হাসুন! তবে একটু ভাবুন

তৌহিদুল ইসলাম ২৫ ডিসেম্বর ২০২০, শুক্রবার, ১১:১৩:১১পূর্বাহ্ন রম্য ১৩ মন্তব্য

(১) আকার বিভ্রাট —
————————–

হ্যালো দোস্ত আছিস?
– এখন রাখ! পরে রিপ্লাই দিতেছি, দৌড়ের উপ্রে এখন।

কই যাস হাউখাউ কইরা?
– বিয়া করতে!

মেসেজ দিলাম- ভাবী ঘটনা কি! ও নাকি আবার বিয়া করতে গেলো- শুনছেন কিছু?

– আরে কি বলেন এসব! দাঁড়ান আজ ওর চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার না করছিতো!

কিছুক্ষণ পরে-

– হ্যা ভাই, পাত্রীর বাবা জরুরী তলব করেছে। আপনার বন্ধু এই বিয়ার ঘটক কি না!

করতে ও করাতে— আকার বিভ্রাট!!

টাইপিং এ সচেতন হোন। একটি আকার-ই একবেলা অনাহারী রাখতে যথেষ্ট!

(২) শয়তানের ধোঁকা —
—————————–

টিভিতে খবর দেখতে দেখতে মশারি টানানো প্রায় শেষ। বিছানার উপরে থাকা রিমোটে পায়ের চাপ লাগতেই কানে এলো খবর পাঠিকার কন্ঠে বাঁচাও বাঁচাও আওয়াজ!

তাকিয়ে দেখি অন্য চ্যানেলে রিয়াজ এবং রাজীবের মধ্যকার শ্বাসরুদ্ধকর বন্দুকযুদ্ধ। হারজিতে নির্ভর করছে নায়িকা পূর্ণিমার প্রেমের ক্যারিয়ার। ছোট ঘর থেকে ফাইনাল রাউন্ড দিয়ে এসে লেপের তলে যাবার ইচ্ছেটাকে দমিয়ে রেখেছে টিভি স্ক্রীন!

এদিকে একহাতে মশারির কোণা ধরে দাঁড়িয়ে থাকা আমি কোথাও যেতেও পারছিনা, ঐদিকে তাদের পিস্তলের গুলিও শেষ হচ্ছেনা। অবিরাম গোলাগুলিতে নায়িকার বান্ধবীরা তিড়িংবিড়িং নাচে চিৎকার করছে উহ! আহ! উরে! ইস! ইশ!…বাঁচাও!!

(৩) বিশ্বাস —
—————-

কৈশোরে এক কবিরাজ বলেছিলো — তোর প্রেমিকার নামে লিখা আমার তাবিজটা কোনো খরস্রোতা নদীতে ফেলে আসবি। নদীতে যতশত ঢেউ তাবিজকে ছুঁয়ে যাবে ততশতবার সে তোর জন্য পাগল হবে।

আম্মার কাছে ধরা খেয়ে দিশেহারা আমি সেই অমুল্য তাবিজ হাতছাড়া হবার পর থেকেই তক্কে তক্কে ছিলাম। পিকনিকতো আসলে বাহানা, পদ্মা সেতুর শক্ত পিলারের গোড়ায় একদিন তার নামের আদ্যক্ষর লিখে দিয়ে এসেছিলাম।

আলহামদুলিল্লাহ ‘S’ দিয়ে যার নাম শুরু সে এখন আপনাদের ভাবী।

RDX = S +? (T)

 

৬০৪জন ৪৫১জন
0 Shares

১৩টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ