বিভাগ: কবিতা

তোমার বিলেতি পোশাকের অর্ধনগ্ন শরীর, ডাইনি চোখের চাহুনিতে, আমার নীলআকাশে মেঘের আনাগোনা আর তেমন দেখা মেলে না! পশ্চিমীবায়ুর পশ্চিমীঝঞ্ঝায়, সকাল-বিকেল হড়কা বানের ভয়, সারা শরীর বেয়ে নামে শীতের কুয়াশায়! রাত গভীরে ঘুমের চাঁদরে অকালে ঝরে পড়া শিঊলির জন্য, সিন্ধুনদের দুঃখগুলো বিন্দু বিন্দু জমে, ভোরের আলোয় আমার কচিঘাসের চোখের কচিপাতায়! আমার প্রাচীন সাদাবক শক্ত ঠোঁটে , [ বিস্তারিত ]
চারিদিক হাহাকার! চারিদিক তৃষিত ভুমির বুকফাঁটা নিশ্বাস!মাথার উপর উত্তপ্ত দুপুর আমার ! মরুর বুকে ভাঙ্গাবাড়ির দেওয়ালে ,সবুজ শ্যাওলা জমে! ঝড়ের বুকে ধেয়ে আসা কাঁটা কাঁটা কয়েকটি শব্দে, ”কি রে? কেমন আছিস? বল” মাঝে মাঝে আমার এলোমেলো শশ্মানের দিকে চোখ পড়লেই,আৎকে উঠি আমি! দম বন্ধ হয়ে আসে,নির্জন ভাঙ্গা ঘরে! যেন জীবন্ত লাশ বয়ে যায় সময়ধারায় ! [ বিস্তারিত ]
১. পানির অপর নাম যদি জীবন বলা হয়, তোমার জন্য জীবন দেবো সময় অসময়। ২. আমি আজো বেকার ! আমার কাছে আছেরে ভাই অনেক কিছু শেখার, আমি বুঝি ভালো মন্দ কোন গলির মুখ খোলা বন্ধ গন্ধ শুকেই বলতে পারি অনেক কিছুর নাম তবু আমি বেকার বলে পাইনা কোন দাম !! ৩. গ্যাসট্রিকের ঐ গ্যাস ফোমে [ বিস্তারিত ]
বাড়ে রাত ছাড়ে হাত নির্ঘাত বেদনায়, দেহ মন সারাক্ষণ আমরণ বাসনায়। হেঁটে যায় অজানায় খালি পা’য় স্বপ্নেরা, ভেবে পাই শুধু নাই মাথাটা ঘুণ ধরা। ভাসে চোখ ফুঁসে বুক বুকে বিঁধে খঞ্জর, ছিঁড়ে যায় কুঁড়ে খায় যায় ভেঙ্গে পিঞ্জর। যারে যা উড়ে যা পুড়ে যা স্মৃতি সব, থেমে যাক ঘুম পাক যতসব কলরব। শেষ রাতে আখি [ বিস্তারিত ]
পাখির ঠোঁটের সরষে কনার অনু যদি নাও জোটে! প্রভুর পাঁচ বৎসর কালে! পাখির পালকে লেপ্টে যেন থাকে উষ্ন শান্তি! পেটের খোলের ডোবা – পুকুরে, শ্যাওলা -পুকুরের অতল গভীরে এই আশার যঞ্জ – আগুন লেগেই থাকে প্রজার পাঁজরে !প্রভুদের জীবৎ – কালে! মৃত্যু কালে পেখম ফোটে আকাশে ডানা ভরে ওড়ে!।আকাশের বাদশা আমি! ভুমি আর কিবা দামি! [ বিস্তারিত ]
এতকাল যাবৎ এই যে এতো হম্বি-তম্বী , রামায়ন ক্লীষ্ট থেকে মহাভারত শ্রেষ্ঠ! সকালে রাম তো অবেলার রাবণ! সবই ঐ আমার মায়ের বুকের উপর দাড়িয়ে! ছোট্টো থেকেই ছেড়াঁ ছেড়াঁ চোখে দেখি ‘মায়ের দহনযাত্রা’! কাচাঁরোদের রান্নাশালের অন্নপূর্ণা! তো আবার দুপুরে বিশ্বের জজ্ঞালের ‘কালী’! আর রাতের লিঙ্গশূলে বিদ্ধ পুরুষ-পিতার ‘দ্রোপদী’! সব বাবাই তো লুটের জন্য পণ দিয়ে মেয়ে [ বিস্তারিত ]
১. তারে ভালোবাসতাম আমি সে কি মোরে বাসিত ? ভালো যদি না-ই বাসিত দেখলে কেন হাসিত ? কইনি কথা তাহার সনে লাজ শরমের ভয়ে, প্রেমের কাঁটার আঘাত একা যাচ্ছি আমিই সয়ে। হঠাৎ করেই সাজলো বধু হৃদয় ভেঙ্গে দিয়ে, চোখের সামনেই চলে গেলো সবই কেড়ে নিয়ে। ২. আমায় শুধু বাসতো ভালো আমি কি আর বাসি ? [ বিস্তারিত ]

অবাধ্য

নীলাঞ্জনা নীলা ৫ নভেম্বর ২০১২, সোমবার, ০৯:৩৫:০৩অপরাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ২৯ মন্তব্য
চোখ দুটোকে বললাম , অতো স্বপ্ন দেখিস কেন ? এবার একটু বাস্তবটাকে দেখ । আমার ঠোঁট দুটোকে বললাম , নিশ্চুপ থাক । চাওয়া-পাওয়ার দরজাটাকে বন্ধ করে দে । কন্ঠটাকে বললাম , আর কোনো চিৎকার নয় , ক্রোধ নয় । নীরবতা দিয়ে ঢেকে রাখ মুখ । হাত দুটোকে বললাম , ব্যথা দিসনা , আর নিজেও ব্যথা [ বিস্তারিত ]
সকালের রোদে সেই তাপ কই! যে তাপ আমি ভুমিষ্ঠ হওয়ার সময় পেয়েছিলাম! আমার মায়ের নেতানো উঠোন আর শোষে না! স্যাঁতে স্যাঁতে উঠোন আমার! আমার বুকে গড়িয়ে পড়া চোখের নোনা জলে! আমার দেহ!আমার বুকে! আর চোষে না! রাত-বেরাত গড়িয়ে গড়িয়ে পড়ে! সারা শরীরে জুড়ে দগ-দগে ঘাঁ! নোনা জলে আরও ঘাঁ বাড়ে! শুক্নো চোখে অশ্রু নিয়ে মাছির [ বিস্তারিত ]

মা, চল, ভালবেসে কাঁদি

সুমধু চক্রবর্তী ৪ নভেম্বর ২০১২, রবিবার, ১০:০৮:২১পূর্বাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ১৮ মন্তব্য
পুরুষ কেমন জানো সখী ? শুনো তবে…   দুষ্টুমী করতাম তাই মারত মা। প্রচন্ড। কখনোবা সেই লাঠিও ভাঙত। মারের চোটে।   কীভাবে জানি জেনেছিলাম। সেই শিশুকালেই- ‘আমি নাকি মরদ। জেনানারাই কাঁদে।’   জানো সখী? কখনো রক্তে ভিজত পিঠ। নিতম্ব। হাত। পা। কাঁদিনি তবুও। ঝরেনি অশ্রু। ‘যে কাঁদে সে মরদ না।’   জানো? তারপরও কিন্তু অশ্রুতে [ বিস্তারিত ]
উষ্টা খাওয়ার আগেঃ চাইনা কিছুই তোমায় ছাড়া তোমার আছে জানা, তোমায় পেলে ধন্য জীবন হবে ষোল আনা। এমন কথা বলতে প্রেমে- উষ্টা খাওয়ার আগে, ভোগে জীবন ধন্য নয় তো ধন্য জীবন ত্যাগে। উষ্টা খাওয়ার পরেঃ তোমায় পেয়ে পাইনি কিছুই দেউলিয়া হতে বাকি, সোনার জীবন আঙ্গার হলো দুঃখ কোথায় রাখি। এমন কথা প্রায় শোনা যায় উষ্টা [ বিস্তারিত ]

কবি আর পাঠকের নগরী

সুমধু চক্রবর্তী ১ নভেম্বর ২০১২, বৃহস্পতিবার, ০৬:৫৯:১৪অপরাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ২২ মন্তব্য
ভেবেছিলাম কয়েক পশলা অঝর শ্রাবনই যথেষ্ঠ। না হয়নি! ভুল ছিল তা। এখনো ঘর্মাক্ত নগর। ঘিনঘিনে বাতাস। বদ্ধ। গুমোট বাতাসে এখনো ঘামের গন্ধ!   কিছু জীব তবু খুশী। বোবা-প্রায়। মানুষ বলিনা এদের। আদম-কীট। খুশীতে কিলবিল। এরা অবুঝ। এদিকে পঙ্কিল সরকারী বেসরকারী রাস্তাগুলো। অথছ এখনো সমানে তৃষিত কৃষকের মাঠ! জঘন্য!   শুধু শ্রাবণে হবেনা, বুঝেছি এখন। মেঘের [ বিস্তারিত ]
খিদে পেটে কবিতার গলিতে ঢুকতে ইচ্ছে করে না! ওসব গলি ওই চামচিকেদের পতিতালয় আর পান্থশালা! ওরা ওখানে মুখোস পরে যখন-তখন ঢোকে আর নেশার ঘোরে বীর্য বিনিময়, আবার ভদ্র বেশে বেরিয়ে যায়! মা বলে ওতো কবিতা মারিও না! বোনের বিয়ে,বাবার অসুখ! কোন শতাব্দীতে কবির হাত, ছেড়া নেকড়ায় চোখের জল মুছে, কবে ভাত দিয়েছে? বলতো হবু কবি! [ বিস্তারিত ]
শীত কাঁতুরে মেঘষোড়শীর ঘাসের ঠোঁটে আলতো চুমু! ঘাসের শিহরনে-জাগরনে বনকূল জাগে ! বাঁকা চোখে! বনস্পতির কলঙ্ক পড়ে চাপা, চাঁদের ঘোমটার ছাপে! পোকার দল চিৎকার জুড়ে, ক্ষনিকের ধন-যশের লোভের তোড়ে! এই রে জাত গেল! কুল গেল! ওদের অন্য-প্রান্তে তোলো! সারা শরীর ভয় জুড়ে, রাত-ভোর অপবাদে, ঘাসের চোখে অশ্রু ঝরে! রাত্রি শেষে ঘুম চোখে বেশ সুর্য হাসে! [ বিস্তারিত ]

কসম লাগে, একটু সাজিস

সুমধু চক্রবর্তী ২৭ অক্টোবর ২০১২, শনিবার, ১০:৪৪:৩৪পূর্বাহ্ন কবিতা, সাহিত্য ১৭ মন্তব্য
তোর অযত্ন-লালিত চুল, অবহেলায় করা কেশবিন্যাস! আচ্ছা, এভাবেই প্রতিশোধ নিস? নে (আমার দীর্ঘশ্বাস ঝরে)। এখনো খেলতে চাই ঐ চুল নিয়ে, সযতনে সাজাই কল্পনায়, কবিতার মত সুনিপুনভাবে, ছন্দে যেমনটি ঠিক আমি চাই। আমার ভাল লাগা তোর ভাল লাগেনা জানি; তারপরও কসম লাগে, একটু সাজিস, প্লিজ।

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ