মূল লেখায় যান

শুরু হলো লালন মেলা

যাযাবরসঙ্গীত, সমসাময়িক১৫টি মন্তব্য

আজ ১৭ অক্টোবর । ১৮৯০ সালের এই দিনে দেহত্যাগ করেন লালন শাহ । প্রতি বছর এই দিনে শুরু হয় লালন উৎসব , লালন মেলা , লালন স্মরণোৎসব। তিন দিন ধরে চলবে এই উৎসব । দুদিন আগ থেকেই সাড়া দেশ থেকে লালন ভক্তগণ জরো হতে থাকেন লালন আখড়ায় ।
মেলায় পুরো মাজার প্রাঙ্গণ ভক্ত কুলের উপস্থিতি দেখে বুঝা যায় , লালান শাহ মানুষের হৃদয়ে কতটা স্থান করে নিয়েছেন ।
সাদা আলখেল্লা পরিহিত বাউলগণ গাইতে থাকেন বাউল গান। বিভিন্ন গ্রুপ বিভিন্ন ভাবে সাধনায় মগ্ন থাকেন।

বছরে দুটি মেলা বসে এখানে । দুটি ভিন্ন নামে । একটি সাধুসঙ্গ অন্যটি লালন স্মরণোৎসব । সাধুসঙ্গ শুধু লালনের অনুসারীদের জন্য। এই মিলন মেলা লালন জীবিত থাকা অবস্থায়ই চালু হয়। লালন খুব আনন্দের সাথে এই উৎসব পালন করতেন। উৎসবটি দেড়শ বছর যাবত চালু আছে।

লালন শাহের দেহ ত্যাগের দিনে পালিত হয় লালন স্মরণোৎসব , এই উৎসবে সবাই আসেন ।
এটি এখন গ্রামীন মেলায় রূপান্তরিত হয়ে গিয়েছে ।

ফটো নেট থেকে নেয়া।

বাউল শফি মন্ডলের কন্ঠে শুনুন লালন শাহ এর একটি বিখ্যাত গানঃ
যে দিন হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খৃষ্টান
জাতি গোত্র নাহি রবে
এমন মানব সমাজ
কবে গো সৃজন হবে

মোট পড়েছেনঃ ১৬৭০জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৫টি মন্তব্য

  1. আমি দুই বার গিয়েছি লালন আখড়ায়। আগেও হয়ত কোথাও বলেছি আমি আধ্যাত্মিক গানের খুব ভক্ত। এই কিছুদিন আগে একটা বই উপহার হিসেবে পেয়েছি লালন গবেষক খোন্দকার শাহিদুল হক ভাইয়ের কাছ থেকে। উনার লেখা “লালন কি জাত সংসারে।” বইটি কিছুটা পড়ে ফেলেছি।

    লালঙ্কে আরো জানতে পড়তে পারেন লালন “সংগীতে আত্ম দর্শন”- মোহাম্মদ এন্তাজ উদ্দীন এর লেখা, “যুক্তবঙ্গে লালন চর্চার ক্রমবিকাশ”- সৈয়দ মুনসুর আহমদের লেখা।

    লালনের জন্মতীথিতে সাধকের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা রইলো।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।