কে বলে অনলাইন মাধ্যম মানুষকে বিপথে নিয়ে যায়? স্বাভাবিক বাস্তব জীবনে কয়েকদিন লাগিয়ে হয়তো আমি মাত্র একটা বই পড়ে শেষ করতাম! অথচ এক দিন ফেসবুক একাউন্ট থেকেই কম করে হলেও পনেরো-বিশটা কবিতা, অনুগল্প বা মুক্তগদ্য পড়া হয়ে যায় আমার। সেই সাথে ব্লগের লেখাগুলো তো আছেই। এক সাথে নক্ষত্র ব্লগ, গল্পকবিতাডটকম, সামহোয়ারইন এবং বন্ধুব্লগের ট্যাব খুলে নিয়ে প্রতিদিন দশ-বারোটা লেখা পড়ে ফেলি। এটা ইদানিং একেবারে নিয়মিত হয়ে গেছে। আমি তো বলবো আমার জীবনের বেশিরভাগ পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা এসেছে এই অনলাইন বন্ধুতার আহবানেই। কত মানুষের সাথে মতের বিনিময় কত মানুষের শুভাশিস কত নতুন নতুন আইডিয়া সব এই অনলাইন মাধ্যমে। বাস্তব জীবনের বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ তো এরকম প্রতিদিন প্রতি বেলায় সম্ভব নয়। কম্পিউটারের একটা সমস্যায় পরেছি বা লেখার একটা শব্দচয়নের সমস্যা বোধ করছি কিংবা একটা গল্পের নামকরণে দ্বিধান্বিত! মুহুর্তেই ফেসবুক অথবা ইমেইল চ্যাটিং এ বন্ধুর সাথে শেয়ার করে নিলাম তো সমস্যাটা মিটে গেলো। বাস্তব জীবনের বন্ধুরা বাস্তবতার মতই কঠিন; তাদের এত সময় নেই। মাঝেমাঝে ফোনেও তাদের সঠিক সময়ে পাওয়া যায় না। কিন্তু অনলাইনে কোন না কোন বন্ধুকে পাওয়া যাবেই। সমবয়সী, ছোট বা বড়, নারী বা পুরুষ এরকম কোন বাধা ধরা রীতিনীতি নেই যে কেউ যে কারও জন্য জান প্রাণ! এই অনলাইন বন্ধুদের মাধ্যমেই আমি প্রতিনিয়ত নিজেকে কলি থেকে ফুলে পরিণত হয়ে ক্রমশঃ উদ্ভাসিত হচ্ছি আপন আলোয়।
.
নাগরিক ব্যস্ততায় কোন একটা জায়গায় নির্দিষ্টি দিনে কোন একটা আয়োজন করা হলেও সেখানে সবাই উপস্থিতি জানাতে সক্ষম হয় না। কিন্তু অনলাইনে ব্যক্তিগত চ্যাটিং এর সাথে সাথে দলীয় আলোচনামূলক অবস্থাও তৈরী করে খুব সহজেই মত বিনিময় করার সুযোগ রয়েছে এমনকি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও দারুন ভূমিকা রাখছে। এই অনলাইন সুবিধা এবং অনলাইনে সংযুক্ত থাকার কারণেই মাঝের কয়েক বছর বিরতি দিয়ে মামুন ম আজিজ ভাই আবার আমাকে খুঁজে নিয়ে গল্পকবিতাডটকম এ প্রবেশ করিয়ে দিলেন। এটাই সেই লেখক হয়ে উঠার মূল প্লাটফর্ম বা এস্কেলেটর যেখানে ভালো মানের লেখক ও পাঠকের মিলন হয়, লেখার গঠনমূলক সমালোচনা হয় এবং লেখনী প্রতিভার বিচার করে প্রতি মাসেই ১ম, ২য় ও ৩য় বিজয়ী নির্ধারণ করা সহ সনদ প্রদান করা এবং বছরের সমস্ত লেখা থেকে ১০ মাসের লেখা বাছাই করে অন্যপ্রকাশ থেকে বেরোয় সংকলন। শুধু শিশুরাই নয় বড়রাও এরকম বিজয়ীর আসন পেলে ছোটদের চেয়ে কোন অংশেই কম উপভোগ করে না। অন্তত আমি প্রতিমাসের লেখাটিকে সেরা ২৫ এ দেখতে পেয়ে শিশুর মতন চঞ্চলা আনন্দে দ্রবীভূত হই। মামুন ভাইয়ের পরামর্শ থেকেই পুনরায় লেখার তোড়জোড় শুরু হয় কিছুটা যত্নশীলতা আর সচেতনতা নিয়ে আবার। ডিসেম্বর ২০১১ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত লিখে চলেছি সেখানে। লেখক হবার স্বপ্নটা এখন দৌঁড়োতে শুরু করেছে। ২০১২ এর লেখা দিয়েই সাফল্যগাঁথার শুরু আমার। বছর খানেকের চেষ্টায় সেখানে প্রথম বিজয়ীর আসনও একবার পেয়ে যাই। শ্রদ্ধেয় প্রিয় ঔপন্যাসিকের জীবদ্দশায় তাঁর সাথে লেখক হয়ে ওঠার স্বপ্ন বিষয়ে কথা বলতে সুযোগ পাইনি কিন্তু তাঁর বই যে প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হতো সেই অন্যপ্রকাশ আমাদের মতন স্বপ্নচারীনিদের লেখা নিয়ে পর পর তিন বছর বই প্রকাশ করে আমাদের যে সুযোগ দিয়ে চলেছে সেই পাওয়াটাও বলবো লেখক হওয়ার স্বপ্নকে অগ্রগতি দিয়েছে। কোথাকার কোন মফস্বলে জীবনের অধিকাংশ সময় পাড়ি দেয়া এই একজনা আজ যে এখানে থাকবে তা তখন কে জানতো! এই সামান্য পাওয়া আমার মতন অতি সাধারণ একজনকে কিছুটা হলেও আত্মগর্বে গরবিনী করতেই পারে যদিও জানি এখনো আরও অনেক ভালো লেখা ঝুলিতে পূরতে হবে তবেই হবে লেখক হয়ে ওঠার স্বপ্নটা পুরোপুরি সার্থক।
.
নতুন নতুন বন্ধুদের সাথে পরিচিত হতে আমার সবসময়েই ভালো লাগে। তাই বন্ধুদের যোগ্যতা আর গূনের বহরও আমাকে খুব আকর্ষণ করে। আর, তাই কোন লেখক সভা, লেখক আড্ডা হলে সাধারণত চেষ্টায় থাকি সেখানে যোগ দেবার। তাতে নিজের অন্তরে নতুন নতুন ধ্যান ধারণা যুক্ত হতে থাকে। অনেক কিছু শেখাও হতে থাকে। কাগজের বইতেই হোক বা অনলাইনের পাতায় বা ই-বুক এর লেখাই হোক আমার নিজের লেখাটির গঠনমূলক সমালোচনা চাই আমি সবসময়। কিন্তু একটা কথা প্রায়ই শুনি-সবাই তো লিখতে পারে না। অনেকে ভালো বক্তা কিন্তু লিখতে পারে কয় জন? লিখে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা তার উপরে সেটা অন্যকে বুঝাতে পারা এমনকি সেই লেখাটি দিয়ে অন্যের মনে জায়গা করে নেয়া কোনকিছুই চাট্টিখানি কথা নয়। তাই লেখার ভুল না ধরে বরং ইতিবাচকভাবে পরামর্শ দেয়া উচিত শব্দচয়নে আরও সতর্ক ও মিতব্যয়ীতার। ছোট একটা শিশুই হোক কিংবা একজন নতুন রাঁধুনি, নতুন আঁকিয়ে অথবা লেখিয়ে সবাইকেই সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে প্রয়োজন ইতিবাচক বাক্যে প্রশংসা প্রদান; তাহলে সেই বিষয়ে তার মধ্যে আরও আগ্রহ তৈরী হয়। আর, ‘হয়নি’ কিংবা ‘ভালো হয়নি’ বললে তার আগ্রহ সেখানেই মুখ থুবরে পড়ে যায়! একটি লেখকের লেখার মৃত্যুও হয়তো এভাবেই হয়।
.
আমার বেড়ে ওঠার পরিমণ্ডলে নিজের বিকাশ এত সহজ ছিলো না। বাবা-মায়ের ক্ষেত্র থেকে যতটা না সুবিধা পেয়েছি সে তুলনায় ছোট দুই ভাই বেশি আগ্রহ ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। তাই নিজের একটা দু’টা লেখা কোন ই-বুক এ প্রকাশিত হলেও এক সময় নিজের পরিচিতির প্রসার ঘটাতে পরিবার সহ কাছের আত্মীয় বন্ধুকে নিজে নিজেই জানিয়ে লেখাটি পড়তে অনুরোধ করেছি। পরের দিকে তাদের কাছ থেকে একটু আলাদা নজর পেয়ে তা উপভোগ করেছি।
.
এভাবেই একে একে নিজেকে কিছু কিছু লেখক দলের সাথে যুক্ত করে নিতে শুরু করেছি। ভালো লেখক হয়ে ওঠার স্বপ্নটা তখনো দূর আকাশের তারা। গল্পকবিতায় লিখছি আর গঠনমূলক সমালোচনা কেউ কেউ করলেও অল্প কয়েক মাসেই বুঝে গেলাম অনেকেই মন ভুলানো মন্তব্য দিয়ে লেখা না পড়ে, ভোট না দিয়েই চলে যায়। লেখায় ভাটা পড়ে পুনরায়। থেমে যেতে থাকি। আবারও সেই মামুন ম আজিজ ভাই এর মাধ্যমেই এখন আরও কিছু মুক্তমনা লেখক বন্ধু জুটে যায়। সাহিত্যচর্চার শুদ্ধ বাসনা তাদের কয়েকজনকে একটা দলে আবদ্ধ করেছে-‘সংকাশ!’ এই দলে অনেকটা জোর করেই প্রথম দিকে যুক্ত হই। পরের দিকে পুনরায় লেখায় যত্ন তৈরী হতে থাকায় আমার অবস্থান এখানে গুরুত্ব পেতে থাকে। গুরুত্বের বদলে অবশ্য আমাকে সুযোগ দেয়া হতে থাকে বলাই বেশি ভালো; আর আমি সেজন্য ধন্য। বয়স-পেশা-পারিপার্শিকতার ভিন্নতা থাকা সত্বেও একদল মননশীল লেখকের ভিড়ে নিজে পথ চলছি, দুটো মনের কথা শেয়ার করার সুযোগ পাচ্ছি এ এক অনন্য পাওয়া। এবার বোধহয় লেখক হওয়ার একটা নির্দিষ্ট সহজ রাস্তা পেয়েই গেছি। স্বপ্ন আর থামে না; এবার চলছে দূর্বার গতিতে। একুশে বইমেলা ২০১৩ তে যখন ভাষাচিত্র প্রকাশনী থেকে আরও বাইশ জনের সাথে আমার নামটিও নৈঃশব্দের উচ্চারণ বইটিতে ঝকঝক করে জ্বলতে দেখলাম তখন নিজের চেনা গণ্ডিতে নিজের বইটির প্রচারণা প্রকারান্তরে নিজের নামটিই চালিয়ে গেলাম। আর এই ২০১৪ তে এসেও যখন সেই বইটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভাষাচিত্র প্রকাশনীতে ডিসপ্লে তে সাজানো দেখতে পাই, নিজের হৃদয়ের এক কোণে কিছুটা হলেও অন্যরকম ভালোলাগার আবেগ উছলে উঠে। শুধু তো এই নয় এবারের বইমেলায় বাংলা একাডেমী লিটল ম্যাগ চত্বরের সাদাকাগজ স্টলে নক্ষত্র সংকলন, সংকাশ এর তিনটি লিটল ম্যাগ, উন্মুক্ত স্টলে নারী প্রগতির ত্রৈমাসিক পত্রিকা ‘পারি’, আর অন্যপ্রকাশের মতন স্টলে আমার লেখার খোঁজ করতে আসা পাঠকের ভিড়; এসবের কোনটাই ফেলনা নয় বরং আমার লেখক হয়ে উঠার সুপ্ত বাসনাকে ক্রমশ বাড়িয়ে তুলছে! আজ আমাকে আমাদের বংশের মুরুব্বীরা মুঠোফোনে শুভাশিস জানিয়ে দিচ্ছেন এই বলে যে, আমার লেখার হাত যেন কোনদিনই থেমে না যায়! আমি যেন কখনোই এই পথ ছেড়ে পাঠকের মৃত্যু’র মতো লেখার মৃত্যু না ঘটাই।
.
আমার লেখার সবচেয়ে বড় মুগ্ধ পাঠক জ্যোতি আমার চাচাতো বোন। কিন্তু তার না আছে অনলাইন সুবিধা না আছে বইমেলায় আসা যাওয়ার অত সময়। সংসার-বাচ্চা-কাচ্চা সামলিয়ে যা একটু মুট্টহোফনে কথা বলারই সুযোগ পায় সে। তাই আমার মনে হয় অনলাইন আর বাস্তব কাগজের পাতার পাঠকের জন্য আসলে সবসময় ল্যাপটপ বা কম্পিউটারই মুখ্য উপাদান নয়। সব ধরনের পাঠকই যেহেতু মুঠোফোন ব্যবহার করে, সেজন্যে সব ধরনের মুঠোফোনে যদি পড়ার সুযোগ সুবিধা থাকতো তাহলে বোধহয় মুঠোফোনে গান শুনার পাশাপাশি নতুন লেখকদের পাঠকও বেড়ে যেতো অনেকগুণ। অনলাইন পাঠক এবং কাগজের পাঠকের মধ্যে সেতুবন্ধনও তৈরি হতে পারতো।
.
ভালো অথবা খারাপ কোন ঘটনার পূর্ব নিশানা অবচেতন মনে ডাক দিয়েই যায়। খারাপটা যেমন মনের ভেতরে দুঃশ্চিন্তার ঝড় তুলে আসে, তেমনি ভালো কিছুর খবরও খুশীর আবহ নিয়ে আসে মনের গলি ঘুপচিতে। নক্ষত্র ব্লগের মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠানের সন্ধ্যায় সামান্য জ্বর জ্বর অনুভূতি থাকা সত্বেও আমি ছুটলাম নজরুল মঞ্চে; এমনকি নক্ষত্র-ব্লগ বন্ধু যাদের নতুন প্রকাশিত বইটির মোড়ক উম্মোচন হবে তাদের হয়ে নীলদা’র আহবানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বইমেলার অংশে প্রথমা প্রকাশন এর সামনে থেকে কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক স্যারকে ডাকতে যাওয়া এবং ভিড় ঠেলে বাংলা একাডেমীর নজরুল মঞ্চ পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে আসার বিষয়টিতেও শেখার বা জানার ব্যাপার ছিলো। সাধারণ সহজ সরল মানুষ এই আমি চারপাশের সামান্য ঘটনাগুলোর মধ্যেই এমনিতেই ভালোলাগা খুঁজে পাই! ইদানিং গল্প ও লেখার বিষয়বস্তু নিয়ে খুব ভাবি বলেই আশেপাশের সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয়গুলো গভীর পর্যবেক্ষণ করি। ‘লেখক কিভাবে হবো’ এর জবাবে কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক যা বলেছেন তা আগেও অনেকের মুখেই শুনেছি! ‘লেগে থাকতে হবে!’ তার বিকল্প কিছু নেই। লেখক হয়ে ওঠা কিংবা ভালো লেখক হয়ে ওঠার জন্যে যা করতে হবে-লেগে থাকতে হবে। প্রচুর পড়তে হবে। লিখতেও হবে। অধ্যবসায় থাকলেই একমাত্র কোন পথে জয়ী হওয়া সম্ভব এ কথা আর কে না জানে। রবার্ট ব্রুসের পর পর কয়েকবারের চেষ্টায় দেশ বিজয় কিংবা আমাদের কাজী নজরুল ইসলাম এর ‘একবার না পারিলে দেখো শতবার’ ই তো উৎকৃষ্ট উদাহরণ। আছাড় খেতে খেতেই তো হাঁটা শেখা হয়ে যাবে।
.
সে তুলনায় আমি তো অন্তত অনলাইন বন্ধুতা আর ব্লগের মাধ্যমে লেখার প্লাটফরমে উঠেই পরেছি। এখন শুধু একটু ধৈর্য্যের সাথে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা। ধীরস্থির ভাবনায় লেখাগুলোকে সম্মিলিত করে ভাবের ব্যাখ্যা সৃষ্টি করা। তাড়াহুড়ায় অনেক ভালো জিনিস নষ্ট হয়ে যায়। তাই আমার অস্থির মনটাকে স্থিরতার গন্ডিতে বাধতে হবে। চারপাশে রয়েছে অসংখ্য ভালো একদল নক্ষত্রের মতন বন্ধু। আর তাই লেখার জোয়ারে ভেসেছি নতুন নতুন গল্পের প্লট নিয়ে ভাবছি প্রতিদিন। তাইতো বাইরে ঘরকুনো আমার একটু কোথাও যাওয়ার উপলক্ষ্য একটা পেলেই হলো সেটাকে লুফে নেয়া নতুন স্বভাবে পরিণত হচ্ছে।
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া
ঘর হতে শুধু দুই পা ফেলিয়া …
.
এইজন্যেই বোধহয় এতদিন চিন্তার দ্বার উম্মোচন হয়নি। তাই একুশে বইমেলায় প্রতিদিন স্টলে বসার সুযোগটাকে কিছুতেই হাতছাড়া করি না। প্রতিদিন নতুন নতুন অসংখ্য চেনা-অচেনা মুখের সাথে আলাপচারিতায় অন্তর্দর্শনে ভেতরটাও সমৃদ্ধ হবে আশা করি। তাই বেরিয়ে পরি প্রতিটি বিকেলে স্বভাবসুলভ উচ্ছ্বলতায়। আর সঞ্চিত অভিজ্ঞতাকে গল্পের আকারে তুলে আনার চেষ্টা করি কাগজের পাতায়।

আগের পর্বঃ

(সমাপ্ত)
জাকিয়া জেসমিন যূথী

[নোটঃ নক্ষত্র আয়োজিত সৃজনশীল ব্লগিং প্রতিযোগিতা ২০১৪ এর ৪র্থ পর্বে ১ম স্থান অধিকারী প্রবন্ধ। এই বইগুলোতে আমার বিভিন্ন ক্যাটাগরীর লেখা প্রকাশিত]

৮১জন ২০জন
0 Shares

৬টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য