কবিতা তুমি আছো বলেই আজ আমি কবি বেয়াড়া শব্দগুলো খুব সহজেই এখন আমার খাঁচায় বন্দি সারা মস্তিষ্ক জুড়ে তাদের নিয়ে সাপলুডু খেলি। বিষাদগ্রস্ত মলিন চোখে বিশ্বাসের আনাগোনা বাড়ে প্রেয়সীর ভুলে ঘুনে ধরা হৃদয়ে আবার সজীবতা ফিরে আসে। কবিতা তুমি আছো বলে মনের আকাশে ওড়াই স্বপ্নের ঘুড়ি বায়োনারি পজিশনে দেখি আজব পৃথিবী। [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
চারদিক অন্ধকার হয়ে আছে বৃষ্টি আসবে,আকাশে এতো মেঘ করেছে কিছুই দেখা যাচ্ছে না,দুরের সব ঘড়বাড়ি গাছপালা গুলো দেখে মনে হচ্ছে অন্ধকারে ডুবে গেছে।ফসলের মাঠ থেকে কৃষক,রাখাল সবাই ছুটে চলেছে এই বুঝি বৃষ্টি নামলো।মিমি তার বাবার জন্য চিন্তা করছে,আর মাকে বলছে আকাশের এই অবস্থা তার বাবা ফিরে আসছেনা কেন?বলতে বলতেই হাজির হয়ে গেল মিমির বাবা রমিজ… [বিস্তারিত]
বয়স বাড়ছে আয়ু কমছে চুল পড়ছে কপাল বাড়ছে । বাড়ছে স্মৃতির বোঝা ফেলে আসা সময় গুলো ভোলা কি এতই সোজা । হাজার মানুষের মাঝে তবুও আমি একা এভাবেই আর কতদিন বেঁচে থাকা । মাঝেমাঝে মনে হয় তবুও ভালই আছি ছোট একটাই তো জীবন কে জানে কতদিন বাঁচি । [বিস্তারিত]
কলিকাতার কবিভাবাপন্ন, কাব্যানুরাগী কানাই কর্মকারের কাজলাঞ্জন কনিষ্ঠা কন্যা কামিনী কর্মকার, কপাল কুঞ্চিত করিয়া, কঙ্কন কচলাইয়া, কাকা কেদার কর্মকারকে কানে কানে কোমল কন্ঠে কহিলো, কাকা কুঞ্জে কৃষ্ণ-কালো কোকিল কাকুতি করিতে করিতে কুহু কুহু করিলেও কলিকাতার কতিপয় কালো কাক, কোকাইতে-কোকাইতে কোন কারণে কুলক্ষনে কা-কা করে? কোন কালের কাকেরা কা-কা করিয়া কাকে কাকা কহিতেছে? কুহেলী কাকেদের কাকা কে?… [বিস্তারিত]
ভাগাড়ে গরুর চামড়া ছিলা ও ভাগ-বাটোয়ারার রীতি ভাগাড়ে রামু ও কৃষ্ণা গরুর চামড়া ছিলছে। পাশেই কয়েকটা গ্রিফন শকুন চিৎকার করতে করতে মরা গরুর দিকে অগ্রসর হবার চেষ্টা করে। কৃষ্ণা শকুনের দিকে মাটির ঢেলা ছুঁরে মেরে হটিয়ে দেয় বারবার। রামু: ঝরছে কর। কেউ দেখলিয়েছে ভাগ দিয়ে হই। দূর থেকে ছুড়ি হাতে গরুর দিকে দৌড়ে আসতে থাকে… [বিস্তারিত]
‘পর্দা’র বিষয়ে লিখিতে বসিয়া বড়ই টেনশন ফিল করিতেছি। না জানি, কাহার গাত্রে আবার দাউদাউ করিয়া আগুন জ্বলিয়া উঠিলো? কেহ আমার চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্ধারেও উঠিয়া-পড়িয়া লাগিয়া গেলেন কিনা, তাহা ভাবিয়া সত্যই আশংকাবোধ করিতেছি! কেহ চটিয়া থাকিলে বিনীত করজোড়ে বলিতেছি, চটিবেন না। কারণ আমার কথাতো এখনো শুরুই হয় নাই কিংবা সমাপ্তও করি নাই; পুরাপুরি না শুনিয়া অযথা চটিবার… [বিস্তারিত]
বছর বিশেক আগের শেষ হয়ে আসা আগস্টের এক পড়ন্ত বেলায় আমাদের শেষ দ্যাখা, ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টের পুরনো জারুল গাছটার নিচে। পরস্পর পরস্পরের কুশল বিনিময় ছাড়াও বলার মত কিংবা জিজ্ঞেস করার মত অনেক প্রশ্ন থাকা সত্ত্বেও পরস্পরই পরস্পরের ব্যাধিময় পরিণতি নিয়ে কোনো প্রশ্ন তুলিনি সেদিন! গড়ালো বছর বিশেক এরপর রিলের মত সিনেমার আর পদ্মা, মেঘনা, যমুনায় জেগে… [বিস্তারিত]
ও বন্ধু তোদের আর মিস করি না এখন, তোদের ছাড়া আমার ভালই কাটছে জীবন, ... ... [বিস্তারিত]
হারিস মন্ডলের গরু মারা এবং রামদাসের কারাদণ্ড পরের দিন সকালে হারিস মন্ডলের স্ত্রী ফাতেমা গোয়াল ঘরে গরুকে খড় দিতে এসে মৃত গরুটিকে দেখে। ফাতেমা আর্তনাদ করে ওঠে। দৌড়ে গোয়াল থেকে বের হয়ে যায়। ফাতেমা: হায় আল্লাহ! আমার এতো বড় সর্বনাশ কেডা করলো? হায় আল্লাহ! ফাতেমার চিৎকার শুনে হারিস মন্ডল ঘর থেকে বের হয়ে আসে। লোকজন… [বিস্তারিত]
ডাক্তার সাহেব অর্পিতা কেমন আছে? নাউ সি ইজ আউট অব ডেঞ্জার । যত বেশী ভেবে ছিলাম অত বেশী ইনজুরি হয়নি । তবে ডান হাতের আঘাত টা একটু গুরুতর ওখান থেকেই বেশী ব্লাডিং হয়েছে । এক ব্যাগ রক্ত দিতে পারলে ভাল হত । আমি রক্ত দেব । আপনার রক্তের গ্রুপ কি ? O- আমি সবাইকে রক্ত… [বিস্তারিত]
শেষ সৈনিক টি তৃষ্ণায় খাখা বুক নিয়ে ক্যান্টিনটি উচুঁ করে ধরে। খটখটে ক্যান্টিন এক ফোটা .... দুফোটা জলবিন্দু গড়িয়ে দিয়ে নীরব হয়ে যায়। এম্বুশার রা এগিয়ে আসছে....... সংখ্যায় সাতের বেশী, খট করে বাড়ি খায় শুন্য চেম্বারে ফায়ারিং পিন। কোমড় থেকে টেনে নেয়া রিভলবারের চেম্বার থেকে একটা কার্তুজ খুলে নিয়ে, মুঠোয় পুরে পাশে পরে থাকা সদ্য… [বিস্তারিত]
অর্পিতা রোড একসিডেন্ট করেছে । তুই দ্রুত যশোর সদরে চলে আয় । আমি এখনই আসছি । আধা ঘন্টা পর........ মিলন অর্পিতা কই ? ইমারজেন্সিতে আছে ডাক্তার বলছিলেন রক্ত লাগতে পারে । যত রক্ত লাগে আমি দেব । তোর রক্তের গ্রুপ আর ওর টা পরিক্ষা না করলে বোঝা যাবে না যে তুই রক্ত দিতে পারবি কি… [বিস্তারিত]
ডিরেক্টর অপু তার অ্যাসিস্ট্যান্ট শাওনকে বলল, “আজ তোমাকে প্লট বলব। তোমার স্ক্রিপ্ট লেখা কমপ্লিট হলেই কাজ শুরু করব। কলকাতার শিবকুমার অনেকদিন ধরেই চাচ্ছিলেন আমার সাথে কাজ করতে। এবারের ফিল্মটা কলকাতার শিল্পীদের নিয়েই করব।” “হুম, এটা ইন্দো-বাংলাদেশি ফিল্ম হবে?” “হুম” মাথা নাড়ল অপু। বলল, “Rebirthএর উপর।” “পুনর্জন্ম?” “হুম, ঐখানকার লোকজন এসব মাল ভালো খায়।” “বাণিজ্যিক ছবি?”… [বিস্তারিত]
হারিস মন্ডলের গরুকে রামু ও কৃষ্ণার বিষ খাওয়ানো অবস্থাসম্পন্ন হারিস মন্ডলের বাড়ি। একটা কুকুর করুণ স্বরে ডাকছে। টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়ে কুপির তীর্যক রশ্মি দেখা যায়। বেড়ার বুননের ফাঁক দিয়ে কুপির আলো দেখা যায়। এমন নিশুতি রাতে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক ছাড়া আর কিছুই কানে আসে না। ডোমপাড়ার সবাই সন্ধ্যারাতেই অতল ঘুমে তলিয়ে যায়। সারাদিন হাড়ভাঙ্গা… [বিস্তারিত]
ক্রন্দসী সাহিত্য পত্রিকা জুলাইসংখ্যার প্রকাশনার কাজ চূড়ান্তপর্যায়ে। জুলাইমাস থেকে নবপর্যায়ে নতুনরূপে আবার প্রকাশিত হচ্ছে জনপ্রিয় এ অনলাইন মাসিক সাহিত্য পত্রিকাটি। পত্রিকাটি ১০ জুলাইয়ের মধ্যেই যথারীতি প্রকাশিত হবে। শিশুসাহিত্যিক শাহ আলম বাদশা এবং প্রখ্যাত ছড়াকার দেলওয়ার বিন রশিদের সম্পাদনায় প্রকাশিতব্য চলতি সংখ্যায় লিখতে আগ্রহীগণ আগামী ৫ জুলাইয়ের মধ্যে গল্প-প্রবন্ধ, ছড়া-কবিতা, রম্য, বই আলোচনা ইত্যাদি লেখা পাঠান… [বিস্তারিত]





