দেহগ্রন্থি মায়াজাল

খিলখিল করে হেঁসে উঠলো। বলল, ‘মিয়া ভাই, প্রথম নাকি? কাছে ঘেঁষে বসেন। কোন ভয় নাই’। আবার…।
লোকটাকে খুব বেশি সুবিধার মনে হলো না নিমাইয়ের কাছে। দেয়াল ঘেঁষে কোণায় মৃত কাকতাড়ুয়ার মতো বসে পড়লো।
কিছুক্ষণ পর হঠাৎ আচমকা ডাকে ঘুম ভাঙলো নিমাইয়ের।
কি? কিছু বলছেন না যে। এইভাবে কি চুপ করে থাকবেন? শোনেন এখানে আপনিও যা আমিও তাই। সত্যি করে বলুন তো কি আকাম করে এসেছেন?
‘আপনি কি…?’
‘আমি! আমিতো প্রিয়তমেষু প্রেয়সীকে হত্যা করে জেল হাজতে বন্দী’
নিমাই বলল, ‘আমিতো এসিডে ঝলসে দিয়েছি’।
ছবিঃ সংগৃহীত (ফেসবুক থেকে নেওয়া)।
মোট পড়েছেনঃ ৯১৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন




১৭টি মন্তব্য
সাধু সাবধান।
হুমম,
দুই অপরাধীর
সংলাপ মন্দ না।
বাকি গুলো চাই না
শুভ কামনা।
হুমম, তবে দুজনেই প্রেমিক।
প্রেমে ব্যর্থ হয়ে প্রতিশোধে আক্রান্ত প্রেমিক
এরা কি আসলেই প্রেমিক?
আমার মনে হয় এরাই প্রকৃত প্রেমিক
অবশেষে সাধু সাবধান
হুমম, একদম
দুজনে একই পথের পথিক,
হ্যাঁ
চমৎকার উপস্থাপন
ধন্যবাদ প্রিয়
চোরে চোরে মাসতুতো ভাই
পিসতুতো ভাই
হুমম 😀
তাহলে দুইজনই সত্য কথা একে অপরের সাথে বলেছে? আমার মতে এরা হলো দুনিয়ায় সত্যবাদী। হয়তো শয়তানের প্রবঞ্চনায় পড়ে একটু আকামই করেছে। জেল থেকে বের হয়ে ভালো হয়ে যাবে মনে হয়!
দেখা যাক, পরের পর্বে কি হয়…