শামীম চৌধুরী

প্রকৃতিকে ভালোবাসি। প্রকৃতির সাথে থাকতে ভালো লাগে। প্রকৃতির সব বণ্যপ্রাণী ও পাখি যেন আমার নিজ সন্তান। শখের ছবিয়াল হয়ে ওদের পিছু ছুটে বেড়াই। তাই-
আমি এই সুন্দর প্রকৃতিকে ভালোবাসি
তুমিও ভালোবাসো।

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ৩ মাস ২৯ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ৩৮টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ৬৮৩টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৭৭৫টি

আমার যত কল্পনাঃ (কল্পনা-০৯)

শামীম চৌধুরী ৯ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার, ০১:৪৫:০৩পূর্বাহ্ন গল্প ২০ মন্তব্য
কল্পনা-৯ অনেক চেষ্টা করেও বাবাকে ঢাকায় আনতে পারেনি রহিম। যতবার বাবাকে অনুরোধ করেছে ততোবার কুদ্দুস বয়াতীর সোজা-সাপ্টা উত্তর ছিলো- ”তোর মারে ঈদের আগে বাড়িত পাডায় দে”। রহিম ছোটবেলা থেকে চুপচাপ থাকতে পছন্দ করতো। বাড়িতে কোন অনুষ্ঠান হলে রহিম অন্য ঘরের দরজা বন্ধ করে বই পড়ছে। খুব মেধাবী ও পড়ুয়া ছাত্র ছিলো রহিম। বিসিএস এডমিন ক্যাডারে [ বিস্তারিত ]

ডোরামাথা রাজহাঁস

শামীম চৌধুরী ৫ জুলাই ২০১৯, শুক্রবার, ১০:৪৬:৩৪অপরাহ্ন পরিবেশ ২৫ মন্তব্য
‘ডোরামাথা  রাজহাঁস’ বা ‘বাদিহাঁস’ বা ‘রাজহাঁস’ Anatidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি জলচর পাখি। যার দৈর্ঘ্য আকারভেদে ৭২-৭৫ সে.মি. এবং ওজন দেড় কেজি থেকে প্রায় সোয়া তিন কেজি। এরা একটাই প্রজাতি এবং এদের কোনো উপপ্রজাতি নেই। এদের শরীর দেখতে অনেকটা ধূসর বর্ণের। সাদা মাথা থেকে সাদা একটি লাইন গলার নিচ পর্যন্ত নেমে গেছে। মাথায় দুটি কালো দাগ [ বিস্তারিত ]

আমার যত কল্পনাঃ (কল্পনা-০৮)

শামীম চৌধুরী ৪ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ০১:১৯:৪১পূর্বাহ্ন গল্প ২৭ মন্তব্য
কল্পনা-৮ রহিম হাসপাতাল থেকে ফারাহকে বাসায় নিয়ে এসেছে। সবাই এখন রহিমের বাসায় ফারাহ’কে ঘিরে। বানু ও রাহিমের মা’কে ফারাহ নিজ উদ্দোগে তার বাসায় নিয়ে আসে। কদ্দুস বয়াতীর কথা স্মরন হওয়ায় রহিমের মা অরাজি ছিলো ছেলের বাসায় যেতে। কিন্তু ফারাহ’র অনুরোধ,আকুতি-মিনতি ও শ্রদ্ধাভরা ভালোবাসায় মলিন হয়ে রহিমের বাসায় আসতে বাধ্য হলো বানু ও তার মা’। জলিল [ বিস্তারিত ]

বড়ছড়ায় পরিচয় সিংহরাজের সঙ্গে

শামীম চৌধুরী ২ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার, ০২:০৭:৪৬পূর্বাহ্ন পরিবেশ ২১ মন্তব্য
সিংহরাজ পাখিটির সঙ্গে ২০১৫ সালে প্রথম পরিচয় হয় কাপ্তাই ফরেস্টের বড়ছড়ায়। আমরা বেশ কয়েকজন ফটোগ্রাফার পাখির ছবি তোলার জন্য ঢাকা থেকে কাপ্তাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হই। বড়ছড়ায় প্রবেশ মুখে আনসার ক্যাম্প। ক্যাম্পের প্রবেশ মুখে আনসারদের সতর্কবাণী ছিলো বন্যহাতীর উপদ্রব সম্পর্কে। আমরা যাওয়ার কয়েকদিন আগে বন্যহাতীর তাড়ায় স্থানীয় একজন মারা যান। খবরটা শুনেই গা শিরশির করে ওঠে। [ বিস্তারিত ]

আমার যত কল্পনাঃ (কল্পনা-০৭)

শামীম চৌধুরী ১ জুলাই ২০১৯, সোমবার, ০১:১১:৩৭পূর্বাহ্ন গল্প ২১ মন্তব্য
কল্পনা-০৭ হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে আছে ফারাহ। দূর্ঘটনার মাত্রা এতটাই মারাত্মক ছিলো যে,ফারাহ’র বাঁ হাতটা কেঁটে ফেলতে হয়েছে। ফারাহ’র বাবার বাসা থেকে তার মা-বোনরা ছুটে এসেছিলো হাসপাতালে। মেয়েকে দেখেও গিয়েছে। ফারহা’র সাথে সেই রাতে একজন সঙ্গী থাকার খুবই প্রয়োজন ছিলো । অবশেষে বানু সেই রাতে হাসপাতালে থেকে যায় ভাবীর কাছে। জলিল শেখ বানুকে রেখে চলে আসে [ বিস্তারিত ]
কোকিলের নাম শোনেননি বা চিনেন না এমন লোক দেশে খুঁজে পাওয়া যাবে না। কোকিলের সুমিষ্ট সুর মন ভরিয়ে দেয়। বসন্ত কালে কোকিল আমাদের দেশে বেশি নজরে পড়ে। তাই আমরা বহুদিনের অদেখা কাউকে দেখলেই উপমা দেই ‘তুমি দেখছি বসন্তের কোকিল হয়ে যাচ্ছো’। কোকিলকে নিয়ে অনেক কবি বা ছড়াকার লিখেছেন। কোকিল আমাদের আবাসিক পাখি। বাংলাদেশের সর্বত্র কোকিল [ বিস্তারিত ]

আমার যত কল্পনাঃ (কল্পনা-০৬)

শামীম চৌধুরী ২৬ জুন ২০১৯, বুধবার, ১২:২৩:৫৩পূর্বাহ্ন গল্প ২৬ মন্তব্য
কল্পনা-৬ মধুচন্দ্রিমা শেষে বানু তার নিজ সংসারে জলিল শেখের ভালোবাসায় বেশ ব্যাস্ত দিন কাটাচ্ছে। শ্বশুড়-শ্বাশুড়ীর যত্নাদি, নিজের বাবা-মায়ের খেয়াল রাখা রহিমের বউয়ের সাথে যোগাযোগ সবই নিয়মিত ধারায় করে যাচ্ছে। বানুর শ্বশুড়-শ্বাশুড়ী তাদের এক মাত্র পুত্রবধুকে পেয়ে মেয়ের জায়গায় স্থান দিয়ে পিতা-কন্যার সম্পর্কটা আরো মজবুত করেছে। কিন্তু, ফারাহ তার শ্বশুড় বাড়িতে এ সম্পর্কটা কোনদিনই অর্জন করতে [ বিস্তারিত ]
প্রকৃতির সাথে মিশে যে ব্যাপারটা আমাকে বার বার দোলা দেয় সেটা হচ্ছে প্রকৃতিতে বসবাসকারী জীব-জন্তুর আচার-আচরন ও ভালোবাসা দেখে। যার জন্যই প্রকৃতিতে ছুটে যাই। প্রকৃতির রঙ ও শোভা যে কোন হৃদয় বিদারক মানুষের মনকে ভালো করে দিতে পারে। বিশ্বাস না হলে একবার প্রকৃতির কাছে যান দেখবেন আপনার মনকে কিভাবে ভালো করে দেয়। আমার দেখা ছোাট্ট [ বিস্তারিত ]

কল্পনা-০৫

শামীম চৌধুরী ৪ জুন ২০১৯, মঙ্গলবার, ০৬:১৫:৪২অপরাহ্ন গল্প ১৭ মন্তব্য
কল্পনা-৫ * আজ মঙ্গলবার। বানুর শুভ পরিণয়। আগেই গ্রামের বাড়ি থেকে দাদা,ভাবী ও বানু চলে আসে আমার বাসায়। অন্য দশজন মেয়ের মতই বানুর বিয়েতে সব সখ ও আহ্লাদ পূরন করা হচ্ছে। গায়ে হলুদে বেশ আনন্দ করেছে রহিমের মেয়ে ফাতিমা। ফারাহকে এই প্রথম দেখলাম সারাটাদিন বানুকে ঘিরে ছিলো। দাদী-নাতনির খুঁনসুঁটি লেগেই ছিলো। ফারাহ নিজেই বানুকে সাথে [ বিস্তারিত ]

কল্পনা-০৪

শামীম চৌধুরী ৩ জুন ২০১৯, সোমবার, ০৬:১২:২২অপরাহ্ন গল্প ১৫ মন্তব্য
ইনশাআল্লাহ। সবকিছু ঠিক-ঠাক থাকলে আগামী মঙ্গলবার ৪ঠা জুন’ রহিমের বোন বানুর বিয়ে। বানুর হবু বরের নাম জলিল শেখ। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। চাকুরীর সুবাদেই ঢাকা থাকে। একটি করপোরেট অফিসে ভালো বেতনে চাকুরী করে। জলিল শেখের বাবা-মা গ্রামের বাড়িতেই থাকেন। বানুর হবু বর ঢাকাতে যে মেসে থাকতো সেটি ছেড়ে দিতে হচ্ছে। আপাততঃ বিয়ের পর বানুকে নিয়ে গ্রামের [ বিস্তারিত ]

কল্পনা-০৩

শামীম চৌধুরী ২ জুন ২০১৯, রবিবার, ০২:১০:৩৬পূর্বাহ্ন গল্প ২০ মন্তব্য
আমার দাদা কুদ্দুস বয়াতী আর উনার সহধর্মিনী (রহিমের বাবা ও মা) অাজ ঢাকায় আসেন আমার বাসায়। জুম্মার নামাজের পর বানুর জন্য ছেলে দেখতে যাবো। গতকাল রাতেই রহিম ও তার বউকে সংবাদটা জানাই। বউমা’কে সাথে নিয়ে সকাল সকাল বাসায় চলে আসতে বলি। নামাজ পরেই চলে যাবো ছেলের বাসায়। দুপুরের আপ্যায়নও ছেলের বাসায়। রহিম কথা শেষ না [ বিস্তারিত ]

কল্পনা-০২

শামীম চৌধুরী ১ জুন ২০১৯, শনিবার, ০১:৪৪:০৬পূর্বাহ্ন গল্প ৩০ মন্তব্য
অবশেষে ছুটির ফাঁদ থেকে মুক্ত হলো দেশ। পুরোদ্দমে যার যার কর্মে ব্যাস্ত সবাই। শহরের রাস্তাগুলিও চিরচেনা জ্যামের শহরে রূপান্তরিত হচ্ছে । কর্মচঞ্চল হয়ে উঠেছে রাজধানী ঢাকা শহর। সমুদ্র সৈকত থেকে ঘুরে এসে রহিমও ব্যাস্ত তার নিজ অফিসে কর্মজীবনে। কিন্তু রহিমের মা’য়ের ব্যাস্ততা কমেনি একটুও। প্রতিক্ষায় ছিলো শবে-বরাতে আসবে তার নাড়িছেঁড়া ধন একমাত্র আদরের পুত্র। এখনও [ বিস্তারিত ]

আমার যত কল্পনাঃ (কল্পনা-০১)

শামীম চৌধুরী ৩০ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ০৬:১৯:১৩অপরাহ্ন গল্প ২৩ মন্তব্য
বহুদিন পর লিখলাম। লেখাটা সম্পূর্ন কাল্পনিক। কাহারো জীবনের সাথে মিশে গেলে ক্ষমা করে দিবেন।* লম্বা ছুটির ফাঁদে দেশ। ইতিমধ্যে ভ্রমন পিঁপাসুরা ঘর থেকে বের হয়ে গেছে। কেউ স্ত্রী-সন্তান নিয়ে।  কেউবা আবার একা একা। রহিম (কাল্পনিক নাম) তার বউ, শ্বাশুড়ী, শ্যালিকা আর শ্যালকের কন্যাকে সাথে নিয়ে ছুটে গেছে সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে। ছুটির আমেজে নিজেকে হারিয়ে দেবে [ বিস্তারিত ]
এই পাখিটি আমাদের দেশীয় পাখি। বাংলায় নাম ”নীল-গলা বসন্ত বাউরী”। পাকা পেঁপে ও বটফল পাখিটির খুব প্রিয় খাবার। পাখিটির ছবি আগেও বহুবার তুলেছি। কিন্তু খুব শখ বা ইচ্ছে ছিলো পাকা পেঁপে খাচ্ছে এমন একটি ছবি তোলার জন্য। ২০১৫ সালে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ব্যাসপুর গ্রামে শ্বশুড় বাড়িতে গিয়েছি বেড়াতে। স্পষ্ট মনে আছে আম কাঁঠালের সময় তখন। [ বিস্তারিত ]
অন্য দশটা শিল্পের মত রান্নাও একটি শিল্প হিসেবে আমি মনে করি। যে কোন শিল্পীর হাতে কোন সৃজনশীল সৃষ্টির আগে অনেক ধরনের উপকরন বা সরঞ্জামাদির যেমন প্রয়োজন হয়,তদ্রুপ রান্নার জন্যও প্রয়োজন আনুসাঙ্গিক অনেক উপকরনের। শুধু মাত্র নিজেদের আহারের জন্য রান্না করে থাকা যতটা সত্য, তার চেয়ে সত্য রান্নার আয়োজনে নিজেকে উৎসর্গ করা। দীর্ঘ সময়,পরিশ্রম,মেধা ও প্রশিক্ষনই [ বিস্তারিত ]

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য