রোমান্টিক সাহিত্যের ইতিকথা

তৌহিদুল ইসলাম ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২১, বুধবার, ০৯:২৪:১০অপরাহ্ন সাহিত্য ২১ মন্তব্য

রোমান্টিক গদ্য কিংবা কবিতা আমাদের সকলের কাছেই উপভোগ্য। রোমান্টিক লেখকেরা পাঠকের মনের কোণে আলাদা একটি জায়গা করে নিয়ে থাকেন। রোমান্টিসিজম বা কল্পনাবিলাসী লেখার সেই লেখক যখন কোন রোমান্টিক লেখা লেখেন তখন তার মধ্য বাস্তবতা ও কল্পনার সংমিশ্রণজাত অনুভূতি বিরাজ করে যার প্রতিফলিত রুপ প্রকাশ পায় উক্ত লেখায়। বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিসিজমকে লেখকগণ এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন।

অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে হতে শুরু করে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত ইউরোপীয় সাহিত্যে, বিশেষত ইংরেজি, জার্মান ও ফরাসি সাহিত্যে যে একটা নবসৃষ্টির জোয়ার এসেছিলো; তার স্বরূপ ব্যক্ত করবার জন্যই একে রোমান্টিক আখ্যায় অবহিত করা হয়েছে। রোমান্সের প্রকৃত অর্থ সমুন্নত কল্পনার বিলাস। গদ্যময় দৃষ্টিভঙ্গির উপর অবাধ কল্পনার রশ্মি নিক্ষেপ। এই সাহিত্য সৃষ্টিতে মূলত দিব্য ভাব-কল্পনার মায়াঞ্জন সাহায্যে প্রকৃতি ও মানবজীবনের অন্তর্লোকে প্রবেশ করে নিত্য সৌন্দর্য উদঘাটন করবার প্রয়াস আছে বলেই একে রোমান্টিক হিসেবে আখ্যা দেয়া হয়েছে।

রোমান্টিসিজম একটা বিশিষ্ট সাহিত্যরস-একটা মানস-দৃষ্টিভঙ্গি। আলৌকিক সৌন্দর্যানুভূতি ও অফুরন্ত বিস্ময়ের উপলব্ধিই রোমান্টিক সাহিত্য সৃষ্টির মর্মকথা। বাইরের সংস্কারকে আমরা গ্রহণ করি প্রধানত বুদ্ধি ও অনুভূতির সাহায্যে। এই বাস্তব, সাধারণ বুদ্ধি ও ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য রূপের মধ্যে রোমান্টিক কবি দেখেন এক অসাধারণ ব্যঞ্জনা। অতিরিক্ত একটা অত্যাশ্চর্য প্রকাশ, বৈশিষ্ট্যহীনের মধ্যে এক অপূর্ব তাৎপর্য।

রোমান্টিক সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য হলো- অনুভূতির তীব্রতা ও গভীরত্ব। কল্পনার অবাধ প্রসার, একটা ভাবগত অখন্ড সৌন্দর্যের জন্য অদম্য কৌতূহল ও নব নব অভিযান এবং জগতের গূঢ় আবেদনে সদাজাগ্রত চিত্তবৃত্তি। পৃথিবীর তরুলতা, নদী-পর্বত হতে আরম্ভ করে সামান্য ধূলিকণা পর্যন্ত এক মহান সৌন্দর্য ও গৌরবে পরিব্যপ্ত হয়ে আছে বলে রোমান্টিক কবিগণ অনুভব করেন। প্রাচীন ইতিহাসের কিংবদন্তী ও রূপকথার কল্পনাবিলাস তাঁদের কাব্যে আসন গেড়ে নিয়েছে। লেখকদের রোমান্টিসিজম নিয়ে লেখার এই নবসৃষ্টির দ্বারা সাহিত্য যেন এক নতুন রাজ্যে জয় করেছে।

প্রকৃতি ও মানব জীবনের শত-সহস্র প্রকাশের মধ্যে রোমান্টিক কবি অনুভব করেন এক অপার্থিব সৌন্দর্য। আপাতদৃষ্টিতে যেটি নিতান্ত সাধারণ, গদ্যময়, সংসারের কুশ্রীতা, মলিনতায় ঢাকা। তারমধ্যেই আবিষ্কৃত হয় একটা অসাধারণত্ব, সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা। ক্ষুদ্র, তুচ্ছ জিনিস কবির চোখে ধরা দেয় অপরূপ তাৎপর্য ও সুষমামণ্ডিতরুপে। ক্ষুদ্র একটি গাছের পাতা, ছোট্ট একটা পাখির ডাক, সূর্যাস্তের একটু রক্তিম আভা লেখকের কাছে অনন্ত বিস্ময়ের খনি। এ যেন সাধারণ দৃষ্টির অতীত এক নূতন সৌন্দর্যের লীলাভূমি।

মানুষকেও রোমান্টিক কবি দেখেন অ-সাধারণ চোখে। মানুষের মধ্যে আছে পরম বিস্ময়, অনন্ত সম্ভাবনীয়তা ও রক্তমাংসের অতীত এক সত্ত্বা। মানব জীবনের এই বৃহত্তর ও মহত্ত্বর অংশকে রোমান্টিক কবি দেখেছেন পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে। লেখকের এই ঊর্ধ্বতম সত্ত্বায় মানুষে-মানুষে কোনো প্রভেদ নেই। মানুষের এই অংশ চিরস্বাধীন, চিরমুক্ত; আকাশের মতো যার ব্যপ্তি। নর-নারীর সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, উত্থান-পতন, স্নেহ-প্রেমকে তাঁরা দেখেছেন গভীর তাৎপর্যের সঙ্গে। রোমান্টিক সাহিত্যে নিরর্থকের অর্থ হয়েছে আবিষ্কৃত, ক্ষুদ্রকে উন্নীত করা হয়েছে বৃহতের ভূমিকায়। রোমান্টিক সাহিত্যে লেখকগণ প্রকৃতি ও মানব জীবনকে এক অপার্থিব সৌন্দর্য, গৌরব ও মহত্ত্বে মন্ডিত করেছেন।

রোমান্টিক সাহিত্য-সৃষ্টি পাঠে ভাবলোকের মধ্যে প্রাণের নবতম স্পন্দন অনুভব করা যায়। এমন অপূর্ব সম্পদ লাভ করা যায় যাতে ধরণীর শতগ্লানি, শতদুঃখ-জ্বালার মধ্যেও এ সংসার মধুময় লাগে। মানুষের প্রাণে এক অনন্ত সান্তনা নেমে আসে। মনে হয়, এই শোক-জ্বালাময় মানবজীবন উদ্দেশ্যবিহীন নয়। মানুষের স্নেহ-প্রেম নিরর্থক নয়, ক্ষণিকের নয়। সমস্ত সাহিত্যসৃষ্টির যে নিত্যবস্তু তারই চরমতম প্রকাশ ঘটে রোমান্টিক সাহিত্যকলায়।

যুগের পরিবর্তন হয়, রুচিরও পরিবর্তন হয়। কিন্তু মানুষের অন্তরতম সত্ত্বার কোনো পরিবর্তন হয় না। নিত্যকালের রোমান্টিক সাহিত্য যা চিরন্তন রস-পিপাসার অফুরন্ত সুধা-নির্ঝর কল্পনাবিলাসীতায় ভরপুর। ঠিক এ কারনেই বেশিরভাগ পাঠক রোমান্টিক সাহিত্যপাঠে সুখানুভূতি লাভ করেন।

কল্পনাবিলাসী সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন-

“এ গলিতে বাস মোর, তবুও আমি জন্মরোমান্টিক
আমি সেই পথের পথিক
যে পথ দেখায়ে চলে দক্ষিণে বাতাসে
পাখির ইশারা যায় যে পথের অলক্ষ্য আকাশে।
…………….
আকাশ-কুসুম- কুঞ্জবনে
দিগঙ্গনে
ভিত্তিহীন যে বাসা আমার
সেখানেই পলাতকা আসা-যাওয়া করে বারবার।”

————-

[ছবি- নেট থেকে
বই- রবীন্দ্র কাব্য পরিক্রমা।]

৩৫৪জন ১৪৮জন
39 Shares

২১টি মন্তব্য

  • প্রদীপ চক্রবর্তী

    অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে হতে শুরু করে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগ পর্যন্ত ইউরোপীয় সাহিত্যে, বিশেষত ইংরেজি, জার্মান ও ফরাসি সাহিত্যে যে একটা নবসৃষ্টির জোয়ার আসলেও তা পুরোপুরিভাবে বিকাশ লাভ করে ঊনবিংশতাব্দিতে।
    কেননা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথমে পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে গ্রহণ করলেও তা পরবর্তীতে মেনে নেয়নি।
    তার উদাহরণস্বরূপ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভ্যতার সংস্কৃতি প্রবন্ধে।
    তাই রোমান্টিক সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য অনুভূতির তীব্রতা ও গভীরত্ব। কল্পনার অবাধ প্রসার, একটা ভাবগত অখন্ড সৌন্দর্যের জন্য অদম্য কৌতূহল ও নব নব অভিযান এবং জগতের গূঢ় আবেদনে সদাজাগ্রত চিত্তবৃত্তি।
    এসব কিছু রবীন্দ্র কল্পনায় ঊনবিংশতাব্দির ধারায় প্রসার লাভ করে।
    .
    তখনকার রোমান্টিক সাহিত্য চর্চা আর এখনকার সাহিত্য চর্চায় ফারাক তফাত। কেননা বর্তমানের সাহিত্যচর্চা মনগড়া!
    .
    অজানা বিষয় জানা হলো,দাদা।
    ভালো লাগলো এমন লেখা পড়ে।

    • তৌহিদ

      রবীন্দ্রনাথ সেই সময়ে পাশ্চাত্য রোমান্টিক সাহিত্যরীতিকে গ্রহণ করতে পারেননি এর কারন বাংলা সাহিত্যের সেই ভাবগম্ভীর মাধুর্যতা ইংরেজি সাহিত্যরসের সাথে ঠিক বেমানানরকম বেখাপ্পা লেগেছিলো হয়তো তাঁর কাছে। রোমান্টিকতার যে ছোঁয়া বাংলা শব্দশৈলীতে পাওয়া যায় তা বোধকরি আর কোন ভাষাতেই নেই।

      এখন কেউ আমি তুমি মার্কা লেখা লিখেলেই আমরা তাকে রোমান্টিক সাহিত্য বলি। অথচ রোমান্টিক সাহিত্যের ধরনের সাথে তা মেলেনা।

      রোমান্টিকতার নামে গল্পে যে অবাধ যৌনতা প্রকাশ করা হচ্ছে তাকে ঠিক সাহিত্য বলতে রুচিতে বাঁধে। অথচ যৌনতাকেও বাংলা সাহিত্যকলায় অপরুপ মাধুর্যে প্রকাশ করার অনেক উদাহরণ আছে কিন্তু!

      মন্তব্যে ভালোলাগা অনেক। শুভকামনা দাদা।

  • পপি তালুকদার

    চমৎকার একটি বিষয় লেখনিতে নিয়ে আসছেন তার জন্য ধন্যবাদ।আসলে সভ্যতার পরিবর্তন ঘটে কিন্তু মানুষের মননের রোমান্টিকতার ধারা একি থাকে।রোমান্টিকতা মানুষের গভীর অনুভূতির প্রকাশ যা একেকজনের অভিব্যক্তি অনুযায়ী প্রকাশিত হয়।
    শুভ রাত্রি।

  • বন্যা লিপি

    আমার কি মনে হয় সবসময় জানেন? যত দশক ধরেই কবি সাহিত্যিকেরা অনুভাবি রচনা সৃষ্টি করা শুরু করেছেন! মানুষ তখন থেকেই রোমান্টিসিজমে ডুবছে – ভাসছে- মরছে- আবার বেঁচে উঠছে এই ধারার কৃষ্টিতে। মানুষ চাঁদকে দেখছে ভিন্ন ভিন্ন রুপে, প্রিয়াকে দেখছে মদিরতম চোখে, রাত উপভোগ করছে নিজের মত করে!
    যুগে যুগে বদলেছে রোমান্টিসিজমের পালাবদল।
    ” ওলো সই
    ইচ্ছে করে তোদের মত
    মনের কথা কই”
    সাধারণ একটা দৃশ্য তুলে আনলেন রবীন্দ্রনাথ এভাবে। কবির স্ত্রী এবং তার সখীর আলাপ দেখে দেখে লিখে ফেললেন কালজয়ী এই রচনা।
    রোমান্টিকতা না থাকলে আজও এত এত কবি’র বিচরন সম্ভবই হত কিনা যথেষ্ঠ সন্দেহ আছে।
    আমার বাবা’র কথা খুব মনে পড়ে এ ক্ষেত্রে। রাশভারী মানুষ বাবা আমার, একবার খুলনা বিএড পরীক্ষার হলে বসে দেখলেন রাস্তার অপজিটে এক শাড়ি ঝুলছে শাড়ির দোকানে, মনে মনে ঠিক করে নিলেন, এই শাড়িটা আমার মা’র পরনে খুবই ভালো মানাবে, হল থেকে বরিয়ে সোজা শাড়িটা কিনে নিলেন। মা যখন শাড়িটা দেখলো….. সলজ্জ হাসিতে উল্টো ঝামটা দিলো মৃদু। এই। রঙচঙা শাড়ি কি এহন আমারে মানায়?
    বাবাও উল্টো ধমক, -” এহন আর তহন কি? আমার চোখ সেদিন বুঝেছিলো, একেই হয়ত বলে রোমান্টিকতা।
    কেন যেন ইচ্ছে হলো এই স্মৃতিটুকু এখানে উল্লেখ করতে। আর এটুকু মন্তব্য করতে করতে আমারো ইচ্ছে হচ্ছে রোমান্টিকতার ধরন নিয়ে কিছু লিখতে।
    খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ পোষ্ট দিয়েছেন ভাই। ধন্যবাদ আপনার প্রাপ্য। শুভ কামনা।

    • তৌহিদ

      রোমান্টিকতা যুগে যুগে একই থেকেছে, হয়তো মানুষভেদে প্রকাশভঙ্গী পরিবর্তন হয়েছে। যার প্রতিফলন ঘটেছে আপনার বাবা মায়ের বেলায়। তাদের কথার প্রকাশই ছিলো রোমান্টিকতায় ভরপুর।

      সাহিত্যিকগণ রোমান্টিকতাকে লেখায় এনেছেন আর সাধারণ পাঠকের মাঝে তা প্রকাশিত হয়েছে অপরুপ মাধুর্যে। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। সাহিত্যিকগণই মনের ভাব প্রকাশের অন্যতম ধারক।

      চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি কিংবা প্রিয়ার মুখ যেন পূর্ণিমারর চাঁদ… ইত্যাদি ভাবাবেগ কিন্তু সাহিত্য থেকেই এসেছে আর তাই আমরা প্রকাশ করি এজে অন্যের কাছে।

      কাজেই রোমান্টিসিজমে লেখককে অস্বীকার করার উপায় নেই যদি সেই লেখা হয় মননশীল।

      মন্তব্যে ভালোলাগা রেখে গেলাম আপু। শুভকামনা সবসময়।

  • বোরহানুল ইসলাম লিটন

    সুন্দর উপলব্ধির যথাযথ ব্যক্ততা।
    আমার মনে হয় অন্তর দৃষ্টির প্রখরতাই
    কবিকে সাধারণ মানুষ থেকে আলাদা করে দেয়
    যদিও প্রতিটি মানুষের অন্তরেই একটা কবি সত্তা বাস করে।
    পাঠান্তে মুগ্ধতায় শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা রেখে গেলাম অন্তহীণ।

  • ছাইরাছ হেলাল

    দীর্ঘ লেখা পড়লাম,
    মানব জীবনে রোমান্টিকতা ছিল/আছে/থাকবে, তবে ফর্ম পাল্টে গেছে।
    ‘চরমতম প্রকাশ ঘটে রোমান্টিক সাহিত্যকলায়’ এ কথায় অনেক ভাবনার জায়গা রয়ে গেছে।

  • সুপর্ণা ফাল্গুনী

    ভাইরে ভাই কি লিখলেন!! লেখা পড়ে প্রেমে হাবুডুবু খেতে ইচ্ছে করছে তয় এখন আর সম্ভব নয়।এখন দায়িত্ববোধ, চিন্তার গ্যাড়াকলে সব চাপা দিয়ে রেখেছি 😭😭😭😭। মন এসব যদিও মানে না তবুও সেই আবেগ , অনুভূতি নতুন রুপে, রঙে ধরা দেয়। রবীন্দ্রনাথের ভাষায় বলতেই হয়, “যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলো রে।”
    রোমান্টিকতা ছিলো, আছে, থাকবে । কবি, সাহিত্যিকরা এসব তুলে ধরে বলে সাধারণ মানুষের প্রকাশ করতে সুবিধা হয়। তানা হলে সবাই তো প্রকাশ করতে পারে না।
    এই যেমন আপনার লেখা পড়ে কতকিছু বুঝলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

  • রেজওয়ানা কবির

    রোমান্টিকতা আছে বলেই ভালোবাসা বেঁচে আছে,সেই যুগ থেকেই রোমান্টিকতা ছিল, আছে থাকবে হেলাল ভাইয়ের মত বললাম।তবে রোমান্টিকতার ধরন,প্রকাশভঙ্গীতে চেঞ্জ হয়েছে এই আর কি?? রোমান্টিকতা আছে বলেই শিরি-ফরহাদ,লাইলী-মজনু,ইউসুফ-জুলেখার প্রেম এখনো অমর হয়ে আছে। রোমান্টিকতা কবিদের লেখনীতেও ধরা পড়ে । আমাদের মত তুচ্ছ মানুষও রোমান্টিকতা আছে বলেই হালকা পাতলা লিখতে পারি। রোমান্টিকতা সম্পর্কে বিস্তারিত পড়ে আরো অনেক অজানা বিষয় জানলাম। ধন্যবাদ ভাইয়া,শুভকামনা ।

  • মোহাম্মদ মনজুরুল আলম চৌধুরী

    সাহিত্যে রোমান্টিকতা নিয়ে চমৎকার লেখা — রোমান্টিক সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য হলো- অনুভূতির তীব্রতা ও গভীরত্ব। কল্পনার অবাধ প্রসার, একটা ভাবগত অখন্ড সৌন্দর্যের জন্য অদম্য কৌতূহল ও নব নব অভিযান এবং জগতের গূঢ় আবেদনে সদাজাগ্রত চিত্তবৃত্তি। পৃথিবীর তরুলতা, নদী-পর্বত হতে আরম্ভ করে সামান্য ধূলিকণা পর্যন্ত এক মহান সৌন্দর্য ও গৌরবে পরিব্যপ্ত হয়ে আছে বলে রোমান্টিক কবিগণ অনুভব করেন।

মন্তব্য করুন

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য