ছোট্ট হাঁসের ছানা, টুপ করে ডুব ক্ষণিক দিয়েই খাচ্ছে তুলে দানা। বার বারে ডাক দিচ্ছে যদি বক্ষে আশা চষে, উঠছে দ্বিগুন জোশে, লাফ দিয়ে ফের মায়ের পিঠে ঘাপটি মেরে বসে। গাছের ডালে কাক ভাবে সেই দৃশ্যে উঠে দুলে, দেখেই পরাণ খুলে, ক্যান ছাড়ে না ওদের তরে হিংসা আমায় ভুলে! ভিড়ছে তবে জান তরী কি মানব… [বিস্তারিত]
বিভাগ: ছড়া
স্বরবৃত্ত ছন্দঃ ৪+৪/৪+১ ওরে খোকা, ওরে খুকি দেখবি তোরা আয়, কদম গাছে কেয়া গাছে ফুল ধরেছে হায়। ফুলের সাথে পাখির সাথে ভ্রমর গাইছে গান, ওরে খোকা ওরে খুকি শুন না ফেলে কান। কদমের সাথে কেয়া ফুলের মধুর হাসি হয় খোকা খুকি মন খুশিতে নদে নৌকা বয়। কদম কেয়া তুলে এনে নানা খেলা হয় বর্ষারাণী কদম… [বিস্তারিত]
টাপুর টুপুর পড়ে বৃষ্টি দেয়ার একটু ডাক, পুকুর ডোবাতে সদা চলে সোনা ব্যাঙের হাঁক। সোনা ব্যাঙ, কুনোব্যাঙ ব্যাঙের নানা জাত, লাফালাফি করে তারা ছোট্ট দু'টা হাত। দেয়ার ডাকে ময়ূর নাচে ঐ না ঘরের কোণে, গাছ পালা সব ভেঙে শেষ ঐ না গহিন বনে। বৃষ্টির পর রংধনুর সপ্ত রঙ আকাশ থেকে পড়ে, তা দেখার জন্য শিশুরা… [বিস্তারিত]
আমি আর খুকি মিলে যাব মামার বাড়ি, আছে আমার মামার বাড়ি মস্ত মধুর হাড়ি। মামার বাড়ি যেয়ে আমরা খেলব নানা খেলা, আম জাম ডুমুর ফলের হরেকরকম মেলা। ফলের সমাহার মামার বাড়ি খেয়ে জুড়াবে প্রাণ, নিত্য বিকেলে গেয়ে বেড়াব হর্ষে করে গান। কাজিনদের সঙ্গে রাত্রি বেলা করব নানা গল্প, হৈ হৈহল্লা করলে মামা বকা দেবে অল্প।… [বিস্তারিত]
নীল আকাশে মেঘমালা জমেছে নেই কো তার শেষ, অভিলাষ হল ঘুরে বেড়ায় নানান রঙের বেশ। টাপুর টুপুর পড়ে বৃষ্টি ঝুমঝুম তার রুপ, বজ্রের শব্দে লুকায় সবাই কেউ দেবে না ডুব। বৃষ্টির পর রংধনু রং ফ্যালে নীল দীঘির ঐ ধারে তরুলতা নব সাজে সজ্জিত হয়ে পথের ধারে ধারে। বৃষ্টি শেষে বর্ষাকালে নদে থৈথৈ করে জলে, কদম… [বিস্তারিত]
মেঘ কুমারী, মেঘ কুমারী তোর বাড়ি কই, স্বপ্নে আমি দেখেছি তোরে তুই আমার সই। আমার বাড়ি আসিস যদি বসতে দেব পিড়ে, শরতকাল তোকে নিয়ে ঘুরব আমি কাশফুলের ভীড়ে। আমার বাড়ির আতা ডালিম তোকে দিব খেতে, চলে যেতে চাইলে তুই আমি যাব সাথে । গগন জুড়ে ভেসে বেড়াস নানা রঙের বেশে, তা আমি দেখি ওরে দিনের… [বিস্তারিত]
আমার দেশের সোনার ছেলে মাঠে ফলায় ধান, কষ্ট ভোলার জন্য ধরে আহা মধুর গান। গাত্র পোড়ে সোনার ছেলের সবারে দিতে অন্ন, এমন ছেলে কে না চাই বল এই জগতের জন্য। রচনাকালঃ ১৪/০৪/২০২১ [বিস্তারিত]
ক্ষণ যেতো মোর চোতের খোঁজে দিন বা শেষে মাস, বুঝবে কি তা কিশোর বিনে দুষ্টুমির সেই আশ! বাপ মা কখন ভর দুপুরে একটু দিবে ঘুম, এই তো চাওয়া আম চোরাদের রোজ দিতো যা চুম। নাই বা বলি ঘুড়ির কথা গোল্লাছুটের দৌড়, গাল শুনে রোজ খেলছি তবু ধুমসে পুলিশ চোর। চুপটি খেলা চড়ুইভাতি কিংবা শাখে গান,… [বিস্তারিত]
শুনছ তুমি টেপার মাতা লিখছে গুগল কি? চন্দ্রতে যে রাজরানী সে বিশ্বে এলে ঝি! কও কি ওগো টেপার বাবা সব পুড়ে হোক ছাই, চলো তবে আজ দু’জনে চাঁদের দেশেই যাই! টেপার বাবা বললো মোদের মিটবে কি সে আশ! সেথায় নাকি পুরুষ লোকের নেই কোন গেট পাস! আমি না হয় পরেই যাবো আসলে সুযোগ ফের, টেপার… [বিস্তারিত]
উঠ খোকা উঠ দিচ্ছে আজান মসজিদে যাই চল! রোজ জামায়াতে পড়লে নামাজ বাড়বে মনের বল! শিখবি আদব ধৈর্যটা কি সখ্য কারে কয়! করবি মেনে খোদার হুকুম আত্মটাকে জয়! এই ধরা সব নয় রে খোকা থাকবি কয়েক দিন! যায় যদি তাই নিদ্রা হেলায় টানতে হবে ঋণ! ডাকবে যেদিন দূর দেশে ঐ থাকতে মালেক সাঁই! দেখবি সেদিন… [বিস্তারিত]
মুনতাহ মোদের মণি, বাচ্ছা তো নয় দেখতে যেন আস্ত সোনার খনি! গর্বে কি নই ধনী! মুখ যদি হয় সদ্য গড়া ছোট্ট পুতুল ননী!! বাক চিতে সে বড্ড পটু বয়স যে তার তিন, গান গেয়ে সে নাচতে পারে ধিন তা না না ধিন। হাত দুলে তার নাগীন তালে বাজছে যেন বীন। বলতে পারে পদ্য ছড়া বেশ… [বিস্তারিত]
১ জীবনটা বাঁধা আছে স্বপ্নের জালে গগনটা ভরে আছে নক্ষত্রের তলে। ২ রাতের আঁধারে গগনে তাঁরার মেলা আঁধার পেয়ে জোনাকিরা করে খেলা । ৩ মেঘের মেয়ে মেঘকুমারী তোর বাড়ি কই স্বপ্নে দেখেছি আমি তুই আমার সই। ৪ নিন্দুক নিন্দুক নিন্দুক সবার আপন সাথী বিনা মূল্যে করে পরিস্কার হয়ে অন্ধকারের বাতি। রচনাকালঃ ১১/১২/২০২০ [বিস্তারিত]
কেউ খুশিতে নাচছে বেজায় কেউ দুঃখে কাঁদে জো বাইডেন জিতেছে, আর ট্রাম পরাজয় ফাঁদে। কেউ মাখে রঙ,কেউবা গাধার গলায় পরায় মালা কাদায় হাতি পড়ল বলে অঙ্গে কারো জ্বালা। জয়-পরাজয় হোক না যারই লাভ হবে এক চুল ? তবে কেন এই দেশেতে এমন হুলুস্থুল! ওদের টাকায় খাচ্ছিদাচ্ছি? ওদের টাকায় বাঁচি ? তবে কেন সকাল বিকাল ওদের… [বিস্তারিত]
মরলে হাতি লাখ টাকা, তাও মরুক হাতির দল, গাধাটাকেই আজ বেছে নাও গাধার দলে চল। এই বলে সব আমজনতা ছুটল গাধার দলে, তবুও হাতি সাদাবাড়ি রাখবে নানান ছলে! বলল সবাই গাধাই ভাল হাতিই অধম জাত, গাধাই মানুষ,হাতি কেবল দিনকে বানায় রাত। গায়ের জোরে জাত কেড়ে নেয় পাত কেড়ে নেয় লোকের, এই হাতিটাই পাল্টে খোলস রূপ… [বিস্তারিত]
তা তা থৈ থৈ খুকু গেল কই সারাপাড়া কাঁদে যেন করে হইচই। থৈ থৈ তা রং করা গাঁ ফুল পাখি নদীমাখা তুলতুলে পা। তা থৈ তা থৈ খুকু নাচে ঐ সাথে নাচে মিউমিউ পায়রার সই চোখ পেতে রই আহা চোখ পেতে রই। তা তা ধিন তা ময়ুরের ছা' খুকুদের সাথে সাথে মিল রাখে পা। তা… [বিস্তারিত]












