মূল লেখায় যান

জীবনের কৃষ্ণগহ্বর

হালিমা আক্তারএকান্ত অনুভূতি১৮টি মন্তব্য

কৃষ্ণগহ্বর টা ক্রমশ আস্তে আস্তে বড় হা করছে।
মনে হচ্ছে একসাথে সমস্ত আলোর কণা গ্রাস করে নিবে। ভয়ে কম্পিত হয়ে কোজাগরী পূর্ণিমার চাঁদ মুখ লুকিয়েছে।
চারদিকে ঘন কালো আঁধার।

তবু দেখো ওই আঁধারের মাঝে আকাশে জ্বলজ্বল করছে একটি তারা। কি যেন নাম তার। ওহ, সবাই বলে সে নাকি শুকতারা। দিকহারা নাবিকের পথ দেখানোর জন্য রাত জেগে শাস্ত্রীর মতো দেয় পাহারা।
কখনো কখনো তমস্যা ভেদ করে ছুটে চলে নয়নের তারা।
দূরে কোথাও কারা যেন আলোর টিপ পড়ে মিটিমিটি হাসছে।
বলছে। বলছে–ভয় কি বন্ধু, চল আজ হাঁটি একসাথে।

ছবি সংগ্রহ–নেট থেকে।

মোট পড়েছেনঃ ৮০৫জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. মনে হচ্ছে একসাথে সব আলোর কণা গ্রাস করে নেবে….. তারপরেও আশায় বাঁধা মন আলো খুঁজতেই থাকে জীবনের কালো গহ্বর থেকে উত্তরণের…..

    ভাবার্থে কিছুটা ঐ আকাশের নক্ষত্রের মতই….

  2. মিটিমিটি হেসে ই বলছি— আচ্ছা চলুন একসাথে হাঁটি।কোনো ভয় নেই।
    তবে আপনার লেখা চুরি হওয়ার ভয় কিন্তু রয়েই গেল।
    আপনি অন্য কোনো গ্রুপ বা কোনো পোর্টালে দিয়েছিন কি প্রিয় আপা? এই লেখা আমি আগেও পড়েছি এবং এপ্রুভ করেছি।
    গ্রুপে বা অন্য কোথাও পোষ্ট দিলে সেখানে তারিখ উল্লেখ না করলেও নিজের খসড়া কপিতে তারিখ উল্লেখ করে রাখবেন। তাহলে চোর ধরতে আমাদের সুবিধা হবে।
    চমৎকার আলী আঁধার নিয়ে লেখা।একবার পড়লে দ্বিতীয় বার পড়তে বাধ্য হতে হয়।অনেক ভালোবাসা রইলো। ভাল থাকুন অফুরান শুভ কামনা সব সময়।

    1. আন্তরিক ধন্যবাদ একসাথে হাঁটার জন্য। না আপা , এ লেখাটি শুধু আমার টাইম লাইনে পোস্ট করেছি। লেখাটি সম্প্রতি লিখেছি। লেখাটি আপনি অন্য গ্রুপে অ্যাপ্রুভ করেছেন এবং পড়েছেন শুনে আমারও কিছুটা খটকা লাগছে। শব্দ কুহক, শব্দপুরি সাহিত্য অঙ্গন ও পেন্সিল এর লেখা পড়ি। প্রথম দুটি তে আমি লেখাও পোস্ট করি। এছাড়া মাত্র কয়েক দিন আগে পরানের কথা নামে একটি গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়েছি। একই রকম লেখা অন্য গ্রুপে প্রকাশ, আসলেই বুঝতে পারছি না।
      আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এখন থেকে লেখায় তারিখ দিয়ে রাখবো। শুভ কামনা রইলো।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।