদত ছাড়া কি গ্রহণ করতে পেরেছে স্বর্গের স্বাদ?
ঐ বলে চুপ থাক তোরা, ধেয়ে আসছে ঐরাবত!
ক্ষেপে গেলে বিপদ, যতই করিছ তোরা এবাদত!
ও বলে হায়রে কপাল! ওলকচু খাইছনি কোনকালে?
ওলকচুতে গলা ধরে, মনে থাকে ইহকাল পরকালে!
ঔ বলে ঘাবড়াবে না! আমি দিব তোদের ঔষধ বানিয়ে,
ঔষধ খেলে সেরে যাবে, ও-কে তোরা দে জানিয়ে।


৩২টি মন্তব্য
অ- অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করো,
আ- আলস্য সকল দোষের মুল
ই- ইক্ষু রস অতি মিষ্ট,
ঈ- ——– জানিনা। কি পড়েছিলাম এখনো মনে করতে পারি না 🙁
নতুন করে ছড়ায় ছন্দে স্বরবর্ণ পড়লাম।
আপনি আমার মাস্টার হলে খুব ভালো হতো, তাহলে ছোট বেলায় আমি এগুলো তারাতাড়ি শিখতে পারতাম নিতাই দাদা 🙂 🙂
প্রাণের প্রিয় সোনেলায় আজ ক’দিন ধরে পোস্ট করতে পারছি না বিধায়, গতরাতে খামখেয়ালি করে স্বরবর্ণ নিয়ে একটাকিছু লিখলাম, দিদি। এর মানে হলো, আমি সোনেলায় হাজিরা দিলাম! লেখা পড়েছেন, সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্যও করেছে দেখে পুলকিত মনে আনন্দিত হলাম! আপনি-সহ সোনেলা উঠোনের সবাইকে সরস্বতী পূজার অগ্রীম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বাহ্ দারুন উপমা আর কথোপকথনের ছন্দে লিখলেন দাদাভাই, বেশ ভালো লাগলো।
ত্রিস্থান! প্রেমে (পরকিয়ায়) স্বাগতম।
ইসল্টকে কৈ লুকালেন!
ইঁদুরের গর্তে ও সাঁড়াশি চালাতে পারেন দেখছি 🤣
সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, শ্রদ্ধেয়!
সবার জন্য শুভকামনা থাকলো। ছাইরাছ দাদা যেন কবির ভাষায় আবার কী বললো? ঠিক বুঝলাম না!
এমন মেলানো ভাবনা, কেমনে করেন তাই ভাবছি।
তবে ওলকচু খাইতে পারমু না!
আমি ওলকচু খাই! তবে এই ওলকচু রান্না করতে হয় বিশেষ পদ্ধতিতে। তাতে ওলকচু কোনভাবেই চেষ্টা করে কারোর গলা ধরতে পারবে না আশা করি। ভয় পাবেন না, দাদা। ওলকচু নাকি খুবই ভাইটামিন(ভিটামিন) খাবার। তা ডাক্তার বাবুরা বলে থাকে।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
ওলকচুর রেসিপি দিন দাদা, আমিও এই কচু খেয়ে ভয় পাই 😔😔
সাবিনা ইয়াসমিন দিদি, দেখি সময় করে একসময় দিতেও পারি। যেহেতু আপনার শখ! তাই।
স্বরবর্ণের কথোপকথন
লাগলো ভালো অসাধারন !
শুভকামনা দাদা।
আপনার জন্যও শুভকামনা থাকলো, শ্রদ্ধেয় দাদা। সাথে থাকলো, আসন্ন সরস্বতী পূজার শুভেচ্ছা!
আপনাকে ও শুভেচ্ছা।
জটিল হইছে দাদা, সত্যিই আমি পুলকিত……..শুভ সকাল।
আপনার সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্য পেয়ে আমিও পুলকিত আনন্দিত! দাদা, ইদানীং আমি ব্লগে সময় দিতে পারছি না বলে আপনাদের কারোর পোস্টই পড়ার সুযোগ হচ্ছে না। তাই মনে কিছু নিবেন না। আশা করি ভালো থাকবেন শ্রদ্ধেয় দাদা।
কাজের ফাঁকে ব্লগিং, ব্লগিং এর ফাঁকে কাজ নয়। আমারও ইদানিং কিছুটা সময় কমছে দাদা।
স্বরবর্ণ দিয়ে এমন ভাবনা কেমনে ভাবলেন! অসাধারণ, অসাধারণ, অসাধারণ। ভালো থাকুন দাদা। শুভ কামনা রইলো
আপনার জন্যও শুভকামনা থাকলো শ্রদ্ধেয় কবি দিদি। আশা করি ভালো থাকবেন নিশ্চয়!
ধন্যবাদ দাদা। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন
নান্দনিক । সুন্দর লেখনী, ভালো লাগলো ।
হাতে সময় নেই বলে মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরি হয়ে যাচ্ছে! তাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে নিবেন, শ্রদ্ধেয় দাদা। মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আরেব্বাস!! দারুণ দারুণ। স্বরবর্ণ নিয়ে এমন লেখা আপনার কাছ থেকেই মানায়।
মাথায় এত বুদ্ধি নিয়ে ঘুমান ক্যামনে দাদা!!
হাতে সময় নেই বলে মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরি হয়ে যাচ্ছে! তাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে নিবেন, শ্রদ্ধেয় তৌহিদ দাদা। মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আর হ্যাঁ, আসছি ব্যঞ্জনবর্ণ নিয়ে। আশা করি সাথে থাকবেন নিশ্চয়!
আরে বাহ্! সুপার ডুপার
স্বরবর্ণ নিয়েও এতো সুন্দর লিখা যায়!!
সুরাইয়া পারভীন, দিদি। এবার আসছি ব্যঞ্জনবর্ণ নিয়ে।
নতুন করে স্বরবর্ণকে চিনলাম দাদা। অপূর্ব লিখেছেন।
ভালো থাকবেন সবসময় শ্রদ্ধেয় দিদি। আমি একটু ব্যস্ত! তাই মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরি হচ্ছে। ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে নিবেন নিশ্চয়!
স্বরবর্ণ নিয়ে অনেক ভালো লিখেছেন দাদা। অভিভূত হলাম।
সুন্দর গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য অজস্র ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় দিদি।
ছন্দে ছন্দে স্বরবর্ণ।
ভালো লাগলো।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য অজস্র ধন্যবাদের সাথে আগাম সরস্বতী পূজার শুভেচ্ছা রইল।