মূল লেখায় যান

একটি ভালবাসার গল্প-৩

তির্থক আহসান রুবেলএকান্ত অনুভূতি৯টি মন্তব্য
– যার জন্য আপনি অন্ধ প্রেমে মত্ত, সে আপনাকে ভালবেসে ফেলার ভয়ে আছেন! ইন্টারেস্টিং।
– তা বলতে পারেন। চমক-আবিস্কার না থাকলে তো আর ভালবাসা, ভালবাসা থাকে না। রুটিনওয়ার্ক হয়ে যায়।
– কিন্তু চমক-আবিস্কারের সাথে ভয়ের কি সম্পর্ক?
– সেখানেই তো খেলা। আপনার সহ্য ক্ষমতা কতটুকু! কতটুকু চমক আপনি নিতে পারবেন! কতটা আবিস্কারের জন্য আপনি প্রস্তুত!
– শরীর?
– না। শরীর তো আজ আছে কাল নেই। মন শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করে। শরীরের নিজের কি ক্ষমতা!
– তাহলে?
– শরীর না হয় শরীরের আগুন নেভালো। কিন্তু মনের আগুন! শরীরের ক্ষুধা মিটে যায় কোন না কোনভাবে। কিন্তু মনের ক্ষুধা!
– এতো এভেইলেবল। চাইলেই পাওয়া যায়।
– ম্যাডাম, শরীরকে ভুল বুঝিয়ে কৃত্রিম খাদ্য দিতে ঘুম পাড়াতে পারবেন। মন বড় চালাক। তার আসল চাই।
– এটা তো লোভ নাকি বলবেন দূর্লভ।
– লোভ এবং দূর্লভ দুটোই আপন। দূর্লভের প্রতিই লোভ জাগে। আর ভালবাসা সহজে পেলেও তাকে সহজলভ্য ভাবে না। কারণ ভাল বাসতে পারাটাই একটা দূর্লভ ব্যপার। আর ভালবাসা পাওয়াটা বিলুপ্ত প্রায় এক অভিযান।
– অন্ধের মতো ভালবেসেছেন। তাহলে গ্রহণ হলো না কেন!
– হয়ত অন্য কাউকে অন্ধের মতো ভালবেসে বসে আছে!
মোট পড়েছেনঃ ১০৬১জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৯টি মন্তব্য

  1. ভাইয়া ভিতরকার বিষয়টি খুব সুন্দর করে তুলে ধরলেন। শরীর চাইলেই পাওয়া টা সহজলভ্য কিন্তু মন!! দুর্লভ বলেই হয়তো ভালোবাসা আজো খুঁজে ফেরে প্রতিটি মানুষ। নিরন্তর শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো। শুভ রাত্রি

  2. তাহলে!!
    মনই হলো আসল।সব কিছুকেেই ফাকি দেয়া গেলেও মন আসলটাই চাইবে।চমৎকার লিখছেন বড় ভাই তবে এতো কৃপণ কেন!ঘটনা আরো একটু বড় হলে ভালল হয়না।।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।