Foot fetishism বা পদাসক্তিঃ বিকৃত যৌনাচার (কেস ফাইল)

শিপু ভাই ২০ জানুয়ারী ২০১৫, মঙ্গলবার, ০৪:০২:৩১পূর্বাহ্ন বিবিধ ৫১ মন্তব্য

নাজমুন নাহার দিপা। অনার্স ২য় বর্ষ। সুন্দরী এবং গুনবতী। মফস্বলে থাকে। ঘটনার সূত্রপাত আরো ২ বছর আগে যখন ও ইন্টারমিডিয়েটে পড়তো।
সবার প্রিয় রফিক স্যার। কলেজের বাংলার অধ্যাপক। বয়স পঞ্চাশের কাছাকাছি হলেও সুদর্শন, সুবক্তা এবং তার ব্যবহার চমতকার। শান্তিনিকেতন থেকে পি এইচ ডি করে এসে মফস্বলের এই কলেজে অধ্যাপনা করছে। তার স্ত্রীও শিক্ষিকা এবং তাদের একটি পুত্র স্কুলগামী পুত্র সন্তান রয়েছে। অন্যদের মত দিপারও প্রিয় শিক্ষক এই রফিক স্যার। রফিক আহমেদ দিপাকে “মা” বলে সম্বোধন করতো যখন দিপা ঐ কলেজে ইন্টারে পড়তো।
দিপা পাশ করে অনার্সে ভর্তি হয়ে অন্য কলেজে চলে যায় একই এলাকায়। রফিক একদিন দিপাকে ফোন দিয়ে বলেছিলো -“তুই আমার দেবী, আমি তোকে দেবী হিসেবে দেখতে চাই, তুই আমাকে তোর দাস করে নে। তোর চরণের দাস।” রফিক যখন শান্তিনিকেতনে পি এইচ ডি করতে যায় তখন তার কোন এক গুরু নাকি বলেছিল যে – জীবনে কিছু সাধন করতে হলে নাকি কারো চরনের দাস হতে হয়!!!
শিক্ষকের এমন অদ্ভুত কথা শুনে দিপা অপ্রস্তুত বোধ করে। প্রলাপ মনে করে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু রফিক স্যার নাছোড়বান্দার মত কিশোরী দিপাকে ফোনে বুঝাতো-“আমি তোর চরণের কাছে বসে তোর চরণের সেবা করতে চাই। তুই শুধু আদেশ করবি আমি চরণের সেবা করবো । এছাড়া আর কিছু নয়।” নানা ভাবে যুক্তি দিয়ে একসময় দিপাকে কনভিন্স করে ফেলে। দিপা জবাব দিতে না পেরে সায় দিতো ফোনে বাট মনে মনে ঠিকই অস্বস্তি বোধ করতো। ইচ্ছে করেই স্যারের ফোন রিসিভ করা থেকে বিরত থাকতো। এভাবে ক্রমাগত বিরক্ত করার এক পর্যায়ে রফিক দিপাকে জানায়-“আজ আমি দাস হওয়ার প্রাকটিস করতে চাই, তুই চলে আয়।” কিছুটা হলেও ব্রেন ওয়াশড হওয়ায় এবং “চরণসেবা” নিয়ে দুর্নিবার কৌতুহল থেকে দিপা এবার তার প্রিয় শিক্ষককে ফিরিয়ে দিতে পারেনি। দিপা যায় রফিক স্যারের বাসায়। বাকিটা শুনি দিপার মুখেই-
“তারপর উনি আমাকে একটা চেয়ারে বসালেন আর উনি আমার পায়ের কাছে বসলেন। আমি তো এই বিষয়টা মানতে পারিনি বলে স্যারকে আমার পায়ের কাছে বসতে বাড়ন করলাম কিন্তু তবুও তিনি বসলেন আর বলতে লাগলেন দেবী আপনার পা আমাকে দেন আমি আপনার সেবা করতে চাই, এরকম আরো অনেক কথা।একটা সময় উনি আমার পায়ের পাতায় হাত দিলেন আর মাসাজ করতে লাগলেন। আমি তো ভয়ে লজ্জায় সংকুচিত হয়ে পড়েছিলাম। মাসাজ করতে করতে উনি আমার পা উনার বুকে রাখলেন এরপর আমার ডান পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুল উনার মুখে নিয়ে নিলেন। একটা সময় আমার পায়ের তলা চাটতে লাগলেন।আমি অনেক আপত্তি জানানোর পরেও তিনি শোনেন নি। তবে তিনি কিন্তু আমার পায়ের পাতায়েই সীমাবদ্ধ ছিলেন।উনি সেই সময় আমাকে দেবী বলেই সম্বোধন করতেন। আমি পা সড়িয়ে নিলেও বলতো” দেবী আপনার পা আমি চাটতে চাই, আপনার দাসকে দিয়ে আপনার পা চাটিয়ে নেন দেবী” আপনার দাসের এই ইচ্ছা পুরন করুন দেবী।
আমার জন্য ভিষন কষ্টদায়ক ছিল বিষয়টা।আমি বাসায় এসে স্যারকে বলেছিলাম আমার এই বিষয়টা ভাল লাগেনি, আমি দেবী হতে চাই না। তারপর বললো ঠিক আছে এই বিষয়টা নিয়ে পরে কথা বলবো। এরপর আবার স্যার আমার পদসেবা করতে চাচ্ছে কিন্ত আমি নারাজ স্যারও নাছোড় বান্দা। আমি বুঝতে পারছিনা কিভাবে স্যার কে বুঝাবো। আমি কঠিন ভাবে কথাও বলতে পাচ্ছিনা কারণ উনি আমার স্যার!!!”
…………………………………………………………………………………………………
উপরোল্লেখিত ঘটনাটা আমার এক জুনিয়র বান্ধবীর। শিক্ষক হয়ে ছাত্রীর সাথে প্রেম বা এজাতীয় সম্পর্ক স্থাপন খুবই অনৈতিক কাজ হিসেবে বিবেচিত হয় আমাদের প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায়। আর রফিক স্যার একজন যৌন বিকারগ্রস্থ মানুষ। এটা একধরণের মানসিক বৈকল্য। পায়ে আদর করে এরা চরম যৌন তৃপ্তি লাভ করে। সে তার কিশোর বয়সী ছাত্রীকে ফুসলিয়ে তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতে চায়। নিজের বিকৃত লালসার শিকার বানাতে চায় । এরকম বিকৃত মানসিকতার লোক আমাদের সমাজের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে বাট এদের সহজে চেনা যায় না।

৫৩৯৮জন ৪৯৭৭জন
0 Shares

৫১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ