শিরোনাম নেই//

বন্যা লিপি ৩ জানুয়ারী ২০২১, রবিবার, ১২:৪৩:২০অপরাহ্ন একান্ত অনুভূতি ১৩ মন্তব্য

নিরাপরাধ সুর্যের কিরণ নিত্য কুয়াসা চিড়ে হেসে খেলে পৃথিবীর কিনার ঘেঁসে উঠে আবার অপরপ্রান্তে ডুবেও যায়। আমি অগ্নিগোলকের চোখে চোখ রাখার দুঃসাহস দেখাই আদিকাল থেকে। সময়ের দেয়ালঘড়ি কালের তকমায় ওল্ডফ্যাসনের ট্যাগ পরেছে। স্থুল অপেক্ষা শীর্ণ  কিংবা তারও কিছুটা সরু কাঁটার আকার আজও পারেনি কেউ পরিবর্তন করতে। আমাদের জ্যোতি ক্ষয়ে আসে ক্রমশঃ চোখের ভঙ্গী বদলে দিতে।রক্তের ভেতরেও বিভাজন সরবে জানান দিতে বড্ড ব্যস্ত  অভিজ্ঞদের পরীক্ষা নীরিক্ষা।

হাড়মাংসের গঠন আলাদা হয়ে দূরে সমান দূরত্বে গ্যাঁট হয়ে ফলায় স্থায়ীত্বের দম্ভ।

প্রতিরাত আসে কিছু চুরি হয়ে যাওয়া সম্পদের তালিকা দীর্ঘায়িত করতে।ঘুটঘুটে করা অন্ধকার জানে আকাশের নিজস্ব কোনো আলো থাকে না।

থাকে কেবল মেঘেদের ছাদ। মেঘেরাও বিষন্ন হয়। তারপর ঝরাতে থাকে নালিশের বর্ষা।

কতদিন – রাত বিচ্ছিন্নতায় কাটিয়ে যাই নিরবিচ্ছিন্ন গহনের অতলে! সেখানে কঙ্কালের সংখ্যা গুণতে গুণতে আঙুলের কড়া কম পরে যায়। আমি ক্ষুধার্ত হই।

প্রচণ্ড রকম ক্ষুধা নিয়ে শব্দের মজুত খুঁজি।

ক্রমশঃ ক্লান্ত হতে থাকি। তারপর…….বুঝতে থাকি কঙ্কাল গুণতে গুণতে নিজেই কখন নাম লিখিয়ে ফেলেছি মৃত শবের ভীড়ে।

চারদেয়ালের বাস্তকোনায় বহু পুরোনো একটা আয়না রাখা আছে। গ্লাসটাতে এখনো স্পষ্টতার অহংকার ঠিকরে পরে।

চারধারের কাঠের ফ্রেমে দৃষ্টি নিবন্ধিত। এখনো মজবুত।

এইসব নালিশে-অভিযোগ সাথে নিয়ে বেরিয়ে পরি কখনো বেগুনী রোদের নিচে নিজেকে নিয়ে।

পৌঁছুতে চাই যেখানে কতগুলো পাহাড় সারিবেঁধে দাঁড়িয়ে আছে সেখানে।

শুনেছি সেখানে রোজ বাতাস বদলের দাবিদাওয়া নিয়ে মিছিল, মিটিং হয় রোজ। শামিল হতে যোগ দিতে চাওয়া পাখিরাও নাকি দরখাস্ত পেশ করছে দলে দলে……..

২০২জন ১১জন
0 Shares

১৩টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য