পার্থ সারথি পোদ্দার

নতুন ভোরের সন্ধানে

  • নিবন্ধন করেছেনঃ ১ মাস ১৫ দিন আগে
  • পোস্ট লিখেছেনঃ ১১টি
  • মন্তব্য করেছেনঃ ১৮২টি
  • মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৯৩টি

সমসাময়িক প্রসঙ্গে

পার্থ সারথি পোদ্দার ২৬ জুন ২০২০, শুক্রবার, ০৭:৫৪:১১অপরাহ্ন কবিতা ২২ মন্তব্য
সংখ্যার সাথে শংকাও বাড়ছে,বাড়ছে গুজবের ছড়াছড়ি ডঙ্কার সাথে কাঙ্ক্ষাও জাগছে,দেখছে স্বপ্নের উড়াউড়ি। দিবস পেরিয়ে নিশিও বাড়ছে,বাড়ছে অজানা অভিশঙ্কা হতাশা পেরিয়ে আশাও জাগছে,গড়ছে উচ্চাকাঙ্খা।   প্রচারের সাথে অপপ্রচারও বাড়ছে,বাড়ছে মতভেদ শত অসদাচারের সাথে সদাচার দেখছে,নিঃশ্বাসে বিশ্বাস কত! প্রীতির সাথে অপ্রীতিও বাড়ছে,বাড়ছে অমানুষ ঢেরবেশি অবোধের সহিত বোধও জাগছে,সাক্ষাত দেবতাও কমবেশি।   প্রতিবেশীর সাথে ছদ্মবেশী বাড়ছে,বাড়ছে ঢের কানাঘুষা [ বিস্তারিত ]
সপ্তাহের ব্যবধানে প্রদীপের বাপি শারীরিকভাবে বেশ অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠলেন যদিও মানসিকভাবে ততটা নয়।ছেলেকে ঘিরে উনার মানসিক যাতনা যেন বিষাক্ত পোকার মত খুরেখুরে খাচ্ছিল মনটাকে।ছেলেটাকে সুপথে ফেরানোর আশাবাদিতার ব্যাপারে উনি ছিলেন অনেকাংশেই সন্ধিহান।অন্যদিকে বাপির স্বাস্থ্যের দৃশ্যমান উন্নতিতে প্রদীপ বাড়ি ছেড়ে ফের শহরে যেতে মনঃস্থির করল।প্রতিবারই যাবার প্রাক্কালে চলন পড়নের খরচার জন্য তাকে প্রয়োজনেরও বেশি টাকা [ বিস্তারিত ]
প্রদীপ দূর্গো পূজোর ছুটিতে বাড়িতে গেল কিছুদিনের জন্য।তার বাপি ছিলেন তাদের গ্রামের সবার পরিচিত হোমিওপ্যাথি ডাক্তার।লোকমুখে “ডাক্তার বাবু,ডাক্তার বাবু” ডাকেই তিনি সুপরিচিত।প্রদীপ রাতে খাবার টেবিলে খেতে বসে তার বাবুকে নানান বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে লাগল কৌতূহলবশত।জিজ্ঞাসাতে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছিল নিম্নোক্ত প্রশ্নাবলী- উনি যখন টগবগে যুবক ছিলেন,তখন যৌবনে জীবনকে কিভাবে দেখেছেন?রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস তিনি কিভাবে কাটিয়েছিলেন?একটি ক্ষুধা,দারিদ্র্য [ বিস্তারিত ]
অর্ধ খোলা জানালার পথ জেনে আসা রৌদ্রজ্বল আলো প্রদীপের গায়ে মেখে ঘুম ভাঙিয়ে দিল।নীলয় ছাড়াও আরো দু’জন তখনো তার কক্ষে এলেমেলো অবস্থায় শুয়ে রয়েছিল।সুনীল ততক্ষণে তার বাসায় চলে গেছে বলেই তার অনুমান হল।এমন অনভ্যস্ত জীবনাচরণে কি করবে বুঝে উঠতে পারছিল না।তবে এতটুকু শুধু বুঝতে পারল যে এমন খামখেয়ালি,ঢং,পাগলামির সঙ্গে সঙ্গী হয়েই বাকি অনেকটা পথ পাড়ি [ বিস্তারিত ]
সুনীল আনন্দের হাসি চেপে রাখতে পারল না প্রদীপের নতুন বোর্ডিং এ উঠার বিষয়ে তড়িৎ সিদ্ধান্ত নিতে দেখে।প্রদীপকে ফেরার পথে এগিয়ে দিচ্ছিল সুনীল।প্রদীপের মনের কোনে পলকে সুনীল স্থায়ী আসন করে নিল।প্রদীপের জিজ্ঞাসু মনের অসংখ্য জিজ্ঞাসার প্রতিত্তোরে সুনীল বলছিল যে ছাত্র রাজনীতির হাতেখড়ি নিয়েছিল বিশিষ্ট কবি,ছোট গল্পকার কামরুজ্জামান ভাইয়ের নিকট থেকে।বেশ রসবোধ সম্পন্ন একজন মানুষ কামরুজ্জামান ভাই।উনার [ বিস্তারিত ]
রাতভর ঘুম হয়নি প্রদীপের।বিছানায় এপাশ ওপাশ করতে করতেই অস্বস্তিতে রাতটা কোনরকম কাটল তার।বড় বাজারের বড় মাছের আড়তের পশ্চিম দিকে কলোনি বলে লোকমুখে প্রচলিত এক পাড়ায় বিশ্রী পরিবেশে থাকতে হত প্রদীপকে।জেলা ওই শহরে নিকটাত্মীয় না থাকায় তাকে বেশ বেকায়দায় পড়তে হয়েছিল একমোডেশন(থাকা-খাওয়া)সংক্রান্ত বিষয়ে।নিরুপায় হয়ে মন্দের ভাল সিদ্ধান্তে ওই জায়গাটাতেই উঠতে হয়েছিল।ভীষণ বইপড়ুয়া প্রদীপের ওই গিঞ্জি পরিবেশে [ বিস্তারিত ]
নিমিষেই চৌদিক থেকে নিকষ কালো আধার এসে নামে আমার কুটিরের উঠোন জুড়ে, যেমন করে তোমাকে হারানোর চতুষ্পদী আশংকা           এসে নেমেছিল আমার স্বপ্ন রচনার ভোরে। গগন ভেদ করে হঠাৎ আলোর ঝলকানি এসে নামে আধারেতে মূর্ত,বিমূর্তের দোলাচালে, যেমন করে নিভুনিভু সম্ভাবনাময় পিদিমের সলতে জ্বলছিল আশা আর নিরাশায় বলা চলে। অকালের মেঘ অপ্রার্থিত [ বিস্তারিত ]
স্মৃতি কি মানুষকে আগাতে দেয় নাকি স্বপ্ন তাকে আগাবার দীক্ষা দেয়! সময় শুধালো আর সময়ই শেখাল সে যে স্বপ্ন তবু স্বপ্ন পরাভূত হয় স্মৃতির পাদদেশে! ভুলগুলো সব ফুল হয় ভুলকেই ভালবেসে! নীতি কি মানুষকে নীতির তর্জমা শিখিয়ে দেয় নাকি পুথি-পত্রের মলাটে বন্ধি সুগন্ধি শুধু শুখতে দেয়! সময় শুধালো আর সময়ই শেখাল সেতো সবে পুথি-পত্র তবু [ বিস্তারিত ]
সবে চাকুরি পেল অনিমেষ।নতুন চাকুরির সংবাদে পাড়া-মহল্লায় হুলস্থুল কান্ড ঘটে গেল!ছানাবড়া চোখ করে থাকা পাড়ার তথাকথিত মুরুব্বি,বড় ভাই,দাদাদের এই আশ্চর্যান্বিত অবস্থা বেশ অদেখা আনন্দের খোরাক যোগায় অনিমেষের মাঝে।অনিমেষও কিনা চাকুরি পেয়ে গেল এই কঠিন চাকুরি বাজারের প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির গোলকধাঁধায়।যাকে দিয়ে কিছুই হবে না বলে শত,সহস্র গঞ্জনা,অবজ্ঞা তরুহীন বৃক্ষের মত মাথা পেতে নিতে হয়েছিল তার [ বিস্তারিত ]
সেদিন ছিল মঙ্গলবার।হররোজ কালবিলম্ব করে ঘুম থেকে উঠে অভ্যস্ত দীপনকে উঠতে হল তার নিয়ম বিরুদ্ধ ভোরেই।তার বাবুর চাপাচাপিতে ঘুম থেকে উঠেই ফ্রেশ হয়ে নাস্তা শেষ করতে হল চটজলদি।এমন সাতসকালে কি আর দীপন সেধে সেধে উঠে! সেদিন থেকেই তার স্পোকেন ইংরেজি ক্লাস প্রারম্ভ হয়েছিল।সিডিউল সকাল ৭-৯ টা।পোষাক পড়ছে আর বকুনি বাবুকে দিতে না পেরে নিজেই নিজেকে [ বিস্তারিত ]

সুখ সন্দেশ

পার্থ সারথি পোদ্দার ২৬ মে ২০২০, মঙ্গলবার, ০২:২৯:৫৯অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ২৩ মন্তব্য
ভীড়ের মাঝে কেউ কেউ নীড়ের সুখ খুঁজেন আবার নীড়ের মাঝেও কেউ কেউ ভীড়ের সুখ খুঁজেন।কেনা-বেচার হাটে কি আর সুখের বিনিময় হয়?প্রখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়ার বলেন, “আমি সবসময় নিজেকে সুখী ভাবি কারণ আমি কখনো কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করি না।কারো কাছে কিছু প্রত্যাশা করাটা সবসময়ই দুঃখের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।” তাহলে বুঝা যায় প্রত্যাশা হল দুঃখের [ বিস্তারিত ]

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য