আধখাওয়া পঞ্চমীর চাঁদ পরে থাকে অবহেলিত সিগারেটের খালি প্যাকেটের সেলোফোনে লেপ্টে, শিয়রে আধখোলা জানালার ফাঁকে জ্বলে উঠে মিলিয়ে যায় পরিচিত নীলচে আগুন। জোনাকি বলে মনকে দেই চোখ ঠারানো শান্তনা। মন সব বোঝে, তবু ছেলেমানুষী শান্তনায় চোখ বুজে থাকে।

অতিদূর সমুদ্রের পারে বীনা বাজায় কোন অন্ধ কবি, আর খেয়াঘাটের শুন্যতার সাথে সঙ্গত করে যায় খেয়ালী বাউল। টুং টাং টুং টাং …. সময় গলে পরে জানালার শার্শীতে, তার ফাঁকে জ্বলে উঠে মিলিয়ে যায় পরিচিত নীলচে আগুন। জোনাকি বলে আবারও মনকে দেই চোখ ঠারানো শান্তনা। মন সব বোঝে, তবুও সে ছেলেমানুষী শান্তনায় চোখ বুজেই থাকে।

একবার ভুবন চিল আঁচড়ে দিয়েছিল নিরস্ত্র হৃদয়, তখন পরিচয় হয়েছিল …. তারপর একদিন তাকে দেখে পরিচিতের হাসি হেসেছিলাম উল্টে যাওয়া বাসের ভেতর … ভীত কম্পমান হাতে ভরসার স্পর্শ রেখে।

… তোমাকে তো আমি চিনি তোমার নীলচে আগুনময় চোখ দেখেই হে হন্তারক দেবদূত, আমার আর কোথাও যাবার নেই হে .. একবার চলো বললেই যাবো …

যেতে যেতে আজ পেছনে তাকিয়ে দেখি – চার বছর পার হয়ে গেছে সোনেলায় 🙂 ভালোবাসার মানুষের হাত ধরে এসেছিলাম এইখানে, জল আর পানকৌড়ি। অনেক পরিকল্পনা ছিলো .. দুইজনে মায়াময় লেখালেখি আর ভালোবাসাবাসির …. তারপর পরিকল্পনার পরি উড়ে যায় পরে থাকে কল্পনা। কবিতার শব্দেরা ভিজে যায় কার্তিকের কুয়াশায় 🙂

বুকপাঁজরে জ্বলজ্বলে তারার মতোন কিছু স্মৃতির দাগ থেকে যায় … আর ভুবনচিলের নখের আচঁড়, তবু এইসব নিয়ে বেঁচে থাকি। সময় বয়ে যায় নিজের খেয়ালে। অনামি বৃক্ষের মতো সর্বাংগে কন্টক অভিশাপ নিয়ে দাড়িয়ে থাকি ; অহংকারী।

ঋজুরেখ দাড়িয়ে থাকতে পারার অহংকার, এবং মৃত্যুদুতের চোখে চোখ রেখে হাসতে পারার অহংকার নিয়ে বেঁচেই থাকি।

আজ সোনেলায় আমার ব্লগিং এর বয়স চারবছর একদিন হলো, আমাকে অভিনন্দন জানান 😎

 

 

 

৯৫জন ৯৫জন
0 Shares

৭টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য