মূল লেখায় যান

কচুরিপানা ও মুক্ত জলতরী

মাসুদ চয়নকবিতা১৭টি মন্তব্য

(কচুরিপানা)
মাঝে মাঝে জীবনকে কচুরিপানার ঘনিষ্ঠ ক্লোণ বলে মনে হয়–
জলে ভেসে চলে ঘুম
জলে ভেসে ওঠে চৈতন্য_
জল শুকোলেই নিথর দেহ
এভাবেই ফুরোবে সমস্ত লেনদেন আর বাঁচিবার আয়োজন–
মিথ্যে হয়ে যাবে সমস্ত সজীবতা নিমিশেই
সবুজ আলো ঔজ্জ্বল্য হারালে পোঁড়া পাতায় ছাঁই ওড়ে
কচুরিপানা জন্মে জেনেছি–সব ছাঁইয়ে দৃশ্যমান আভা থাকেনা
থাকেনা পুঁড়ে যাওয়ার গন্ধ
এমন ছাইয়ের অনাদি ইতিহাস সাদা অক্ষরে লেখা থাকে
এক দিন কালো কালির স্কেচে আঁকা সমস্ত কবিতা সাদায় লীন হয়ে যাবে
নতুবা নতুন কচুরিপানার মনে বেঁচে থাকবে কালের লিখন-
তখন সাদাকে কালো বলে মনে হবে
মৃত্যুর মতো বর্ন যার তাকে সাদা কালোর ঘনিষ্ঠ মিশ্রনে সুন্দর লাগে/
—————–
(মুক্ত জলতরী)
মাঝে মাঝে জীবনকে মনে হয় মুক্ত জলতরী
জলতরঙ্গ ধেয়ে বয়ে চলেছি পৃথিবীর এপারে ওপারে
শত সহস্র জননিবাস পেয়েছিলো যারে
সে কোথাও ভেড়েনি আজও/

মোট পড়েছেনঃ ১৫১৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

১৭টি মন্তব্য

  1. মাঝে মাঝে জীবনকে মনে হয় মুক্ত জলতরী
    জলতরঙ্গ ধেয়ে বয়ে চলেছি পৃথিবীর এপারে ওপারে
    শত সহস্র জননিবাস পেয়েছিলো যারে
    সে কোথাও ভেড়েনি আজও।

    খুব ভালো লাগলো শেষ লাইন পড়ে। শুভকামনা রইলো।

  2. জীবন কে দেখার দৃষ্টি ভংগিমা একেক জনের একেক রকম। তবে কচুরিপানা কিন্তু খুবই উপকারী গাছের জন্য। আর গাছ যে কত ভাবে আমাদের উপকার করে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আমার হিসাবে অনেক ভালো জীবন কাটছে তাহলে লেখকের। ধন্যবাদ।

  3. নিরন্তর বহমানতার নামই জীবন। কচুরিপানার ফুলগুলো দেখেছেন, কী সুন্দর! জীবন তার বয়ে চলার মাঝে তেমনই ফুল ফোটায়। আর এই ফুল ফোটানোর দায়-ই এগিয়ে নিয়ে যায় জীবনকে।