মূল লেখায় যান

বাল্যবিয়ে রুখতে হলে, আওয়াজ তোলো তালে তালে।

মোঃ মজিবর রহমানএদেশ২৯টি মন্তব্য

সরকারের এই বিজ্ঞাপনে আমি শতভাগ গর্বিত। আর দেশের ভবিষ্যৎ পরিচালক শিশু, কিশোর ও বালক-বালিকা। সমাজে দেশে তাঁদের যদি সঠিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, বাসস্থান, বিনোদন, সুনির্মল পরিবেশ দিতে ব্যারথ হই তবে তাঁদের কিভাবে বাবা-মা, বা অভিভাবক তাঁদের সঠিক সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবে?

সমাজের বা দেশের অঘটনা ঘটতেই পারে কিন্তু তাঁর সঠিক নিরাপত্তা দেওয়ার সকল ক্ষমতা থাকে সরকারের হাতে। সরকারের মাঝে দলীয়, আত্বীয়, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপেই সুবিচার থেকে বঞ্চিত হয়ে পিতামাতা মেয়ে সন্তাদের বেশি লেখাপড়া শিখানোর খুব ইচ্ছা থাকলেও, মন কষ্টে অভভাবক ভাল পাত্র মনে করেই কন্যাদানে ব্যাস্ত হতে বাধ্য থাকে। যদিও কন্যাটি কতটুকু সুপাত্র পেল তা ভাবী সময়ি বলে দেবে!

স্কুলে, প্রাইভেট টিচার, পাড়ায়-মহল্লায় যদি ছেলে মেয়ে সুস্থ পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হই তবে কোথায় কাহার নিকট আশ্রয় চাইবে? স্কুলে, মাদ্রাসায় সন্তানকে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় বা উদ্বিগ্ন হতে হই তবে কিভাবে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করার ইচ্ছা পোষণ করবে অভিভাবকগণ?

আমাদের দেশের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে যা প্রচার হয় তা বাস্তবে কেন ফল পাইনা সাধারন জনগণ? আমি যদি মনে করি শুধু প্রচারের উদ্দ্যেশেই করে তবে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় কি সকল ক্ষেত্রেই করা হচ্ছেনা?

শেষে বেঝে নিলাম প্রিয় প্রহেলিকার একটি লেখা।

কপটতার প্লাবনে হারিয়ে ফেলেছি নিজেকে,
হারিয়েছি অনুভূতির সাথে আলিঙ্গনের স্বাদটুকু।
নেমে আসো অধ্রুব হয়েই অবিলম্বে কিংবা-
বাতাসে প্রেরণ কর তোমার সর্বশেষ ওহী,
জানিয়ে দাও সুখ দুঃখ প্রসবিত হয় কার গর্ভে?
কোথায় তাদের সুবিন্যস্ত করবো, কিভাবে?

কথায় নয় বাস্তবে চাই, ভাষণে নয় বাস্তবে চাই, মিডিয়াতে নয় বাস্তবে চাই, ব্রিফিঙয়ে নয় বাস্তবে চাই, বই-পুস্তকে নয় বাস্তবে চাই, ফেস্টুন ও ব্যানারে নয় বাস্তবে চাই। মুখ ভরা কথায় নয় বাস্তবে চাই।

মোট পড়েছেনঃ ১৪৮৮জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

২৯টি মন্তব্য

  1. পাড়া মহল্লার মানুষরা অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেয় স্বভাবে। হাজার প্রতিকুলতার মধ্যেও তো মেয়েরা পড়াশোনা করছে। একটা আইন মানা না হলে শাস্তি, তবে শাস্তির বিধান আছে এমন আইনগুলো আমরা মানছি না কেন। নিজেদেরকে পরিবর্তন সবার আগে দরকার। সরকারের হাতে ছেড়ে দিয়েছি জনগন, যেই জনগনের নিজেদেরই স্বভাব নষ্ট। এটাই সত্য।

    1. হুম! সরকারি এই উপলক্ষে এনজিও ও কিচ্ছু কর্মকর্তা একটিভ কিন্তু কোন একটি মেয়ের উপর যখন কোন আক্রমন হয় তখন তারা পালায়। পাশে থাকেনা। দেখুন কত মেয়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাস , পথেঘাটে নাজেহাল হচ্ছে বিচার চেয়ে পাচ্ছেনা। দেশে আলোচিত গুলর ও বিচার হচ্ছেনা। সাধারন গুল কেমনে পাই!
      আপু আমি একটি বাস্তব উদাহরন দিচ্ছি, শহরে অনেক এন জিও আছে বস্তিবাসীদের রক্ষা নিয়ে আন্দোলন করে। আমিও ছিলাম তখন এক এন জিও তে, সেই সময় ধাকার শ্যামলি রিং রোডে একটি বস্তি ছিল। আমার এক সহকর্মী সেটার নিয়ে কাজ করত। একদিন উচ্ছেদ অভিযান চলল আমার সহকর্মী তাঁর বসদের সাহায্য চেয়ে তাড়া খেল। বস্তির লোকজন বার বার ফোন দিয়ে বা এসে ফিরে গেল। বলেন আমরা কোথায় বাস করি।
      জনগণ আজ বন্দি রাজনীতিবিদদের হাতে।