একটু সময় পেলেই উঁকি মারার অভ্যাস। একটু উঁকি ঝুঁকি না মারলে চলেই না। একটা দিনও উঁকি না মেরে থাকা সম্ভব হয় না। জানালার এক চিলতে ফাঁক দিয়ে হলেও উঁকি মারতেই হবে।

বাজে অভ্যাসটা একদমই ছিল না। আপনারাই বলেন তো কি করে অভ্যাসটা ফিরাই। অভ্যাসটা ফিরাবোই বা কি করে। জানালার ফাঁক দিয়ে যে উঠানে প্রতিদিন উঁকি দেই। সেখানে রয়েছে রসদের বাহার। আছেন নানা গুনীজন।গুনী লোকের পাশে থাকলেও অনেক কিছু শেখা যায়। শুধু কি তাই। কতো গল্প, কবিতা, এমনকি মুভির কাহিনী জানা যায়। বলেন তো এতো কিছুর লোভ কি সামলানো যায়।যাই হোক আপনারা একটু পরামর্শ দিয়ে যাবেন কিভাবে এই বাজে অভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে পারি।

এই লোভের জায়গায় হচ্ছে সোনেলা। যেখানে ছড়িয়ে আছে নানা শব্দের সমাহার। কত রকম উপমায় সজ্জিত শব্দে কত রকমের মালা গাঁথা হয়। শব্দের রোদ্দুর ঝলক উঠানে না এসে পারা যায় না।

ব্লগ সম্পর্কে ধারণা স্বচ্ছ ছিল না। আরজু আপার অনুপ্রেরণায় ব্লগে আসা। আল্লাহ আরজু আপাকে জান্নাতবাসী করুন। ব্লগে লেখা দেই কিন্তু ছবি এড করতে পারতাম না। সাবিনা আপা শিখিয়ে দিলেন কিভাবে ছবি এড করতে হবে।আর রোকসানা আপার অনুপ্রেরণা তো সাথে আছেই। খাদিজা ছোট বোনের মতো। ব্লগে আসার আগে থেকেই ভার্চুয়াল পরিচয়। আছেন বন্যা আপা, রীতু জাহান, সুরাইয়া আক্তার, সৌবর্ণ বাঁধন দাদা, জিসান শা ইকরাম ভাই, বোরহান ভাই, ছাইরাছ হেলাল ভাই, নার্গিস রশিদ আপা। সবাই এতো ভালো লিখে। মাঝে মাঝে মন্তব্য করতে গিয়ে ভাবি ঠিকঠাক হচ্ছে তো। লেখক যাই লিখুক, পাঠকের তার মত করে ভাবার অধিকার আছে। তাই হুটহাট করে যা মনে আসে তাই মন্তব্য লিখে যাই।

মাঝে সোনেলার উঠানে আলোর ঝলকানি কমে গিয়েছিল। কেমন যেন ধুসর বিবর্ণ হয়ে পড়েছিল সোনেলার পাতা।সোনেলার পাতা আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে। জোনাকির আলো চারিদিকে ঝলমল করছে।

লেখক বা কবি নই। তবু নিত্য লিখে যাই। আবোল তাবোল মনে যা আসে তাই।সোনেলার সতেজ পাতা জেগে থাকুক। আমার মতো পাঠক,লেখক বারবার উঁকি দিয়ে যাক সোনেলার উঠানে।

জেগে থাকুক সোনেলা

জেগে থাকুক তাঁরা

শব্দের খেলায় নেচে উঠুক

সোনেলার পাতা।

 

 

ছবি সংগ্রহ- সোনেলা গ্যালারি

 

১৭৫জন ২৪জন
0 Shares

১৭টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ