দেশ তুমি কাকে চাও?

সুপর্ণা ফাল্গুনী ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, ০৮:৩৪:৫৪অপরাহ্ন কবিতা ১৬ মন্তব্য
দেশ তুমি কাকে চাও- একজন দেশপ্রেমিককে না একজন মীর জাফরকে? দেশ তুমি কাকে চাও- একজন বন্ধুকে না একজন শত্রুকে? দেশ তুমি কাকে চাও- একজন মানুষকে না একজন অমানুষকে? দেশ তুমি কাকে চাও- একজন ছাত্রকে না একজন গুন্ডাকে? দেশ তুমি কাকে চাও- একজন কসাইকে না একজন প্রাণদাতাকে? দেশ তুমি কাকে চাও- একজন পথিককে না একজন ছিনতাইকারীকে? [ বিস্তারিত ]

বিয়ে

সুপর্ণা ফাল্গুনী ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ০৩:৫৭:০২অপরাহ্ন কবিতা ৩০ মন্তব্য
আঠার বয়স পার হলো, মেয়ের বয়স বিশ হলো। বিয়ে করতে হবে আজ, তাই মেয়ের চোখে লাজ। বিয়ের কথায় জাগে শিহরণ, তাইতো বেড়ে গেলো হৃৎস্পন্দন। বিয়ে বিয়ে সাজ উঠেছে, তাইতো বিয়ের ফুল ফুটেছে। বিয়ের নামে পাড়া-পড়শী, গলায় গাঁথে প্রেমের বড়শি। প্রেম করে মেয়ের বিয়ে হবে, মেয়ে কি চিরকাল সুখী রবে? মেয়ে তো নয়- ডানাকাটা পরী, মেয়ের [ বিস্তারিত ]

তুমি তো আমার নও-

সুপর্ণা ফাল্গুনী ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১০:৩০:২৬পূর্বাহ্ন কবিতা ২৬ মন্তব্য
এই তুমি তো আমার নও- তবুও তোমাকে পাবার ব্যাকুলতায় হৃদয়ে কামনার অনল-শিখা জ্বলছে অবিরাম। তুমি তো আমার নও- তবুও ভালোবাসার জিয়ন-কাঠি তোমাতেই তীরবিদ্ধ। দাবানলে অঙ্গার তনু-মন; দিবানিশি পুড়ছে পতঙ্গের অনুরূপ। হিম-শীতল পৌষে উষ্ণতার চাদরে; আম্র-মুকুলের মাদকতায় আবেশিত,নিঃশেষিত আমিত্ব খুঁজি তোমার আলিঙ্গনে। তুমি তো আমার নও- তবুও আমি তোমাতেই বিমোহিত, দলিত। বিরস বদনে বিরহের সুর-মূর্ছনায় উদ্বেলিত [ বিস্তারিত ]
নদী মরে গেলে দুই তীরের জনজীবনে নিশ্চলতা সৃষ্টি হয়। দখল প্রক্রিয়ার কারণে যেভাবে নদী মারা যাচ্ছে, তাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক বলা যাবে কি না, সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। প্রাথমিক হিসাবে বুড়িগঙ্গা, কর্ণফুলী, সুরমা, কীর্তনখোলা, রূপসা ভূমি আগ্রাসনে পড়েছে শহর তীরবর্তী প্রায় ৭০টি নদী। কেবল নদী নয়, শহরের ভেতর বা পাশের খালগুলো অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে [ বিস্তারিত ]

কচুরিপানা

সুপর্ণা ফাল্গুনী ২২ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার, ০৯:২৯:০০অপরাহ্ন কবিতা ২৬ মন্তব্য
স্মৃতির নদীতে ভেসে চলা আমি এক কচুরিপানা। ঢেউয়ের পর ঢেউ আছড়ে পড়ে আমার হৃদয় আঙ্গিনায়। কত নদী-মোহনার মিলনমেলা জড়িয়ে আছে হৃদয় সঙ্গমে। কত জলযান বুক চিরে রক্তাক্ত করলো; রক্তের ঝর্ণাধারায় তবুও আমি বেঁচে আছি- নব দিগন্তের আশায়। পথ হারিয়ে খুঁজি আরেক পথ; রৌদ্রের খরতাপে দেহখানি পুড়ে যায়; বৃষ্টি ধারায় সিক্ত হয় অজানা স্বপ্নরাশি। কখনো হারাই [ বিস্তারিত ]

স্বপ্নের ফেরিওয়ালা

সুপর্ণা ফাল্গুনী ২০ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ০৩:০৯:২৩পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৬ মন্তব্য
স্বপ্ন নেবে, স্বপ্ন!! হরেক রকমের মিষ্টি, মজাদার, রসালো, তেতো, টক। লাল, নীল, সবুজ, হলুদ আরো কত রং বেরঙের স্বপ্ন আছে কাঁচের ঐ বয়ামে। সব আলাদা আলাদা করে গুছানো আছে। যার যেটা লাগবে নিয়ে নাও। কারণ ঐ স্বপ্ন গুলো তো আমার নয়;সবার স্বপ্ন আমার কাছে গচ্ছিত রেখেছে-একেক নামে,একেক আকারে,একেক দামে।   স্বপ্নেরা খুব সুন্দর করে সেজেগুজে [ বিস্তারিত ]

তবুও তোমাতেই হোক

সুপর্ণা ফাল্গুনী ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, ০৩:২৭:৩১অপরাহ্ন কবিতা ৪২ মন্তব্য
আজ তোমাতেই হবো বিলীন- শুনবো না শাসন-বারণ, মানবো না কোনো বাঁধন। খোলা থাক দক্ষিণ-বাতায়ন, আসুক না প্লাবন, আসুক অমানিশার ঘোর লগন। ভেঙে চুরমার হোক পাঁজর দু’খান, তবুও তোমাতেই হবো অশালীন। আদিমতার নেশায় মাতুক তনু-মন, নীরবতার চাঁদরে থাকুক ভাষার স্ফুরণ। চোখে চোখে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত বহমান তবুও তোমাতেই হোক আমার ক্ষরণ। আকাশ নীলে মেঘবালিকার কাঁপন ছুঁয়ে যাক [ বিস্তারিত ]

সম্পর্ক

সুপর্ণা ফাল্গুনী ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১১:০২:৫৬পূর্বাহ্ন কবিতা ৩৩ মন্তব্য
এইতো সেদিন- তোমার সাথে পরিচয়, নাম বিনিময়। তারপর; একটু একটু গল্প, কবিতা, মনের নানান ভাবনার মালা গাঁথা। সুখ-দুঃখের আলাপনে বন্ধুত্বটা আমাদের জমলো বেশ। গল্পের ছলে, কাজের ফাঁকে- হৃদয়-আকাশে ভালোবাসার আলিঙ্গন। কত শত স্মৃতির আদান-প্রদান, শৈশব-কৈশোরের ভালোলাগা, দুরন্তপনা; সবই যেন দু’জনের কাছে খোলা বইয়ের মতো। রাতের পর রাত, ভোর পার। আবার অপেক্ষা- সকালের মিষ্টি রোদে কথার [ বিস্তারিত ]

বাঁধন ও বাংলাদেশ

সুপর্ণা ফাল্গুনী ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ১২:০৮:২৭পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২০ মন্তব্য
           আজ বাঁধনের অনেক সুনাম ও যশ চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক বাধা বিপত্তি, সফলতা, ব্যর্থতার প্রাচীর পেরিয়ে আজকের বাঁধনে বাঁধা পড়েছে। হ্যাঁ বাঁধনের শৈশব,কৈশোর ও আর দশটা সাধারণ ছেলেবেলার মতোই কেটেছে। আজ তার সত্তর তম জন্মবার্ষিকী পালিত হলো। এতো কোলাহল,হৈ-হুল্লোর তবুও সে বারবার ফিরে যায় সেই ফেলে আসা শৈশব কৈশোরে আর [ বিস্তারিত ]

কাঙ্খিত স্বাধীনতা

সুপর্ণা ফাল্গুনী ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ০৩:১৫:১৪অপরাহ্ন কবিতা ২৭ মন্তব্য
আজো হামিদুর,মতিউর,মুন্সি রউফের আত্নারা ডুকরে কেঁদে মরে। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত আহাজারি করে বারেবারে। আজো বাতাসে লক্ষ লক্ষ মা-বোনদের আত্নচিৎকারে কেঁপে উঠে, এদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা নরপিশাচদের অট্টহাসির ফোয়ারা। আজো এখানে সেখানে লাশের অর্ধগলিত দূর্গন্ধ নাকে এসে ছুঁয়ে যায়। অলিতে-গলিতে হায়নার দল ওৎ পেতে থাকে, শিশু-কিশোরী-নারীর নরম মাংস ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে বলে। আজো মন্দিরে [ বিস্তারিত ]

খুউব জানতে ইচ্ছে করে

সুপর্ণা ফাল্গুনী ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ১২:৫৪:২৯পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২২ মন্তব্য
আকাশ হঠাৎ একদিন মৌরিকে একটি পাপা মিলনের গোলাপ হাতে দিলো। মৌরি তখন ক্লাস নাইনের ছাত্রী। সে কিছুটা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলো। কিন্তু আকাশকে কোনো প্রশ্ন করলো না। মনের মধ্যে একটার পর একটা উত্তর সাজাতে লাগলো। ফলাফল- মৌরি বুঝে ফেললো আকাশের মনবাসনা। কিন্তু সে তাকে কিছুই বুঝতে দিলো না কারণ সে চায়নি আকাশের সাথে সম্পর্ক হোক। যাই [ বিস্তারিত ]

স্বার্থপরতা

সুপর্ণা ফাল্গুনী ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, ০৩:৪৯:৫৯পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি ৩৪ মন্তব্য
যখন থেকে বুঝতে পেরেছি, বলতে শিখেছি অনেক বন্ধু পেয়েছি, খেলার সাথী পেয়েছি। সোজা কথায় খেলার জন্যেই বন্ধুত্ব করা। ছেলেবেলা টা আসলে এমন করেই বন্ধুত্ব হয়, তখন তো বন্ধু কি জিনিস সেটাই বোঝার কথা নয়। এভাবেই সময়ের স্রোতে ভেসে স্কুল জীবনে প্রবেশ করা। পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ছেলে মেয়ে একসাথে পড়া হলেও বন্ধুত্ব মেয়েদের সাথেই করা হতো। [ বিস্তারিত ]

প্রেমের নানান রং

সুপর্ণা ফাল্গুনী ২ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ০৯:৪৯:৪৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৮ মন্তব্য
সুদীপ্ত আজ দীর্ঘ বিশ বছর প্রবাস জীবন যাপন করছে। ঘরে সুন্দরী, শিক্ষিতা স্ত্রী আর ফুটফুটে দুই সন্তান রেখে প্রবাসে একাকী জীবন পার করছে। ষোলো বছরের সংসারে ভালোবাসা, সুখের কোনো অভাব সে পায়নি। তবুও বুকের পাঁজরের কোথায় যেন লুকিয়ে আছে একটা চিনচিনে ব্যথা, শূণ্যতার বাসা। সুদীপ্তের ও একটা বাল্যপ্রেম ছিল। ওর ই এক কাজিনের সাথে। আত্নীয়তার [ বিস্তারিত ]

এলোমেলো সন্ধ্যা

সুপর্ণা ফাল্গুনী ২৯ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ০৮:১৭:২১অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৯ মন্তব্য
জীবন বহতা নদীর মতো বয়েই চলে। জীবনের বাঁকে বাঁকে কত শত ঝড়-ঝঞ্জাট ওলোটপালোট করে জীবনের গতিপথ স্তব্ধ করে দেয়। তবুও কী জীবন-নৌকা থেমে যায়! প্রকৃতি চলে প্রকৃতির নিয়ম মেনেই।কারো জীবনযুদ্ধের পরিনতি হয় স্বপ্নে ঘেরা বাসর ঘরে আর কারো পরিনতি অসীমে বিলীন হয়। বালুচরে বাঁধা স্বপ্ন তাসের ঘরের মতো ভেঙে যায় দু’দিনেই। আশাহত মন সিন্দুকে নিজেকে [ বিস্তারিত ]
ঐশী-যখন ওর বাবা মারা যায় তখন ওর বয়স ৬/৭।পিতৃবিয়োগ বা মৃত্যুর মর্মার্থ কিছুই তেমন বুঝতোনা বা বোঝার কথাও না। চার বোনের মধ্যে সে দ্বিতীয়। বাবার মৃত্যুর পর সবাই যে যার মতো করে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে,আবার অতি আপনজনকেও কাছে পায়নি বাবার অভাব পূরণের জন্য। জমিজমা যা ছিল ঐশীর মা এদিক ওদিক করে, টুকটাক কাজ করে জীবনের [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য