বাংলাদেশে র ( RAW- Research & Analysis Wing)

জি.মাওলা ১৭ এপ্রিল ২০১৪, বৃহস্পতিবার, ০৩:২৫:৪৭পূর্বাহ্ন বিবিধ ২ মন্তব্য

বাংলাদেশে র ( RAW- Research & Analysis Wing)

 

র –RAW ভারতের বৈদেশিক গুপ্তচর একটি সংস্থা। ইন্দিরা গান্ধী ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন র। ধারনা করা হয় ১৯৭১ এ পাকিস্তান ভেঙ্গে বাংলাদেশ সৃষ্টির পেছনে র এর ভুমিকা অপসীম। এর ৪ বছর পর র এর সার্বিক সহযোগিতায় ভারত সিকিম দখল করে। তাই র সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে The Illustrated Weekly of India—— RAW’s major trumps in external intelligence in Bangladesh & Sikkim.

 

সেই ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর হতে আজ প্রজন্তু র বাংলাদেশের প্রতিটি স্তরে তাদের তৎপরতা অবৈধ ভাবে জারি রেখেছে এদেশের কিছু গাদ্দার এবং তাদের নিজস্ব লোক দিয়ে। বাংলাদের প্রতিটি দলে যেমন আছে লিগে, আছে বি এন  পি বা জামাত বা জাতীয় পাটিতে এদের সমান পদচারনা।র বাংলাদেশে তাদের গুপ্তচর বৃত্তি চালু রেখেছে যত না তাদের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে, তারচেয়ে তাদের প্রধান লক্ষ্য  বাংলাদেশকে হীনবল করে তোলা। বাংলাদেশকে সকল ক্ষেত্রে দুর্বল করে দেশকে ভারতী অধিপত্যের গোলামে পরিণত করা। তাদের এই গুপ্তচরবৃত্তি এমন নীতি নৈতিক বিবর্জিত যে বাংলাদের রাজনীতি, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, সামরিক বাহিনী, ধর্মীয় সহ সকল ক্ষেত্রে তাঁরা তাদের কালো থাবা বসিয়ে দিয়েছে নিজেদের স্বার্থে। তবে র এর বড় সাফল্য বর্তমান সরকার। এ ছাড়া তাদের এর একটি বড় সাফল্য  বাংলাদেশে বুদ্ধিজীবী ,সাংবাদিক, নেতা, সাংস্কৃতিক সেবী বা ধর্মীয় নেতা ও জনগণের একটা বিরাট অংশকে ভারতীয় মতাদর্শের অনুকূলে প্রভাবিত করা।  তাই আজ দেখা যায় বাংলাদেশে আইএসআই   ঘাটি গেড়েছে বা কলকাতায় বা অন্যজায়গায় বোমা সহ বাংলাদেশের জঙ্গিরা বোমা সহ ধরা পড়েছে বলে ভারতীয় অভিযোগের বরাতে এদেশের দালাল মিডিয়া নেচে উঠে কোমর বেধে । এদের একটিই চাওয়া ভারত প্রভু যা চায় তার স্বার্থ রক্ষা করা। আর জনগণের বিরাট একটা অংশ তা চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে থাকে।অথচ র এর অকাম কু কাম গুলি থেকে যায় চোখের আড়ালে।   যেমন ‘’’’’’’’’’’’’’’’’’————————-   

 

 

 

http://www.samakal.net/2014/04/16/53085

http://www.dw.de/আইএসআই-এর-চর-আটক-এবং-র-এর-ভারতে-নিয়ে-যাওয়া/a-17573784?maca=ben-VAS-RSS-Somewherein-Headlines-12717-xml-mrss

আইএসআই-এর চর আটক এবং ’-এর ভারতে নিয়ে যাওয়া  17.04.2014

 

>>ভারতভিত্তিক নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের (আইএম) এক সদস্যকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

 

 

>> বাংলাদেশে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর একজন চর আটক হওয়ার পর, তাকে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ’-এর সদস্যরা নিজ দেশে নিয়ে যাওয়ায় শুরু হয়েছে বিতর্ক৷ অথচ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না৷ এছাড়া স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বুধবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন , ‘‘আমি এখনো বিষয়টি জানি না৷ পত্র-পত্রিকায় পড়েছি৷ এ ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে৷” ‘‘-এর এমন এখতিয়ার আছে কিনা, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘তাদের সঙ্গে আমাদের বন্দী বিনিময় চুক্তি আছে৷ কিন্তু এমন কোনো এখতিয়ার তাদের নেই৷ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার শেখ মো. নাজমুল আলমও বলেছেন, ‘‘এ ধরনের ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ অবগত নয়৷

>>বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের কাছে তথ্য নেই : ওয়াকাসকে গ্রেফতার এবং ভারতে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হলেও এ ব্যাপারে কোনো তথ্য বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের কাছে নেই। যোগাযোগ করা হলে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা এ জেড এন নাফিউল ইসলাম সমকালকে বলেন, ‘শাহজালাল বিমানবন্দর ব্যবহার করে কেউ বাংলাদেশ ত্যাগ করলে তার প্রমাণ ইমিগ্রেশনে থাকবে। কয়েক দিনে ওয়াকাস নামে কাউকে আটক করে ভারতে নেওয়া হলে অবশ্যই সে তথ্যও থাকত।

 

>>র‌্যাবের অস্বীকার : র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান বলেন, ভারতভিত্তিক নিষিদ্ধ ঘোষিত সন্ত্রাসী সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের (আইএম) এক সদস্যকে গ্রেফতারের খবর সঠিক নয়। বিমানবন্দরে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করে। এমন কেউ ধরা পড়লে অবশ্যই জানা যেত।

 

আমাদের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানেন না,বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনের কাছে তথ্য নেই এবং র‌্যাবের অস্বীকার করার মাধ্যমে ব্যপারটা উড়িয়ে দিতে চাইলেও বাংলাদেশের অকৃতিম বন্ধু ভারত দাদাদের এই র এর অতীত কৃত্তি কলাপে একটু চোখ বুলিয়ে নিলে ঘটনা মিথ্যে বলে মনে হয় না।

আসুন এক নজরে অতীতে বাংলাদেশে র এর তৎপরতার একটা বায়পিক দেখে নিই।  

১। কাদেরিয়া বাহিনী সৃষ্টি

২। শান্তি বাহিনী গঠন

৩।সশস্ত্র বাহিনীতে অভ্যুথান

৪। জিয়া হত্যা

৫। স্বাধীন বঙ্গ ভুমি আন্দোলন

৬। ভারতের তালপট্টি দখল

৭।১৯৮৮ সালে বন্যায় ভারতীয় হেলিকপ্টার সাহায্যের নামে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছবি তোলার চেষ্টা।

৮। পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক ও পারমানবিক শক্তি অর্জনের চেষ্টা এরশাদ র কে অসুন্তস্ট করে। ফলে তাকে সরাতে গ্রিন সিগনাল দেয় র।

৯।গারো ল্যান্ড আন্দোলনের পিছে

১০। চট্রগ্রামে বন্দর টিলা  নৌ ঘাটিতে বিশৃঙ্খলাতে ইন্ধন।

১১।রাজিব গান্ধী হত্যায় বাংলাদের হাত আছে বলে অপ্রচার।

১২। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা সৃষ্টি

১৩। মিলিটারি ইন্টিলিজেন্সে র অনুপ্রবেশ ও গুরুত্বপূর্ণ খবর পাচার

১৪।রাজশাহিতে র এজেন্ট  এবং গুপ্তচর হিন্দু বউদ্ধ-খৃস্টান পরি সধের নেতা গ্রেফতার।

১৫। দুই বাংলা একত্রিত করার অপ্রচার

১৬। বাংলাদেশকে খণ্ড খণ্ড করার উস্কানি দান

১৭। শান্তিবাহিনীর পিছনে র, যে কারনে সে সময়  শান্তিবাহিনী সমস্যার সমাধান হয় নি।

 ১৮।ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির পেছনে র

১৯। বাংলাদেশর যোগাযোগ ক্ষেত্রে আড়ি পাতছে র

২০।বাংলাদের স্পর্শ কাতর পদের রদবদলে পছন্দের লোক বসাতে তৎপর র

২১। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার বিরুদ্ধে অপ্রচার করে র

২২।রেস্টুরেন্ট , কম্পিউটার ফার্মের আড়ালে র তথ্য সংগ্রহ করে চলছে।

২৩। বিডিয়ার বিদ্রহের পিছে র এর হাত।

 

    

 

৪৭৫জন ৪৭৫জন
0 Shares

২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ