(১) একুশ সালে যা ছিল বিষ চঞ্চলা বা পীড়িত, হোক সবই তা বাইশ পেয়ে রূপান্তরে অমৃত! স্নান করুক সুখ অতল তৃষায় শুদ্ধ দুখের নহরে, নিত্য রূপে মন মানুষের বক্ষে হয়ে জাগ্রত! (২) উড়াল দে রে কাল পাখি তুই বল গিয়ে ওই একুশকে, যা ছিল তার ঘুন বা জরা দেয় যেন তা সব ফুঁকে! আমি বাইশ… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
সবকিছু আজ উল্টো পথে চলে। ঘড়ির কাটা। আমার জীবন। রাশি ফল। এমনকি মাস শেষের মাইনে... যারা বুঝে আমাকে, যারা চলেছে একসাথে, অথবা যাদের সাথে দু-কদম হেঁটেছি, আড্ডা মেরেছি ছোট্ট কোন চায়ের দোকানে। সবাই আজ উল্টো পথে।কেউ আর এগোয় না। করমর্দন করে বলেনা কেউ, একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। তোমার কি হলো! তুমিও ঠিক নিয়ম ভেঙে… [বিস্তারিত]
তোমাকে ভেবে ভেবে যে ফুল ফুটে সে ফুলের সু-ঘ্রাণ আমার নাকে লাগে। মাধকতাময় সে গন্ধ... রাত্রির আধারে আমি চুপিচুপি যাই সে ফুলের কাছে। সদ্য ফুটেছ তুমি - এখনো আড়মোড়া ভাঙেনি। অবাক নয়নে তাকিয়ে থেকে বলো - প্রেমিক এতো রাতে কেনো এলে? কেনো মনে বাড়ালে জ্বালা। তুমিতো জানোই, আমার ঘরের বাহিরে যেতে মানা। তবুও কেনো এলে!… [বিস্তারিত]
এশার আযানে আমার উঠানে নেমে আসে এক ঝাঁক শূন্যতা। কেউ কোথাও নেই। আকাশে চাঁদ নেই, ঢেকে আছে ঘন কুয়াশা। আমি জানালার পাশে এসে দাঁড়াই। দূরে দেখা যায় একটা বাতির টিমটিমে আলো। দোল খায় - হয়তো কোন জেলে পল্লীর নৌকায়। বাড়িতে বধূ উঠানে চড়িয়েছে রান্না, বধূর চোখে ও কি মাঝে মাঝে ভেসে আসে! দূর দেশ থেকে… [বিস্তারিত]
এক একটি ধূম্রকুন্ডলীর বাঁকে বাঁকে হতাশার কালিমা; চারপাশটা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তার বলয়ে। এখানে সবাই নিষিদ্ধ শুধু ফেলে আসা তত্ত্ব সাম্যবাদ চোখ রাঙিয়ে যায়। বেহুলা আজো লক্ষিন্দরের প্রত্যাশায় ঢেঁকুর তোলে, চন্ডীদাস ও ছিপ ফেলে অপেক্ষায় রজকিনীর; অবহেলার শহরে নিত্য বেজে ওঠে ডামাডোলের আত্মচিৎকার। পরিযায়ী পাখি হয়ে উড়ে যায় মৌসুমী প্রেমিক, শূণ্যতায় বাস করে লাল-নীল-বেগুনী মেঘের দল;… [বিস্তারিত]
কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? জানো কি পৌঁছতে সেথা কতো পথ বাঁকি? সুরুজ যে পাটে যেতে হয়নি অরাজি? কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? কেন হে ধরতে চাও ঘোরে তবু বাজী? কভু কি পারবে দিতে লহরীরে ফাঁকি? কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? জানো কি পৌঁছতে সেথা কতো পথ বাঁকি? ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]
সত্যই রাতের গায়ে এক ভয়! নরম বিছানায় ঘুমাতে হয়; বিস্মৃতি স্মৃতিচারণ চাঁদের সাথে কথা কয়! দীর্ঘশ্বাসে একটা আতঙ্ক; সব ভাবনাকে অম্লান করে যায়, অথচ রাতকে উপভোগ করি অনেক কিছু লাল পানি- উষ্ণ শীতল বুক- তবুও ভয়ে জাগ্রত হয় না আপন সত্তা; কেনো করবে চোখে যে রঙিন নেশা উম্মাদ পাগল নয় বরং আঁধারের কাছে বিলিন হওয়া… [বিস্তারিত]
পূব আকাশে উঠে যখন রাঙা রবি খুব সকালে হিম কুহেলীর বক্ষ চিরে, আমি খুঁজি সিক্ত ঘাসে তোমার ছবি পূব আকাশে উঠে যখন রাঙা রবি। যে পথ দিয়ে তুমি গেছো হে মোর কবি আজও এ মন চায় সে’দিকে ফিরে ফিরে, পূব আকাশে উঠে যখন রাঙা রবি খুব সকালে হিম কুহেলীর বক্ষ চিরে। ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]
তোমার অপেক্ষায় বৃদ্ধ হয় সময়ের তিথি; তোমার অপেক্ষায় দেবতার ফুল সমাহিত হয় ডায়েরীর কফিনে। তোমার জন্য বঙ্কিম-সমরেশ-শীর্ষেন্দু-শরত বাবু পরে রয় এলোমেলো সন্ধ্যায়; তবুও তুমি আসো না বর্ষার কদম হয়ে, বিলের শাপলা-শালুকে নৈস্বর্গিক পসরা হয়ে। আসো নাকো শরতের শিউলি তলায় বাসন্তী সাজে, বকুলের সোনা বাঁধানো সিক্ত-কঙ্কন বিছানো ছায়াতলে। তুমি থাকো স্বীয় স্বার্থে আপনারে নিয়ে; সুখ-বিলাস মন্থনে… [বিস্তারিত]
ভাবনার বেড়া জালে ঠোঁট হাসে সত্যের! অথচ বুকে হাত- ভয়ে কাপে দুনিয়া; হুমকি ধুমকি দৃশ্যপট তবু ঠোঁট বেঁকে যায় সত্য বলার কষ্টে- বাকরুদ্ধ বোবা হয়ে যাই; সময়ের ওলিতে গণিতে সত্যের ভেজাল পাই! আর কতদিন এভাবে থাকবে দেহের বৃন্দবনে ভেজাল। ০৮ পৌষ ১৪২৮, ২৩ ডিসেম্বর ২১ [বিস্তারিত]
*অতল ক্ষম* মৃত্যুর কথা ভাবলে বিধি বক্ষে নামে ব্যথার ঢল, নিদ কেঁদে হয় পরবাসী আহার খুঁজে পা যুগল। রোজ তবু হই আশার সাথী দেখেও অকূল দরিয়া, হয় বলে মন উজ্জীবিত ভেবে তোমার ক্ষম অতল। *রাগের শেষে* ঘোরে মশক করলে পোঁ পোঁ না ভেবে ’মোর মন্দ ভাল’, পারলে শুধু হাত পা গা নয় করো তোমার সব… [বিস্তারিত]
মানুষের প্রতি, এত বিতৃষ্ণা কেন তার? অভিধান খুঁজে পায়না বলে, নাকি তারা মূলত নিজের নয়? অনেক দিন পর দেখা হলে সিনা মিলিয়ে ও কেন বুকের আগল খুলতে পারেনা সে? কেন স্পর্শগুলো বড় অসহ্য আর ভারি লাগে? কেউ তার নয় সে-ও কারো নয়, এভাবেই তো বেশ চলে যাচ্ছে.... কী দরকার ভালোবাসা বাসির? নিজের অতলান্তে এত রহস্যের… [বিস্তারিত]
এমন আহত দু’চোখ দেখতো অচেতন হয়ে যেতো এই জীবন সংসার এমন রক্তক্ষরণ যদি বুঝতো বালুচরে কান ফাটা স্রোতের শব্দ বয়ে যেতো অথচ ভাবি না দূরের মাটির ঘাস ফুল শুধু মনে বিদ্বেষ রোজ প্রকাশ করি কোন কবিতার ভাষায় কিংবা রাগান্বিত শিমুল পলাশের রক্ত ঝরা ভাষায় কেমন করে দেখো বন জঙ্গল প্রণয় দেখো কই! অন্ত গভীরে নীল… [বিস্তারিত]
সবুজ মাঠে ঢেউ খেলে বাও দোলে ধানের শীষ, পত্র নাচে ঠিক নীচে তার রব করে ফিস ফিস! দোয়েল বাজায় শিস! উজান গাঙে পাল উড়ে গায় ভাটিয়ালি গান, বাউল বুঝে একতারা তার বক্ষে রেখে প্রাণ! মুয়াজ্জীন আজান! হরেক সাজে ছয় ঋতু গা’র পাল্টে বলে চাম, কৃষক শ্রমিক রোজ হেসে তার কর্মে সপে ঘাম! বাপ-দাদার সুনাম! বেলা… [বিস্তারিত]
হায়েনার দলেরা আজো উল্লাসে মাতে লাখো মায়ের বস্ত্র-হরণে, আজো প্রতিবাদে ভাইয়ের শব রাস্তায় পরে রয়; সিঁথির সিঁদুরে ধর্ষণের হোরিখেলা চলছে হরদম। অনাহারে, অর্ধাহারে দুগ্ধশিশু ডুকরে কাঁদে উঠোন জুড়ে; বাক-স্বাধীনতা আজো ভূলুণ্ঠিত হয় ক্ষমতার করাল গ্রাসে। পথে-প্রান্তরে দুর্গন্ধ আছড়ে পড়ে বেওয়ারিশ লাশের, পিতার বুকে সন্তান হারানোর আর্তনাদ আজো দৃশ্যমান; সখিনা, জাহানারারা আজো স্বামী হারিয়ে চোখের জলে… [বিস্তারিত]



















