শামীম চৌধুরী

প্রকৃতিকে ভালোবাসি। প্রকৃতির সাথে থাকতে ভালো লাগে। প্রকৃতির সব বণ্যপ্রাণী ও পাখি যেন আমার নিজ সন্তান। শখের ছবিয়াল হয়ে ওদের পিছু ছুটে বেড়াই। তাই-
আমি এই সুন্দর প্রকৃতিকে ভালোবাসি
তুমিও ভালোবাসো।

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ১ বছর ১ মাস ৫ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৭০টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ১২৪১টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৫১০টি
এই পাখিটি আমাদের দেশীয় পাখি। বাংলায় নাম ”নীল-গলা বসন্ত বাউরী”। পাকা পেঁপে ও বটফল পাখিটির খুব প্রিয় খাবার। পাখিটির ছবি আগেও বহুবার তুলেছি। কিন্তু খুব শখ বা ইচ্ছে ছিলো পাকা পেঁপে খাচ্ছে এমন একটি ছবি তোলার জন্য। ২০১৫ সালে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ব্যাসপুর গ্রামে শ্বশুড় বাড়িতে গিয়েছি বেড়াতে। স্পষ্ট মনে আছে আম কাঁঠালের সময় তখন। [ বিস্তারিত ]
অন্য দশটা শিল্পের মত রান্নাও একটি শিল্প হিসেবে আমি মনে করি। যে কোন শিল্পীর হাতে কোন সৃজনশীল সৃষ্টির আগে অনেক ধরনের উপকরন বা সরঞ্জামাদির যেমন প্রয়োজন হয়,তদ্রুপ রান্নার জন্যও প্রয়োজন আনুসাঙ্গিক অনেক উপকরনের। শুধু মাত্র নিজেদের আহারের জন্য রান্না করে থাকা যতটা সত্য, তার চেয়ে সত্য রান্নার আয়োজনে নিজেকে উৎসর্গ করা। দীর্ঘ সময়,পরিশ্রম,মেধা ও প্রশিক্ষনই [ বিস্তারিত ]

বসন্তের পাখি বসন্ত বাউরী।

শামীম চৌধুরী ১১ মে ২০১৯, শনিবার, ১২:৩৯:১৪পূর্বাহ্ন পরিবেশ ৩৭ মন্তব্য
ইংরেজি নামঃ Coppersmith Barbet. বাংলা নামঃ ‘ছোট বসন্ত বাউরি’। বৈজ্ঞানিক নামঃ Megalaima haemacephala আকার ও বৈশিষ্টঃ প্রজাতির গড় দৈর্ঘ্য ১৬-১৭ সেন্টিমিটার। কপাল, বুক পরিষ্কার লাল। চোখের দু’পাশ থুতনি ও গলা হলুদ। মুখাবয়ব কালো। পিঠ ঘাসরঙা সবুজ। নিচের দিকে খাড়া খাড়া মোটা রেখা। ওড়ার পালক কালচে। বুক উজ্জ্বল লালের সঙ্গে সোনালি হলুদের পট্টি। লেজ খাটো। লেজের [ বিস্তারিত ]
Scarler Minivet.বা সিঁদুরে সোহেলীঃ- এই পাখিটি আমাদের দেশীয় ও আবাসিক পাখি। আকারে দোয়েলের চেয়ে বড়; ২২-২৩ সে:মি:। পুরুষের দেহ প্রধানত সিঁদুরের মত লাল টকটকে। স্ত্রী পাখির দেহ হলুদ বর্ণের। পুরুষের মাথা ও পিঠ কালো। পেট কোমার, ডানা ও লেজ গাঢ় লাল রঙের। এরা মূলত সবুজ বনের রঙ্গিন ফুল ও ফল খেয়ে থাকে। প্রজননকালে স্ত্রী পাখিকে [ বিস্তারিত ]
ইংরেজী নামঃ Spoon billed-Sandpiper. বাংলা নামঃ চামুচঠোঁটি চা-পাখি/কোদাইল্লা চা-পাখি বৈজ্ঞানিক নামঃ Eurynorhynchus pygmeus. আকারঃ এ পাখির দৈর্ঘ্য ১৭ সেন্টিমিটার, ডানা ১০ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ২.২ সেন্টিমিটার, ঠোঁটের চামচের মতো অংশ ১.১ সেন্টিমিটার, পা ২.১ সেন্টিমিটার ও লেজ ৩.৮ সেন্টিমিটার। এর উপরের অংশের রঙ অনেকটা ফিকে ধূসর ও নিচের অংশটা সাদা। আকারে চড়ুই পাখির থেকেও ছোট। খাদ্যঃ ভেজা [ বিস্তারিত ]
ইংরেজী নামঃ Large-tailed Nightjar. বৈজ্ঞানিক নামঃCaprimulgus macrurus বাংলা নামঃ রাতচরা/দিনকানা। আকার ও আকৃতিঃ আকারে কাকের মত; ৩৩সেঃ; সারা দেহে কালচে বাদামী নকশা। বসে থাকলে ডানায় তিন সারি বাদামী লাইন দেখা যায়। লম্বা ও প্রশস্ত লেজ। গলায় চওড়া সাদা ফিতা। ঘাড়ে লালচে রং। পুরুষের লেজের প্রান্তে সাদাটে  এবং ডানায় স্পষ্ট সাদা পট্টি। প্রজাতিঃ এটা ছাড়াও আরো [ বিস্তারিত ]
বাদামী মেছো পেঁচা হল পেঁচা প্রজাতির Ketupa zeylonensis (কেটুপা জেলোনেন্সিস) গোত্রের একটি প্রজাতি। যা সাধারণত Strigidae নামে পরিচিত পরিবারের অংশ যা বেশীর ভাগ লোকালয়ে থাকে। মাঝে মাঝে এরা উপকুলেও বিচরন করে থাকে। বড় বড় উঁচু গাছে, জলাশয়ের ধারে বা পুকুর পাড়ে ঘাপটি মেরে বসে থাকে মাছ শিকারের জন্য। এরা মহাদেশীয় এশিয়া এবং কিছু উপকূলে দ্বীপগুলির [ বিস্তারিত ]
প্রচন্ড তাপদাহ, পাখিদের তেষ্টা মেটাতে আপনার বাসার ছাদে বা অন্য কোথাও একটি পাত্রে বা বাড়ির আঙ্গিনায় একটু মাটি গর্ত  করে সামান্য পানি তাদের তেষ্টা মেটাবে । সকলের প্রতি উদাস্তু আহ্বান জানাচ্ছি যার যার অবস্থান থেকে প্রকৃতির এই প্রাণীগুলির জন্য একটু এগিয়ে আসবেন।

Oriental pied horn bill বা কাউ ধনেশ।

শামীম চৌধুরী ৩০ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, ০২:৪১:৫৩পূর্বাহ্ন ছবিব্লগ ১৮ মন্তব্য
কাও ধনেশ (Anthracoceros albirostris) (ইংরেজী: Oriental pied horn bil বা Indian Pied Hornbill), কাউ ধনেশ বা পাকড়া ধনেশ বিউসেরোটিড (Bucerotidae) পরিবার বা গোত্রের অন্তর্গত একটি মোটামুটি বৃহদাকার ধনেশ প্রজাতির পাখি। ভারতীয় উপমহাদেশের পূর্বাংশ এবং দক্ষিন- ‍পূর্ব  এশিয়ার উত্তর-পূর্বাংশের বিভিন্ন দেশ কাও ধনেশের প্রধান আবাসস্থল। বাংলাদেশ,ভারত(উত্তরপূর্বাঞ্চল),ভূটান, নেপাল,  মিয়ানমার, থাইলেন্ড , ইন্দোনেশিয়া,  মালয়েশিয়া, লাওস, ব্রুনাই,ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর এবং চীন (দক্ষিণাঞ্চল, মূলত ইউনান [ বিস্তারিত ]

দুধরাজ/শাহ বুলবুল/ সাহেব বুলবুল

শামীম চৌধুরী ২৩ এপ্রিল ২০১৯, মঙ্গলবার, ০৩:২৬:০২অপরাহ্ন ছবিব্লগ ৩১ মন্তব্য
অনেকের ধারনা যে,এই পাখিটি পরিযায়ী পাখি। তাদের ধরনাটা স্বাভাবিক। কারন এই পাখিটিকে লোকালয়ে দেখা যায় একটি নির্দিষ্ট ঋতুতে বা সময়ে অন্যান্য পরিযায়ী পাখির মতন। আমাদে দেশে পরিযায়ী পাখির সমাগম হয় মূলত শীত মৌসুমে। আবার কিছু পাখি দেখা যায় গ্রীষ্মে। মোট কথা শীত ও গ্রীষ্মে মূলত পরিযায়ী পাখির বিচরন আমাদের দেশে। পরিযায়ী পাখিগুলি আসে মূলত খাবারের [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য