আমি কোন নারী ব্লগারের সমালোচনা করি নি। আমি একটি লেখাকে সমালোচনা করেছি।
আমি কোন লেখককে কোনপ্রকার ব্যাক্তিআক্রমন করিনি, অপ্রাসাঙ্গিক কোন বিষয়ে কথা তুলিনি। আমি শুধুমাত্র লেখাটি নিয়েই সমালোচনা করেছি।

অল্প কদিনে কিন্তু অল্প কিছু কমেন্ট যা করেছি, সেখানে আমার নিজের কাছে সত্যিই যা মনে হয়েছে সেটাই লিখেছি। কোন লেখা বুঝতে না পারলে আমি কমেন্ট করেছি আপনার লেখা বুঝি নাই। কারো লেখায় বানান ভুল হলে বলেছি বানান ভুল হওয়ায় লেখার সৌন্দর্য নষ্ট হয়েছে। কোন লেখার ধরন পছন্দ না হলে, সেটাও আমি সরাসরি জানিয়ে কমেন্ট করেছি। আমার নিজের কাছে যদি মনে হয়েছে যে কোন লেখায় আরো ভিজ্যুয়ালাইজেশন দরকার, আমি বলেছি আরো ছবি যোগ করেন।

আমার প্রথম পোষ্টেই আমি এই ব্লগের ডিজাইন-ডেভেলপমেন্ট ও বিভিন্ন ত্রুটি নিয়েই সমালোচনা করেই যাত্রা শুরু করেছিলাম। খেয়াল করুন, আমি শুধু বেছে বেছে নারীদের সমালোচনা করি নি, কিংবা বেছে বেছে শুধু নতুনদেরও সমালোচনা করি নি। এই ব্লগের সবচেয়ে সিনিয়র ব্লগারদের লেখাতেও আমি সমালোচনা করে কমেন্ট করেছি। তেমন একদম নতুন ব্লগারও হয়তো আমার সমালোচনার মাঝে পরেছেন। আমি কারো মন জুগিয়ে কমেন্ট করতে পারবো না, এবং আমি এ জন্য মোটেও স্যরি না। আমার কাছে আপনার লেখা ভালো না লাগলে আপনি আমার সমালোচনায় পরবেন। অবশ্যই পরবেন। আপনি নতুন হোন, নারী হোন বা বাচ্চা হোন, আই ডোন্ট কেয়ার।

আমার সমালোচনা নিয়ে কথা বলুন, আমি ভুল সমালোচনা করলে সেটা শুধরে দিন। আমার লেখা ভালো না লাগলে সেটারও সমালোচনা করুন। যদি আমি ব্লগের নিয়ম ভঙ্গ করি, আমার লেখার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিন।

আমাকে অনেকেই বলছেন আমি পুরুষ বাদী, কিংবা পুরুষ শাসনতন্ত্রের বিশ্বাসী। আমি কোন লেখাতে পুরুষরাই সেরা, নারীগন অধীনস্ত এমন টাইপের কিছু তো লিখি নি। আমি দুই-তিনটি ছাইপাশ লেখা লিখেছি। ভালো করে খেয়াল করলে হয়তো বুঝতে পারবেন লেখাগুলো কোন ঘরানার। এই লেখা পড়ে যদি আপনার মনে হয় আমি পুরুষবাদী কিংবা নারী বিদ্বেষী, তাহলে আমার আর কিছু বলার নাই।

অনেকেই বলছেন একজন নতুন ব্লগারের লেখার সমালোচনা করা উচিত হয় নি। ভাই-আপু, আমি নিজেই তো সিনিয়র ব্লগার নই। আমি নিজেও এই ব্লগে নতুন।

অনেকেই বলছেন একজন নারী ব্লগারের লেখায় এভাবে সমালোচনা করা উচিত হয় নি, আচ্ছা আপনি কিভাবে শিউর হচ্ছেন যে আমি একজন পুরুষ ব্লগার? আমার জেন্ডার তো আমি কাউকে বলিনি। আমি পুরুষ ব্লগার নই, নারী ব্লগারও নই, এলিয়েন ব্লগারও নই। আমি শুধুই নগন্য ব্লগার সেডরিক।

আপনি বলতে পারেন আমি এতো এ্যারোগেন্ট কেন? আমি সবার সমালোচনা করি কেন? আমি নিজে কি মহাজ্ঞানী কি না? স্বাভাবিক, এইসমস্ত প্রশ্ন মনে আসতেই পারে।
– আমি মহাজ্ঞানী নই। আমি মনে করি কারো সমালোচনা করতে হলে তার সমান যোগ্য হওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
– আমি এ্যারোগেন্ট নই।
– কোন লেখা পছন্দ না হলে আমি সমালোচনা করি, কারন এই কাজটা করতেই ব্লগিং শুরু করেছি। আমি কিছুদিন আগেও ফেসবুকে লিখতাম। বেশ কয়েকটি রাইটিং গ্রুপে নিয়মিতই লিখতাম। কিন্তু কষ্ট করে যাই লিখি, লেখার মূল্যায়ন হতো না। লম্বা লেখা ফেসবুকে পড়তে কেউ পছন্দ করে না। অনেকে না পড়েই লাইক/রিয়্যাক্ট করতো, অনেকে অপ্রাসাংগিক মন্তব্য জুড়ে দিতো। অনেকে তো আমার লেখার চেয়ে আমার চুল, আমার পোষাক এগুলো নিয়েই বেশি কমেন্ট করতো। কেউ কেউ Nice লিখে কমেন্ট করতো বা ইমো/ষ্টিকার দিয়ে কমেন্ট করতো। আমার এগুলো পছন্দ না।

পরবর্তীতে একটা ব্লগে রেজিষ্ট্রেশন করি, কিন্তু সেখানে নিয়মনীতির বেড়াজালে আমার লেখা খুব বেশি মানুষের কাছে পৌছাতো না। আর এখন তো সেটি এদেশ থেকে ভিজিট করাই যাচ্ছে না।
আপনাদের ব্লগের একজন ব্লগার, যাকে ফেসবুক গ্রুপ থেকেই পরিচয়, তার মাধ্যমে এই ব্লগের সন্ধান পাওয়া।

আমি নিজের কর্মকান্ডে মোটেই লজ্জিত বা অনুতপ্ত নই। কারন আমি মনে করি না আমি লজ্জিত বা অনুতপ্ত হবার মত কিছু করেছি। তবুও লেখাটি লিখলাম কারন আমি কখনো ভাবিইনি আমার ঐ লেখাটি নিয়ে এতো কাহিনী হবে। ব্লগের এ্যাডমিন-মডারেটর গন আমার নির্দোষ সমালোচনামূলক লেখার বিরুদ্ধে চলে যাবেন, নিন্দা জানাবেন। ব্যাপারটা ভালো লাগেনি মোটেও। আমার আন্তরিকতা তো কম নেই। ঘন্টার পর ঘন্টা ব্লগে ঘুরছি, লেখা পড়ছি, ভুল-ত্রুটি বা লেখায় দূর্বলতা চোখে পড়লে সমালোচনা করে মন্তব্যও করছি। আন্তরিক না হলে তো “নাইস পোষ্ট ” লিখে বা ইমোজি দিয়েই কমেন্ট দিয়ে দিতাম।

নতুন ব্লগারদের আমি একটি কথাই বলবো, সমালোচনা সহ্য করতে শিখুন। সমালোচক আপনার শত্রু নয়। সমালোচনা আপনাকে নিয়ে না, আপনার লেখা নিয়ে করা হয়। আর যদি মনে হয় সমালোচক ভুল বলছেন, তবে নিজের লেখাকে নিজেই ডিফেন্ড করুন।  একজন লেখক এর থেকে এটাই কাম্য।

১৩১৪জন ১১২৪জন
4 Shares

২৩টি মন্তব্য

  • লীলাবতী

    আপনি সোনেলায় নতুন, তবে আপনি অভিজ্ঞ ব্লগার। আপনার পোষ্টের বক্তব্যের সাথে একমত।
    আপনি লিখেছেন ‘ আপনাদের ব্লগের একজন ব্লগার, যাকে ফেসবুক গ্রুপ থেকেই পরিচয়, তার মাধ্যমে এই ব্লগের সন্ধান পাওয়া। ‘ ………এখানে *আপনাদের ব্লগের* এটুকুতে যথেষ্ঠ আপত্তি আমার। এটি তাহলে আপনার ব্লগ নয়? আপনি কি সোনেলাকে নিজের ব্লগ সাইট ভাবতে লজ্জা পাচ্ছেন বা অস্বীকার করছেন?
    আপনিও কিন্তু সমালোচনা সহ্য করতে পারলেন না 🙂 এই পোষ্ট তার প্রমাণ। আপনার পূর্বের লেখায় সমালোচনা করেছেন একজন সিনিয়র ব্লগার, সাথে সাথে এটিও বলেছেন ‘ আপনি কোনো নিয়ম ভংগ করেননি। এমন পোস্ট দেয়ার অধিকার আছ আপনার।’
    এখন আপনার এই পোষ্ট দেয়ার সময়কে সমালোচনা করবো আমি।
    সোনেলার নীতিমালা ( https://www.sonelablog.com/tac/ ) পড়ুন। আপনি নীতিমালা অমান্য করে ২৫ মিনিট আগে এই পোষ্ট দিয়েছেন। আপনার উচিৎ এই পোষ্ট খসড়ায় নিয়ে নতুন ভাবে আবার পোষ্টটি দেয়া।
    শুভ ব্লগিং, ম্যাগাজিনের জন্য লেখা দিন প্রিয় ব্লগার।

  • মেহেরী তাজ

    এই ব্লগ সাইট টাকে আমরা নিজের ভাবি।আসলে এটা আমার ,আমার মত আর সবার। ব্লগিং এ এলে আলোচনা সমালোচনা বাধ্যতামূলক। আমরা নিজেরা নিজেরা তো তাই আলোচনা কিংবা সমালোচনা সময় নিয়ে করি। আগে ভুল গুলো দেখি ,তারপর আবার দেখি, তারপর বলি।
    যেমন ধরুন একটা আননোন নম্বর থেকে আপনার কাছে রাত ১২ টার পর কল আসলো। আপনি নিশ্চয় ধমক দিয়ে জিজ্ঞেস করবেন না কে তুই? আপনি সুন্দর করে বুঝাবেন যে এটা আননোন। এবং তার কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। ২য় বার ও সেইম ঘটনা ঘটলে আপনি সেবারও মেজাজ না হারিয়ে বুঝাবেন যে কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। তারপর ৩য় বার ও একই ঘটনার জন্য আপনি কড়া কথা বলতে পারেন।
    ব্যপার টা এমন আর কি।
    লেখাতে লজ্বিত হওয়ার দরকার নেই বরং লেখা ও সমালোচনা মার্জিত হওয়া দরকার।
    কেউ একজন আপনাকে শুধু একটু ধৈর্য ধরতে বলেছে আপনি তাতেই একটা পোষ্ট দিলেন। এরোগেন্ট ভায়োলেন্স এর জন্ম দেয়্।
    আমিও বলছি যে লীলাবতী বলেছেন “ম্যাগাজিন এর জন্য লেখা দিন”
    ধন্যবাদ আপনাকে ।

    • সেডরিক

      “কেউ একজন আপনাকে শুধু একটু ধৈর্য ধরতে বলেছে আপনি তাতেই একটা পোষ্ট দিলেন।”

      জ্বি না মেহেরী তাজ। আসলে সত্যি বলতে কি, কিছু মন্তব্যে আমার খারাপ লেগেছে।

      যেখানে আমি শুরু থেকেই বলেছি আমি ব্লগারকে ব্যক্তিগত ভাবে সমালোচনা করছি না, তার লেখা নিয়ে আমি আমার মতামত দিয়েছি। এমন কি ব্লগার জিসান শা ইকরাম আমার লেখায় মন্তব্য করার পরেই আমি রোবায়দা নাসরীনের লেখায় গিয়ে আমার অবস্থান পরিষ্কার করে তাকে স্বাগত জানিয়েছি।

      অথচ তারপরও যখন দেখি কেউ “আন্তরিকতা” নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, কেউবা সমালোচনা করাকে “অনভিপ্রেত” বলেছেন। কেউবা বলছেন আমার সমালোচনা আক্রমনাত্মক, আমি পুরুষালী শক্তি নিয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াচ্ছি।

      তখন খারাপ লাগাটা স্বাভাবিক।

  • 🎖প্রহেলিকা🎖

    ব্লগ শব্দের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত আলোচনা বা সমালোচনা শব্দটি। সমালোচনার মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠতে পারলেই লেখক তার লেখনীশক্তিকে আরও দক্ষভাবে প্রস্ফুটিত করতে পারে। সমালোচনার বিকল্প নেই। আবার এটা বলতেও দ্বিধা নেই সমালোচনাও একটা শিল্প। যারা প্রতিনিয়ত লিখছেন, কোনো লেখার চেয়ে কোনো লেখার সমালোচনা করা আরও বেশি কষ্টসাধ্য কাজ।

    সমালোচনার দিকে যাচ্ছি না, কারণ ব্যক্তিগত অনেক অভিমতকেই অনেকে সমালোচনা বলে থাকেন। আমার ধারণা কেবল ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা সকলেরই রয়েছে। আপনি কোনো লেখায় গিয়ে দু শব্দে বলে আসতে পারেন, “ভালো লাগেনি”। এটা কেবল ব্যাক্তিগত অভিমত কোনোভাবেই সমালোচনা নয়। সমালোচনা তারও অনেক বেশি কিছু দাবী রাখে। যেসব ব্লগার সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতা রাখে না তাদের লেখালেখি না করাই উত্তম মনে করি। কারণ অনেক সময় এসব লেখকরাই জনপ্রিয়তা কামাই করে বটে তবে নিম্নমানের হতে থাকে আমাদের লেখাশিল্পটা।

    আপনার দেয়া শেষ পোস্ট নিয়ে কিন্তু তেমন কোনো বিরোধ ছিলো না, সিনিয়র একজন ব্লগারও বলেছেন আপনার পোস্ট দেয়ার অধিকার আছে। উনি বিরোধিতা করলে হয়তো সেটি বলতেন না।

    আমরা শুধু এটুকু আশা করি কারো লেখার প্রতি কেউ যদি ভুলভ্রান্তি উল্লেখপূর্বক সমালোচনা করেন সেক্ষেত্রে লেখককে ফিল করাতে রিয়ালাইজড করাতে হবে সমালোচনাটা তার ভীত-সন্ত্রস্ত হবার কিছুই নয়। বরং তার সামনের পথ সুগম্য হবে।

  • অপার্থিব

    অনুতপ্ত হবার কোন কারণ নেই। গতকাল থেকে আলোচনায় যা বুঝলাম তার সারমর্ম হল- কোন ব্লগার যদি নুতুন হয় (প্রফাইল চেক করে বা নাম দেখে বুঝতে হবে) তাহলে এক ধরনের মন্তব্য লিখতে হবে ( মুলত প্রশংসা সূচক, নিয়মিত লিখুন ইত্যাদি) আর যদি নুতন না হয়ে পুরাতন হয় তাহলে আমি সমালোচনা মূলক মন্তব্য লিখতে পারি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে-
    ১) মন্তব্য করার ক্ষেত্রে এই ধরনের ডাবল ষ্ট্যাণ্ডার্ড কি নৈতিক ?
    ২) নুতুন ব্লগার জাজমেন্টের ক্রাইটেরিয়াগুলো কি কি ? কত দিন পর্যন্ত এক জন ব্লগার নুতুন বলে বিবেচিত হবে? এই বিষয়টি কি নীতিমালায় আছে?
    ৩) বলা হচ্ছে যে নুতুন ব্লগারে পোষ্টে সমালোচনা বা বিরুদ্ধ মতামত লিখলে উনি নিরুৎসাহিত হয়ে চলে পারেন। অবশ্যই প্রতিটা লেখক তার মুল্যবান সময় ব্যয় করে, নিজের চিন্তা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে একটা লেখা তৈরী করেন। যৌক্তিক বা অযৌক্তিক সমালোচনায় অনেক সময় তার মন খারাপ হতেই পারে কিন্ত মন্তব্যে যে সমালোচনা লিখছে সেও তো একই কাজ করছে। মন্তব্যকারীও তার মুল্যবান সময় ব্যয় করে, নিজ চিন্তা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ( “অসাধারন লিখছেন” টাইপের মন্তব্য লিখতে কোন চিন্তা দক্ষতা লাগে না), ইন্টারনেটে ডেটা খরচ করে অন্যের পোষ্টে সমালোচনা লিখছে। আমরা নুতুন লেখকের ইফোর্টকে হিসেবে গুণছি, মন্তব্যকারীর ইফোর্টকে নয়, কাজটা কি ঠিক?

  • সাবিনা ইয়াসমিন

    লেখায় সমালোচনা আসার মানে হলো, লেখকের লেখাটি বিভিন্ন পাঠকের ভাবনায় জায়গা করতে সক্ষমতা লাভ করেছে। যেকোন অভিজ্ঞ ব্লগার বা লেখক ব্লগে লেখেন তার লেখা/ প্রকাশিত ভাবনার উপর আলোচনা / সমালোচনা আশা করেই।

    কিন্তু নবীনদের জন্যে ব্যাপারটি একটু অন্যরকম। তারা আলোচনা হয়তো চান কিন্তু সমালোচনা কিভাবে নিবেন সেটা বুঝতে পারেন না। সোনেলা ব্লগে যারা লিখতে আসেন, তাদের বেশিরভাগই ফেসবুক থেকে আসেন। ফেসবুক লেখকেরা সমালোচনায় অভ্যস্ত নন। কারণ ফেসবুকের লাইক কমেন্ট তারা নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করেন। সেখানে তৈলাক্ত মন্তব্য অধিকহারে থাকে, বিধায় ফেসবুকাররা ব্লগে আতকা সমালোচনাটা নিতে পারেন না। যেহেতু আমরা নতুন লেখকদের আমন্ত্রণ করে আনি, এবং ফেসবুক থেকেই আনি তাই তারা যেন নির্ভরতার সাথে এখানে লিখতে পারেন সেটা আমাদের খেয়াল রাখতে হয়।

    সেডরিক, অপার্থিব সোনেলার সিনিয়র ব্লগার, তার কাছে আমাদের প্রত্যাশা বেশি। তারা যে সমালোচনা করেছেন তা মোটেই অযৌক্তিক ছিলো না। তবে, আমরা আশা করেছিলাম, আগে নতুনদের স্বাগতমটা সুন্দরভাবে করা হোক। ব্লগিংয়ের প্রথম পর্যায়ে সমালোচনাটা একটু নিয়ন্ত্রিত হতে পারতো।

  • শামীম চৌধুরী

    সেডরিক ভাই
    ছোট্ট করে বলি।
    সার যেমন গাছকে রিষ্ট পুষ্ট করে তদ্রুপ গঠনমূলক ও শালীন সমালোচনা মানুষের প্রতিভাকে উজ্জীবিত করে। তবে সমালোচনার ভার বা ওজনটা একটু সহনীয় পর্যায়ে হলে ভালো হয় নতুনদের জন্য।
    আপনার বিশ্লেষনটা ভালো লাগলো।

  • মোঃ মজিবর রহমান

    লেখা লেখক লেখেন আর পাঠক পড়ে। একেকজন পাঠক একেক রকম ভাবতে বা চিন্তা করতে পারে। এবং সেটাই স্বাভাবিক। আর ব্লগ মানেই সমালোচনা এবং সেটা ব্যাক্তি নই লেখার সেটা আপনি সুন্দর ভাবেই তুলে ধরেছেন। যুক্তি আর যুক্তি দিয়ে একে অপরের জানার পরিমান বাড়ানো।

  • রোবায়দা নাসরীন

    আপনি তো বেশ গুছিয়ে সব কথা লিখেন । সমালোচনা করতে পারা কিন্তু বিশাল ব্যাপার । একটা লিখাকে আত্মস্থ করতে পারলেই সমালোচনা করা সম্ভব । সে তুলনায় নরমাল লিখা অনেক সহজ।
    আমি আপনাকে আবার ধন্যবাদ জানাবো ( এই পর্যন্ত ৩ বার হলো) আমার লিখাটির সমালোচনার জন্য ।

  • নীরা সাদীয়া

    এই ব্লগটাতে এতদিন একটা আনন্দঘন পরিবেশ ছিল। বুঝতে পারছি না হঠাৎ কি হলো।
    গঠনমূলক সমালোচনা আমিও পছন্দ করি। যাই হোক, ব্লগটাকে চলুন সবাই আপন ভেবে নেই।

  • জিসান শা ইকরাম

    একটি লেখার চেয়ে লেখাটির সমালোচনা অনেক কঠিন।
    তবে আমরা এমন ভাবে এটি করি যা আর সমালোচনা থাকেনা। সমালোচনায় ভালো এবং খারাপ দুটোই থাকা উচিৎ, কিন্তু আমরা কেবল লেখার খারাপটাই বের করি, যেটা আসলে দোষালোচনা, সমালোচনা নয়।
    সম + আলোচনা = সমালোচনা ? সম মানে কি?
    সব চেয়ে বড় কথা, আমরা বলি আমার লেখায় সমালোচনা করুণ, কিন্তু কেউ যখন এটি করে তা আমরা গ্রহন করতে পারিনা, কারণ হচ্ছে তা সমালোচনা নয়, দোষালোচনা। এটি একজন সমালোচকের সীমাবদ্ধতা।

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ