সত্যি! সে কাঁদছিল। চোখের কোণে বেয়ে বেয়ে অশ্রুসিক্তগুলো এতো আবেগে টলমল করছিলো যে কখনো বারান্দার টিনের চালেও বৃষ্টি ফোঁটার এমন বর্ষণ দেখিনি। ঢোক গিলে গিলে উদাস উদাস চেয়ে চেয়ে প্রেমের গন্ধ এতো মাখামাখি করে ছড়াচ্ছিলো যে প্রেমে না পড়েও উপায় নেই। আর অবচেতনে ওড়নায় এতো গিটঠু দিচ্ছিল যে আজীবন এভাবেই ঠোঁটের ডগায়, নিশ্বাসের স্রোতে, চোখের… [বিস্তারিত]
বিভাগ: গল্প
অন্তরা আয়শার একমাত্র ছোট বোন। আয়শার মা- বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে অন্তরা আয়শার সাথেই এ বাড়িতেই থাকেন। সামনে সপ্তাহে অন্তরার আকদ। ছোট বোনের বিয়ে নিয়ে আয়শার পরিকল্পনার কোন শেষ নেই। আয়শা নওশাদের বিয়েতে কোন আচার - অনুষ্ঠান হয়নি বলে আয়শা নওশাদের প্রবল ইচ্ছে তাদের একমাত্র ছোট বোনের বিয়েটা খুব ঘটা করেই হবে। অন্তরা সম্পর্কে… [বিস্তারিত]
* হাদিস_ = তুমি এবার খালা মনির টাকাগুলো ফেরত দাও প্লিজ। অনেকদিন হলো অর্ধেক শোধ করেছো বাকিটা দিচ্ছোই না। ঋণ রাখা ভালো না। ইচ্ছাকৃত ভাবে ঋণ রেখে দিলে আল্লাহ তায়ালা অখুশি হন। - তুমি দিয়ে দাও। স্বামীর ঋণ শোধ করা অনেক সওয়াবের কাজ। = কিন্তু আমি তো কোনো চাকরী করিনা, তাহলে শোধ করবো কিভাবে? -… [বিস্তারিত]
বাঁশি বাজছে। হেমন্তের গাঙচিলে ভর করে নিরালায়। শকুন পক্ষীরাজ মাঝরাত অবধি তখনো ডাকে। হুঁশ বেহুঁশ তালবাহানাগুলো রঙিন কাগজ ছাউনির দোকানগুলোয় ঘুরে ঘুরে বন্দী হয় আমার জানালার করিডরে। আর আমি! চাঁদটাকে প্রদীপ ভেবে ভাসতে থাকি চাঁদ, তারা আর আকাশের ক্যানভাসে। যেন আমরা এক কাপড়ে, এক ছাউনির ছায়াতলে নির্বাচিত রাত্রিযাপন করছি। মন ঠাঁইঠাঁই রোগের রোগী। চিকিৎসক বাঁশিওয়ালা… [বিস্তারিত]
চৈত্রের কাঠফাঁটা রৌদ্রে কাজ কারাটা যে কতোটা কঠিন. তা একমাত্র ভুক্তভুগিই ভালো বলতে পারবে। খানিক পূর্বে ব্যাবোহারিত নলকূপ থেকে চুইয়ে পরার মতই, নোনতা জল জরছে শরীর থেকে। রৌদ্রের তাপ এতটাই প্রখর সামনে তাকিয়ে থাকা দায়। বুকের ভেতরটাও ধুকধুক করছে, এইবুঝি বেরিয়ে যাবে প্রাণ। কর্ম যখন পরের অধিনে,এসব বলে কি আর রেহাই আছে? অসাধ্য,দুর্সাধ্য যাই হোক… [বিস্তারিত]
নাহ একটা সোয়েটারও পছন্দ হচ্ছে না। সেলসম্যান ইতিমধ্যে বেশ কিছু সোয়েটার দেখিয়েছে আমাকে। বাচ্চাদের ড্রেস খুব বেছে বেছে কিনতে হয়। তাও আবার মেয়ে বাচ্চা। পছন্দ না হলে হয়ত ছুড়ে ফেলে দেবে না হয় গাল ফুলিয়ে বসে থাকবে। পাঁচ-ছয় বৎসর বয়সের মেয়েরা “পছন্দ” ব্যাপারটি বেশ ভালই বোঝে! সেলসম্যান আমার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে আছে। বিরক্ত নাকি… [বিস্তারিত]
বিয়ের পর এই প্রথম অতলদা ভাবিকে নিয়ে বাড়িতে এসেছে। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। সেইরকম বৃষ্টি। টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ খুবই ভালো লাগছিলো। এমন সময়ে ভাবিকে ইনিয়েবিনিয়ে খুব কষ্টে রাজি করালাম। ততক্ষণে রান্নাঘর থেকে খিচুড়ি আর মাংসের ঘ্রাণ এসে জিভটা নড়বড়ে করে দিয়েছে। কিন্তু বারবার শত চেষ্টা করেও কোন লাভ হলোনা। কেন জানি আজ ক্ষুধাও মন্দা। আমি… [বিস্তারিত]
বড় ভাই গোপনে বিয়ে করার কয়েকদিন পরে গ্রাম থেকে ছোট ভাই শহরে ঘুরতে এসেছে। আর বড় ভাইয়ের কাছে শুধু আবদার করছে এখানে যাবো সেখানে যাবো। আরও কতো কি! ঠিক আছে। তোর যেখানে ইচ্ছে যাস। তবে তোকে শুধু ছোট্ট একটা কাজ করে দিতে হবে। অতনুঃ শোন, আমি এখানে ঘুরতে এসেছি। তোর গোলামি করতে না। অতলঃ আরে!… [বিস্তারিত]
অর্ণবঃ তুই করে না বললে মজা লাগে না। বন্ধুত্ব জমে না। মোহনাঃ আচ্ছা, আপনি চাইলে বলতে পারেন। সমস্যা নেই। অর্ণবঃ আবার বলেন,,,, বলেন না বল। আমি একা কেনো বলবো? তুইও বলবি মোহনাঃ ওরে বাপ্রে,,,আমি বলবো না। ছি ছি! অর্ণবঃ তাহলে আমিও বলবো না। মোহনাঃ আমি আপনাকে তুই বলবো! অর্ণবঃ অবশ্যই। মোহনাঃ এটা কি করে হয়?… [বিস্তারিত]
আজ থেকে বত্রিশ বর্ষ পূর্বের কথা। বাদামতলীতে বসবাস করতো এক মেয়ে, নাম তার বাতাসী। তাকে অস্বচ্ছলতা খুব যে কুড়ে খেয়েছে সেটাও নয়। গাও গ্রামের মুরুব্বীদের মুখে শুনেছি “ইজ্জ্বত যায় না ধুইলে আর খাছলত যায় না মরলে।” বাতাসী তেমন এক হাওয়াই মিঠাই। মুখে তুলে নিলেই যেন শেষ। কি আজব এ মিঠাই। বাতাসীর নাম যথার্থই হয়েছে। বাউরা… [বিস্তারিত]
জরজর করে কাঁদতে লাগলো হিমু। কান্নার শব্দে রান্নাঘর থেকে বুয়া বেরিয়ে এসে বললো – মামা, কাঁদছেন কেন? কি হয়েছে? কিন্তু কিছুতেই হিমুর কান্না থামছে না। আবার কোন কথাও বলছে না। শুধু খাবারের দিকে একনাগাড়ে তাকিয়ে রয়েছে। বুয়া গিয়ে অতনুকে ব্যাপারটা খুলে বললো। অতনু সাথে সাথে রুম থেকে বেরিয়ে এসে বললো – কাঁদছিস কেন? কি হয়েছে?… [বিস্তারিত]
প্রচণ্ড কষ্ট হচ্ছে। ওকে একবার দেখতে ইচ্ছে করছে, কথা বলতে ইচ্ছে করছে।মনে হচ্ছে সব বাঁধন ভেঙে চুরে এক দৌঁড়ে ছুটে গিয়ে আঁছড়ে পড়ি তার বুকের। জাপটে ধরে জিজ্ঞেস করি, কি করে রয়েছো দূরে? কি করে পারছো কথা না বলে থাকতে? এতো নিষ্ঠুর হলে কি করে? একবারও মনে পড়ে না আমাকে! এই কি সেই যে আমায়… [বিস্তারিত]
চায়ের টোংঘরে বসে আড্ডা দিচ্ছিলো শ্যামল আর সুকান্ত। ইতিমধ্যে সৃজিত এসে বলে উঠলো - থো তোদের প্যাঁচাল। তোদের প্যাঁচাল শুনতে আর ভালো লাগে না। জীবনটা হাওয়াই মিঠাইয়ের মতো হয়ে গেলো। জিভে দিলেই নিমেষেই ফুরিয়ে যায়। শ্যামল বললো - তোর আবার কি হলো? সাধু হয়ে গেলি কবে? সৃজিত বললো - সাধু হওয়ার কি কোনকিছু বাকি আছে?… [বিস্তারিত]
চৈত্রের দুপুর। বেশ ভালই গরম পড়েছে। যাকে বলে পিঠ জ্বালা পোড়া গরম। সগির মিয়া এই গরমের মধ্যে বাস স্টপেজে দাঁড়িয়ে আছে। তাও আবার গায়ে কোট জড়িয়ে। বাস ধরার অপেক্ষায় আছে সে। বাস স্টপেজে খানিকক্ষণ বাদে বাদে একটি করে বাস এসে থামছে, যাত্রীরা নামছে আবার নতুন যাত্রী উঠছে। যাত্রীদের এমন হুড়োহুড়িতে ঠিকমতো তাল মেলাতে পারছে না… [বিস্তারিত]
মোহনাঃ আবার কবে কথা হবে,কে জানে? অর্ণবঃ কেন কোথাও চলে যাবেন নাকি ? মোহনাঃ না অর্ণবঃ তাহলে? বললেন যে কবে কথা হবে কে জানে? মোহনাঃ ফোনে ম্যাসেঞ্জার নেই অর্ণবঃ ওহ তাই? মেসেঞ্জার ইনস্টল করে নিন। মোহনাঃ না বাবা। অর্ণবঃ আপনি সেটিংস থেকে অফ করে রাখবেন। দ্যান চাইলে ব্লক ও করে রাখতে পারেন। এই রে আপনি… [বিস্তারিত]



















