দুর্যোগেও নাক ডেকে ঘুমুচ্ছে নগরবাসী অরক্ষিত ইটের গাঁথুনি খসে ভেঙে পড়ছে লোকজ মন্দির বারোয়ারি ঘাট- পূর্বজভিটা... কতোক শান্তিকামী মানুষ- ‘একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে’ এই আশাবাদ রপ্ত করে করে ভুলে গেছে রক্ত ভেজা মিছিলের দিন আগুন ধরা স্লোগান নিরবে ফুরিয়ে দিচ্ছে ভবিষ্যৎ বিপন্ন আলোর সন্ধ্যারেখা কেউ ভাবছে না- খ্যাপা ষাঁড়- লোলুপ হায়েনা শেকল ছেড়া পাগলা… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
এখন তো অনেক কিছুই অচল হয়েছে সচল থাকার পরেও হিসেবের খাতা থেকে কবেই হারিয়ে গিয়েছে পাঁচ পয়সা, দশ পয়সা পঁচিশ পয়সা, পঞ্চাশ পয়সারও হিসেব এখন আর কেউ করে না। কিছুদিন পর হয়তো এক টাকার কাগুজে নোটটিকেও জাদুঘরে রাখা হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেখানো জন্য। এক আনা, চার আনা, ছটাক আর সিকির হিসেব তো ভুলেই গেছে লোকজন… [বিস্তারিত]
আঁধার রাতের জোছনা আর তারার আলোয় পরিচিত ছায়া, থমকে দাঁড়াই সূর্যের ডাকে বাস্তবতা আকড়ে ধরে ভুলতে পারি না তোমার মায়া। বাস্তবতার শিকল পড়ে স্তব্ধ নয়ন ঝলসে ওঠে, রক্তের ডাকে ফিরে যাই কল্পনায়, অবাক পৃথিবীর নিষ্ঠুর বাঁধনে বন্দী তবুও- দুরন্ত মন খুজছে তোমায়। [বিস্তারিত]
একদিন চায়ের তৃষ্ণায় যখন নিশ্চুপ! নিথর হয়ে বারান্দায় বসে থাকব; সেদিন তুমি কি এক কাপ চা! শুধু মাত্র এক কাপ চা এনে বলবে? এই যে পণ্ডিত নাও। এক চুমুক তোমার! এক চুমুক আমার! একদিন অর্ধ-জ্যোৎস্না দেখে হতাশায় হারিয়ে যাব আমি তন্দ্রায়। সেদিন তুমি এসে কি আমার; দুদিন না কামানো খোঁচা খোঁচা দাড়ির বীভৎস গাল দুটো… [বিস্তারিত]
ত্রিশ সেকেন্ড, চোখাচোখি ত্রিশ সেকেন্ড পড়া, কি ছিলো সেই, চোখের ভাষা একটু যাচাই করা। ঠোটের ফাকে, লাজুক হাসি লজ্জা রাঙ্গা গাল। ছুতোর জন্য, যুক্ত করো কথার ইন্দ্রজাল। চালাও যদি, একটি দুটি কথার মতো কথা, দেখবে কেমন ধীরে ধীরে কমছে অস্থিরতা। বারো মিনিট, অনেক সময় একটি প্রেমের জন্য। হও না তুমি গাধা, কিংবা হও না তুমি… [বিস্তারিত]
আসমানে ঘনায়া আহে কুচকুইচা কালা মেঘ! হাজার দেওয়ের গোস্বা লয়া দরিয়া ফুঁইসা ওঠে নাওয়ের তলে! মাঝ দরিয়ায় পরান কাঁপে মাঝির, পাছ ফিরা চায় দুর কুলের পানে। কলিজায় লাগে ডরের তুফান টান, দিলে কয়, জলদি কুলে ভেড়া নাও। তক্ষন, ঠিক তক্ষন, মাঝির চক্ষের সামনে ভাসে বউয়ের গতর না ঢাকা শাড়ী, বিটির না খাওয়া শুকনা মুখ! মাজা… [বিস্তারিত]
প্রতি বছরই দুর্ঘটনা, আগুন, ভবনধ্বস কথার ফুলঝুড়িতে চাপা পড়ে দীর্ঘশ্বাস, কণ্ঠস্বর, প্রাণ যথারীতি শোকাহত মহাজন দুঃখকাতর শ্রদ্ধাঞ্জলি উদারতার আশ্চর্য মাপকাঠিতে কখনও জীবনের ক্ষতিপূরণও নিশ্চিত মিলেছে স্বজনের জোটে না শুধু ঘামের মর্যাদা শ্রমের ন্যায্য দাম কী বিচিত্র মে দিবস তাৎপর্যের এই দিনে বিশ্ব শোষক সম্প্রদায় কতোই না ব্যস্ত হয়ে ওঠেন একযোগে পরিয়ে দেন বাণীমালা হা-ভাতে কর্মী… [বিস্তারিত]
নির্ঘুম রাত্রির গভীরতায় ডুবে থাকি- অনাগত সুর্যের প্রত্যাশায়, রাত জাগা পাখিরা আমায় গান শুনায় রাত্রির গান, রাত জাগা চাঁদ আমায় আলো দেয় জোছনার আলো, রাত জাগা তারা গুলো আমায় পথ দেখায় সুর্যের পথ, রাত্রির গান শুনে জোছনার আলোয় হেটে যাই অনাগত সুর্যের পথে। [বিস্তারিত]
চামেলী-রামুর অভিসার কৃষ্ণপক্ষের রাত। রামু ও কৃষ্ণা হারিস মন্ডলের বাড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা করছে গরু বিষ খাইয়ে মারবে বলে। ডোমপাড়ার মানুষেরা তখন ঘুমে চুর হয়ে আছে। রামু এদিক-ওদিক তাকিয়ে খুব সন্তপর্ণে হাঁটছে। তার দৃষ্টি ডোমপাড়ার বিধবা নারী চামেলীর ঘরের জানালার দিকে। রামু হঠাৎ কথা বলে উঠে...। রামু: কৃষ্ণা তে তেনি সামনে আগাও হাম আয়োতিন। কৃষ্ণা: আচ্ছা।… [বিস্তারিত]
একটা কবিতা লিখি, কাটাকুটি করি যন্ত্রণাটা তীব্রতর হয়, মাথাচাড়া দিয়ে উঠে কতটা যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে গেলে কাটাকুটি হয়, অনুভব কর ? একটা গল্প লিখি, কাগজটি দুমড়ে মুচড়ে ফেলি নোনা জলে ঝাপসা হয়ে আসে দু'চোখ কতটা হতাশার মধ্য দিয়ে গেলে নিজের সৃষ্টিকে দুমড়ানো মোচড়ানো হয়, বুঝো ? শেষ অবধি কবিতারা হয় ছন্দহীন গল্পেরা হয় হিজিবিজি, লাগে… [বিস্তারিত]
চোখ বুজে থাকার উপায় নেই প্রেস, মিডিয়া, সমাজ- সচেতন চায়ের কাপে রাজনৈতিক বুদবুদ, গন্ধ, ধোঁয়া কি আর করা অভিনয় টুকু ঠিকই রপ্ত করেছি পাছে ল্যাং খেয়ে পড়তে না হয় আবার নীতি এখন মন ভোলানো বাণী মন্ত্র ঘুম পাড়ানিয়া গান নিষ্কলঙ্ক জরির পোশাক আধিপত্যের মোরগ লড়াই বুঝি না রাজনীতি যদি মানুষনীতি হতো কী এমন ক্ষতি ছিলো… [বিস্তারিত]
কিছু ছোঁয়া ভালোবাসার হৃদপিণ্ডে তোলে অবিনাশী ঝড় কিছু ছোঁয়া ধ্রুবতারা চিরকাল জ্বলে মনের ভিতর। কিছু ছোঁয়া উষ্ণতার ঘটায় মনে ভাবনার প্রজনন কিছু ছোঁয়া চির যৌবনা জড়ের মাঝে করে প্রাণের সঞ্চার। কিছু ছোঁয়া মনুষ্যত্বের অবিনাশী হয়ে রয় কিছু ছোঁয়া পরম মমতার বুকে টেনে নিতে ইচ্ছে হয়। কিছু ছোঁয়া শ্মশানঘাটের জ্বালিয়ে দেয় হৃদয় কিছু ছোঁয়া সাহসের বাঁচার… [বিস্তারিত]
কেউ কোলবালিশের পরিবর্তে অন্য কিছুর কথা ভাবেনি। ৩৩ বছর কাটল। কেউ কিছু ভাবেনি। ছেলেবেলায় এক দুষ্টমেয়ে কান্না থামিয়ে দিয়ে বলেছিল, তোমার ১৬তম জন্মদিনে এসে কোলবালিশটা বদলে দিয়ে যাব। তারপর কত জন্মদিন চলে গেল। সেই দুষ্টমেয়ে আর এল না। ২৫ বছর প্রতিক্ষায় আছি। মামা বাড়ির মাঝি নাদের আলি বলেছিল, বড় হও দাদাঠাকুর! তোমাকে আমি শহরের ঐ… [বিস্তারিত]
স্কুল জীবনে তোকে নিয়ে কতো কিছু ভাবতাম ছুটির ঘণ্টা পড়লেই তোর কাছে ছুটে যেতাম ছায়া নামা বিকেলে আমরা দুজনে মনে পরে ঘুরতাম কতো আনমনে ফেরার পথে চাইতি তুই এক মুঠো বাদাম দু'টাকায় বাদাম কিনে আমি নিতাম চুইঙ্গাম । ছায়া নামা বিকেলে আমরা দুজনে মনে পরে ঘুরতাম কতো আনমনে বৃষ্টি ঝড় তুচ্ছ করে দুজন যেতাম স্কুলে… [বিস্তারিত]
মেঘ দেখে এখন ফেটে যাক নদী কূলপ্লাবী দিকহারা বর্ষনের ঘাতে আমি দ্বিধার অনার্য হাতে রুয়ে যাবো মৌসুমি শাঁস যদি ফল হয় অর্বাচীন মুখে মুখে । মেঘ দেখে ঝড়ে পড়ুক গাছের আমপ্রালি কেঁপে উঠে বুক ভয়ের নিশানায় রয়ে যাবে গাছের ছায়ায় ঝিম মেরে বসে থেকে একটু শীতল স্পর্শ খুঁজছে ক্লান্ত কাক । মেঘ দেখে শান্তির পরশ… [বিস্তারিত]





