স্বপ্নের বাস্তবায়ন শুরু

জিসান শা ইকরাম ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৩, বুধবার, ১২:১৪:৪৪পূর্বাহ্ন অন্যান্য, চিকিৎসা ১২ মন্তব্য

আজ একটি স্বপ্ন বাস্তবায়নের কথা জানাবো আপনাদের । স্বপ্নের রূপকার বা উদ্যোক্তার নাম কি তা এখানে মুখ্য নয় । একটি স্বপ্নের বাস্তবায়নে অনেক দূর অগ্রসর হওয়া গিয়েছে এটিই মুখ্য । তবে উদ্যোক্তার একটি প্রিয় উক্তি ‘ Make Dreams Real ‘ স্বপ্নকে বাস্তব করুন—- , এটিও অনুপ্রেরনা যোগাতে পারে অন্যদের ।

স্বপ্নের শুরুঃ
একটি উন্নত ‘ মা ও শিশু কল্যান কেন্দ্র ও হাসপাতাল ‘ এর স্বপ্ন , যেখানে গরীব মা এবং শিশুদের সব ধরনের চিকিৎসা বিনামুল্যে দেয়া হবে ।

প্রাথমিক সফলতাঃ
সমমনা কয়েকজন আন্তরিক মানুষ পাওয়া গেলো । খুব দ্রুত হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় ২৫ লাখ টাকার বেশী  মুল্যের জমি পাওয়া গেল বিনামুল্যে। আপাতত ২৭ শতক। দরকার হলে আরো পাওয়া যাবে । শর্ত খুবই সামান্য – জমি দাতার মা এর নামে হাসপাতালটি করতে হবে । আনন্দ চিত্তে রাজী হয়ে গেলাম ।

হাসপাতালের জন্য নির্ধারিত স্থান । বালি ভড়াটের কাজও শেষ করা হয়েছে ।

আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুঃ
গত ৭ সেপ্টেম্বর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হলো । স্থাপন করলেন ২০১৫ এর রোটারি ইন্টারন্যাশনাল এর বাংলাদেশের ভবিষ্যত গভর্নর মিঃ শওকত হোসেন । ছিলেন প্রশাসন ক্যাডারের একজন যুগ্ন সচিব ।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পূর্বে উদ্যক্তাদের নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা পরিকল্পনা , একটু ফটো সেশন ।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের  পরে হাসপাতালের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ করছেন মিঃ শওকত হোসেন ।

যে সব প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছেঃ
অত্যন্ত আশাপ্রদ বিষয় যে –
১। হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার পরে একটি হাসপাতালের জন্য জন্য যাবতীয় আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যাবস্থা হয়ে গিয়েছে। এটি ফ্রি পাওয়া যাবে ।
২। একজন মহৎ মানুষ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন , আমরা যত টাকা দেব হাসপাতাল নির্মাণ কাজে , উনিও সমপরিমান টাকা দিবেন। আমরা যদি ৫০ লাখ দেই , উনি একা দিবেন ৫০ লাখ । আমরা এক কোটি দিলে , উনিও দিবেন এক কোটি । হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য এমন পাগলা মানুষই দরকার 🙂
খুব কি দূরে এখন স্বপ্নের বাস্তবায়ন ?

কিভাবে চলবে হাস্পাতালঃ
১। একটি ফাউন্ডেশন করা হবে । যেখানে এককালীন চাঁদা প্রদান করে লাইফ মেম্বার হবেন দানশীল ব্যক্তিগন। লাইফ মেম্বারদের  নাম পাথরে খোদাই করে হাসপাতালের ওয়ালে রাখা হবে।
২ । হাসপাতালের এক একটি কক্ষ বিভিন্ন জন এর নামে নামকরন করা হবে । আশাকরা যায় – দানশীল ব্যক্তিগন তাঁর নিজের বা মাতা পিতার নামে বিভিন্ন কক্ষ নামকরনে এগিয়ে আসবেন।
৩। বাৎসরিক হেলথ কার্ড ছাড়া হবে । এই কার্ডের বিনিময়ে কার্ড গ্রহীতাকে সারা বছর বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। এজন্য তাঁকে আর টেস্ট ফি দিতে হবে না ।
৪। বিভিন্ন টেস্ট এর জন্য বাজারে প্রচলিত মুল্যের চেয়ে অর্ধেক ফি রাখা হবে । আশাকরা যায় , মান সম্মত এবং সাশ্রয়ী হবার কারনে প্রচুর সারা পাওয়া যাবে এতে ।

সবার দোয়া কামনা করছি ।

২৪৩জন ২৪৩জন
0 Shares

১২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য