মূল লেখায় যান

মুক্তিযুদ্ধ আমার কাঁধে ঝোলা দিয়েছে। আমার খালি পা, দুঃসহ একাকীত্ব মুক্তিযুদ্ধেরই অবদান। আমার ভিতর অনেক জ্বালা, অনেক দুঃখ। আমি মুখে বলতে না পারি, কালি দিয়ে লিখে যাব। আমি নিজেই একাত্তরের জননী। -রমা চৌধুরী রমা চৌধুরীর জন্ম ১৯৪১ সালে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার পোপাদিয়া গ্রামে। শিক্ষা জীবন শুরু করেন নিজ বিভাগেই। তারপর প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়… [বিস্তারিত]

শহীদ সাহেব ও হাশিম সাহেব পরামর্শ করে পাঁচজনের নাম ঠিক করলেন: ১. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ারদী ২. আবুল হাশিম ৩. মওলানা রাগীব আহসান ৪. আহমদ হোসেন এবং ৫. লাল মিয়া আমাদের পক্ষের, অন্য পক্ষ থেকে নাজিমুদ্দীন সাহেবও পাঁচজনের নাম দিলেন। এই সময় ফজলুল কাদের চৌধুরী সাহেব পার্লামেন্টারি বোরডের সদস্য হবার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন ও ভীষণ… [বিস্তারিত]

মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী, ভালোবাসা জানবেন মা । ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর জন্ম ১৯৪৭ এর ১৯ ফেব্রুয়ারী।জন্ম স্থান খুলনা। বাবা-মায়ের এগারো সন্তানের মধ্যে প্রিয়ভাষিণী সবার বড়। নানা আব্দুল হাকিম ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের স্পিকার হলে তিনি নানার পরিবারের সাথে ঢাকায় চলে আসেন। টিকাটুলি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা, তারপর সিদ্ধেশ্বরী গার্লসে ভর্তি হন। কিন্তু বাবার ইচ্ছায় ঢাকা ছেড়ে খুলনায় চলে… [বিস্তারিত]

প্রকৃতির সাথে যুদ্ধকরে আজ পর্যন্ত কোনো গোত্র বা মানবজাতি পারেনি বা পারবেও না বরং যে দেশ, গোত্র প্রকৃতির দুঃখ কষ্টকে নিজের দুঃখ কষ্ট করে নিয়ে প্রকৃতির প্রেমে জীবন বিলীন করেছে সেই জাতি সর্বোত্তম জাতি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এটাই সত্যি! তাহলে বাংলাদেশের বাঙালি জাতির সভ্যতা আজ কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে যে জাতি এদেশের মাটি, গাছ, পশু, পাখি,… [বিস্তারিত]

পঁচাত্তরে সশস্ত্র প্রতিরোধের অজানা কাহিনীঃ সাঈদুর রহমান রিমন, এর লেখা থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সকাল ৮টার পরপর প্রথম প্রতিবাদ মিছিল বের হয় তৎকালীন বরগুনা মহকুমায়। সেখানকার মহকুমা এসডিও হিসেবে দায়িত্বে থাকা সিরাজ উদ্দীন আহমেদের সহযোগিতায় বরগুনার বাকশাল, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা রাস্তায় বেরিয়ে আসেন এবং গগনবিদারী আওয়াজ তুলে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

দিন তারিখ আমার মনে নাই, তবে ঘটনাটা মনে আছে। বিকালে কলকাতা এসেম্বলি পার্টি রুমে এমএলএ, এমএলসি ও লীগ নেতাদের বৈঠক হবে, সেখানে আপোস হবে। আমরাও খবর পেলাম। বেকার হোস্টেল ও অন্যান্য হোস্টেলে খবর দিয়ে দুই তিনশত ছাত্র নিয়ে আমিও উপস্থিত হলাম। দরজা বন্ধ করে সভা হচ্ছিল। আমি দরজায় যেয়ে বললাম, " আমাদের কথা আছে, শুনতে… [বিস্তারিত]

শায়লা অসুস্থ রোগীর মতো শ্যাত শ্যাতে বন্দীশলার ফ্লোরে শুয়ে তিন হাটু এক করে ঘুমাবার বৃথা চেষ্টায় যেন এই বুঝি তার প্রানটা যায় যায়।বন্দীশলার এক কর্মচারী শায়লাকে কাধে করে পাকিদের স্থান হতে তুলে এনে বন্দীশলায় রেখে চলে যায়।বন্দীশলায় আরো যারা তার পূর্বেই অত্যাচারিত হয়ে বন্দী হয়েছিলেন তারা অবাক দৃষ্টিতে শায়লাকে দেখছেন …একি এতো অল্প বয়সের মেয়েটিকেও… [বিস্তারিত]

নাজিমুদ্দীন সাহেব পার্লামেন্টারি পার্টির নেতা ছিলেন, এমএলএ ও এমএলসিরা তাঁরই ভক্ত বেশি ছিল। শহীদ সাহেব ডেপুটি লিডার হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে প্রতিনিধি না করে নাজিমুদ্দীন সাহেব ফজলুর রহমান সাহেবকে পাঠালেন। শহীদ সাহেবকে বললেন, আপনাকে নির্বাচিত করে লাভ কি? আপনি তো কাউন্সিল থেকে ইলেকশন করে বোর্ডের মেম্বার হতে পারবেন। ফজলুর রহমান সাহেব পারবেন না, তাই তাঁকেই সদস্য… [বিস্তারিত]

১৯৭২ সাল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তখন স্বাধিন বাংলাদেশের রাষ্টপতি। তখন তথ্য মন্ত্রনালয় দেশের অনেক পত্রিকার সাথে মাসিক মদীনার প্রকাশনা বন্ধ করে দিয়েছে। প্রায় দুই মাস মাসিক মদিনা পত্রিকা বন্ধ , এই সময়ে মাসিক মদীনার সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন খানের কাছে ফরিদপুর টুঙ্গিপাড়া থেকে একটি চিঠি এলো । পাঠিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর পিতা শেখ লুৎফুর রহমান। শ্রদ্ধেয় সম্পাদক… [বিস্তারিত]

কর্মে আড্ডায় অভিজাত এলাকা গুলসান ছিলো রমরমা যেন কোন এক উন্নত রাষ্ট্রের জাকজমক এলাকা,তা এই মুহুর্তে এক ভূতুরে পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।চার দিক এক কেবল উদ্যেগ আর উৎকন্টায় মানুষের ফিস ফিস শব্দ,কি হচ্ছে কি ঘটতে যাচ্ছে জঙ্গিদের দ্বারা জিম্ভি জনতা বেকারি অর্টিজন হোটেলটিতে। সমরের সমস্থ শরির ঘামে ভিজে একাকার সে বার বার মোবাইলের বাটন টিপে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

আমরা দুইজন একদিন সময় ঠিক করে তাঁর সাথে দেখা করতে যাই এবং বুঝিয়ে বলি বেশি টাকা লাগবে না, কারণ সাপ্তাহিক কাগজ। আমাদের মধ্যে ভাল ভাল লেখার হাত আছে, যারা সামান্য হাত খরচ পেলেই কাজ করবে। অনেককে কিছু না দিলেও চলবে। আরও দু'একবার দেখা করার পরে শহীদ সাহেব রাজী হলেন। মুসলিম লীগ অফিসের নিচের তলায় অনেক… [বিস্তারিত]

যে জেলার তাঁর জীবন বাঁচিয়েছিলেন, সেই জেলারকে বঙ্গবন্ধু কখনো ভোলেননি। ১৯৭৪ সালের জুন মাসে ভূট্টো সাহেব যখন ঢাকায় আসেন, বঙ্গবন্ধু ঐ জেলারকে তাঁর ব্যক্তিগত অতিথি হিসেবে দাওয়াত করেছিলেন। দেশের জনগনকে স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি ও সেনা ছাউনির তলে বসে ক্ষমতা দখলের কুচিন্তায় বঙ্গবন্ধুর নামে তারা কুৎসা রটাতে শুরু করে এই বলে যে, বঙ্গবন্ধু দেশকে দেশকে ভারতের… [বিস্তারিত]

"মুজিব শব্দটি একটি যাদু" "মুজিব একটি আলৌকিক নাম" পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বৃহত্তর দলের নেতা ও জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনের নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান তার প্রদেশের বৃহত্তর স্বায়ত্বশাসনের যে ন্যায্য দাবী জানিয়েছিল তা ঐ পাকিস্তানি শাষক গোষ্ঠি না মেনে বঙ্গবন্ধুকে জেলে দেয়। তখনকার বঙ্গবন্ধুর সেই দাবিই বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বাস্তব রুপলাভ করে। কারামুক্তির পর বঙ্গবন্ধু… [বিস্তারিত]

"দেশের জন্য আমি যা করছি, ও করতে চাচ্ছি, তা কেউ অনুধাবন করল না " --- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করার যে প্রধান ভূমিকা রেখেছিল, সেই নরখাদক, কলঙ্কময় নামটি হচ্ছে, মেজর ফারুক। মেজর ফারুক তার এই নারকীয় চিন্তাটি প্রথমে তার বৌ এর বড় বোন জোবায়দার স্বামী মেজর খন্দকার আব্দুর রশিদকে জানিয়েছিল। ফারুকের বিবাহ… [বিস্তারিত]

এই সময় আমি বাধ্য হয়ে কিছুদিনের জন্য ইসলামিয়া কলেজের ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হই। অনেক চেষ্টা করেও দুই গ্রুপের মধ্যে আপোষ করতে পারলাম না। দুই গ্রুপই অনুরোধ করল, আমাকে সাধারণ সম্পাদক হতে, নতুবা তাদের ইলেকশন করতে দেওয়া হোক। পূর্বের দুই বৎসর নির্বাচন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় করেছি। ইলেকশন আবার শুরু হলে আর বন্ধ… [বিস্তারিত]