মূল লেখায় যান

ছায়াময়ী – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গালিবা ইয়াসমিনবুক রিভিউ৯টি মন্তব্য

বইঃ ছায়াময়ী
লেখকঃ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
প্রকাশকঃ শ্রীসুনীল মন্ডল
প্রচ্ছদশিল্পীঃ শ্রীগনেশ বসু
প্রথম প্রকাশঃ শুভ ১লা বৈশাখ ১৩৯২ সন
মোট পৃষ্ঠাঃ ১২৬
মূল্যঃ ১৫ রুপি (প্রকাশকাল অনুযায়ী ভারতীয় মুদ্রায়)
পাঠ্য প্রতিক্রিয়া :
“শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়” হচ্ছেন একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক, যিনি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য গল্প লিখে থাকেন । ফটিক নামক কাল্পনিক চরিত্রটি তার সৃষ্টি।
“ছায়াময়ী” উপন্যাসটি শুরু হয়েছে ” ধৃতি ” একটি চরিত্রকে কেন্দ্র করে, যে এডিটর হিসেবে একটি পত্রিকায় কাজ করে , বয়স ত্রিশের কাছাকাছি হলেও তার জীবনে আসেনি কোন নারী । তার পরিবার বলতে যারা আছেন তাদের কারো সাথে তার তেমন যোগাযোগ নাই বললেই চলে । ধৃতির সারাদিন কাটে অফিসে কাজ করে বা সংবাদ সংগ্রহ করে ।তার সাথে ইন্দিরা গান্ধীর সাক্ষাৎকার যেন অন্য রকম কিছু , সেই সময়ে এমন ব্যক্তিত্ব বহনকারী নারী তেমন দেখা যেত না কারণ সেই সময়েও নারীরা ছিল অবহেলিত । এমনই এক সময় তার কাছে একটি ট্রাঙ্ক-কল আসে সেই থেকে রহস্য শুরু হয় , শুরু হয় সামান্য একটা স্থির চিত্র নিয়ে নানান জল্পনা – কল্পনা । সেই স্ত্রিরচিত্রের জন্য কতো ভোগান্তি পোহাতে হয় তার । কিন্তু উপন্যাসের শেষটা খুব অদ্ভুত হয় , হুট করেই যেন উপন্যাসটা শেষ হয়ে যায় ।
লেখক এখানে মানুষের জীবনের সেই অবস্থাটাই তুলে ধরতে চেয়েছেন যেখানে একটা মানুষ আরেকটা মানুষের জীবনে বিশেষ ভাবে না থেকেও একে অপরের মনে বিশাল ভাবে তোলপাড় শুরু করে দিতে পারে । উপন্যাসের নামই উপন্যাসটির পরিচয় বহন করছে ।
আমি এই প্রথম তার লিখা পড়লাম , খুব সহজ সরল ভাবে লিখা চমৎকার রহস্যময় উপন্যাস মনে হয়েছে আমার কাছে ।
“শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়” স্যারের লিখা “ছায়াময়ী” উপন্যাসের এর শেষ জানতে চাইলে এবং উপন্যাসের রহস্য উদঘাটন করতে চাইলে বইটি সংগ্রহ করে পড়ে ফেলুন ।

শুভ হোক আপনার পাঠ্য কার্যক্রম।

মোট পড়েছেনঃ ১৬৭৬জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৯টি মন্তব্য

  1. পড়িনি এটা, তবে উৎসাহ তৈরি করে দিলেন 🙂
    শীর্ষেন্দু আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক। পড়ে না থাকলে আস্তে আস্তে ওনার সব লেখাই পড়ুন। এতো ডাইভার্স রেঞ্জের ভাবনার লেখক কমই আছে।
    শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এর জন্ম কিন্তু আমাদের ময়মনসিংহ।

  2. ” একটা মানুষ আরেকটা মানুষের জীবনে বিশেষ ভাবে না থেকেও একে অপরের মনে বিশাল ভাবে তোলপাড় শুরু করে দিতে পারে ।” – রিভিউর এই অংশটুকু অত্যন্ত সত্যি। ছায়া মানুষ এমনই হয়।
    পড়িনি বইটি, চেস্টা করব সংগ্রহ করতে।

  3. উনার কিশোর উপন্যাস পড়া হয়।
    ভালো লাগে। মজা করে লিখেন উনি।
    আপনি শীর্ষেন্দু পড়েন। তাহলে নিশ্চয় বিভূতিভূষন,সমরেশ ও পড়েন?
    কোন বই পড়বো এই চিন্তাই থাকলেই আপনাকে স্বরণ করতে হবে বুঝেছি।

  4. বইটা পড়া হয়নি। পরে সংগ্রহ করে পড়বো। আপনার রিভিউ পড়েছি, ভালো লেগেছে।
    যদি লেখাটা আরেকটু বড় করে রহস্যময় করে লিখতেন, তাহলে হয়তো পাঠকের বইটা পড়ার আগ্রহ আরও বাড়তো।

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।