তোমার চোখের মায়া, বাড়িয়ে দেয় একটুখানি কাজল, মন মরুতে ঢালবে নাকি ভালবাসার জ্বল। তোমার নাকের ডগায় জমছে ঘামের শিশির, কাব্য লিখে পার করেছি হাজার প্রহর নিশির। ভর দূপুরে বারান্দাতে এক ঝলকের হাসি, ভাবনা ভেবে দিতে পারি হাজার বারো ফাসি। আজো আমার শ্বাসনালিতে তোমার চুলের গন্ধ, যেথায় থাকো, খুঁজে নিবো হইও যদি অন্ধ। লাল কমলার, মিশ্রন… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
তুমি স্নান সেরে এসে, চৌকাঠ পেরুলে যেই অমনি বদলে গেলো দৃশ্যপট। আলোর রঙ বদলে গেলো নিমিষেই, বারান্দায় মিহিন সৌরভ। মেঘের আড়াল থেকে উকি দিয়েই দুর্মতি চাঁদ নিপাট ভদ্রলোক। তুমি স্নান সেরে এসে সামনে দাড়ালে, কবি অন্ধ হয়ে যায় সেচ্ছায়। কেননা, সৌন্দর্য বুভুক্ষ কবি দেখেছে শুদ্ধতম সুন্দর। অবাধ্য চুল বেয়ে নেমে আসা জলচুর্নে থমকে যায় সমগ্র… [বিস্তারিত]
লোকটির কথা হয় পথের সাথে মোড়ে মোড়ে কিছু নিদর্শন- ল্যাম্পপোস্ট যাত্রীছাউনি বৃক্ষ বাতাসের গন্ধ দোকানির হাঁকডাক... আরও কতো কী তাকে এগিয়ে নেয় স্বজনের মতো কোনো রঙ নেই চোখে ঘরেও জ্বলে না আলো পা দুটি ধীর, অবিচল হালের আঁধার মাড়িয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত অনাগত গন্তব্যের দিকে গোটা শহর যখন অন্ধ- অমাবস্যায় হৃদয়ে তার সমস্ত বিশ্বাস সমুজ্জ্বল পথের… [বিস্তারিত]
একদিন ভালোবেসেছিলাম কেউ দেয়নি- অভুক্ত ফিরেছি শেষে ক্ষোভে অভিমানে পরেছি মুখোশ প্রপঞ্চ-মোহে ঢেলে দিলে উজাড় স্যাঁতস্যাঁতে বুকের আড়াল উমেল হৃদয়- গোপন রত্ন খুতি ব্যাকুল নখে খুটে খুটে খুলে দিলে সবই সখা, স্বামী, প্রেমিক, স্বপ্নপুরুষ অথবা দেবতার মতো করে পেছনে প্রবল হাতছানি- জৌবিক আলোড়ন বালুকাবেলায় এঁকে যাওয়া পদচিহ্ন মুছে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছি কেবল নিবিড় নির্জনে আটপৌরে… [বিস্তারিত]
ছেলেটা কাছাকাছি থাকতে চায় সবসময় বলে মনে হয় ডা. মাশার কাছে । এমবিবিএস ও, চাকরী নিয়ে ঢাকা থেকে চলে এসেছে চিটাগাংয়ের এই ’মা ও শিশু’ হসপিটালে । গত কিছুদিন থেকেই দেখছে ও যে, বিশেষ করে শনিবার ছুটির দিনে ৮/৯ বছরের এই ছেলেটা পিছ পিছ ঘুর ঘুর করছে ওর । কেমন যেন একটা মায়া আছে ছেলেটার… [বিস্তারিত]
এ যে আমার শত সহস্র বছরের ঋণ এ যে আমার জন্ম জন্মান্তরের ঋণ এ যে আমায় বাঁচিয়ে রাখার ঋণ এ যে দশ মাসের কষ্টের ঋণ এ যে মায়ের কাছে একটি সন্তানের ঋণ মাগো তুমি আমায় ক্ষমা করো কত কষ্ট দিয়েছি তোমায় তবু কখনো পর করনি শুধু বলেছ - এ আমার সন্তান আমার গর্ব, আমার অহংকার… [বিস্তারিত]
শতাব্দি ধরে জড়ো হওয়া স্মৃতিরা ওড়ে ওড়ে সদ্য ধুসর চুল মৃদু-মন্দ সাগর হাওয়ায় মন-ঘরের ভেজানো জানালা-কপাটগুলো খুলে যায় গাঙচিলের ছড়ানো ডানার মতো মুখে সুনসান নীরবতা, মুখরিত অন্তরাল ভাবনার পর্দায় ভেসে ওঠে অতীত নিপুণ যে ছবি বোঝে না ব্যস্ত জনারণ্য- শুধু অস্তগামী সূর্যের গা বেয়ে নামা গোধূলি আলো দেখে নেয় সবটুকু তার। স্মৃতিগ্রন্থের বুক থেকে কখন… [বিস্তারিত]
আমার খুব ইচ্ছে হয় কাউকে কাঁদাবো অঝোর বৃষ্টির মধ্যে, দেখতে ইচ্ছে হয় বৃষ্টির পানি আর চোখের জল আলাদা করা যায় কিনা। কিন্তু কাঁদানোর মত আমার কেউ নেই, তবে একদম কেউ নেই বললে অবশ্য ঠিক হবেনা। কারন আমার অতন্দ্রিলা আছে, তবে ওকে কখনো কাঁদাতে ইচ্ছে করেনা। এই যা! আজ তো অতন্দ্রিলার সাথে দেখা করার কথা টি,এস,সি… [বিস্তারিত]
বেড় সিদ্ধ তোমার ঘ্রাণ শরীর তুমি কাঁচ বিন্দুতে দেখো তোমার বুকের বেদন। বৃক্ষ যদি পুরুষ নারী হবে লতা নিবিড় বেড় যদি তোমার কামনা তবু দিবারাত্রির একই বৃত্ত বলয়-- কখনো তো মন উড়ু ঝড়ো হাওয়ায় পিছে ফেলা দিনগুলি উঁকি দিয়ে যায় যত হোক ঝরা পাতার শুকনো বাকল শরীর, সোনালী স্পর্শ ঘের স্বর্ণ লতার বাহুডোর, আবার আলিঙ্গন… [বিস্তারিত]
প্রিয়তমা, আমি ভাল আছি। প্রথমে আমার কথা বললাম কেন? কারন জানি, তুমি আমার কথাই আগে জানতে চাইবে।তোমার কথা আর জানতে চেলাম না।কারন, কষ্ট দিয়ে লাভ কি তোমায়?তুমি যে ভাল নেই তা অজানা নয়। তুমি হয়তো অবাক হচ্ছো।মৃত্যুর পরও কি করে চিঠি লিখলাম? হ্যাঁ, আমিই লিখেছি।স্বর্গে আসার পর এখানকার প্রহরীকে অনেক অনুরোধ করলাম যেন, তোমায় শেষ… [বিস্তারিত]
মমি আজ মহা খুশি তার একমাত্র নতুন অতিথির পাচ বছরে পা দিয়েছে।এই নতুন অতিথীটির জন্য মমিকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল দীর্ঘ এগারোটি বছর।লাভ মেরিজের পর হতেই মমি দীর্ঘ ছয়টি বছর প্রবাসে কাটিয়েছে। এই ছয় বছরে দেশের মাটিতে পা রেখেছিল তিন বার।তিন বারে এক বারও তার আশা বংশধরের আওয়াজ পায়নি।ব্যাথা ভরা হৃদয়ে বার বার ফিরে এসেও ব্যর্থতার… [বিস্তারিত]
বিশ্বাস করুন- ও আর বাঁচতে চায় না শরীরটা আগের মতো নেই পৃথিবীর ঝড়-জলে ক্ষয়ে গেছে ওর পৃথিবীতে ঝড় বড্ড বেশি সে একটা হায়েনার তৃতীয় পক্ষ। নাকফুল ছিল হয়তো কখনো একটা লাল শাড়ীও হয়তো পেয়েছিলো পায়নি আর কিছুই। ও আর বাঁচতে চায় না। শরীরটায় অপুষ্টির বিষাক্ত ছোবলে মাংস অপর্যাপ্ত। মাংসাশী জন্তুদের লালসার আগুন মিইয়ে গেছে তাই।… [বিস্তারিত]
পেলব বুকে, নখে, গ্রীবায় নিয়ন আলোর বিচ্ছুরণ যেনো কিছুই জানো না বিধ্বংসী আগুন যেমন অবলীলায় গুটিয়ে থাকে ম্যাচবাক্সে বারুদ শলাকার মতো রাত-পোষাকে ঘুমিয়ে আছো তুমি প্রবল আস্থায়- নিবিড় জাগ্রতায় ঘুমঘরে বাতি জ্বালানো রাখা চাই নির্ঘুম আলো-যে বড়ো রহস্যময় তোমাকে প্রতিনিয়ত করে তুলছে দুর্লভ, অচেন, অপার্থিব আর আমার চোখে এঁটে দিচ্ছে দৃশ্যের পর দৃশ্য – বৃষ্টি… [বিস্তারিত]
মন খারাপ হলেই ভাবি তুমি আসবে এসে পাশে বসবে,গালে হাত রাখবে জানতে চাইবে আমার কেন এই ভাংচুর চেহারা?? কেনো আমি কথা খুজে পাই না মাঝ রাতে? কেনো তোমার সামনে অপরিচিতদের মত বসে থাকি। মন খারাপ হলেই ভাবি তুমি ফোন দিবে বুঝবে এই ছেলেটার মনটা ভাল নেই বুঝবে তোমাকে ভিষন দরকার পাগলটার মন খারাপ হলেই ভাবি… [বিস্তারিত]
একে বারে অপ্রস্তুত ছিল মমি সাত সকালে অনন্যা তার রুমে এসে রুম গোছানোর দায়ীত্ত্বটা নিবে তা মমি কল্পনাও আনেনি ।মমি বিছানা থেকে তখনও উঠেনি ইচ্ছে করেই ঘুমের ভান ধরে উপুর হয়ে পাতলা একটি কাথা শরীরে পেচিয়ে অনন্যার দিকে মুখ দিয়ে শুয়ে আছে মাঝে মাঝে এক চোখের অল্প চাহনিতে খুজেঁ ফিরে শান্তির পরশ।মমি এক বার চোখঁ… [বিস্তারিত]




