মূল লেখায় যান

মতিন মিয়া (০৭)

রাফি আরাফাতগল্প৬টি মন্তব্য

সবকিছুর একটা শেষ আছে। সেটা হয় ভালো দিয়ে নয়তো খারাপ দিয়ে। ভালো খারাপটা দৈব বিষয় হলেও শেষ হওয়াটা পূর্ব নির্ধারিত। মতিন মিয়া এমন একটা চরিত্র যার ভাবনা,কল্পনা, চলনগুলো আমাদের ভাবনার সীমার বাইরে। হয়তো সে জ্ঞ্যানি পাগল। হুম আমাদের কাছে সে পাগল কিন্তু নিজের কাছে সে শ্রেষ্ট।

—
রহস্য বলতে গেলে,মতিন মিয়া নিজে জানে না রহস্য কি। কিন্তু সমাজ জানে রহস্য মানে মতিন মিয়া। মতিন মিয়া সম্পর্কে লিখতে গেলে হয়তো খাতা ফুরাবে,কলমের কালি ক্লান্ত হয়ে যাবে। কিন্তু মতিন মিয়া নিজের পথে,নিজ খুশিতে চলতেই থাকবে। সে কাউকে অনুকরণ করেনা।
—
গল্পের শেষটা এর আগেই হয়ে গেছে। কিন্তু হয়তো মনের এক কোনে মতিন মিয়ার নতুন কোন রহস্য শুনতে আগ্রহ নিয়ে আছে কেউ। কিন্তু সব রহস্য শুনতে নেই। কারন রহস্যময় পৃথিবীতে রহস্যের শেষ নেই।
—
তবে হ্যাঁ মতিন মিয়া এখানেই শেষ নয়। হয়তো আবার নতুন কোন রহস্য নিয়ে আসবে। হয়তো আবার নতুন কোন ভাবনা। নতুন কোন কল্পনা।

সন্ধ্যা বেলা আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে মতিন মিয়া। সাজু ভাই দূরেই দাঁড়িয়ে আছে। মতিন মিয়াকে দেখে তার কাছে আসলো। মতিন মিয়া বলছে,

সাজু ভাই * আজকের ভালবাসা গুলোতে ভালবাসার খুব অভাব*

হয়তো এমনি নতুন কোন রহস্যময় কথা দিয়ে মতিন মিয়া আবার ফিরে আসবে। অপেক্ষাটা না হয় আমাদের সবার থাক।

মোট পড়েছেনঃ ৮৩২জনআজ পড়েছেনঃ ০জন
ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

৬টি মন্তব্য

  1. কিন্তু সব রহস্য শুনতে নেই। কারন রহস্যময় পৃথিবীতে রহস্যের শেষ নেই।
    কথাটা খুব ভালো লাগলো।

    তবে এভাবে মতিন মিয়াকে রহস্যের বেড়া জালে রাখাটা লেখকের কাছে কাম্য ছিলো না।
    পরের কোন লেখায় অন্য কোন মতিন মিয়ার গল্প শুনবো। তবে রহস্যঘেরা ভালো লাগে না। কারন রহস্যময়কে আমি ভয় পাই।
    আপনার লেখনির ঢং অনেক ভালো।

    শুভ কামনা রইলো আরাফাত ভাই।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।

অনলাইনে ডাক্তার দেখাতে চান?