মূল লেখায় যান

নদী-জল

সাবিনা ইয়াসমিনএকান্ত অনুভূতি৫০টি মন্তব্য

জলে গড়া এক নদী
ধারণ করে বহন করে ,
বয়ে চলে অবিরত…

অখন্ড সমুদ্রের আমন্ত্রণে
নিয়ে উত্তাল স্রোতস্বিনী সাজ,
বন্ধনের সব মায়া ত্যাগে
বইবে কূল-ভাঙার দায়।

বাঁধা দিবে ? বেধে রাখবে ?
প্রাচীরে বাঁধা নদী ?
সেতো প্রাণহীন স্বচ্ছ জলাধার !!

নদীর বুকে গেঁথে দেয়া হিমালয় ?
আকূল-উষ্ণতায় গলে যাবে নির্বিশেষ।
নদীতে ছবি রেখো না
ইচ্ছে রঙের ফানুশ গগনে চড়ে ,
পৌঁছোয় না মহাকাশে…

এক সমুদ্র লোনা প্রেমে
বিধাতা গড়েছেন বিশালতার কারুকার্য ,
এক নদীর সমর্পণে ঈশ্বর হয়েছেন জল,

নদী হয়েছে জলের ভাস্কর্য …

মোট পড়েছেনঃ ৩৭৯৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৫০টি মন্তব্য

  1. আপনি অনেক গভীর কিছু হয়তো বোঝাতে চেয়েছেন যা আমি বুঝি নাই। এটা লেখার অবশ্যই সমস্যা না আমি কবিতা কম বুঝি। নদী আমার খুবই পছন্দের।

    1. অখণ্ড সমুদ্র-আমন্ত্রণে ভেসে যাব
      ঐ দিগন্ত ছুঁয়ে ছুঁয়ে
      চোরাবালি এড়িয়ে,
      বিধাতার জল-ভাস্কর্য রয়ে যাবে
      প্রেমের প্রেমে অমলিন,
      প্রাণের আকুল উষ্ণতায়!

    2. @ শাহরিন ,,,এটা কবিতা হলে একটু আধটু ঠিক বুঝতেন। এটা আসলে উড়াধুরা লেখা তাই এটা না বুঝলেও সমস্যা নেই। প্রথম কমেন্ট দিয়ে আমার পোস্টের সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্যে অনেক অনেক ভালোবাসা।

      আপনার নতুন লেখাটি কবে দিচ্ছেন ?

  2. বাধা দিুবে? বেধে রাখবে ?
    প্রাচীরে বাধা নদী ?
    সেতো প্রানহীন স্বচ্ছ জলাধার !!
    চমৎকার রচনাচয়ন দিদি ,
    সব গুলো লাইন গভীর ভাবে আঁকড়ে ধরে ।
    পড়ে খুব ভালো লাগলো দিদি। শুভ কামনা। 🌹🌹

  3. নদী বয়ে চলুক অবিরত উত্তাল স্রোতস্বিনী সাজ নিয়ে,
    বাধা দিয়ে বা বেধে রাখলে তা আর নদী থাকবে না, হয়ে যাবে জলাধার।
    “এক নদীর সমর্পনে ঈশ্বর হয়েছেন জল,
    নদী হয়েছে জলের ভাস্কর্য ” – এই দুই লাইন লেখাটিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। বরফের ভাস্কর্যর কথা শুনেছি, জলের ভাস্কর্য এই প্রথম শুনলাম।

    লেখাটি অনেক ভাল লেগেছে,
    প্রিয়তে নিলাম।

    1. জলের ভাস্কর্য বলতে এখানে নদীকেই বোঝানো হয়েছে। জল আছে বলেই নদী পূর্নতা পেয়েছে। জলেরই ভাস্কর্য নদী। জল দিয়ে গড়া, জলের ছন্দে চলা, জলের তাল-লয়ে নিত্ত-নূতন মূর্ছনায় বয়ে যাওয়া…

      ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। ভালো থাকুন সারাক্ষন, শুভ কামনা 🌹🌹

    1. একান্ত অনুভূতিতে লেখা অ-কবিতা কে কবিতার সম্মানে ভূষিত করলেন!! ধন্যবাদ রইলো। ভালো ভালো কবিতাতো লিখতে পারবোনা, আগামীতে অ-কবিতা লিখতে গেলেও ভয় লাগবে। যদি ভালো না হয়!! 😱

      ভালো থাকবেন, শুভ কামনা 🌹🌹

    1. নদী আর জীবন প্রায় কাছাকাছি। কিন্তু দুটোর গন্তব্যই ভিন্ন। জীবনের সমাপ্তি মৃত্যুতে। আর নদীর কোনো সমাপ্তি নেই। বহমান নদীর গন্তব্য সমুদ্রে, যেখানে সে নতুন করে আবারো জন্ম নেয় অন্য নদীরুপে।

      আপনার মন্তব্য পেয়ে খুব খুশি হলাম। ভালো থাকুন, শুভ কামনা 🌹🌹

  4. আঁকছি- একটি অভাবী মুখের অঙ্গচিত্র;

    এ চোখেও কাজলের অভাব
    এ কানেও ঝুমকোর অভাব
    এ নাকেও নোলকের অভাব
    এ গালেও টোলের অভাব
    এ ঠোঁটেও লালের অভাব
    পুরো মুখশ্রীতে আজ
    মুখোমুখি সংঘর্ষের নিদারুণ অভাব।

    অভাবেই কাটছে
    সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত,সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়।
    বলছি- লাজুক কাব্যের খোলস ভেঙ্গে
    শুনছো কি?
    এ নগরে অভাব অভাব হাহাকার
    শুধু তুমি দীর্ঘমেয়াদী স্পষ্টভাষী
    নাগরিকা, তোমার রসালো মনোতন্ত্রের অভাব।

  5. নদীকে কি বেঁধে রাখা যায়, স্রোতের স্বচ্ছ ধারাকে আটকিয়ে রাখা সেতো মানুষের কর্ম নয়। ইশ্বর যে ধারাকে করেছে বহমান আমি কি করে আটকাই সেসব ধারাকে?

    ভালো লেগেছে কবিতাটি আপু।

    1. সেটাই ভাই, যাকে বহমান করে তৈরি করা হয়েছে তাকে কেন আটকে দেয়া !!

      দেরিতে এলেন, তবে মন্তব্য পড়ে মন খুশি হয়ে গেলো। খুব ভালো কথা বলেছেন। ভালো থাকুন, শুভ কামনা 🌹🌹