মৃত্যু আর লাশ।
আপনি যখন মারা যাবেন তখন আপনার নামের পরিচয় একেবারেই মিলিয়ে যাবে। তখন আপনাকে সবাই নামের পরিবর্তে ডাকবে লাশ বা দেহ নামে, ধরুন লাশ দুয়ে নাও, লাশ ভিতরে নিয়ে যাও বা আনো, অথবা লাশ ধর, নামাও, কবরে শুয়ে দাও ইত্যাদি নামে।
কিন্তু এতদিন সবাই আপনাকে ভাই / বোন, বন্ধু / বান্ধবী, ভাতিজা/ ভাতিজী ইত্যাদি নামে বিশেষিত করতো। আপনি যাদের নিয়ে সারাটা জীবন হেসে খেলে বেরিয়েছেন, সুখ দুঃখের সাথী ছিলেন, আপনার কর্ম গুনে সবাইকে খুশি রাখতে চেয়ে ছিলেন তারা তখন আপনার নাম ভুলে যাই আর আপনি হয়ে যাবেন তাদের জন্য লাশ বা শুধুই দেহ।
সুতরাং আসুন আজ থেকে শুরু করুন আপনার নতুন জীবন যেখানে আপনার সকল কর্মকান্ড আপনার জীবনকে মহিমান্বিত করে তুলবে, কেহ আপনাকে যেন ভুলে না যাই, আপনি যেন নিজ নামে গুণান্বিত হোন।
মোট পড়েছেনঃ ১০৬৩জনআজ পড়েছেনঃ ০জন




১৯টি মন্তব্য
ইনশাল্লাহ ,,, চেষ্টা করছি
আলহামদুলিল্লাহ্
কৃর্তীমানের মৃত্যু নাই। কিছু একটা করা প্রয়োজন।
এ যে জগতের নিয়ম আর এ বদলানো কার দ্বারা সম্ভব ভাই?
মৃত্যুকে মেনে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ, চিরন্তন সত্য ত আর বদলানো যাবে না।
কিভাবে তা সম্ভব ভাইয়া?
আল্লাহ্ পাকের আশ্রয় নিন আর মানবতার মাঝে থাকুন। 🙂
অবশ্যই মৃত্যুর সঙ্গী হয়েই মহিমান্বিত জীবন গড়ার পথ খুঁজে নেব।
এই তো চাই ভাইজান। (y)
তখন লাশ না বলে বলবে মরদেহ। কিন্তু নাম ধরে কেউ আর ডাকবেনা যে ভাই।
আসলেই কেউ ডাকবেনা, সবার কাছে নিছক এক লাশ থাকবে।
“এমন জীবন তুমি করিবে গঠন
মরিলে হাসিবে তুমি, কাঁদিবে ভূবন।”
আবার
“আমাদের জীবন এরূপভাবে পরিচালিত করব যেন আমাদের মৃত্যুর পর ভৃত্যটিও অশ্রুবর্ষণ করে।”
অসাধারণ বলেছেন আপু, এই না হলে মৃত্যুর কি বা মূল্য থাকে।
সেটাই হ্যান্ডপাম্প ভাইয়া। 😀
;( ;(
জন্মের মত চীর সত্য হচ্ছে মৃত্যু।
একে অস্বীকার করা যায় না।
এ কঠিন বাস্তবতা আপু।
নিজের কাজ ঠিক মত করাই জীবন মহিমান্বিত করার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
সহমত ভাই।