আমাকে এই লেখাটি লেখার সুযোগ করে দিয়েছে সোনেলা। সোনেলার উঠোনে ছিলাম বলেই তা সম্ভব হয়েছে। নতুবা আমার মতন এমন বনে-বাঁদাড়ে ঘুরা মানুষকে কেউ জানতে পারতো না। জীবনে কোনদিন ভাবিনি একজন কর্মজীবি মানুষ হয়ে লেখা-লেখি করবো।

ফেসবুকে হিসাব খুলে দেয় আমার একমাত্র কণ্যা। সম্ভবতঃ ২০০৮ সাল। আমাকে মেয়ে বললো-
তোমাকে ফেসবুকে একাউন্ট খুলে দিয়েছি।
আমি জানতে চাইলাম সেটা দিয়ে কি হবে?
মেয়ে বললো-
তুমি তোমার অনুভুতি,ছবি,পরিবারের সঙ্গে আড্ডার গল্প কাহিনী,বন্ধুদের সঙ্গে ইনবক্সে কোথপোকথন সহ সবকিছু শেয়ার করতে পারবা। আবার তোমার স্কুল ও কলেজ জীবনের হারানো বন্ধুদের খুঁজে পাবা।
হারানো বন্ধুদের খুজে পাবো শুনেই আগ্রহটা বেড়ে গেল।

তারপর এক বছর ফেসবুকে যাওয়া হয়নি। পাসওয়ার্ড ও আইডির নাম সব মেয়ের কাছে ছিল। একদিন মেয়েকে বললাম। আমাকে বুঝিয়ে দাও-
কি ভাবে কি করবো?
মেয়ে পাশে বসিয়ে সব কিছু খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখালো ও শিখালো। সেই হিসাবে আমার মেয়ের কাছে হাতে-খড়ি ও সে শিক্ষিকাও বটে।

ব্লগ সম্পর্কে আমার কোনই জ্ঞান ছিল না। শুধু এতটুকু জানতাম, ব্লগে যারা লিখেন তারা ব্লগার। মৌলবাদীরা ব্লগার রাজিবকে হত্যা করেছিলো। সেই ঘটনা ফেসবুকে জেনেছিলাম। সেখানে রাজিবকে ইসলাম বিরোধী ও ইসলামের শত্রু বলে হত্যা করা হয়।
মানে কি দাঁড়ালো?
মানে হলো ব্লগাররা নাস্তিক।
পরবর্তীতে এই মৌলবাদীরা একে একে অভিজিৎ সহ অনেক ব্লগারকে হত্যা ও জখম করেছে। হুমায়ূন আজাদ স্যারও এদের হাত থেকে রক্ষা পাননি। তাই ব্লগ সম্পর্কে তেমন কোন আগ্রহ জন্মায়নি। তবে ভয় পাইনি।

আমার যে বিষয়-বস্তুর উপর সম্যক ধারনা বা জ্ঞান নেই, তা নিয়ে হৈ-চৈ করিনা। কারন মুর্খরাই জ্ঞান ছাড়া হৈ-চৈ করে। সুতারাং জ্ঞানহীন কোন বিষয়-বস্তু নিয়ে তর্ক করার অর্থ হচ্ছে অপরের কাছে বো কোন গোষ্ঠির কাছে নিজেকে হাস্যপদ হিসেবে তুলে ধরা। আর এটা কোন বাহাদুরীরও কাজ নয়। ছোটবেলা থেকে এই শিক্ষায় চলে আসছি। নিজ সন্তানদেরও একই শিক্ষায় দীক্ষা দিয়েছি।

সোনেলায় আসার পিছনের গল্পঃ
=====================
সোনেলায় না আসলে জানতাম না যে, সোনেলা একটি বিশাল আকাশ। আর এই আকাশে আছে কত জানা-অজানা নক্ষত্র। এক কথায় যদি প্রকাশ করি তবে সোনালা হচ্ছে নক্ষত্রদের মিলনমেলা।

কর্মজীবনের বাহিরে আমি একজন শখের ছবিয়াল। চট্টগ্রামে বসবাসরত আমার পূর্ব পরিচিত ইঞ্জিনিয়ার মানস চৌধুরী লিটুর সহপাঠী এম ইঞ্জা ভাই। তিনি আমার পাখির ফটোগ্রাফী দেখে আমার সঙ্গে ২০১৮ সালে ফেসবুকে যুক্ত হোন। এক কথায় তিনি আমার ছবির ভক্ত। প্রতিটি পাখির পরিচয় ও প্রাপ্তিস্থান তাঁকে জানানো ছিলো বাধ্যবাধকতা। নতুন কোন পাখির ছবি দেখামাত্র জানতে চাইতেন কি নাম। এই ভাবে চলছিলো দিনগুলি। আমি কোনদিন ইঞ্জা ভাইকে সরাসরি দেখিনি। তবে ফোনে কথা হতো অসংখ্যবার। তাঁর কথা বলার স্টাইল, ভাষাগত মান ও কন্ঠ শুনে বুঝতে পারতাম তিনি একজন উচ্চ বংশীয় সৌখিন মানুষ। তাঁর সঙ্গে আমার সরাসরি দেখা হয় মা মাটি মানুষের মিলনমেলায়। শুধুমাত্র আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য তিনি অসুস্থ্য শরীর নিয়ে এসেছিলেন। সারাদিন আমার পাশে বসে সঙ্গ দিয়েছেন। সেদিন আরেকজন ছিলেন। তার নাম না বললে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ পায়। তিনি মনির হোসেন মমি ভাই। তাঁরা দুজন যে ভাবে আমাকে সঙ্গ ও ভালবাসা দিয়েছেন তার জন্য ইঞ্জা ভাই ও মমি ভাাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

২০১৮ সালের মার্চ মাসে ইঞ্জা ভাই আমাকে সরাসরি ফোনে বলেন আপনাকে একটি ব্লগে নিতে চাই। আপনার প্রতিভাগুলি সেখানে তুলে ধরলে পাঠকরা আপনার কাজগুলির মূল্যায়ন করবে। শুধু তাই নয় পৃথিবীতে যত বাংলা ভাষা-ভাষী দেশ ও মানুষ আছে তারা সবাই আপনার লেখা ও ছবি পড়তে এবং দেখতে পারবে। আপনার ভক্তের সংখ্যাও বাড়বে। আপনার কাজের স্বীকৃতি মিলবে। হাজার হাজার মানুষ জানতে পারবে আপনি কে?
কি আপনার পরিচয়?
ইত্যাদি ইত্যাদি।

তিনি আরো বলেন, ফেসবুকে আপনার সঙ্গে যুক্ত যতজন বন্ধু আছেন তারাই শুধু জানতে পারবে আপনার প্রতিভা সম্পর্কে। ইঞ্জা ভাইয়ের কথা শুনে লোভ হলো। উনাকে বললাম কি ভাবে ব্লগে লিখবো জানি না?
তাছাড়া সদস্য হবো কি করে?
উনি সব শুনে বলেন আমি সব করে দিচ্ছি। তারপর উনি আমার ছবি নিলেন,
কি নামে হিসাব খুলবেন তা জানতে চাইলেন।
ব্লগে আমার নামে হিসাব খুলে পাসওয়ার্ড দিয়ে বললেন এবার ব্লগে প্রবেশ করুন। যেখানে যেটা না বুঝতাম তার স্কীনশট দিয়ে বুঝিয়ে দিতেন। অল্প দিনে ব্লগ সম্পর্কে একটা ধারনা হলো।

২০১৯ সালের ২৩শে এপ্রিল শাহবুলবুল বা সাহেব বুলবুলি পাখি নিয়ে প্রথম লিখে পোষ্ট করি। আর সেটাই ছিলো সোনেলা ব্লগে প্রথম পোষ্ট। আর সেদিন থেকেই ব্লগে আমার যাত্রা হলো শুরু। সে পর্যন্ত সবকিছুই এই গুনীমানুষটি নিজ হাতে করে দেন। আমাকে শিশুর মত করে শিখাতে থাকেন।

একে একে অনেকের লেখা পড়ার সুযোগ হলো। কবিতা,ছোটগল্প, গল্প,ভ্রমন কাহিনী থেকে শুরু করে সমাসময়িক সব বিষয়ে লেখাগুলি পড়তাম আর ভাবতাম এত এত নক্ষত্রের মাঝে নিজেকে দাঁড় করাতে পারবো তো?
এমন করেই ইঞ্জা ভাইয়ের হাত ধরে চলে আসলাম সোনেলায়।

লেখা ও ছবির হাতে খড়িঃ
================
সোনেলায় আমার নিয়মিত লেখা প্রকাশ না হলেই ফোনে ইঞ্জা ভাই বলতেন-
লেখা দিচ্ছেন না কেন?
পাঠকরা ছবি দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
উনার কথায় বুঝতে পারতাম তিনি কতটুকু সজাগ ছিলেন আমার উপর। বয়সে ছোট হলেও তিনি একজন অভিভাবকের মতন আমায় আদেশ ও উপদেশ দিয়েছেন। আজকের জায়গায় নিয়ে এসেছেন। সোনেলায় ছবি পোষ্টের একটা বাধ্যবাধকতা আছে। ১০০কেবির উপরে সাইজ হতে পারবে না। আমি ছবি রি-সাইজ করতে পারতাম না বলে পোষ্টও দিতে পারতাম না। এ ব্যাপারটি জানতে পেরে আদরের ছোট ভাই তৌহিদ ও ইঞ্জা ভাই আমাকে সহযোগিতা করে আসছিলেন। একদিন জিসান ভাই জানতে পারেন আমি ছবি রি-সাইজ করতে পারি না বলে লেখা দেই না। তিনি আমার ফেসবুকের বক্সে সফটওয়ারের লিংক দিয়ে বলেন ছাইরাস হেলাল ভাই এটা ব্যাবহার করছেন। আপনিও করতে পারেন। আশা করি আপনার সমস্যার সমাধান হবে। একজন মানুষ ব্লগের জন্য কতটুকু নিবেদিত প্রাণ হলে এমন করে প্রতিটি সদস্যদের খোঁজ রাখতে পারেন তা পাঠক বন্ধুদের উপর ছেড়ে দিলাম।
উনাদের দুজনকে বিরক্ত করাটা আমার নীতিবিরোধী মনে হলো। এমন সময় জিসান ভাইয়ের সফটওয়ার হাতে পেয়ে সেই বিপদ থেকে মু্ক্ত হলাম। নিয়মিত লেখা শুরু করলাম। ছবি রি-সাইজ করার হাতে-খড়ি পেলাম। ধন্যবাদ জিসান ভাই।

সোনেলা থেকে যা পেলামঃ
=================
সোনেলা আমাকে একজন লেখক হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে। একজন ফটোগ্রাফার হিসেবে দুনিয়ায় পরিচিয় তুলে ধরেছে। এমন এমন মানুষের সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়েছে যা আমার স্বপ্নের বাহিরে ছিলো। এত এত গুনীজনের কাছ থেকে আমাকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পাওয়ার সুযোগটা করে দিয়েছে সোনেলা। মানুষ গড়ার কারিগর যেমন শিক্ষক সমাজ। তদ্রুপ লেখক,কবি,চিত্রগাহক সহ আমাদের নানান প্রতিভাগুলি পাঠকদের বাগানে ফুঁটিয়ে তোলার নিঃস্বার্থ কারিগর হচ্ছে এই সোনেলা।
স্বার্থপরের মতন সোনেলার কাছ থেকে সব কিছু গ্রহন করলাম।
যার জন্য সোনেলার কাছে চির ঋনী হয়ে রইলাম।

সোনেলায় কি দিলামঃ
==============
আমার মতন একজন হতদরিদ্র ও কৃপণ মানুষের পক্ষে “দাতা হাতেম তাই” এর মতন সোনেলাকে দেয়ার কিছুই নেই। যা আছে তা নিঃস্বার্থ অফুরন্ত ভালোবাসা ও দোয়া। রঙধনুর সাতরঙে মিশানো একরাশ ভালোবাসো ও ফুলেল শুভেচ্ছা দিলাম সোনেলাকে। আশা করি আমার বন্ধুরা সানন্দে গ্রহন করবেন।

কৃতজ্ঞতা প্রকাশঃ
===========
সর্বপ্রথম কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জিসান ভাইয়ের প্রতি।
আমার চোখে তিনি সোনেলার একজন প্রাণপুরুষ। আজ তাঁর নিঃস্বার্থ ভালোবাসার অবদান সোনেলা ব্লগ। এই পুরুষটির জন্ম না হলে, সোনেলার জন্ম হতো না বলে আমার বিশ্বাস।

কৃতজ্ঞা জানাই হিডেন ফটোগ্রাফার ও কবি ছাইরাস হেলাল ভাইকে। আমার প্রতিটি লেখায় উনার মন্তব্যগুলি আমাকে অনুপ্রেরনার জোগান দেয়। উনার অকৃত্রিম ভালবাসার কাছে আমি পরাজিত।

কৃতজ্ঞতা জানাই আদরের ছোট ভাই তৌহিদকে।
আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য তাঁর শত কাজ রেখে ছুঁটে আসে রাজশাহীতে আমার হোটেল রুমে। তার মূল কারন ছিলো ভার্চুয়াল জীবনের অবসান। প্রথম দেখাতেই আমাকে আপন করে নেয় । বড় ভাইয়ের জায়গায় বসিয়ে দেয়। যার কোন যোগ্যতাই আমার নেই। সোনেলার নক্ষত্রদের মাঝে প্রথম নক্ষত্র তৌহিদের সঙ্গে সেদিন ভার্চুয়াল জীবনের অবসান ঘটে।

কৃতজ্ঞ জানাই মনির হোসেন মমি ভাইকে।
যার সঙ্গে আমার সরাসরি দেখা হয় মা মাটি মানুষের মিলনমেলায়। মমি ভাইয়ের সাহায্য সহযোগিতায় সোনেলায় এতটুকু পথ পাড়ি দেয়া সম্ভব হয়েছে।

কৃতজ্ঞতা জানাই রেহানা আপুকে।
ভাই বোনের মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে উনার সঙ্গে। আমার প্রতিটি কর্মে উনার সহযোগিতা আামকে উৎসাহিত করেছে।

কৃতজ্ঞতা জানাই সুপর্না দিদিভাইকে।
যার ভালবাসা আমাকে আরো উজ্জীবিত করেছে।

কতজ্ঞতা জানাই,আলমগীর ভাই, সুপেন বড়ুয়া দাদা, হালিম নজরুল ভাই, মজিবর রহমান ভাই,সহ নাম না জানা সোনেলার সকল নক্ষত্রদেরকে।

কৃতজ্ঞতা জানাই সোনেলার মিলনমেলায় উপস্থিত সকল নক্ষত্রদেরকে। সেদিন উপস্থিত সকলের সঙ্গে স্বশরীরে পরিচয় হওয়ায় ভার্চুয়াল জীবনের অবসান ঘটে। সেদিন ছিলেন বণ্যা আপু,অনন্য অর্ণব, নিতাই দাদা,সুপেন দাদা,রুকসানা আপু সহ অনেকে। সেদিন উনাদের সান্নিধ্যে থাকতে পেরে নিজে গর্ববোধ করেছি। সেই মিলনমেলায় অধিকাংশ ভাই-বোনদের সঙ্গে আমার ভার্চুয়াল জীবনের অবসান ঘটানোর জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি জিসান ভাইয়ের প্রতি।

বিঃদ্রঃ যে সকল ভাই-বোনদের নাম উল্লেখ করতে পারিনি তাদের সকলের কাছে কায়মনোবাক্যে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। সবাই আপনারা নিজ গুনে আমাকে ক্ষমা করবেন।

কিছু কথাঃ
=======
(১) সোনেলা একটি পরিবার। আর সদস্যরা সেই পরিবারের সন্তান। যারা এই পরিবারে লেখা-লেখি করেন তারা সবাই গুনী ও জ্ঞানী। কারো লেখায় কে মন্তব্য করবে বা করবে না তা সম্পূর্ন তাঁর ব্যাক্তিগত বিষয়। তবে যারা আপনার কোন লেখায় মন্তব্য করেন তাদের মন্তব্যের উত্তর বা জবাব দেয়া আপনার নৈতিক দায়িত্ব। তাতে আপনার সৃজনশীল ভদ্রতার পরিচয় প্রকাশ পায়। আর মন্তব্যকারী আশাও করেন।

(২) ব্লগে যত পোষ্ট হয় দিন শেষে দেখা যায় তাতে কবিতার সংখ্যা ৮০ ভাগ। আমি কবিতাকে ছোট করে দেখছি না। কবি ভাইয়েরা আমার উপর নাখোশ হবেন না। শুধুমাত্র ব্লগের ডেকোরেশনটা ফুঁটানোর জন্য বলা। যাতে অনিবন্ধিত পাঠকরা যেন মনে না করেন ব্লগটি কবিতার উপর নির্ভরশীল। এ ব্যাপারে ব্লগ সঞ্চালকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

(৩) ”ব্লগারদের স্বপ্ন” এর মতন আরো নতুন কিছু ব্লগারদের মাঝে সাড়া জাগানো যায় কিনা সেটা ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো।

(৪) বছর শেষে বার্ষিক পুরস্কার ছাড়া প্রতি মাসে সেরা লেখক,কবি,সাহিত্যিক ও ছোট গল্পকার নির্বাচন করে তাঁর লেখা এক মাস পিনপোষ্ট করা যায় কিনা। আশা করি বিজ্ঞ ব্লগ সঞ্চালকরা নজরে রাখবেন।

সর্বশেষঃ
======
ভালোবাসি সোনেলার প্রতিটি ব্লগারকে।
ভালোবাসি সোনেলার সকল পাঠককে।

সোনেলার জন্ম মাসে আমি সোনেলার দীর্ঘায়ূ কামনা করছি। সোনেলা বিশ্বের বুকে একটি বাংলা ভাষার উৎকৃষ্ট ও সর্বশ্রেষ্ঠ ব্লগ হিসেবে পরিচিত ঘটুক এই কামনা করে সোনেলার সঙ্গে আমৃত্যু থাকার অঙ্গীকার ও শপথ করছি।
সবাই ভাল থাকুন।
সবার জন্য রইলো শুভ কামনা।

শুভ শুভ শুভ মাস
সোনেলার জন্ম মাস।

৩৬০জন ২৫জন
0 Shares

৫৯টি মন্তব্য

  • ইঞ্জা

    প্রথমেই বলি আপনি অস্বীকার করলেন যে আমি আপনার কাজিন, কেন ভাই আমরা কি কাজিন নই?
    আপনার লেখাতে সবচাইতে বেশি আমার নাম এসেছে দেখে লজ্জা পেলাম, যদিও বলতে চাই, ভালোবাসি আপনাকে। ❤
    ব্লগ সম্পর্কিত আপনার মতামত সত্যি অসাধারণ হয়েছে, আশা করি ব্লগ কতৃপক্ষ বিষয় গুলো নিয়ে চিন্তা ভাবনা করবেন।
    আপনার ব্লগ এবং ব্লগের জন্ম মাস নিয়ে লেখাটি খুবই ভালো হয়েছে ভাই।
    সোনেলার সোনালু ভালোবাসা জানবেন।

    • শামীম চৌধুরী

      অবশ্যই আপনি আমার কাজিন। অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। পুরা লেখায় আপনার অবদান বলে শেষ করা যাবে না। সোনেলায় আপনি আমাকে একজন পাখিভাই হিসেবে পরিচিতি করিয়েছেন। সোনালার সঙ্গে প্রেম করার সুযোগ করে দিয়েছেন। প্রতিটি লাইনে আপনার নাম থাকাটা প্রয়োজন ছিল। সেখানেই আমি কৃপনতা করেছি। কৃতজ্ঞ প্রকাশে আমি খুব আনন্দভোগ করি। আপনার হাত ধরে সোনেলায় আগমন। সেটি কি অস্বীকার করতে পারেন? ভাল থাকবেন সবসময়।

  • প্রদীপ চক্রবর্তী

    সোনেলাকে নিয়ে এত সুন্দর গোছানো কথা প্রকাশ করলেন, দাদা যা খুবি ভালো লাগলো।
    সত্যি লেখার জগতে যারা হারিয়ে বসে সোনেলা তাদের বাঁচিয়ে তুলে।
    আমারও ছোটখাটো লেখার জগতের প্রাপ্তিস্থান সোনেলা।
    যাঁদের অনুপ্রেরণায় সেখানে দ চার লাইন লেখার সৌভাগ্য হয়েছে তাঁদেরকে প্রাণভরে শ্রদ্ধা করে।
    .
    শ্রদ্ধেয় জিসান দাদা, সাবিনা দিদি, ইঞ্জা দাদা, তৌহিদ দাদা ও মনির দাদা অত্যন্ত বিচক্ষণতার সহিত দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন।
    ব্লগ সম্পর্কিত আপনার মতামত গুলো আমার কাছে খুবি গুরুত্বপূর্ণ মনে হলো।
    কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিকামনা করছি।
    .
    শুভকামনা দাদা।
    শুভ ব্লগিং…

  • উর্বশী

    সুন্দর গোছানো পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি লেখা। বেশ ভাল লাগলো। সোনেলা ভালোবাসার বাগানে সবাইকেই আন্তরিক ধন্যবাদ।
    ১০০ তম পোস্টের জন্য অভিনন্দন। কিছু বিষয় জানা হলো।
    আগামীর লেখার অপেক্ষায়। ভাল থাকুন, অফুরান শুভ কামন।

  • সুপর্ণা ফাল্গুনী

    প্রথমেই একশত তম পোষ্টের জন্য অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা ভাইয়া। এতো সুন্দর করে গুছিয়ে সোনেলাকে নিয়ে নিজের অনুভূতি, চাওয়া পাওয়া গুলো উপস্থাপন করলেন যে সত্যিই অসাধারণ লাগলো। পাখি পোস্ট থেকেই বুঝেছি আপনি খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লিখতে পারেন।তার প্রমাণ আবারো এই পোষ্টের মাধ্যমে বুঝতে পারলাম। আমাকে এভাবে স্মরণ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ভাইয়া। আপনার ‘কিছু কথা ‘ অংশটি ভালো লেগেছে। আশা করি ব্লগ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ভেবে দেখবেন। আপনার উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। ঈশ্বর সহায় হোন

  • রোকসানা খন্দকার রুকু

    ভালোবাসি সোনেলার প্রতিটি ব্লগারকে।
    ভালোবাসি সোনেলার সকল পাঠককে।****
    ভাইয়া আমরাও আপনাকে ভালোবাসি।।।
    ভালো থাকুন আপনি ভালো থাকুক সোনেলা।।।

  • ছাইরাছ হেলাল

    কেমনে যে মানুষ আসতেই না-আসতেই শতেক পোস্ট লিখে/দিয়ে ফেলে ভাবতেই
    কেমুন কেমুন জানি ডর ডর লাগে!! এটি অবশ্য পাখি-পাখি হলে কোন ব্যাপার না, তা বুঝতে পারছি বৈকি।
    রতনে রতন চেনে চিক্কুর দিলে, ইঞ্জা ভাই নিয়ে এসেছেন পাখি-রতন ভাইকে, এমন ই তো হওয়ার কথা।
    ফটোগ্রাফার নই একটুও, এখন। তবে এখন ও আমার পড়াশোনার পরে এটিই আমার দ্বিতীয় পছন্দের বিষয়।

    আপনার চতুর্থ বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চাই,
    এক সময় ছোটখাট লেখা-প্রতিযোগীতা এখানে চালু ছিল, তাতে স্বজন প্রীতি হচ্ছে বলে তুমুল ক্যাচাল হয়েছিল।
    সেই থেকে তা বন্ধ হয়ে গেছে, সবাই আন্তরিক ও বিচারদের প্রতি আস্থাশীল হলে তা চালুর প্রচেষ্টা নেয়া যেতেই পারে।

    বেশ গুছিয়ে লিখছেন কিন্তু পাখি-ভাই। সোনেলায় আমরা তো আমরাই।

    • শামীম চৌধুরী

      আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞ রইলাম। আপনার ভালোবাসায় শুরু থেকেই আমি আপ্লুত। শততম পোষ্টের মাইলফলক স্পর্শ করার পুরা কৃতিত্ব হলো সোনেলার পাঠক ভাইদের। তাদের অবদান অস্বীকার করা মানে পাঠক বাইদের অবহেলা ও অমূলায়ন করা। আপনাদের সহযোগিতা ও ভালোবাসা ছাড়া আমার মতন লোকের ১০টির বেশী পোষ্ট করাটা ছিলো অসম্ভব কাজ। বিশেষ করে আরনার উৎসাহ মূলক মন্তব্য আমাকে সাহস জুগিয়েছে।
      ভালো থাকবেন ভাইজান।
      শুভ ব্লগিং।

  • তৌহিদ

    ভাইজান, আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। মন উজার করা ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এখানে। আসলে আপনি হচ্ছেন মন উজার করা ব্যক্তি। আপনার সাথে প্রথম দেখাতে মনে হয়েছে আমার আপন বড়ভাই।

    সোনেলায় ইঞ্জা ভাই আপনাকে এনে আমাদের পাঠকদের অনন্য এক চাহিদা পূরণ করেছেন যেটা আগে কখনওই আমি পাইনি। সে জ্ঞান হচ্ছে পাখি ও প্রকৃতি বিষয়ক জ্ঞান। আর সেই সাথে ভ্রমণের আনন্দ। কাজেই আপনি আমাদের যা দিয়ে যাচ্ছেন নিঃস্বার্থভাবে তার ঋণ শোধ হবার নয়।

    সোনেলার প্রতি আপনার ভালোবাসা তখন এখন সমানভাবে বিরাজ করছে। সেদিন কথা বলে আপনাকে কিছুটা বোঝাতে পেরে আমারই ভালো লেগেছিলো।

    সোনেলায় আপনার চাওয়া পাওয়াগুলো যথার্থ বাস্তব। আশাকরি একসময় সবগুলোই পূরণ হবে।

    সবশেষে আপনার লেখা এবং আপনাকে স্যালুট জানাই। এভাবেই পাশে থাকবেন এটাই কামনা।

    ভালো থাকুন সবসময়।

    • শামীম চৌধুরী

      ধন্যবাদ দিয়ে তোমাকে ছোট করবো না। তোমার প্রতি আমার যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা তা ধন্যবাদের উর্ধ্বে। তোমার হৃদয়ের মনিকোঠরে আমাকে বড় ভাইয়ের আসনে বসিয়েছো। আমি যেন সেই আসনটি অলংকৃত করে তোমাকে সেই মর্যাদায় রাখতে পারি সেই দোয়াটাই করো। তোমার সমর্থন ও সহযোগিতাই ছিল আমার ব্লগার হবার মূল সোপান। শুরুতেই যদি একজন শিশু খোলা ময়দানে ঝড়ের কবলে পড়ে তবে শিশুটি জ্ঞানহীন হয়ে পড়ে। আশ্রয়ের জন্য যানপরনাই ছুটাছুটি করে। তখন যদি কেউ তার সামনে এসে দাঁড়ায় তখন শিশুটি বুঝে নেয় ঝড় তাকে কোন ভাবেই ঘায়েল করতে পারবে না। আমার অবস্থাটাও সেদিন তেমন হয়েছিলো। তুমি ও ইঞ্জা ভাই যে ভাবে আমাকে আগলে রেখেছিলে তার ফল হচ্ছে শততম পোষ্ট। নইলে ছিঁটকে পড়তাম কোন খানা-খন্দরে।
      আমৃত্যূ তোমার এমন সহযোগিতা ও ভালোবাসা চাই।

  • সুপায়ন বড়ুয়া

    সোনেলায় আমি, আমার সোনেলা দিয়ে পাখি ভাই যেভাবে নিজের করে নিলেন। কজনাই বা পারে বলুন ?
    সোনেলার মিলন মেলায় আপনার কথা শুনেই আঁচ করেছিলাম।
    আপনি যেভাবে কবিতা লেখাকে নিরুউৎসাহীত করলেন আমি অভাগার কি হবে। সাথে মহারাজের ?
    কবিতাতো অন্তত দুই একজনে পড়ে কম লেখা বলে ?
    বড় লেখা হলে অলস মানুষরা পড়তে চায় না।
    সেদিকে আপনি সৌভাগ্যবান পাখির প্রতি সবার আগ্রহ আছে।
    ভাল লিখলেন। শুভ কামনা।

  • সুরাইয়া পারভীন

    শুরু থেকে শেষ অব্দি সম্পূর্ণ লেখা খুব মনোযোগ সহকারে পড়লাম। আমিও লিখবো সোনেলায় আসা থেকে শুরু করে সোনেলার কর্ণধর ও লেখকদের সাথে সুন্দর সম্পর্ক গড়ে ওঠার গল্প।

    আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত দাদাভাই আপনার মামাবাড়ি ভ্রমণ কাহিনী প্রথম থেকে না পড়ার কারণে মাঝপথে পড়তে পারিনা। তাই মন্তব্যও করতে পারি না। তবে একদিন সময় করে সব পর্বগুলো পড়বো ইনশাআল্লাহ

    আপনার উল্লেখিত সব গুলো পয়েন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতো সুন্দর করে লেখার জন্য কৃতজ্ঞতা সহ আন্তরিক ধন্যবাদ অশেষ।
    ভালোবাসি সোনেলা
    ভারোবাসি সোনেলায় সোনা ফলানো সকল লেখক পাঠকদের

  • সুপায়ন বড়ুয়া

    আপনাকে শতক বিজয়ী অভিনন্দন !
    “আরও আরও চাই যত খুশী পাই
    বন্ধু তোমার প্রতি আবদার রেখে যাই। “
    এই দুলাইনের স্বাধ কিন্তু ১০ পাতা ভালবাসার গল্প লিখলো ও পাবেন না।
    ভাল থাকবেন।

  • জিসান শা ইকরাম

    প্রথমেই আপনাকে শততম পোস্টের জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
    দেখে অত্যন্ত ভালো লাগছে যে শততম পোষ্টটি সোনেলাকে নিয়েই লেখা।
    প্রতিদিন একটি করে পোষ্ট চাই, যাতে দুশততম দ্রুত শুভেচ্ছা জানাতে পারি।
    লেখায় আপনার সোনেলাকে নিয়ে অনুভুতি, কিছু প্রস্তাবনা, পর্যবেক্ষন ইত্যাদি নিয়ে এসেছেন।
    এসব বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য নিয়ে আসছি প্রিয় ভাইসাব।
    শুভ কামনা, শুভ ব্লগিং।

  • খাদিজাতুল কুবরা

    শামীম ভাইয়া আপনার পুরো লেখাটি খুব মনোযোগ সহকারে পড়েছি। এমনকি প্রত্যেকটি মন্তব্য পড়েছি।
    মাশাআল্লাহ এতো সুন্দর গুছিয়ে লিখেছেন মুগ্ধ হয়ে পড়লাম এবং সোনেলা যে একটি সোনার খনি পড়ুয়া লিখিয়ে মানুষের জন্য সেটা খুব ভালো ভাবে উপলব্ধি করলাম। একটুখানি মনটা খারাপ হয়েছে কবিতা ছাড়া কিছু লিখতে পারি না বলে।
    তবে লিখতে ইচ্ছে যে করেনা তা নয় কিন্তু সাহস হয়না সবার এতো সুন্দর সুন্দর মানসম্মত লেখার ধারে কাছে যেতে পারবো না। সোনেলার আঙিনায় মাত্র পা রেখেছি। ইনশাআল্লাহ লিখবো আপনার কাছে যা শিখছি সেটাই কাজে লাগিয়ে।
    আপনার পুরো লেখাটি আমার খুব ভালো লেগেছে।
    অনেক শুভেচ্ছা আপনার ফটোগ্রাফি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য।

    • শামীম চৌধুরী

      আপু,
      প্রথমেই আপনার মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার প্রতিটি লেখায় আপনার মন্তব্য পেয়ে আমি আরো বেশী উজ্জ্বীবিত হয়ে উঠি আরো বেশী করে ছবি ও লেখার জন্য।
      আমি কবিতা পোষ্টের বিপক্ষে না।
      আপনার সবগুলো কবিতা আমি খুটিয়ে খুটিয়ে পড়ি। গঠনমূলক বক্তব্যও করি।
      আপনি সহ বেশ কয়েকজন জাত কবি।
      আমার বলার মূল কারন হলো ব্লগ যেন সাধারন পাঠকদের নিকট কবিতা ভিত্তিক না হয়। এ ব্যাপারে সঞ্চালকদের নিকট থেকে একটা নীতিমালা দরকার। আমার লেখায় আপনার মন খারাপ হওয়ায় ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
      শুভ কামনা।
      ভাল থাকবেন।

      • খাদিজাতুল কুবরা

        মন খারাপ থেকে চেষ্টার অভিপ্রায় হচ্ছে তাই এটি খারাপ দিক নয়। আপনার প্রতি ও কোন অভিযোগ নেই। ক্ষমা চাইতে হবে না ভাইয়া। আমরা আমরাই তো।
        আলোচনায় যেকোনো বিষয় ফলপ্রসূ হয় আমি বিশ্বাস করি।
        আবার ও শুভেচছা এবং ধন্যবাদ জানাচ্ছি সুন্দর গঠনমূলক পোস্টের জন্য।

  • কামাল উদ্দিন

    ভার্চুয়াল জগতে আপনার ফেজবুক থেকে ব্লগে চলে আসার বিস্তারিত জানলাম। সেই সাথে কিছু পরামর্শ দিয়াছেন যাতে আমি সহমত পোষণ করছি। আপনার সাথে অনেক বিষয়ে আমার মিল থাকায় আমি আপনার শত ভক্তদের মাঝে একজন। যেমন আপনি একজন ফটোগ্রাফার এবং ভ্রমণ বিলাসী মানুষ। আমিও এসবে আনন্দ পাই সব সময়। সোনেলার জন্ম মাসে আপনার সেঞ্চুরি পোষ্টে অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।

  • সাবিনা ইয়াসমিন

    শততম পোস্টের জন্যে অভিনন্দন। আপনি চাইলে এতদিনে এর সংখ্যা ডাবল হতে পারতো 🙂
    সোনেলা আমাদের প্রানের উঠোন। এর গল্প যত শুনি ভালো লাগে। ভালো লাগে যখন কাউকে এভাবে ভালোবাসতে দেখি। সোনেলার প্রতি আপনার নিবেদন, আন্তরিকতা প্রথমদিন থেকেই আমরা দেখেছি। নিজে লিখেছেন, সবার পোস্টে গেছেন সীমাহীন আনন্দের সাথে। সোনেলার ব্যাপারে আপনাকে কখনো ক্লান্ত হতে দেখিনি। ভীষণ ভালো লাগলো আপনার অনুভূতির উপস্থাপন। ফিচার ছবিটা অনেক সুন্দর হয়েছে।
    ভালো থাকুন ভাইজান। শুভ কামনা নিরন্তর 🌹🌹

    • শামীম চৌধুরী

      আমি দীর্ঘক্ষন যাবত আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় ছিলাম আপু। আমার যে কয়জন শ্রদ্ধাভাজন মানব/মানবী সোনেলায় আছেন তার মধ্যে আপনিও একজন। যদিও আমি নতুন ও ধীরে ধীরে একটি বছর অতিক্রম করেছি যার মূল অবদান ছিলো আপনাদের মতন মানুষের ভালবাসা শ্রদ্ধা ও সমর্থন। পাশাপাশি নিঃস্বার্থ সহযোগিতা। নইলে আমার পক্ষে এতদুর আসা সম্ভব হতো না।
      সোনেলা আমার জীবনের প্রথম ব্লগ
      সোনেলাই হবে আমার জীবনাবসানের পর শেষ ব্লগ।
      যতদিন বেঁচে আছি সোনেলার সঙ্গে আছি।
      আপনাদের সঙ্গে আছি
      পাঠক বন্ধুদের সঙ্গে আছি।
      দোয়া করবেন আামর জন্য।
      শুভ কামনা রইলো আপু।

  • নাসির সারওয়ার

    জানা নাজানা কথা বেশ গুছিয়ে এনেছেন লেখাতে। অনেক পরিচ্ছন্ন লেখা যা একজন ভালো লেখকের পরিচয় জানিয়ে দিচ্ছে। শুভেচ্ছা শততম লেখার।

    আমার আর ৯০/৯৫ টা হলেই শতক হয়ে যাবে!
    ভালো থাকুন।

  • জিসান শা ইকরাম

    কয়েকজন নাস্তিককে হত্যার পরে পরে জানা যায় যে তারা ব্লগার ছিলেন, এরপরেই এই হত্যাকে জায়েজ করার জন্য মৌলবাদীদের প্রচার সমাজে ব্যপক প্রভাব ফেলে। যে কারনে কোনো পরীক্ষা নিরীক্ষা বাদেই প্রায় সবারই একটা ধারনা জন্মে ব্লগাররা নাস্তিক। অনেক শিক্ষিত মানুষেরই এই ধারনা। বাংলাদেশে কয়েকলক্ষ ব্লগার আছেন, এর মধ্যে নাস্তিক খুব অল্প সংখ্যক। আমি সহ অনেকেই সেই অপপ্রচারের সময় ভীতির মাঝে দিন কাটিয়েছি।

    আপনার সোনেলায় আগমনের ইতিহাস জানলাম। আপনার কথা বলতো খুব ইঞ্জা ভাই। আমারো আগ্রহ ছিল আপনাকে নিয়ে। কারণ পাখি নিয়ে পোষ্ট বাংলা ব্লগে আর নেই। বাংলা ব্লগ সাইট সমুহের মধ্যে একমাত্র আপনিই পাখি নিয়ে পোষ্ট দেন। আপনার কাছে সোনেলা একারনে কৃতজ্ঞ।
    ইঞ্জা ভাই যে বলেছেন আপনার লেখা এবং ছবি বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ছড়িয়ে যাবে, তা ঠিকই বলেছেন। আপনি আপনার প্রথম দিকের পোষ্টে গিয়ে দেখুন। প্রতিদিনই কিছু পাঠক আপনার সমস্ত পোষ্ট পড়ছেন, দেখছেন।

    আপনাকে যে সফটওয়ার পাঠিয়েছি, এটি আর বর্তমানে অনলাইনে নেই। vso image resizer এর বর্তমান সফটওয়ার দিয়ে আর একসাথে অনেক ছবি রিসাইজ করা যায় না। ভাগ্য ভালো যে আপনার ছবির সাইজ নিয়ে সমস্যাটি আমার চোখে পরেছিল। না হলে তো এখনো কষ্ট করতে হতো আপনার।

    আপনি ছবি ব্লগ, ভ্রমন পোষ্টকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন শামীম ভাই। ফেইসবুকে আপনি প্রচুর লিখছেন আজকাল। আজ চলচিত্রের সাইড নায়িকা নিয়ে লেখাটি ফেইসবুকে দেখে ভেবেছিলাম যে আপনাকে বলবো, এটি ব্লগে দিতে। কিছুক্ষন পরে দেখি আপনি ব্লগে দিয়েছেন। এই ধরনের লেখার প্রচুর পাঠক। এসব পোষ্ট দিয়ে আপনি ছয়মাস পরে দেখবেন আপনার পোস্টের ভিজিটর কতো। আমরা যারা বর্তমানে মন্তব্য করি, ভিজিটর কিন্তু কেবলমাত্র আমরাই নই। আসল ভিজিটর আসেন গুগলে সার্চ দিয়ে। ভিজিটর নিয়ে একটি পোষ্ট দেয়ার ইচ্ছে আছে, তাহলে বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পারেন। বুঝে গেলে আমি নিশ্চিত যে আপনি আরো উৎসাহ পাবেন।

    আপনার কিছু কথা সম্পর্কে বলছিঃ
    =======
    (১) যে সমস্ত পাঠক কোন লেখায় মন্তব্য করেন তাদের মন্তব্যের উত্তর বা জবাব দেয়া লেখকের অবশ্যই নৈতিক দায়িত্ব। মন্তব্যের জবাব যেন দায়সারা ধন্যবাদ দিয়ে শেষ না হয়, এমন আশাকরি আমিও।

    (২) ব্লগে কবিতা পোষ্ট হচ্ছে বেশী। এতে বুঝা যায় দেশে কবিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। মান সম্পন্ন কবিতা পোষ্ট আশাকরি আমরা সবাই। একটি ওপেন প্লাটফরমে কবিতা পোষ্ট নিষেধ করা যায় না আসলে। আমরা যারা কবিতা লিখতে পারিনা, তারা গদ্য বা প্রবন্ধ ধরনের পোস্টের সংখ্যা বাড়িয়ে দিলে একটা ভারসাম্য হয়। যেমন আপনি ‘কুয়া’ ,’ চলচিত্রের সাইড নায়িকা ‘ পোষ্ট দিয়েছেন।

    (৩) ”স্বপ্ন” এর মতন আরো নতুন কিছু ব্লগারদের মাঝে আসুক এটি আমিও চাই। আশাকরি ব্লগ টীম এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিবেন।

    (৪) প্রতি মাসে সেরা লেখক বা ব্লগার ইতিপুর্বে ঘোষনা করা হতো। তবে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ ওঠায় তা ব্লগটীম বাতিল করে দিয়েছে। তারপরেও আপনার এই সুন্দর প্রস্তাবটি ভেবে দেখার জন্য সোনেলা কতৃপক্ষকে অনুরোধ করছি। বার্ষিক পুরস্কার প্রদানও ভালো একটি প্রস্তাব। সোনেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি দেয়া যায়, যা এ বছর করোনার জন্য সম্ভব হয়ে উঠবে বলে আমার মনে হয় না।

    ভালো থাকবেন প্রিয় শামীম ভাই।
    শুভ কামনা, শুভ ব্লগিং।

  • শামীম চৌধুরী

    শ্রদ্ধেয়ানেষু জিসান ভাই,
    প্রথমেই আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আপনার মতন একজন গুনী মানুষের মন্তব্য পাওয়ায়। আপনি হচ্ছেন সোনেলা ব্লগের প্রাণপুরুষ। আপনার মেধা,দক্ষতা,অভিজ্ঞতা,অধ্যবসায়,সততা,ব্লগের প্রতি কর্মব্যাস্তা ও চঞ্চলতা,ব্লগারদের কাজের প্রতি উৎসাহের মাধ্যমে প্রতিটি ব্লগারের মনে একটি স্থায়ী আসন দখল করে আসেন বলে আমার বিশ্বাস। আপনার ভালোবাসায় বেঁধে রেখেছেন সোনেলার সম্মানিত ব্লগারদের। আপনাকে যারা খুব কাছ থেকে চেনেন ও জানেন তারাই আমার সঙ্গে একাত্বতা প্রকাশ করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

    যাহা হউক,
    আপনাদের মতন গুনী ও স্বনামধন্য ব্লগারের যখন কোন নবীশ নক্ষত্রের (ব্লগার) উপর দৃষ্টি পড়ে তখন সেই নক্ষত্র আরো আলোকিত হয়ে উঠে। আর ইহাই ধ্রুব সত্য। আমিও সেই রকম আলোকিত হলাম আমার জানার আগ্রহ থেকে উত্থাপিত প্রশ্নগুলির জবাব পেয়ে। যার জন্য আপনার প্রতি রইলো সালাম আর সালাম।

    একজন লেখক/লেখিকা, কবি ও সাহিত্যিকরা কতটা কষ্ট ও পরিশ্রম করে একটা লেখা ও কবিতা দাঁড় করান তা সেই লেখক বা কবি ছাড়া পাঠকরা বুঝতে পারবেন না। তারা শুধু সমালোচনা করতে পারেন। আর এই গঠনমূলক সমালোচনাই হচ্ছে একজন লেখক বা কবির জীবনে পাওয়া সবচেয়ে বড় পুরস্কার। এই মন্তব্য থেকে লেখক ও কবি তার লেখার সংশোধন করে আরো সামনের দিকে যেতে পারেন। আর এই কাজটার সেতু-বন্ধনই হলেন মন্তব্যকারী পাঠকবন্ধুরা। তাই পাঠকদের উচিত হবে গঠনমূলক মন্তব্য করে তার লেখককে উৎসাহিত করা। আমার এই প্রশ্নের উত্তর আপনার জবাবে দেয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। পরবর্তীতে লেখক বনাম পাঠক নিয়ে আমার একটা লেখা প্রকাশ করবো সোনেলায়।

    আমি কখনই কবিতার বিরুদ্ধে নই। কবিদের আমি সম্মান করি। আর ছোটবেলা থেকেই ছড়া লিখতাম। প্রতিটি শিশু কোন না কোন প্রতিভা নিয়ে জন্ম গ্রহন করে। আর তাঁর প্রতিভা বিকাশ ঘটে পরিবার থেকে। পরিবারের বাবা ও মায়ের অকুন্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা পেলে সেই শিশুটির প্রতিভা বিকশিত হবেই। ছোট বেলায় ছড়া কাটার ভঙ্গিমায় কথা বলতাম বলে আমার মরহুম আম্মাজান কোন কিছু পাবার জন্য আমাকে বাধ্য করতেন ছড়ারাকারে বলতে।
    আমাদের সময় স্কুলে সেই সময় প্রতি মাসে ক্লাশানুসারে দেয়াল পত্রিকা বের হতো। আমি প্রতি মাসে একটি করে ছড়া জমা দিতাম। প্রতি মাসে দেয়াল পত্রিকায় হাতে লেখা হতো। আমার স্পষ্ট মনে আছে দেয়াল পত্রিকায় আমার প্রথম ছড়া ছিলো-

    মা’গো আজ তোর
    মুখটা কেন ভার
    কোথায় গেল হাসি
    এখনও হয়নি নিশি

    বুঝেছি মা’গো
    ধরেছিলাম আজ
    নতুন জামার বায়না
    কথা দিলাম তোরে
    কিছুই লাগবে না
    একটা হাসি দেনা।

    আম্মার ইচ্ছা হয়তো ছিলো আমি ছড়াকার হই। কিন্তু বিবাহের পর্ব চুকিয়ে ফেলার পর সংসার জীবনে প্রবেশ করায় সব প্রতিভাই আস্তে আস্তে থমকে যায়। একটি পরিবারের উত্থান ও পতন ঘটে বাবা কর্তৃক। তাই আমাকে যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয় সন্তানদের মানুষ করার জন্য। তাদের চাহিদা পূরনের জন্য সৎ আয়ের পথ বের করার জন্য। আর সময় হয়ে উঠে না কোন লেখা-লেখির

    সোনেলায় কবিতার সংখ্যা বেশী প্রকাশ হওয়ায় আমার কাছে প্রশ্নটা জেগেছিলো বলে প্রশ্ন রাখা।

    সর্বশেষে বলছি-
    কোন বিচারপ্রার্থীর বিরুদ্ধে যদি বিচারকের রায় যায় তবে সেই বিচার প্রার্থী স্বজনপ্রীতি হয়েছে বলে সমাজে গেয়ে বেড়াবে। তারজন্য কি বিচারক রায় দেয়া থেকে বিরত থাকবেন? মোটেও না। একজন বিচারক তার মেধা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে রায় দিবেন। আর এটাই সার্বজনীন। কে কি বললো সেদিকে কান না দিয়ে সততার সঙ্গে যদি বিচারক রায় দেন তবে সমালোচকরা তাদের ভুল বুঝতে পাবেন।

    পরিশেষে আমি আপনার সুন্দর জীবন ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।
    আপনি ভাল থাকুন।
    শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
    হ্যাপী ব্লগিং।

    • জিসান শা ইকরাম

      বাহ, আপনি ছড়া লিখতেন! ভাবতেই পারছি না ভাই 🙂
      প্রথম ছড়া কিন্তু ভালোই ছিলো।
      আমিও একসময় কবিতা লিখতাম, জীবনের কঠিন বাস্তবতায় কবিতা চলে গেলো কবরে 🙂

      মাসের সেরা লেখা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য ব্লগটীমের কাছে আবেদন করছি।
      আশা করছি সোনেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকিতেই এই ঘোষনা পাবো ব্লগের পক্ষ থেকে।
      আপনার মন্তব্যেও আমি আপ্লুত,
      ভালো থাকবেন ভাই,
      শুভ কামনা, শুভ ব্লগিং।

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য