রক্ষিতা রাতের তৃতীয় প্রহরে নামে আশ্বিনী ঝড়,
আমি কবিতার সুঢৌল উর্বর পাঁজরের পৃষ্ঠে পৃষ্ঠে খুঁজি –
আদিমতার লেলিহান শিখা- জোড়া ধ্বংসস্তূপ।।

সহস্র রজনী পেরিয়ে এসে কবিতার বাহুতলে আজ-
মুখ গুঁজতেই নামে বৃষ্টি- আহা সে বদন খানি অপূর্ব কারুকাজ,
অষ্টাদশী কবিতার শরীর জুড়ে- যেন আমিই রাজাধিরাজ।।

গত জনমের ভৌতিক আল্পনা ভুলে- আমার আর কবিতার সংসার,
আমিতো ধরেই নিয়েছিলাম-এ জন্মে হয়তো আর;
আমরা খুঁজে পাবো না কোন শারদীয় শেষ প্রহরের মাতাল বৃষ্টির তান।।

আমি কবিতার কোমল কপোল হয়ে গাল বেয়ে নেমে আসি গ্রীবা-দেশে,
ঈষদুষ্ণ ওষ্ঠের লালায় খুঁজি সুপেয় অমিয়ের স্বাদ –
রাত পোহালেই শুরু হবে ফল-ফসলের হৈমন্তী প্রভাত ।।

আমি শরীর বেয়ে নেমে যাই কবিতার সদ্য বেড়ে উঠা পেটের পরে,
যেখানে বুনেছি বীজ- গত বসন্তের প্রথমার্ধের দ্বিতীয় রজনীতেে,
কাবেরী নদীর জলে, আজ সে যে পরিপুষ্ট ফসলের মাঠ।।

আমি শব্দের মালা গেঁথে  ছন্দের বিনুনিতে সাজিয়েছি তারে-
মনের মাধুরী ঢেলে, তুলবো সে অনাগত ফসল এই বার,
আসছে হেমন্তে বুঝি আমার কবিতা তার খুলে দেবে দ্বার ।।

১৯৯জন ১৪জন
18 Shares

৩২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য