মূল লেখায় যান

শুভ জন্মদিন “তোমার”

মনির হোসেন মমিসোনেলা বার্তা২৯টি মন্তব্য

জীবনটা হতে পারতো অন্য রকম।সাংসারিক জীবনের সব চেয়ে বড় এবং প্রথম যে চাহিদাটি মানুষ মাত্র থাকে তা হল পরিবারে সদস্য বা সন্তান আগমনের ঘটনাটি।যে সংসার সন্তানহীন সে সংসার যতই অর্থ বিত্তে ক্ষমতায় সারা পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দিক না কেন-নিশ্চিৎ দিনের কোন এক প্রহরে নিজেকে নিঃস্ব মনে হবে।জীবনের এই যে এতো আয়োজন এ সব কার জন্য ? সন্তানহীন পিতা মাতার এমন সব প্রশ্ন প্রশ্নের উত্তর মনের অন্তরালে নীরবে কেদে মরে।

তেমনি এক পরিস্থিতির মাঝে আমিও ছিলাম।অবশেষে সাংসারিক জীবনের দীর্ঘ প্রায় বার বছর পর এমনি একটি দিনে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮  সালে ঘর আলো করে এলো আমাদের প্রথম পুত্র সন্তান মঈনুল হোসেন মুহিন।প্রথম সন্তানের পিতা হওয়ার অনুভুতি কেবল সেই পিতাই ভাল ভাবে অনুভব করতে পারেন। সে এক অন্য রকম অনুভুতি।পৃথিবীর অন্য সব সুখ ছাপিয়ে সন্তানের গর্বিত পিতা হওয়ার সুখ অনেক উচুতে তার অবস্থান।

তাই আজ মুহিনের জন্মদিন- “শুভ জন্মদিন” আমার নাড়ী ছেড়া ধন।

কে যেন বলতে শুনেছি, লেখকের লেখাগুলো তার সন্তান তুল্য।একজন লেখক যখন তার লেখা লিখেন তখন সন্তানের ন্যায় পরম যত্নে লেখাটিকে যতটুকু আকর্ষিত অর্থবহ পাঠকের নিকট গ্রহন যোগ্যতায় গড়ে তুলতে তাকে সীমাহীন ভাবনায় পড়ে থাকতে হয় তবেই একটি অর্থবহ গর্বিত লেখার পিতা হওয়া যায়।অন্য দিকে লেখা জন্ম দিয়ে ডায়রীর পাতায় পাতায় ফেলে রাখলে বাস্তবতায় সেই লেখার কোন প্রয়োজনীয়তাই আসবে না যাকে বলা যায় ডায়রীর পাতায় জন্ম দেয়া লেখকের প্রতিটি লেখাই বন্দী বা মৃত প্রায় ।এ বন্দী জীবন থেকে লেখক তার সন্তানদের মুক্ত করতে বেছে নিতে হয় অনলাইন জগৎ অথবা প্রিন্ট মিডিয়াকে তবেই লেখকের একটি লেখার জন্মের পরিপূর্ণতা বা স্বার্থকতা লাভ করে।আমার প্রতিটি লেখা অনলাইন মাধ্যম সোনেলা ব্লগে প্রকাশিত হয়।
সুতরাং যেহেতু লেখাগুলো সন্তান তুল্য আর তার প্রকাশ ঘটে সোনেলা ব্লগ মিডিয়া দিয়ে তখন সোনেলাকে মায়ের সাথে তুলনা করাটা আমি যুক্তিযুক্ত মনে করছি।

তাই সেই সোনেলা মায়ের জন্মদিনও আজ ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ সাল।
শুভ জন্মদিন ‘মা’ আমার
“সোনেলা ব্লগ”

ঘরের জাঁনালায় উকিঁ মারে চাদের আলো
চাদ মুখের নেই প্রয়োজন
তোমার কোলে
মাগো! আমি যখন !!

নিজেকে যখন নিঃস্ব লাগে
হতাশায় মন করে আনচান
তখন তোমার কোলের শীতল পরশে
চোখ বুজে যায় শান্তির ঘুমে।

পৃথিবীটা দেখলাম ঘুরে
নেই কোন চিরস্থায়ী!
সবিই যেন রঙিন ঘুরির উড়াঁউড়িঁ আর ফানি
খুজেঁ পেলাম না কোন স্থায়ী,
শুধু মধুর “মাগো” ডাকটি ছাড়া।

মাগো ! আমায় মনে পড়ছে
একটু একটু স্মৃতির পটে
অফিস ফেরা, যেদিন আমি ফিরলাম বাড়ী
একটু দেরী করে!
সেদিন,পাগল হয়ে আমায় চুমো খেলে।

মাগো!তুমি ভয় পেয়োনা
আমরা আছি তোমার লেখক সেনা
সোনালী রৌদ্র আনবো ডেকে
তোমার খেরো খাতায়।

আজ নাকি মা তোমার জন্ম দিন
কি দেবো এ দিনে উপহার!
শুন্য হাতে;
“ভালবাসা” ছাড়া
কি আছে আর আমার ।

মোট পড়েছেনঃ ২৬৩২জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৯টি মন্তব্য

  1. ‘মা’ ডেকে সোনেলাকে যে সম্মান আপনি দেখালেন তা দিয়ে আপনি আপনার অপার/নিখাদ
    ভালোবাসা প্রকাশ করে সোনেলাকে তুলে নিলেন না-ছোঁয়া উচ্চতায়।
    আমরা যেন আপনার মত এমন করে সোনেলা ভালবাসতে পারি, এমন ভাবনায় হোক আজকের অঙ্গিকার।
    অনেক অনেক ভালোবাসা, মনির ভাই।

  2. মুহিন কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা। বড় হয়ে একজন সৎ মানুষ হয়ে উঠুক। পিতা-মাতা ও দেশ-দশের মুখ উজ্বল করুক, এটাই দোয়া করি।

    সোনেলাকে যেভাবে মায়ের আসন দিলেন, তা দৃষ্টান্ত হয়ে রইলো। আমরাও যেন আপনাকে অনুসরন করতে পারি, এভাবেই ভালোবাসতে পারি।

    শুভ জন্মদিন সোনেলা ❤❤

    1. মা’তো নেই তাই নিজের দুঃখ সূখতো মায়ের মত এখানেই বলতে হয় সে হিসাবে সোনেলাকে মায়ের স্থান মেনে নিয়েছি।অসংখ্য ধন্যবাদ বড় আফা আপনার দোয়া আমার ছেলের আর্শীবাদ হয়ে থাকবে।

  3. বাহ! একই দিনে আপনার প্রথম সন্তান আর প্রিয় সোনেলার জন্মদিন! আপনার প্রথম সন্তানকে প্রাণ উজার করে দোয়া করছি ও যেন বড় মানুষ হয়।
    সোনেলার জন্মদিনের শুভেচ্ছা নিন ভাইয়া।

  4. মুহিন বাবা, তুমি বড় উদার মনের মানুস হবে, মানুসের পাশে রবে।
    সোনেলা মা উদার কথার মা। যার তলে লেখক ত্রিপ্তিতে লেখে।
    সনেলার জন্ম স্বারথক হোক। শুভেচ্ছা সোনেলা ও মুহিন কে।

  5. আপনাদের প্রথম পুত্র মঈনুল হোসেন মুহিনকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।
    মুহিন যেন সাফল্যের আকাশ স্পর্শ করতে পারে। আদর জানাবেন ওকে। মনে আছে আমার ও একবার আমার ছবির মত পোজ দিয়ে একটি ছবি তুলেছিলো 🙂

    সোনেলাকে আপনি মা ভাবেন!
    একারনেই মা এর ধ্বংসের চক্রান্তের সময় প্রথম রুখে দাঁড়িয়েছিলেন,
    খুব আবেগ প্রবণ হয়ে গেলাম ভাই,
    অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।
    শুভকামনা মনির ভাই। সোনেলার সোনালী শুভেচ্ছা আপনার জন্য।

  6. মুহিন বাবাকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছে। ভাবতেই ভালো লাগছে আমাদের সোনেলা আর মুহিন বাবার জন্মতারিখ একই।

    দারুন সৌভাগ্য!! মুহিন বাবু অনেক বড় হোক এক কামনাই করি।

  7. ভালোবাসা ছাড়া আর আছে কি? তা যদি হয় মায়ের মতো তাহলে ওখানে কোন প্রশ্ন চলে না।
    আপনার ছেলের প্রতি শুভকামনা।
    মমি ভাই, আমিও চৌদ্দ বছর পর এসেছি।
    ছেলে অনেক বড় হোক।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।