শাখা নদীর কষ্ট কাহন

মাসুদ চয়ন ২২ জুন ২০১৯, শনিবার, ০৯:৫৩:৩৪অপরাহ্ন কবিতা ২৩ মন্তব্য

#শাখা নদীর কষ্ট কাহন”
সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্তের দূরত্ব ছুঁয়ে দিনের সমস্ত কর্ম আয়োজন শেষ হয়ে যায়
সময় স্রোতে ঘন হয় রাত্রিযোগ
কেউ কেউ ঘুম খেয়ে নিমগ্ন হয় রাত্রি
প্রয়াসে
তারা সূর্যাস্তকে অতিক্রম করছে প্রতিবেলা
পরিসর নদীর পটভূমে তিনটি শাখা  নদী দৃশ্যমান হলো

প্রথম শাখাটি জলে টৈটম্বুর_যে জলে অন্যদ্বয়ের আফসোস ভেসে বেড়াচ্ছে
বুনো হাস হয়ে প্যাঁক প্যাঁক ডাকছে
অথৈ অতলে সারাক্ষণ জেগে জেগে ক্ষয়ের নামতা গুনেছে
নিঝুম নৈশব্দ্যে বিচ্ছিন্ন অভিলাষ অভিযোগ
নিরর্থক ঢেউয়ের আবাহনে মৃত লাশের কন্ঠস্বর শুনতে পাই

যারা কিনা মৃত্যুর আগেই মৃত্যুকে বুঝেছিলো
এমন পাঠ্যজন্ম ইতিহাসে ঠাই পায়না কেনো!
দ্বিতীয় শাখায় স্বয়ং আমির বিচরন
অথচ শাখাহীন হয়ে ঘুরছি ফিরছি বহুদিন ধরে
কোনো উদ্দেশ্য নেই পিছুটান নেই
চিরকাল দ্বিপাক্ষিক চাপ হতে পালিয়ে বেড়াচ্ছি

তৃতীয় শাখার গল্প এই কবিতায় খুঁজে পাবে
অবশ্য এমন গল্প না শুনলেই বেশ হতো–
তোমার মতন একটি দেহ মরিবার কালে জল পেলোনা-তুমি জেনেও জানলেনা
ভরা যৌবনে প্রেয়সীর সান্নিধ্যে নিমগ্ন হতে পারলোনা-তুমি অগোচরের অধিকার
আধো ঘুমো দেহটি বয়ে নিয়ে চলে এপারে ওপারে-তুমি থাকো কোন পাড়ে!
নুন লংকার মেরিনেট জন্ম বুঝলে
সময়ের জঠরে বড় বেশি উপেক্ষিত অবাঞ্চিত
হে নদী জল,চির মুক্ত বিচরিত কল্লোল
কোন মোহনায় খুঁজে পাবো তোমারে
বৈষম্যমুক্ত নিবাস কি হবে!
কেউ একটা শাখাবিহীন নদীর সন্ধান দিতে পারো_
নির্জনে বেঁচে থাকতে চাই-
কতো দূরে রয়েছো মহাকাল–বিচ্ছেদ নদীপট আরাধ্য না হউক আর/
(মাসুদ চয়ন)

৫৪৫জন ৬৬জন
93 Shares

২৩টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য