মূল লেখায় যান

কোথায় চলেছো! (ট্রায়োলেট)

বোরহানুল ইসলাম লিটনকবিতা১৩টি মন্তব্য

কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? জানো কি পৌঁছতে সেথা কতো পথ বাঁকি? সুরুজ যে পাটে যেতে হয়নি অরাজি? কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? কেন হে ধরতে চাও ঘোরে তবু বাজী? কভু কি পারবে দিতে লহরীরে ফাঁকি? কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? জানো কি পৌঁছতে সেথা কতো পথ বাঁকি? ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]

দেহের রাত

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা১০টি মন্তব্য

সত্যই রাতের গায়ে এক ভয়! নরম বিছানায় ঘুমাতে হয়; বিস্মৃতি স্মৃতিচারণ চাঁদের সাথে কথা কয়! দীর্ঘশ্বাসে একটা আতঙ্ক; সব ভাবনাকে অম্লান করে যায়, অথচ রাতকে উপভোগ করি অনেক কিছু লাল পানি- উষ্ণ শীতল বুক- তবুও ভয়ে জাগ্রত হয় না আপন সত্তা; কেনো করবে চোখে যে রঙিন নেশা উম্মাদ পাগল নয় বরং আঁধারের কাছে বিলিন হওয়া… [বিস্তারিত]

ভূতোর বাড়ি পুষির ছানা

বোরহানুল ইসলাম লিটনছড়া৯টি মন্তব্য

ভূতোর বাড়ি রোজ রাতে কেউ দৌড়ে বেড়ায় ঘুরে, ভয়ে সবাই জাগ্রত রয় যায় বলে ঘুম উড়ে। সন্ধ্যা হলেই জানলা যা দোর বন্ধ করে তারা, দেয় না ভুলেও ভোর না হলে কারোর ডাকে সাড়া। দিন গত হয় দিনের শেষে পায় না তবু গতি, কষ্টে ভূতোর লাজ হেরে যায় খিটমিটে হয় মতি। ভাবে মোরা রাজ চিরকাল ঘোর… [বিস্তারিত]

হে মোর কবি! (ট্রায়োলেট)

বোরহানুল ইসলাম লিটনকবিতা১১টি মন্তব্য

পূব আকাশে উঠে যখন রাঙা রবি খুব সকালে হিম কুহেলীর বক্ষ চিরে, আমি খুঁজি সিক্ত ঘাসে তোমার ছবি পূব আকাশে উঠে যখন রাঙা রবি। যে পথ দিয়ে তুমি গেছো হে মোর কবি আজও এ মন চায় সে’দিকে ফিরে ফিরে, পূব আকাশে উঠে যখন রাঙা রবি খুব সকালে হিম কুহেলীর বক্ষ চিরে। ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]

ফেরারী অতীত

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা১০টি মন্তব্য

তোমার অপেক্ষায় বৃদ্ধ হয় সময়ের তিথি; তোমার অপেক্ষায় দেবতার ফুল সমাহিত হয় ডায়েরীর কফিনে। তোমার জন্য বঙ্কিম-সমরেশ-শীর্ষেন্দু-শরত বাবু পরে রয় এলোমেলো সন্ধ্যায়; তবুও তুমি আসো না বর্ষার কদম হয়ে, বিলের শাপলা-শালুকে নৈস্বর্গিক পসরা হয়ে। আসো নাকো শরতের শিউলি তলায় বাসন্তী সাজে, বকুলের সোনা বাঁধানো সিক্ত-কঙ্কন বিছানো ছায়াতলে। তুমি থাকো স্বীয় স্বার্থে আপনারে নিয়ে; সুখ-বিলাস মন্থনে… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

ভেজাল

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা১৩টি মন্তব্য

ভাবনার বেড়া জালে ঠোঁট হাসে সত্যের! অথচ বুকে হাত- ভয়ে কাপে দুনিয়া; হুমকি ধুমকি দৃশ্যপট তবু ঠোঁট বেঁকে যায় সত্য বলার কষ্টে- বাকরুদ্ধ বোবা হয়ে যাই; সময়ের ওলিতে গণিতে সত্যের ভেজাল পাই! আর কতদিন এভাবে থাকবে দেহের বৃন্দবনে ভেজাল। ০৮ পৌষ ১৪২৮, ২৩ ডিসেম্বর ২১ [বিস্তারিত]

পৌষ তেষ্টা

রোকসানা খন্দকার রুকুগল্প১০টি মন্তব্য

প্রজাপতির ডানায় স্বপ্ন তুলে দেয়া ডাগর ভোর। এমন ডাগর ভোরে আমি রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়ে, বরফ পানিতে ডুবিয়ে কষ্ট দমনের চেষ্টা করছি। অথচ এমন ডাগর শীত শীত ভোরে ঘুম ভেঙ্গে গেলেও বিছানা ছাড়তে মন চায় না। আর যুগল হলে তো কোন কথাই নেই! তারা ভোরবেলায় নতুন করে প্রেমময় খুনসুটিতে মেতে ওঠে। প্রথম প্রথম আমরাও… [বিস্তারিত]

প্রকৃত বন্ধু ল্যাম্পপোস্ট

হালিম নজরুলছোটগল্প১৬টি মন্তব্য

প্রিয়তির বন্ধুরা সবাই অবাক। ল্যাম্পপোস্ট আবার কারো বন্ধু হয় নাকি ! অথচ প্রিয়তি কিনা বলছে ঐ ল্যাম্পপোস্টটাই তার প্রকৃত বন্ধু। দুদিন ধরে ওইটাকে ঘিরেই সময় কাটিয়ে দিচ্ছে সে। ওটার সাথেই একা একা কথা বলছে সে, অভিযোগ জানাচ্ছে, কাঁদছে। আর কারো সাথে কোন কথাও বলছে না। সবাই ভাবছে কি করে সম্ভব এটা। যে প্রিয়তি সারাক্ষণ বন্ধুবান্ধব… [বিস্তারিত]

*অতল ক্ষম* মৃত্যুর কথা ভাবলে বিধি বক্ষে নামে ব্যথার ঢল, নিদ কেঁদে হয় পরবাসী আহার খুঁজে পা যুগল। রোজ তবু হই আশার সাথী দেখেও অকূল দরিয়া, হয় বলে মন উজ্জীবিত ভেবে তোমার ক্ষম অতল। *রাগের শেষে* ঘোরে মশক করলে পোঁ পোঁ না ভেবে ’মোর মন্দ ভাল’, পারলে শুধু হাত পা গা নয় করো তোমার সব… [বিস্তারিত]

পরিত্যক্ত যতিচিহ্ন

খাদিজাতুল কুবরাকবিতা১৮টি মন্তব্য

মানুষের প্রতি, এত বিতৃষ্ণা কেন তার? অভিধান খুঁজে পায়না বলে, নাকি তারা মূলত নিজের নয়? অনেক দিন পর দেখা হলে সিনা মিলিয়ে ও কেন বুকের আগল খুলতে পারেনা সে? কেন স্পর্শগুলো বড় অসহ্য আর ভারি লাগে? কেউ তার নয় সে-ও কারো নয়, এভাবেই তো বেশ চলে যাচ্ছে.... কী দরকার ভালোবাসা বাসির? নিজের অতলান্তে এত রহস্যের… [বিস্তারিত]

ঘরে বসেই ডাক্তার দেখান

বোবা আয়না

আলমগীর সরকার লিটনকবিতা১৪টি মন্তব্য

এমন আহত দু’চোখ দেখতো অচেতন হয়ে যেতো এই জীবন সংসার এমন রক্তক্ষরণ যদি বুঝতো বালুচরে কান ফাটা স্রোতের শব্দ বয়ে যেতো অথচ ভাবি না দূরের মাটির ঘাস ফুল শুধু মনে বিদ্বেষ রোজ প্রকাশ করি কোন কবিতার ভাষায় কিংবা রাগান্বিত শিমুল পলাশের রক্ত ঝরা ভাষায় কেমন করে দেখো বন জঙ্গল প্রণয় দেখো কই! অন্ত গভীরে নীল… [বিস্তারিত]

স্বর্গীয় ফুল

হালিম নজরুলছোটগল্প২২টি মন্তব্য

সূর্য প্রায় ডুবু ডুবু। সামনে বিস্তীর্ণ মাঠ। হঠাৎই পাংচার হয়ে গেল সাইকেলটা। অগত্যা কোন উপায় না পেয়ে পায়ে হাঁটা শুরু করল টুম্পা ও তার বাবা। মা মারা যাবার পর এই প্রথম নানাবাড়ি গিয়েছিল তারা। তাই ফিরতে ফিরতে বেশ দেরি হয়ে গেল তাদের। মা মরা মেয়ে। তার উপর নানাবাড়ি বলে কথা। সবাই তাকে পেয়ে আদর আহ্লাদে… [বিস্তারিত]

লাল বরণের সূর্য

বোরহানুল ইসলাম লিটনকবিতা১৫টি মন্তব্য

সবুজ মাঠে ঢেউ খেলে বাও দোলে ধানের শীষ, পত্র নাচে ঠিক নীচে তার রব করে ফিস ফিস! দোয়েল বাজায় শিস! উজান গাঙে পাল উড়ে গায় ভাটিয়ালি গান, বাউল বুঝে একতারা তার বক্ষে রেখে প্রাণ! মুয়াজ্জীন আজান! হরেক সাজে ছয় ঋতু গা’র পাল্টে বলে চাম, কৃষক শ্রমিক রোজ হেসে তার কর্মে সপে ঘাম! বাপ-দাদার সুনাম! বেলা… [বিস্তারিত]

স্বাধীনতা আজো ভূলুণ্ঠিত

সুপর্ণা ফাল্গুনীকবিতা২৬টি মন্তব্য

হায়েনার দলেরা আজো উল্লাসে মাতে লাখো মায়ের বস্ত্র-হরণে, আজো প্রতিবাদে ভাইয়ের শব রাস্তায় পরে রয়; সিঁথির সিঁদুরে ধর্ষণের হোরিখেলা চলছে হরদম। অনাহারে, অর্ধাহারে দুগ্ধশিশু ডুকরে কাঁদে উঠোন জুড়ে; বাক-স্বাধীনতা আজো ভূলুণ্ঠিত হয় ক্ষমতার করাল গ্রাসে। পথে-প্রান্তরে দুর্গন্ধ আছড়ে পড়ে বেওয়ারিশ লাশের, পিতার বুকে সন্তান হারানোর আর্তনাদ আজো দৃশ্যমান; সখিনা, জাহানারারা আজো স্বামী হারিয়ে চোখের জলে… [বিস্তারিত]

বেসুরো অর্কেস্ট্রা

খাদিজাতুল কুবরাকবিতা১৫টি মন্তব্য

সত্যের পরতে পরতে জমা শেষ সত্যের অস্থায়ী বুদবুদ, বিষম খাওয়া দুঃখগুলোকে এবার জানাব সাধুবাদ, কি ভাবছ? অদ্ভুত! এ-ই হয়, তোমাদের ঐ এক দোষ, মিথ্যের ফানুস উৎসব ভালোবাস সত্যিতে নাখোশ। শীতের ভয়ে অশীতিপর কাঁপছে থরথর, তবুও শীত আসে অনায়াসে বৈচিত্র্য ধরে রাখতে ঋতুর। প্রাণ বাঁচানো গেলোনা ঘাটের মরা সম্পর্কের। আদিগন্ত শোকের নহর, খরস্রোতা কাটছে এপার ওপার… [বিস্তারিত]