প্রিয় শিরিন হকের কাছে তার স্বপ্নের কথা শুনে সারাদিন একা একাই হেসেছি। বাসায় ফিরে আমার স্ত্রীকেও স্বপ্নের গল্পটা শোনালাম। তিনি নাউজুবিল্লাহ বলে রান্নাঘরে চলে গেলেন।

রাত প্রায় ১০ টা, বউরে কইলাম, যলদি কইরা খাইতে দেও। তাড়াতাড়ি খেয়ে তাড়াতাড়ি ঘুমাইতে হবে।

ক্যান? এতো যলদি ঘুমাইয়া কি করবা? আইজ আবার নতুন কোন ফন্দী বানাইতেছো?

আরে ফন্দী ফিকিরের কী আছে? তুমি খাইতে দেও, আইজ রাইতে স্বপ্নে দেখতে হবে। মেলা কাজ!

এ…..হ! মেলা কাজ! তুমি তো সারাজীবন নিজের বউ রাইখ্যা মাইনষের বউ, ক্যাটরিনা, প্রিয়ংকা আর দীপিকারে স্বপ্নে দেহো। একবার মইরা লও দেখবা আল্লায় কেমন স্বপ্নের বিচারডা করে তোমার!

 

সোনেলায় গল্প লিখতে হবে। স্বপ্নে দেখা বিষয়টা অতীব জরুরী, তারে কেমনে বুঝাই? আমি যে এতো একজন মূল্যবান মানুষ, সোনেলায় ব্লগার, কবিতা লেখি, তার উপর সাংঘাতিক (সাংবাদিক) নিজের অন লাইন নিউজ পোর্টাল আছে। মানুষ আমার ইনবক্সে এসে প্রশংসা করে, কবিতায় কতো সুন্দর সুন্দর কমেন্ট করে বই মেলায় আমার বই ও ছাপা হবে, অথচ আমার বউ আমারে চাইর আনার পাত্তাও দেয় না! গুনীজনরা সাধেই কী বলেছেন মক্কার মানুষ হজ্জ পায় না আর দরজার ঘাস গরুতে খায় না।

খেয়ে দেয়ে শুইলাম, আর মনে মনে বলি আল্লাহ আগে যা দেখছি, দেখছি। আজকের স্বপ্নটা ভালো দিও। কখন যে চোখ লেগে এসেছে জানি না। এর মধ্যেই বিছানায় শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলাম আচ্ছা এতো ব্লগার সোনেলায়। সবাই মনে হয় লিখালিখি নিয়েই ব্যস্ত। কে এখন কি করে এই রাতে একবার দেখে আসলে কেমন হয়?  সাবিনা আপার বাসা আমার বাসার সবচেয়ে কাছে, তার বাসায় আগে যাই। যদিও কোরবানিতে দাওয়াত তো পাই ই নাই এক প্যাকেট গোস্ত সেটাও পাইলাম না। বিনা দাওয়াতে গোস্ত খাইয়া আসি। মনে এক রাশ দুঃখ নিয়া হাসতে হাসতে সাবিনা আপার বাসায় হাজির। গিয়ে দেখি এই রাতে আপা কচু গাছে পানি দিচ্ছেন।

সাবিনা আপা, এতো রাতে কচু গাছে পানি দিচ্ছেন? তাছাড়া কচু গাছে কি পানি দেয়া লাগে নাকি?

হ্যা রে ভাই লাগে, লাগে। একজনে চাইছে, সে চিংড়ি মাছ নিয়ে বসে আছে। তারে দেয়া লাগবে অথচ গাছ ব্যাটা বড়ই হচ্ছে না মোটে। ঠিক আছে আপা, আপনি পানি দেন, আমি যাই আরেকদিন আসবো। মুখ দিয়ে কাশি চলে এলো। একদিন আমিই তার কাছে তার বাগানের কচু শাক চাইছিলাম! সে কি আমারে কিছু বললো? যাই হউক আমার মাথায় বুদ্ধি কম। আমি বুঝি নাই। তার বাসায় গরুর গোস্তের ঘ্রাণ আমার নাক থেকে পেটে চলে যায়। এ যাত্রা এভাবেই খাও বাছা! এই ঘটনার পর আর কোথাও যাওয়ার সাহস করলাম না।

দুপুর বেলা ডাইরেক্ট হাজির হলাম তৌহিদ ভাইর আমন্ত্রনে মিলন মেলায়।

সবাই এসেছেন, আমিই দেরিতে উপস্থিত। অবশ্য যারা সবচেয়ে লেট করে এ জাতীয় প্রোগ্রামে উপস্থিত হয় তাদের একটা বিশেষত্ব রয়েছে, সেটা হচ্ছে তাকে আর নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিতে হয় না। সবাই এম্নিতেই তাকায় কে ভাই এতো দেরি করে এলো? শুধু একটা সালাম দিলেই কেল্লা ফতে। বাকি সবাই বুঝে নেন এই তো তিনি। যার কথা আমরা জীবনেও আলোচনা করি নাই।

এই প্রথম সোনেলার গেট টুগেদারে হাজির। কিছুটা ইতস্তত তো লাগছেই। হল রুমের দরজায় দাঁড়িয়ে সবাইকে সালাম দিয়েই ঢুকলাম সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। যদিও ব্লগে কম বেশী আলোচনায় সবার সাথেই পরিচয় রয়েছে কিন্তু সশরীরে এই প্রথম।  সবাই আমার দিকে দেখলেও আমি নিয়মের বত্যয় ঘটাতে পারলাম না। সালাম দিয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে রুমের ভেতরে যেতে থাকলাম। ব্লগের সবাই আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছেন। কেউ ভাবছেন ওহ এইটা তো একটা পিচ্চি পোলা মানে সেই দিনের ছেলে। আবার কেউ ভাবছেন বুইড়া। আমি কিছু ভাবি না সোনেলার মধ্যমনি সুন্দর গড়নের মিষ্টি হাসির মানুষ জিসান শাহ ইকরাম এর দিকেই আমার নজর যায়, তিনি টেবিলের নীচে মানি ব্যাগ নিয়ে বার বার কি যে দেখছেন? মানি ব্যাগে করে কি নকল নিয়ে এসেছেন কিনা কে জানে? আজকের বক্তব্য কাগজে লিখে এনে মুখস্থ করছেন নাকি মানি ব্যাগে রেখে? এর মধ্যে আবার টাকাও গুনছেন দেখা যায়। বুঝলাম অবশেষে ভদ্রলোক মিলন মেলার বিল পরিশোধ নিয়েই হয়তো ভাবছেন।

রুমের এক কোনায় কয়েকটা প্যাকেট রাখা।বোঝাই যাচ্ছে তাতে জিলাপি রাখা আছে। গরম গরম জিলাপি আমার খুব পছন্দ। হাঁড়ি ভাংগা মিষ্টি ও নিয়ে এসেছিলেন তৌহিদ ভাই। এতো লোকের মাঝে একা গিয়ে জিলাপি আর মিষ্টি খাওয়াকে অশালীন মনে হলো। লোভ সংবরন করে চেয়ারে বসলাম। কিন্তু আমি চেয়ারে বসলে কি হবে মন তো জিলাপির ঠোংগার মধ্যে কড়া ভাজা জিলাপিটা খুঁজে বেড়াচ্ছে।

 

বন্যা আর সাবিনা আপা পাশাপাশি বসা। সাবিনা আপা নাকি বন্যা আপার উপহার দেয়া কানের দূল পড়ে এসেছিলেন। পরে জানতে পেরেছিলাম। সাবিনা আপাও বন্যা আপাকে কোন গিফট দিয়েছিলেন কিনা জানা হলো না। দুজনের সে কী হাসি। মনে হলো সই। বন্যা আপাকে হঠাৎ সিরিয়াস মনে হইলো, ব্যাগ হাতাচ্ছেন। এতো হাসি মাখা মুখটা এতো সিরিয়াস মুডে কি খুঁজছেন ব্যাগে?  হা হা হা! পানের ডিব্বা।

পান বানানো বরাবর একটা শিল্পের পর্যায়ে পড়ে। প্রথমে পান ধুতে হয়, শর্তা (অঞ্চল ভেদে একে জাতি ও বলা হয়) দিয়ে সুপারি কাঁটতে হয়, তারপর বা হাতে পান নিয়ে পর্যায় ক্রমে ডান হাতে পরিমাণ মত চুন তারপর সুপারি জর্দা খেলে জর্দা ইত্যাদি মাখাতে হয়। পানের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্যটি হচ্ছে সেটা শিল্পের শেষ কাজ অর্থাৎ সুন্দর করে ভাঁজ করা। আর সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর দৃশ্য হচ্ছে পান মুখে দেয়া এবং চিবানো।  ছোট বেলায় শুনেছি যাদের চেহারায় মায়া যতো বেশি তাদের পান ততো মজার হয়। পান বানানোর সাথে আন্তরিকতার একটা যোগসাজশ রয়েছে। বন্যা আপার পান খাওয়া দেখে মন চাইলো একটা পান তার কাছ থেকে নিয়ে খেতে। কিন্তু সাম্নে জিলাপি আর মিষ্টি দেখে আর চাইলাম না। পান পরেও খাওয়া যাবে কিন্তু জিলাপি আর মিষ্টি এখন খেতে হবে।

সুরাইয়া, রুকু, আরজু,মনি, সুপর্ণা, শাহরিন, রেহানা সহ আরো কয়েকজন নারী ব্লগারকে মনে হলো সেখানেও আলাদা একটা ব্লগ বানিয়ে ফেলেছেন। কি রকম ব্লগ? এটা হচ্ছে গসিপিং ব্লগ। আরে আপু আপনার শাড়ীটা তো অনেক কিউট। হ্যা এটা আমার হাজবেন্ড লন্ডন থেকে অর্ডার দিয়ে বানিয়েছেন, শুধু আমার জন্যে। ওহ মা তাই! আপনি খুবই ভাগ্যবতী।

আরেকজনকে বলতে শুনলাম আপনার কানের দুলটা কিন্তু অনেক সুন্দর, কোথা থেকে কিনেছেন? হ্যা আপু এটা পোড়া মাটির। চীন থেকে চীনা মাটি এনে আমি বাসায় গ্যাসের চুলায় বানিয়েছি। একদম এক্সক্লুসিভ। এই চাপা শুনে আমি একাই হেসে যাই। ব্লগার ভাইয়েরা বিশ্বাস করেন আমি ফুটপাতে বিক্রি করতে দেখছি এই দুল!

কেউ একজন একটি ডায়মন্ড এর মেগা স্টোন খচিত নেকলেস পড়ে এসেছেন।দেখতেও বেশ সুন্দরী, নামটা এই মুহুর্তে মনে আসছে না। অনেকের নজর দেখা যাচ্ছে তার নেকলেস এর দিকে! পুরোটা গলায় এতো দামী গহনা দেখে আমি হকচকিয়ে গেলাম। আমার সমস্ত শরীরে সব চেয়ে দামী জিনিষের নাম হাত ঘড়ি, যার মূল্য মাত্র তিন হাজার পাঁচশত মাত্র। যাক এসব ভেবে লাভ নেই। যা হবার গল্প সব হচ্ছে।

মমি ভাই আর সুপায়ন বড়ুয়া দুই জনে বসে সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দেবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বোধয়। কারো দিকে তাকাচ্ছেন না। ফিস ফিস করে কথা! পরে বুঝলাম বই মেলায় বই বের করতে চাচ্ছেন, সেই গল্প। আমারো বই বের হচ্ছে গত ৫ বছর থেকে।  শুধু প্রকাশনায় আসে নি। মেলার আগে ভাবী এবারের মেলায় বই ছাপাবো মেলা শুরু হতে হতে আফসোস করি আর মেলা শেষ হলে আশায় বাধি বুক আগামী মেলায় অবশ্যই আমার বই থাকবে। এভাবেই ৫ বছর শেষ।

এখানে এসে আমার খুব মন খারাপ। আমি একটা পাতলা লোকাল মসলিন এর পাঞ্জাবি পড়ে এলাম। এটা কারও দৃষ্টিতে নাই।  ক্যামেরা ম্যান এসেও যদি বলতো ভাই একটু হাসেন একটা ছবি তুলি তাও খুশি হইতাম। বিষাদগম্ভীর জীবন। এইসব মিলন মেলায় পুরুষদের এম্নিতেই দাম থাকে না!

প্রোগ্রাম চলছে, একে একে সবাই বক্তব্য দিয়েছেন সীমিত আকারে। এখন আমার বলার পালা, যথারীতি পরিচয় পর্ব চলছে। সবাই নিজ নিজ পরিচয় দিচ্ছেন। বাহ প্রত্যেকের নিজস্ব আলাদা একটা প্রতিষ্ঠিত আইডেন্টিটি আছে যা এখানে না এলে জানা যেতো না।

নিয়মমাফিক আমাকেও এক সময় দাঁড়িয়ে বলতে হল আমিই সিকদার সাদ রহমান। সাথে সাথেই কিছু ব্লগার হেসে উঠলেন। কেউ বললেন ওহ, তুমি সেই পাপি? অনেক পাপ জমা হয়ে আছে। আজ সব গুলোর শাস্তি পেতে হবে। কমেন্ট এ সবাইকে জ্বালাইছো৷

ভাই এবং বোন, আপনারা জানেন আজকের এই দিনে এই মেলায় আপনাদের জন্যে জিলাপি রয়েছে, আম রয়েছে, ঘরোয়া বিভিন্ন রান্না রয়েছে, কাঁঠাল এর বাজার চড়া তাই আনতে পারলাম না। আর রয়েছে বুক ভরা ভালোবাসা। এ ছাড়াও খাওয়ার শেষে দাঁত খোচানোর সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে। খাওয়ার অন্যান্য মেনু পরে জানিয়ে দেয়া হবে। এই বলে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি। দুনিয়ার সব তালি মনে হয় আমার বক্তব্যেই এসেছে।

পাবলিক সব খাওয়ার পাগল। পুরো হলরুম টাই খাবার ঘ্রানে মৌ মৌ করে। চিকেন বিরিয়ানি, কচুর লতি, কাঁঠালের বীচি ভর্তা। আরো কতো কি সব খাবার। মানুষ গল্প করবে না খাবে আল্লাহ জানেন। আমি তো ভাই খাবোই, আর কে কি করবেন জানিনা!

প্রোগ্রাম প্রায় শেষের দিকে। খাওয়া দাওয়ার পালা। তৌহিদ ভাই জেনে বুঝেই আমাকে খেতে না বসিয়ে

খাবার দেবার সময় সকলকে দেখা শুনা করার দ্বায়িত্ব দিয়েছেন। এ জন্যে তাকে আমি মন থেকে অভিশাপ দিয়েছি। তিনিও একদিন ঠিক এভাবেই খেতে বসেও খেতে পারবেন না, তাকে খাবার দ্বায়িত্ব পালন করতেই হবে। তবে যাই হোক। সে তো আর জানেনা আমি কতোভাবে দেখতে পারি। হাতে একটা সাবান আর টিস্যু প্যাকেট হাতে নিয়ে দেখা শুরু করলাম সবাইকে।

খাবার সময় মমি ভাইর কাছে গিয়ে, স্যার আপনার আর কিছু লাগবে?

— না ভাই, আর কিছু লাগবে না, আপনি ইঞ্জা ভাইর খবর নেন, তার কিছু যদি লাগে।

— স্যার এই যে সাবান আর টিস্যু আপনার হাত ধোয়ার জন্যে স্যার।

(হাত ধোয়া শেষ)

স্যার বকশিস টা দেবেন না স্যার? আমার কান্ড দেখে সবাই হাসছে। হাসুক সমস্যা নাই, ৫০০/- বকশিস পেলাম। যাত্রা শুভ।

এবার কার কাছে যাবো ভাবছি। এহ মা, এ কি! এখন যার কাছেই যাই সেই চেয়ার ছেড়ে চলে যায় বলে আর কেউ খাবার টেবিলে বসে গল্প করে না। ওয়াশ বেসিনে হাত ধোয়ার লম্বা লাইন পড়ে গেলো! কি আর করা! গরিবের পেটে লাথি!

একা একা খেতে বসলাম। কেবল মাত্র চিকেন বিরিয়ানি এক লোকমা তুলে মুখে দিয়েছি, দাঁতে চাবিয়েছি, জিহবা দিয়ে নেরেচেরে গালের এক পাশ থেকে অন্য পাশে নিয়ে গিয়েছি কিন্তু গলা দিয়ে আর নামছে না! নামবে কী করে? আমার কর্মই তো আমার গলার ফাস হয়ে দাঁড়িয়েছে! কম করে হলেও ২০ জন ভাই ব্রাদার সবাই একটি করে সাবান এবং এক জগ পানি নিয়ে আমার খাবার টেবিলের চার পাশে দাঁড়িয়ে আছে।

আমি অগত্যা টেবিলের নীচ দিয়ে পালানোর চেষ্টাই ভালো মনে করলাম। ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি টাইপের অবস্থা।

টেবিলের নীচ দিয়ে মাথা ঢোকাতেই টাস করে জোড়ে আওয়াজ হলো। আমার বউ ঘুম থেকে লাফ দিয়ে উঠে পড়েছে।

উচিৎ বিচার হইছে চোরের দশ দিন গৃহস্থের এক দিন। আইজ মজা টের পাইছো, স্বপ্ন দেখছো কারে? এইডারেই কয় আল্লার বিচার! আইজ আসে নাই আপনার স্বপ্নে ক্যাটরিনা কাইফ? নাকি ক্যাট রে নিয়া স্বপ্ন দেখতে গিয়া সালমান খানের হাতে ধরা অতঃপর মাইর খাইয়া পালাইতে যাইয়া খাট ভাইংগা পড়ছেন?

যাই হোক #স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই। এর সাথে বাস্তবে বাস্তবিক কোন মিল নেই, নিছক আনন্দের জন্যে লেখা। সোনেলার অনেক জ্ঞানী গুনি মানুষের সান্যিধ্য এ এক পরম পাওয়া। যারা ব্লগে লিখেন, যারা পাঠক এছাড়াও যারা সঞ্চালক সকলের সান্যিধ্যে এসে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।

সবার কলম চলুক। কলমে কালির অক্ষরে ফুটে উঠুক গোলাপ, পদ্ম, শাপলা, বেলী সহ হরেক রকম ফুল।

স্বপ্ন || ৯ (ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প) 

৪৫০জন ৪৬জন
0 Shares

৮৮টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য